This page is also in English: Yaowarat and Phahurat Tour
ইয়াওয়ারাত এবং ফাহুরাত সফর হল ব্যাংককের চীনা এবং ভারতীয় সম্প্রদায়ের আবাসস্থল ইয়াওয়ারাত এবং ফাহুরাতের মধ্য দিয়ে দিন এবং রাতের একটি নির্দেশিত হাঁটা সফর।
উপলব্ধি

ইয়াওয়ারাত রোড (ছবি: Flickr user: Adam Baker Houston, Texas, United States of America https://www.fli, CC BY 2.0)
ইয়াওয়ারাত এবং ফাহুরাত অবশ্যই বেশিরভাগ ভ্রমণকারীদের ব্যাংকক ভ্রমণের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে না। বেশিরভাগ পর্যটকইই ব্যাংকককে চিনবে অবশ্য দর্শনীয় মন্দির, প্রাসাদ, বাজার, শপিং মল এবং গো-গো বারগুলির শহর হিসাবে। যদিও এগুলির বেশিরভাগই ইয়াওয়ারাত এবং ফাহুরাতে দেখা যায়, তবুও এই এলাকাগুলি আলাদা হয়ে ওঠে কারণ তাদের বড় আকর্ষণগুলির অভাব। এখানে "অবশ্যই দেখতে হবে" এমন কিছু নেই, শুধুমাত্র কিছু জায়গা আছে যেগুলি আপনি চাইলে "দেখতে পারেন"। তবে দেখতেই হবে এমন কিছু নয় — এই অঞ্চলের আনন্দ সব থেকে বেশি নেওয়া যাবে এখানকার স্বাভাবিক পরিবেশ দেখে এবং উপভোগ করে। শুধু ছোট ছোট গলির মধ্যে দিয়ে হেঁটে যান, বাজারগুলিতে কি কি পাওয়া যায় কী তা খুঁজে দেখুন এবং স্থানীয়রা যা খায় তা খান।
প্রস্তুতি
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মতে, ব্যাংকক হল বিশ্বের উষ্ণতম শহর, তাই কখনই উষ্ণতাকে ছোট করে দেখবেন না। প্রকৃতপক্ষে, আপনি দ্রুত বুঝতে পারবেন যে ইয়াওয়ারাত এবং ফাহুরাতের তাপমাত্রা শহরের অন্য জায়গার চেয়েও খারাপ: এখানে আপনাকে শীতল করার জন্য কোনও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শপিং সেন্টার নেই, কেবল ব্যস্ত যানজট-দমবন্ধ রাস্তা, উঁচু ধোঁয়াশার স্তর এবং অবিরাম ছোট ছোট গলি যা সত্যিই বিকেলের দিকে গরম হওয়া শুরু করে। পর্যাপ্ত মাত্রায় তরল কিনুন এবং পান করুন, তবে আপনার পিঠের ব্যাগে বড় বড় জলের বোতল বহন করার প্রয়োজন নেই, কারণ এখানে প্রচুর বাজার এবং সুবিধা মতো দোকান রয়েছে যেখানে শীতল পানীয় বিক্রি হয়। যেহেতু আপনি বেশিরভাগ সময় হাঁটাহাঁটি করবেন, তাই হালকা ও আরামদায়ক জুতো পরুন এবং জলবায়ু অনুসারে পোশাক পরুন। যদিও খুব ছোট পোশাকের দিকে যাবেন না: বৌদ্ধ মন্দির এবং উপাসনালয়ে ছোট প্যান্ট এবং ছোট-স্কার্ট অনুমোদিত নয়।
