Ser du noget at forbedre? Foreslå en ændring.

পুরনো তিব্বতি প্রদেশসমূহ (ছবি: Tibet&neighbors_Locator_map.svg : Keithonearth
Map_of_Tibet_Ü-Tsang_Amdo_and_K, CC BY-SA 3.0)
প্রাচীন তিব্বত সাম্রাজ্যের তিনটি প্রদেশ ছিল — উ-সাং, আমদো এবং খাম। নামগুলি এখনও মাঝে মাঝে ব্যবহৃত হয়, তিনটি অঞ্চলের এখনও বিভিন্ন উপভাষা রয়েছে এবং ধর্মশালায় দালাই লামার নির্বাসিত তিব্বত সরকার এখনও তিনটি অঞ্চলকেই তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে। তবে ভ্রমণকারীদের জন্য এই দাবি একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক। বর্তমানে এই তিন প্রদেশ দৃঢ়ভাবে চীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঐতিহাসিক পটভূমির জন্য দেখুন সাম্রাজ্যবাদী চীন ও চীনের বিপ্লবসমূহ।
ভ্রমণকারীদের জন্য প্রাসঙ্গিক হলো যে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত — বিদেশিদের সেখানে প্রবেশের জন্য বিশেষ অনুমতি নিতে হয়, এবং অন্যান্য বিধিনিষেধও থাকতে পারে; দেখুন তিব্বত। তবে প্রাক্তন সাম্রাজ্যের অন্যান্য অংশে এই ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়। আর কিছু এলাকা এখনও জাতিগত ও সাংস্কৃতিকভাবে তিব্বতি। দেখুন গন্তব্য অংশ।
১২৫০ সালের দিকে মঙ্গোল সাম্রাজ্য কর্তৃক জয়লাভের পর থেকে তিব্বত কেবল মাঝেমধ্যেই সম্পূর্ণ স্বাধীন হয়েছে। যদিও চীনের বিভিন্ন শাসক - মঙ্গোল, মিং, চিং, জাতীয়তাবাদী এবং কমিউনিস্ট - কিছু অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসনের অনুমতি দিয়েছেন। তবে ১৭০০ সালের গোড়ার দিকে চিং রাজবংশ (চীনের মাঞ্চু শাসকরা ১৬৪৪-১৯১২) এই অঞ্চলে তার সীমানা প্রসারিত করার পর থেকে তিব্বতের পুরনো সাম্রাজ্যের বড় অংশই বাস্তবে তিব্বতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
প্রদেশসমূহ
এই অংশে তিব্বতি শাসনের অধীনে থাকা তিনটি প্রদেশ বর্ণনা করা হয়েছে। চিং শাসকরা বড় পরিবর্তন আনে, এবং চীনের প্রজাতন্ত্র (১৯১১–১৯৪৯) ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (১৯৪৯–বর্তমান) বেশিরভাগই সেই বিভাজন বজায় রাখে, তাই বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সীমানাগুলো পুরনো প্রদেশগুলোর সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।

খাম, ১৯০৮। প্রতিজনের বোঝা ৩০০ পাউন্ড (১৩৫ কেজি) চা (ছবি: ralph repo, CC BY 2.0)
- একসময় উ-সাং প্রদেশ এবং খামের একটি বিরাট অংশ এখন তিব্বতি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল বা টিএআর। এই অঞ্চলের চীনা নাম শিজাং (西藏)। এটি হলো তিব্বতি নামের অনুবাদ যা আমরা উ-সাং হিসাবে লিপ্যন্তর করি। । ইংরেজি Tibet সাধারণত এই অঞ্চলকেই বোঝায়, আর আমাদের মূল তিব্বত নিবন্ধে এই অঞ্চলই আলোচিত। এখানকার উপভাষাই তিব্বতি কথোপকথন বইয়ে বর্ণিত হয়েছে এবং এটিকে তিব্বতি ভাষার আদর্শ সংস্করণ হিসাবে স্কুলগুলিতে পড়ানো হয়। ১৯১১–১৯৫০ সালের বাস্তব স্বাধীনতার সময় উ-সাংই