Hub Nexus

উন্নত করার কিছু দেখছেন? একটি পরিবর্তন প্রস্তাব করুন।

সমর্থন

| North Korea (orthographic projection)

(ছবি: ASDFGHJ ( talk )
File:South Korea (orthographic projection).svg : User:Ksiom, CC BY-SA 3.0) | |
| --- | --- |
| রাজধানী | পিয়ং ইয়াং |
| মুদ্রা | North Korean won (KPW) |
| জনসংখ্যা | ২৬.৪ মিলিয়ন (2023) |
| বিদ্যুৎ | ২২০ ভোল্ট / ৫৫±৫ হার্জ and ১১০ ভোল্ট / ৫৫±৫ হার্জ (টাইপ এ, ইউরোপ্লাগ, Schuko) |
| দেশের কোড | +850 |
| সময় অঞ্চল | ইউটিসি+০৯:০০, Asia/Pyongyang |
| গাড়ি চালানোর দিক | ডান |
| উইকিউপাত্তে সম্পাদনা করুন | |

উত্তর কোরিয়া উত্তর-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যা কোরীয় উপদ্বীপের উত্তর অর্ধাংশ নিয়ে গঠিত। এর সরকারি নাম গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া (কোরীয় ভাষায় 조선민주주의인민공화국 চোসন্‌ মিন্‌জুজুই্যই ইন্‌মিন্‌ কোংহুয়াগুক্‌)। উত্তর কোরিয়ার উত্তরে গণচীন, উত্তর-পূর্বে রাশিয়া, পূর্বে জাপান সাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ কোরিয়া এবং পশ্চিমে পীত সাগর অবস্থিত। দেশটির আয়তন ১,২০,৫৩৮ বর্গকিলোমিটার। উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে সোভিয়েত সামরিক বাহিনী কোরীয় উপদ্বীপের উপরের অর্ধাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছিল। ১৯৫০-এর দশকের কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে এটি সমাজতান্ত্রিক শাসনের অধীনে রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহরের নাম পিয়ং ইয়াং। উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া মধ্যবর্তী অবস্থিত কোরীয় সেনামুক্ত অঞ্চল ও প্রাবর অঞ্চল। আম্নোক নদী এবং তুমান নদী উত্তর কোরিয়া এবং গণচীন এর মধ্যবর্তী সীমান্তে অবস্থিত। তুমান নদী একটি অংশ একেবারে উত্তর-পূর্ব অংশে রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে।

শহর

  • পিয়ং ইয়াং (রাজধানী)
  • ক্যাসং শিল্পাঞ্চল
  • কুমকানসান
  • শিনুইজু
  • দক্ষিণ ফিয়ংআন
  • উত্তর ফিয়ংআন
  • চাকাং
  • দক্ষিণ হোয়াংহ্যা
  • উত্তর হোয়াংহ্যা
  • কাংউওন
  • দক্ষিণ হামগিয়ং
  • উত্তর হামগিয়ং
  • রিয়াংগাং

প্রধান শহরসমূহ

  • পিয়ং ইয়াং
  • হামহোং
  • ছংজিন
  • নামপো
  • শিনুইজু
  • ওয়নসান
  • পিয়ংসং
  • সারিওয়ন
  • আনজু
  • হ্যাজু
  • কাংগে
  • কিমছ্যাক
  • হেসান
  • ক্যাসং
  • সোংরিম
  • হোইরিয়ং

পর্যটন

উত্তর কোরিয়ার পর্যটন সরকার দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। দেশটির পূর্ব প্রান্তে সাগরের কোল ঘেঁষে অবস্থিত কুমগানসান নামের পর্বত ও অরণ্যময় এলাকাটি মনোরম দৃশ্যের জন্য পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়। উত্তর কোরিয়া সরকার জায়গাটিকে একটি পর্যটন এলাকা হিসেবে নির্ধারণ করেছে এবং এটি সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম উৎস বলে এখানে সমস্ত অর্থের আদান-প্রদান ডলারে সম্পন্ন হয়। রাজধানী পিয়ংইয়াং শহরটিতেও পর্যটকদের জন্য অনেক দর্শনীয় স্থান আছে, বিশেষ করে উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাটি।