আপনি যদি পারেন তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ুন, কারণ এই সফরে সম্ভবত সারা দিন লাগবে। ভ্রমণ পথটি সি ফ্রায়া পিয়ার থেকে শুরু হয়ে ইয়াওয়ারাতের দিকে অগ্রসর হয়, তারপরে ফাহুরাতের মধ্য দিয়ে যায়। সন্ধ্যায় আপনি জ্বলতে থাকা নিয়ন লাইটগুলি দেখতে দেখতে ইয়াওয়ারাতে ফিরে যাবেন। মানচিত্রকে বিশ্বাস করবেন না — ইয়াওয়ারাতের প্রতিটি ছোট গলিকে পুরোপুরি দেখানো মানচিত্রটি এখনও তৈরি করা যায় নি। এই নিবন্ধটি এবং সংশ্লিষ্ট মানচিত্রটি মুদ্রণ করতে ভুলবেন না, যাতে আপনি হাঁটার সময় এলাকার একটি সাধারণ বর্ণনা পান। আপনি হয়তো হারিয়ে যেতে পারেন — কিন্তু যতক্ষণ আপনার কাছে মানচিত্র থাকবে, আপনি কোনো না কোনোভাবে আপনার প্রয়োজনীয় রাস্তায় ফিরে আসার পথ খুঁজে পাবেন। আপনি বিকল্প তালিকার জন্য ইয়াওয়ারাত এবং ফাহুরাত জেলা নিবন্ধটি মুদ্রিত করতে চাইতে পারেন।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ হলো যে এখানে কোন যাত্রাপথ নির্দিষ্ট করা থাকে না। যে ভ্রমণ আপনার কাছে পছন্দের মনে হচ্ছে না, বা তার জন্য সময় দিতে পারবেন না অথবা খুব দূরে যাওয়ার আছে এমন যে কোন ভ্রমণ পথের আকর্ষণ এড়িয়ে যান। আগেই বলা হয়েছে, এখানে অবশ্য করে দেখতেই হবে এমন কিছু নেই, তাই আপনি অসাধারণ বিশেষ কিছু হারাবেন না।
সকাল
সকালে হাঁটার জন্য ভ্রমণ পথ (ছবি: Globe-trotter, CC BY-SA 3.0)
প্রথমে চাও ফ্রায়া এক্সপ্রেস বোটে নিয়ে সি ফ্রায়া পিয়ার-এ (এন৩) যান। ছোট গলি দিয়ে হাঁটার সময়, আপনি বাঁ দিকে একটি ছোট নৌকা দেখতে পাবেন, যেটি মাছ রাখার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধান রাস্তাটি দেখতে পেয়ে গেলে, আপনি রিভার সিটি শপিং সেন্টারের বাঁ দিক দিয়ে হাঁটুন। সকালে এবং বিকেলে এটি বেশ খালি মনে হতে পারে, তবে এটি আসলে ব্যয়বহুল প্রাচীন জিনিস এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক বস্তুর জন্য শহরের সেরা জায়গা। মনে রাখবেন যে আসল প্রাচীন জিনিসপত্র এবং যে কোনও ধর্মীয় চিত্রের জন্য রপ্তানি লাইসেন্সের প্রয়োজন হলে দোকানগুলি আপনার জন্য তার ব্যবস্থা করতে পারে (কিছু পারিশ্রমিকের বিনিময়ে)। নিচে একটি ছোট আর্ট গ্যালারি আছে। উপরের তলায় একটি টয়লেট আছে, যেটি আপনি প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবেন।
রিভার সিটি থেকে বের হবার সময়, আপনি "গেটওয়ে টু চায়নাটাউন" লেখা একটি চিহ্ন এবং এলাকার মধ্য দিয়ে নির্দেশিত ভ্রমণের একটি মানচিত্র দেখতে পেতে পারেন। এখানে যে সফরটি দেখানো হয়েছে ঐ নির্দেশনাটি তার থেকে কিছুটা ভিন্ন, যদিও দুটি সফরেই কিছু একই স্থান পরিদর্শন করানো হয়। এগিয়ে চলুন এবং বাঁদিকে ঘুরে সোই ওয়ানিত ২-এ ছোট বাজার-এ পৌঁছে যান। এখানে