ছিল একমাত্র এলাকা যা তিব্বতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- খাম ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন উপজাতি ও ক্ষুদ্র রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে ছিল (সবগুলো তিব্বতি নয়), যারা প্রায়ই একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। আজকের কিছু প্রধান পর্যটনকেন্দ্র, যেমন তালি ও লিজিয়াং, সেই যুগে আঞ্চলিক রাজধানী ছিল। ইউনান পর্যটন পথ সম্পর্কে আমাদের নিবন্ধটিতে খামের কিছু অংশ ভ্রমণের কথা আলোচনা করা হয়েছে যার মধ্যে সেই শহরগুলিও রয়েছে।
চীন ও তিব্বত উভয় সরকার শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এলাকা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে, অনেক সময় সফলও হয়েছে, তবে উভয়ের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ হয়েছে। চিং শাসকরা খামের পূর্বাংশ ইউনান ও সিচুয়ান প্রদেশের অধীনে দেয়, এবং আজও তা সেভাবেই রয়েছে।
১৯৫০-এর দশকে খামের পশ্চিম অংশকে টিএআর-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থায় খামের কোনো আলাদা ভূমিকা নেই; তার পুরনো সব এলাকা এখন অন্য প্রশাসনিক এককগুলোর অংশ। তবে এখানকার মানুষ এখনও নিজেদের খামপা বলে এবং তিব্বতের কিছুটা ভিন্ন উপভাষায় কথা বলে।
- আমদো তিব্বতি নাম; এলাকাটি মঙ্গোলীয় ভাষায় কোকোনর এবং চীনা ভাষায় ছিংহাই নামে পরিচিত। ভৌগোলিকভাবে এটি তিব্বতি মালভূমির অংশ। এর গড় উচ্চতা ৩,০০০ মিটারেরও বেশি। জাতিগতভাবে এটি বেশ মিশ্র; ইতিহাসে তিব্বতিদের সংখ্যা বেশি ছিল, মঙ্গোল ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম। তবে বর্তমানে এখানকার জনসংখ্যার ৫০% এর বেশি হান চীনা। হান চীনারা বেশিরভাগই প্রদেশের পূর্ব অংশের প্রাদেশিক রাজধানী শিনিংয়ের আশেপাশে একটি ছোট এলাকায় কেন্দ্রীভূত। আশেপাশে; বাকিটা কম জনবসতিপূর্ণ এবং প্রধানত তিব্বতি।
চিং শাসকরা ছিংহাই প্রদেশ প্রতিষ্ঠা করে, যা ঐতিহাসিক আমদোর সঙ্গে প্রায় মিলে যায়। এবং পরবর্তী সরকারগুলোও তা বজায় রেখেছে। উইকিভয়েজে একটি আমদো তিব্বতি কথোপকথন বই আছে। বর্তমান দালাই লামার জন্মও এখানে ১৯৩৫ সালে।
বর্তমান সীমানাগুলির কোনওটিই পুরোনো সীমানার সাথে হুবহু মিলে না; উপরেরটি কেবল একটি সাধারণ নির্দেশিকা।
ভাষা
স্বাভাবিকভাবেই, প্রাক্তন সাম্রাজ্যের বেশিরভাগ অংশে তিব্বতি ভাষাই প্রধান ভাষা। যদিও কয়েক দশক ধরে চীনা নিয়ন্ত্রণের কারণে আজকাল মান্দারিনও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তিব্বতির অসংখ্য উপভাষা রয়েছে, যার সবগুলোই পারস্পরিকভাবে বোধগম্য নয়। যদিও লাসা উপভাষাকে কার্যত মানক হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তিব্বতি স্কুলগুলিতে পড়ানো হয়। তিব্বতি ভাষা কেবল টিএআর-এর মধ্যেই নয়, বরং প্রাথমিকভাবে অন্যান্য জাতিগত তিব্বতি অঞ্চলেও ম্যান্ডারিনের সাথে সহ-সরকারি ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যার অর্থ আপনি দ্বিভাষিক রাস্তার চিহ্ন দেখতে পাবেন এবং স্থানীয় পুলিশ স্টেশন এবং সরকারি অফিসগুলিতে তিব্বতি-ভাষী কর্মী দেখতে পাবেন।