বৈশিষ্ট্য

ভূগোল

উত্তর কোরিয়া এশিয়া মহাদেশের কোরীয় উপদ্বীপের উত্তরাংশে অবস্থিত রাষ্ট্র। এর আয়তন ১২০,৫৪০ বর্গ কি.মি.। উত্তরে চীন ও রাশিয়ার সাথে এবং দক্ষিণে দক্ষিণ কোরিয়ার কোরীয় বেসামরিক অঞ্চল এর সাথে এর সীমান্ত। উত্তর কোরিয়া হচ্ছে শীতষ্ণ-বলয়। এখানে গ্রীষ্ণকালে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত এবং শীতকালে উগ্র ঠান্ডা। উত্তর কোরিয়ার ৮০% এলাকা পর্বত ও উচ্চভূমি নিয়ে গঠিত। পূর্ব দিকের উপকূলীয় সমভূমিগুলি অত্যন্ত সরু, তবে পশ্চিমে পীত উপসাগরের উপকূলীয় সমভূমিগুলি প্রশস্ত; এগুলিতেই দেশের বেশির ভাগ লোক বাস করে। বেশির ভাগ নদী পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে পীত উপসাগরে পড়েছে। চীন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তুলনায় উত্তর কোরিয়াতে ভূমিকম্পের প্রকোপ কম। এখানে অনেক উষ্ণ প্রস্রবণ দেখতে পাওয়া যায়।

ইতিহাস

১৯১০ - ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত কোরিয়া মূলত জাপানিদের দখলে ছিল।

১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হেরে যাবার সময় জাপানিরা সমাজতান্ত্রিক দেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ করে। তার ফলে অবিভক্ত কোরিয়া ২ ভাগে ভাগ হয়ে যায়| তখন উত্তর কোরিয়া ১৯৫০ সালে সমাজতান্ত্রিক দেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের মতাদর্শে সমাজতান্ত্রিক ব্লকে চলে যায়, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া পুঁজিবাদি আমেরিকার মতাদশে এর পুঁজিবাদি ব্লকে যোগ দান করে। তখন থেকে কোরিয়া ২টি ভিন্ন নাম যথা উত্তর ও দক্ষিণ তথা ২টি ভিন্ন অথনৈতিক ব্যবস্থাতে চলতে শুরু করে। দক্ষিণ কোরিয়াতে আমেরিকার পুঁজিবাদ আর উত্তর কোরিয়াতে সোভিয়েত ইউনিউনের মত সমাজতন্ত্রবাদ চালু হয়। এটিই ১৯৪৮ সালে পথ দেখিয়েছে অবিভক্ত কোরিয়াকে বিভক্তিকরণ। উত্তর কোরিয়ার সরকারি নাম রাখা হয় গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া আর দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি নাম রাখা হয় প্রজাতন্ত্রী কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া এর রাজধানীর হয় পিয়ং ইয়াং আর দক্ষিণ কোরিয়া এর রাজধানীর হয় সিউল।

বিভক্ত কোরিয়াকে সংযুক্তিকরণের লক্ষে ১৯৫০ সালের ২৫ জুন উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করে। অবশেষে ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

ভাষা

কোরীয় ভাষা উত্তর কোরিয়ার জাতীয় ভাষা। এখানকার প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ কোরীয় ভাষায় কথা বলেন। উত্তর কোরিয়াতে ভাষাগত বৈচিত্র্য নেই বললেই চলে। কোরীয় ব্যতীয় কোন উল্লেখযোগ্য ভাষাগত বা জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এখানে বাস করে না।

উত্তর কোরিয়ার আদর্শ কোরীয় ভাষার নাম মুনহোয়াও, যার অর্থ পরিশীলিত ভাষা। এটি দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যবহৃত আদর্শ কোরীয় ভাষাটির চেয়ে আলাদা। এটি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়াং অঞ্চলে প্রচলিত ভাষার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। উত্তর কোরিয়াতে ছয়টি আঞ্চলিক উপভাষা রয়েছে, তবে চেজু দ্বীপের উপভাষাটি বাদে এরা পরস্পর বোধগম্য।