আপনি একটি ঠেলাগাড়ি থেকে কিছু স্ন্যাকস পেতে পারেন এবং বড় যাত্রার আগে এখানে বিশ্রাম নিতে পারেন। আপনি চাইলে এখানে আশেপাশ থেকে কিছুটা জলও পেতে পারেন। বাজার থেকে আপনি হোলি রোজারি চার্চ দেখতে পাবেন, একে স্থানীয়রা প্রায়ই কালাওয়ার চার্চ বলে। এটি একটি ক্যাথলিক গির্জা যা ১৮৯৭ সালে নিও-গথিক শৈলীর স্থাপত্যে নির্মিত হয়েছিল। সামনে থেকে এটি দেখা একটু কষ্টকর, কারণ এর সামনের সমস্ত জায়গা জুড়ে আছে একটি স্কুলের উঠোন। গির্জা ছেড়ে বেরিয়ে আপনি বাঁদিকের রাস্তা ধরুন এবং নদীর তীরে সিয়াম কমার্শিয়াল ব্যাংক বিল্ডিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন, এটি থাই কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম বাণিজ্যিক ব্যাংক। এটি ১৯০৬ সালে আর্ট ডেকো স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হয়েছিল, এই শৈলীটি সেই সময়ে বেশ জনপ্রিয় ছিল। যদিও এটি সামনে থেকে খুঁজে পাওয়া কঠিন, তবে চাও ফ্রায়া এক্সপ্রেস বোট পরিষেবা থেকে একে সহজেই দেখতে পাওয়া যায়।
আরেকটি বাঁ দিকের রাস্তা ধরুন এবং সেই পথ ধরে চলতে থাকুন। তারপরে ডানদিকে ঘুরে ট্রাক তালাত নোই-এর দিকে যান, এটি একটি ছোট রাস্তা, যেটি ধরে গেলে আপনি নোই মার্কেট-এ গিয়ে পৌঁছবেন, এটি চীনা পণ্যের স্থানীয় বাজার। বেশিরভাগ পর্যটক এই জায়গাটি সম্পর্কে জানেন না, তাই স্থানীয়রা কিভাবে বাস করে তা আপনি এখানে এসে দেখতে পাবেন। আপনি এমনকি তাদের বসার ঘরের মধ্য দিয়েও হেঁটে যেতে পারেন। এখান থেকে আপনি প্রধান সড়কে ফিরে যান এবং ডান দিকের একটি রাস্তা ধরুন। আপনি সিয়েং কং জোন-এ এসে পড়বেন, এটি একটি ছোট এলাকা যেখানে তৈলাক্ত গাড়ির যন্ত্রাংশ রয়েছে, যেগুলি আকারে মানুষের চেয়েও বড়। এখানকার বেশিরভাগ স্থানীয় মানুষ গাড়ির যন্ত্রাংশ শিল্পে চাকরি করে এবং আপনি দেখতে পাবেন প্রচুর চীনা শ্রমিক এখানে কাজ করছে। ওয়ানিত ২ ধরে আরও হাঁটুন, আপনি ওয়াট পথুম খোংখা-এ এসে পড়বেন, একে প্রায়শই ওয়াট সামফেং নামে ডাকা হয়। এটি আয়ুথায়া যুগে নির্মিত হয়েছিল এবং এটিকে পুনরুদ্ধার করে বর্তমান অবস্থায় আনা হয়েছে।
এখন ডানদিকে ঘুরে ট্রাই মিট রোড-এ এসে পড়ুন, এবং ওডিয়ন সার্কেলে চাইনিজ আর্চ-এর দিকে যাত্রা করুন। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি রাজার জন্মদিন উদযাপন আর্চ (কিং'স বার্থডে সেলিব্রেশন আর্চ) নামে পরিচিত, এটি চায়নাটাউনের পরিবেশ তৈরি করে। এটি থাই-চীনা সম্প্রদায় দ্বারা নির্মিত এবং থাই রাজপরিবারের প্রতি তাদের আনুগত্য দেখানোর জন্য ১৯৯৯ সালের ৫ই ডিসেম্বর এর উন্মোচন করা হয়েছিল। মনুমেন্টের বড় চারটি চীনা অক্ষরের অর্থ 'লং লিভ দ্য কিং' (রাজা দীর্ঘজীবী হোন) এবং এটি রাজকুমারী সিরিন্দহর্নের (যিনি চীনা ভাষায় সাবলীল) হাতের লেখায় রয়েছে। এর নিচে দাঁড়ালে, একে একটি বিশাল স্মৃতিস্তম্ভের মতো মনে হয়, কিন্তু রাস্তা পার হয়ে ওপার থেকে এর ছবি তোলা সহজ। এরপর একই দিকে চলতে থাকুন এবং ওয়াট ট্রাইমিট-এর জন্য বাঁদিকের রাস্তায় চলুন। এই সোনালি-সাদা ভবনে প্রবেশ করা যাবে না, তবে এটি ছবি তোলার জন্য সুন্দর। এই মন্দিরের আসল বৈশিষ্ট্য হল ফ্রা সুখোথাই ট্র্যাইমিট, এটি বিশ্বের বৃহত্তম সোনার বুদ্ধমূর্তি। আয়ুথায়া সময়ের শেষের দিকে, থাইল্যান্ড আক্রমণকারী শত্রুদের কাছ থেকে মূর্তিটির মূল্য লুকোনোর জন্য এটি প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। এটি বহু শতাব্দী ধরে লুকিয়ে রাখার পর ১৯৫৪ সালে ছবিটি একটি নতুন বিহারে স্থানান্তরিত করা হয়। প্লাস্টারটি দুর্ঘটনাবশত ভেঙে যায়, এর ফলে এর ভেতরের সম্পূর্ণ স্বর্ণখচিত মূর্তিটি প্রকাশ হয়ে পড়ে। এরপর সারা দেশে সোনার বুদ্ধ মূর্তি তৈরির উন্মাদনা সৃষ্টি হয়।
এখান থেকে রাজার সেলিব্রেশন আর্চে ফিরে যান এবং ডানদিকে ঘুরে ইয়াওয়ারাত রোড-এ পড়ুন। বাঁ দিকে, আপনি থিয়েন ফা ফাউণ্ডেশন দেখতে পাবেন, এটি একটি স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্র যেখানে চিকিৎসার আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী চীনা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও আকর্ষণীয় হল কুয়ান ইয়িন শ্রাইন, এটি মহাযান স্কুলের একটি বৌদ্ধ মন্দির, যা থাইদের অনুশীলন করা থেরবাদ স্কুল থেকে একেবারেই আলাদা। প্রচুর চীনা স্থানীয়রা আশীর্বাদ পেতে এখানে একটি মোমবাতি জ্বালায়।
অপরাহ্ন
বিকেলের হাঁটা পথ (ছবি: Globe-trotter, CC BY-SA 3.0)
আপনার সামনে নিয়ন আলোর প্রাচুর্য দেখুন! এখানে জায়গাটি সত্যিই হংকং এর মত মনে হতে শুরু করে। সমস্ত নিয়নকে জ্বলজ্বল করতে দেখে কেবল রাতের সময় মনে হতে পারে... চিন্তা করবেন না, এটি পরে আসবে। প্রথমে কফি খাওয়ার বিরতির নিয়ে নিন। বাঁদিকে ঘুরে সোই ফাদুং দাওতে আসুন এবং আরেকবার বাঁদিকে ঘুরে ফাট সাই রোডে পড়ুন। এইয়া সায়ে হল এলাকার ঐতিহ্যবাহী কফিশপগুলির মধ্যে একটি, স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবন পর্যবেক্ষণ করার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত জায়গা। এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এবং