গন্তব্য
টিএআরে ভ্রমণের জন্য দেখুন তিব্বত নিবন্ধ। এখানে আমরা এমন কিছু স্থানের বর্ণনা দিচ্ছি যেগুলি সাংস্কৃতিকভাবে তিব্বতি কিন্তু টিএআর-এর বাইরে। এই স্থানগুলো কোনও বিশেষ অনুমতি ছাড়াই এবং কোনও নির্দেশিত ভ্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে স্বাধীনভাবে পরিদর্শন করা যায়।
চীনের ভেতরে
ইউনান পর্যটন পথটির বেশিরভাগই খামে অবস্থিত। এ অঞ্চলে বহু জাতিগোষ্ঠী রয়েছে; দক্ষিণাংশে তিব্বতিদের সংখ্যা অল্প হলেও উত্তরে বাড়তে থাকে। এর উত্তর প্রান্তে শাংরিলা এবং ডেকিন শহরগুলি মূলত তিব্বতি, এবং তাদের আশেপাশের গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দারা প্রায় সবাই তিব্বতি।
তিন সমান্তরাল নদী অঞ্চলে ট্রেকিং করলে আপনার গাইড প্রায়ই তিব্বতি হবে, বিশেষত যদি শাংরিলা থেকে কাউকে ভাড়া করেন। উদ্যানে রয়েছে কাওয়াগারবো নামক ৬,৭৪০ মিটার (২২,১০০ ফুট) উচ্চতার একটি শৃঙ্গ যা তিব্বতিদের কাছে পবিত্র। আপনার হয়তো পাহাড়ের চারপাশে ঘুরতে আসা তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে দেখা হতে পারে।
সিচুয়ানের বিখ্যাত মনোরম স্থান জিউঝাইগোউ একসময় খামের অংশ ছিল। আর এর নামকরণ করা হয়েছে এলাকার নয়টি ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি গ্রাম থেকে, যেগুলোর সাতটিতে এখনও তিব্বতিরা বাস করে।
চিয়াংরা তিব্বতিদের আত্মীয় হলেও পৃথক জাতিগোষ্ঠী, যারা খামের আজকের সিচুয়ান অংশে বসবাস করে। তাদের সংস্কৃতির প্রধান কেন্দ্র হলো জিউঝাইগোয়ের কাছে মাওশিয়ান এলাকায়।
দুটি বৃহত্তম স্থান, জিনিং এবং গোলমুদ ছাড়া, কিংহাই শহরের তালিকাভুক্ত সমস্ত শহরই মূলত তিব্বতি। তিব্বতি ইতিহাসে হুয়াংঝং গুরুত্বপূর্ণ এবং এর একটি প্রধান মঠ রয়েছে। ইউশুতে বেশ কয়েকটি মঠ রয়েছে এবং জুলাই মাসে বার্ষিক ঘোড়ার মেলা অনুষ্ঠিত হয় যা অনেক যাযাবরকে শহরে নিয়ে আসে। টংগ্রেনেও মঠ রয়েছে এবং এটি বৌদ্ধ শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
ঐতিহ্যগতভাবে পু'এর (ইউনানের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ) ঘোড়ার কাফেলাগুলো এখান থেকে তিব্বত ও বার্মাতে (বর্তমানে মিয়ানমার) চা বহন শুরু করত। বহু ঘোড়সওয়ার তিব্বতি ছিল এবং এই এলাকায় এখনও উল্লেখযোগ্য তিব্বতি জনসংখ্যা আছে। এই অঞ্চলের চা, pǔ'ěrchá (普洱茶), চীনের সবচেয়ে বিখ্যাত সম্পূর্ণরূপে গাঁজন করা চা। এটি শক্ত কেকে চাপানো অবস্থায় বিক্রি হয়, যা মূলত কাফেলায় বহনের সুবিধার্থে ছিল। অনেক কেকেই সুন্দর নকশা থাকে, যেগুলো মানুষ দেয়ালে সাজিয়ে রাখে।
তিব্বতি ছাড়াও, তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম জাতিগত মঙ্গোল এবং ঐতিহাসিকভাবে জাতিগত মাঞ্চু জাতিগোষ্ঠীর প্রধান ধর্ম। প্রধানত মঙ্গোলিয়ার অভ্যন্তরে এবং এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলির মঙ্গোলীয় অঞ্চলে অসংখ্য তিব্বতি বৌদ্ধ মন্দির পাওয়া যায়।। বেইজিংয়ে ইয়ংহে মন্দির একটি বিখ্যাত তিব্বতি বৌদ্ধ মন্দির, যার স্থাপত্য চীনা ও তিব্বতি শৈলীর মিশ্রণ। এটি চিং শাসক মাঞ্চুরা নির্মাণ করেছিল।