উত্তর কোরিয়াতে ব্যবহৃত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ভাষা সম্ভবত চীনা ভাষার অবস্থান। উত্তর কোরিয়ার সাক্ষরতার হার উচ্চ, প্রায় ৯৩%।১৯৪৯ সালে উত্তর কোরিয়াতে আইন করে গণমাধ্যমে চীনা অক্ষর ব্যবহার করে কোরীয় ভাষা লেখা নিষিদ্ধ করা হয়। তবে একই সাথে উত্তর কোরিয়ার স্কুলগুলিতে চীনা ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার ভাষাতে ইংরেজি ও জাপানি শব্দ ব্যবহারের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, যা উত্তর কোরিয়াতে সমালোচিত। ভাষা পরিকল্পনা, ভাষা নীতি, এবং নতুন শব্দ সৃষ্টি ও গ্রহণের নীতি প্রণয়নের ব্যাপারেও উত্তর কোরিয়ার প্রশাসন দক্ষিণ কোরীয় প্রশাসনের চেয়ে বেশি উদ্যমী।

যোগাযোগ ব্যবস্থা

পিয়ং ইয়াং মেট্রো হচ্ছে এমন এক ধরনের দ্রুতগতি সম্পন্ন পাতাল রেল ব্যবস্থা যা কিনা উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়াং এ অবস্থিত। এতে রয়েছে দুটি লাইন। প্রতিদিন এতে প্রায় ৩০০০০০ থেকে ৭০০০০০ মানুষ চলাচল করে। এটি নির্মাণ শুরু হয় ১৯৬৮ সালে এবং ১৯৭৩ সালে মহান নেতা কিম ইল সুং এটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেন। পিয়ং ইয়াং মেট্রো হচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে গভীর পাতালরেল। প্রায় ১১০ মিটার(৩৬০ ফিট)। পিয়ং ইয়াং মেট্রো হচ্ছে অন্যতম দ্রুতগতির বাহন। এ্তে অনেক বিদেশিও ভ্রমণ করেছে। এটি দুনিয়ার অনেক গুলো সস্তা বাহনগুলির মধ্যে একটি,মাত্র ৫ KP₩(০.০৩ মার্কিন মুদ্রা) প্রতি টিকিট। এতে এলুয়মিনিয়াম এর মুদ্রা টিকিট হিসাবে প্রদান করা হয়। এতে ধূমপান করা এবং খাওয়া নিষেধ,এর জন্য বড় জরিমানা করা হয়। এটি উত্তর কোরিয়ার পরিবহন ব্যবস্থার একটি অন্যতম সংযোজন।

এই পাতা কোথা থেকে এসেছে

এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “উত্তর কোরিয়া” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।

এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।

ভাষাবাংলাEnglish中文РусскийFrançaisEspañolDeutschPortuguêsItalianoSvenska

লাইসেন্স: CC BY-SA 4.0 · গৃহীত হয়েছে bn.wikivoyage.org

1

0

0

0

Spinner Logo

মন্তব্য

Spinner Logo
সংস্করণ: 1CC BY-SA 4.0
লিসবন: ভ্রমণ নির্দেশিকা
সংস্করণ: 1CC BY-SA 4.0
**আসাম** বা **অসম** [ভারতের]( একটি রাজ্য। উত্তরপূর্ব ভারতের এই রাজ্যটি হিমালয়ের দক্ষিণে অবস্থিত এবং এর অভ্যন্তরে রয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ, বরাক উপত্যকা এবং উত্তর কাছাড় পর্বতমালা। উত্তর পূর্ব ভারতের আরও ছয়টি রাজ্য, যথা [অরুণাচল প্রদেশ]( [নাগাল্যান্ড]( [মণিপুর]( [মিজোরাম]( [ত্রিপুরা]( এবং [মেঘালয়]( দ
সংস্করণ: 1CC BY-SA 4.0
হিচহাইকিং