প্রায় একশ বছর আগে যেমন ছিল এখনও তেমনই কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ রয়ে গেছে। এখানকার মেনুতে ক্যাপুচিনো এবং এসপ্রেসো নেই, একটি গোপন পারিবারিক রেসিপি অনুসরণ করে কফি বিনকে ভেজে এবং মিশ্রিত করে তৈরি চাওঝো কফি পান করুন। আপনি অল্প স্বল্প স্ন্যাকসও খেতে পারেন।
প্লেং নাম রোড ধরে হেঁটে ভ্রমণ চালিয়ে যান। কিছু পুরানো চাইনিজ দোকান থাকায় এই রাস্তাটির একটি প্রকৃত প্রাচীন পরিবেশ রয়েছে। দোকানে সাধারণত কেউ একজন ঐতিহ্যবাহী চীনা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এগুলো বিক্রি করে। চারোয়েন ক্রুং রোড পেরিয়ে ফ্ল্যাপ ফ্লা চাই রোডে যান, এবং আপনি বাঁ দিকে বেশ কয়েকটি মন্দির সহ লি থি মিউ মন্দির দেখতে পাবেন। যেমনটি চীনা মন্দিরগুলিতে দেখা যায়, এখানেও তেমন ছাদে দেখতে পাবেন দুটি ড্রাগন একটি মুক্তা নিয়ে খেলছে। মূল মন্দির ভবনের পাশের প্রাঙ্গণে, আপনি দেবী গুয়ান ইয়িনকে উৎসর্গীকৃত একটি বড় মন্দিরের মুখোমুখি হবেন। যদি আপনার তাড়াহুড়ো থাকে তবে আপনি হেঁটে সরাসরি ট্রোক ইসারানুফাপে চলে যেতে পারেন, নাহলে আপনি কিছুটা উত্তরে হেঁটে ওয়াট কনিকাপন দেখতে চাইতে পারেন। তবে এটি খুঁজে পাওয়া একটু কঠিন হতে পারে কারণ এই এলাকায় প্রচুর অন্যান্য মন্দির রয়েছে (যা খুব প্রাণবন্ত)। যে মহিলা যিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি একটি পতিতালয়ের মালিক ছিলেন, মন্দিরটির পরিচিতি সম্বন্ধে এই তথ্যই বেশি প্রচলিত।
তারপরে ট্রোক ইসারানুফাপ-এ যান, যাকে কখনও কখনও চারোয়েন ক্রুং সোই ১৬ বলা হয়। ট্রোক ইসারানুফাপের এই অংশটি সবচেয়ে বিশুদ্ধ অংশ, কারণ খুব বেশি ভ্রমণকারী এই উত্তর দিকে যান না। এটি তালাত মাই বা নিউ মার্কেট (যদিও এটি একশো বছরেরও বেশি পুরনো) নামে পরিচিত। মূলত, এটি একটি অন্ধকার গলিপথ যেখানে চীনা ব্যবসায়ীরা জিনসেং শিকড়, মাছের মাথা, চকোলেট কুকি এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মতো প্রচুর জিনিস বিক্রি করে। এখান দিয়ে তাড়াহুড়ো করে যাবেন না — শুধু উদ্দেশ্যহীনভাবে চারপাশে হেঁটে যান এবং ব্যবসায়ীরা কি বিক্রি করছে তা দেখতে থাকুন। আপনি এখান থেকে কিছু না কিনলেও, এখানকার ব্যস্ত পরিবেশ এবং বিদেশী পণ্যের সমাহার আপনার এই ভ্রমণকে একটি বিলাসপূর্ণ অভিজ্ঞতায় ভরে তুলবে।