চীনের বাইরে
হিমালয়ের উত্তরে অবস্থিত লাদাখ অঞ্চল ভারতের নিয়ন্ত্রণাধীন, যদিও চীন এবং পাকিস্তান উভয়ই এটি দাবি করে। মধ্যযুগে এটি কখনও কখনও তিব্বতের শাসনাধীন ছিল এবং এর সংস্কৃতি তিব্বতের সঙ্গে বেশ মিল সম্পন্ন। তাই একে "ছোট তিব্বত"ও বলা হয়। আজ এর রাজধানী লেহ একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র।
ভারতের অরুণাচল প্রদেশ একসময় তিব্বতি সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, আর এর সংস্কৃতিতেও তিব্বতি প্রভাব প্রবল। ১৯১৪ সালে কার্যত স্বাধীন তিব্বত সরকার এটিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছে হস্তান্তর করে এবং ব্রিটিশরা সরে গেলে এটি ভারতের অংশ হয়ে যায়। তবে চীন তিব্বতি স্বাধীনতাকে কখনও স্বীকৃতি দেয়নি, তিব্বত ও ব্রিটিশ সরকারের মধ্যে চুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং এই অঞ্চলকে এখনও নিজেদের দাবি করে আসছে।
ভারত ও নেপালে তিব্বতিদের উল্লেখযোগ্য সম্প্রদায় রয়েছে; ১৯৫৯ সালের ব্যর্থ বিদ্রোহের পর অনেকেই সেখানে পালিয়ে যায়। প্রধান কেন্দ্রগুলো হলো ধর্মশালা ও কাঠমান্ডু; উভয় শহরেই তিব্বতি রেস্টুরেন্ট এবং প্রচুর শিল্পকর্ম ও হস্তশিল্প বিক্রি হয়। কাঠমান্ডুর অনেক ব্যবসায়ী বিদেশি দেখলেই "তিব্বতি" শব্দ ব্যবহার করে দাম অনেক বাড়িয়ে দেন; ন্যায্য দাম পেতে হলে আপনাকে জোরালোভাবে দর কষাকষি করতে হতে পারে।
যদি আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য হয় তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের গভীর অধ্যয়ন, তবে ধর্মশালা যাওয়াই উত্তম। কারণ দালাই লামার অনুগামীদের মধ্যে বহু শিক্ষক আছেন। চীনে এই ধরণের অধ্যয়নকে উৎসাহিত করা হয় না, আর নেপালের নিজস্ব ভিন্ন ধরণের বৌদ্ধধর্ম রয়েছে। বিকল্পভাবে আপনি বোধগয়াতেও যেতে পারেন, যেখানে বুদ্ধ জ্ঞান লাভ করেছিলেন। এটি এখন একটি প্রধান তীর্থস্থান, এবং একটি তিব্বতি মঠ সহ বেশ কয়েকটি মঠ রয়েছে।
তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম তিব্বতি সাংস্কৃতিক পরিধির বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে এবং ভুটান ও মঙ্গোলিয়ায় , পাশাপাশি রাশিয়ার বুরিয়াত , কাল্মিক এবং টুভান জাতিগতদের মধ্যেও এটি প্রধান ধর্ম ।
আরও দেখুন

(ছবি: CC BY-SA 3.0)

(ছবি: CC BY-SA 3.0)
{{#assessment:প্রসঙ্গ|ব্যবহারযোগ্য}}
এই পাতা কোথা থেকে এসেছে
এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “তিব্বত সাম্রাজ্য” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।
এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।
Licens: CC BY-SA 4.0 · Bearbejdet efter bn.wikivoyage.org
1
0
0
0

Kommentarer