এটি একটি আচ্ছাদিত পথ যেখানে চীনা ব্যবসায়ীরা প্রচুর জিনিস বিক্রি করে। বৃষ্টি শুরু হলে আপনি ভাগ্যবান — আপনি দেখতে পাবেন সমস্ত দোকানের মালিকরা তাদের পণ্যগুলিকে কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যে প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দিয়েছে! আপনি চারোয়েন ক্রুং রোডে পৌঁছে ডান দিকে বাঁক নিন এবং আরেকবার দ্রুত ডানদিকে ঘুরে ওয়াট মাংকন কমলাওয়াত-এ পৌঁছে যান। এটি খুব প্রাণবন্ত একটি মন্দির যেখানে অনেক (চীনা) স্থানীয় লোক পূজা বেদীতে অর্ঘ্য নিবেদন করে যায়। দ্বিতীয় গেটওয়ের ঠিক পরেই আছে এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ, যেখানে চারটি ঋষি মূর্তি যথাক্রমে একটি প্যারাসল, একটি প্যাগোডা, একটি সাপের মাথা এবং একটি ম্যান্ডোলিন ধরে আছেন, এগুলি মহাযান বৌদ্ধধর্মের প্রতীকী বস্তু।
ট্রোক ইসারানুফাপ বরাবর বাজারটি চারোয়েন ক্রুং রোডের দক্ষিণে বিস্তৃত হয়েছে। বাঁদিকে থাইল্যান্ডের প্রাচীনতম চীনা উপাসনালয় লেং বুয়াই ইয়া মন্দির রয়েছে। প্রাচীনত্বের এই দাবিটি ভেতরের ফলকের ওপর একটি শিলায় লেখা চীনা লিপির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে মন্দিরটি ১৬৫৮ সালে নির্মিত হয়েছিল। এই বছরটি আয়ুথায়া সময়ের সাথে মিলে যায়, ব্যাংকক এই দেশের রাজধানী হওয়ার অনেক আগের সময় এটি। একটি ঐতিহ্যগতভাবে চীনা স্থাপত্য শৈলীর ভবনে এটি অবস্থিত। এর অভ্যন্তরে কেন্দ্রীয় অংশে লেং বুয়াই ইয়া এবং তার স্ত্রীকে উৎসর্গীকৃত একটি উপাসনালয় রয়েছে, বাঁ দিকে দেবতা গোইং-উকে উৎসর্গীকৃত একটি মন্দির এবং ডানদিকে স্বর্গের রাণীকে উৎসর্গ করা একটি মন্দির রয়েছে।
খাওয়া শেষ হলে ইয়াওয়ারাত রোড পার হয়ে যান। এখানে সকালে তালাত কাও বা পুরোন বাজার বসে, এবং এটি পুরানো - এটি ১৮ শতকের শেষের দিক থেকে শুরু হয়ছে এবং এখনও চলছে। তবে যেহেতু আপনার এখানে পৌঁছোতে ইতিমধ্যেই বিকেল হয়ে গেছে, দেখবেন বাজারটি খাদ্য বাজার থেকে আরও মূলধারার বাজারে পরিবর্তিত হয়েছে।
দক্ষিণ দিকে চলুন এবং ডানদিকে একটি বাঁক নিয়ে স্যামফেং লেন-এ আসুন, কখনও কখনও জায়গাটিকে সোই ওয়ানিট ১ বলা হয়। এই গলিটি চায়নাটাউনের প্রাচীনতম অংশ। এটি জুয়ার ঘর, আফিমের আস্তানা এবং পতিতালয় সহ একটি অপরাধমূলক স্থান ছিল। এখন এটি একটি বাজার, এখানে বেশিরভাগই কিশোর-কিশোরীদের জন্য চটকদার পণ্য বিক্রি হয়। আপনি যদি সস্তা খেলনা, সিরামিক, গহনা এবং আনুষাঙ্গিক নিতে চান তবে এটি বেশ ভাল একটি বাজার। এখানে কিছু তথাকথিত "ডিপার্টমেন্ট স্টোর" আছে, যদিও সাধারণত সেগুলি দলবদ্ধ স্টোরের একটি ছোট সংগ্রহ (দুই তলার বেশি নয়)। ম্যাংকন রোডের সংযোগস্থলে, আপনি টাং টু কাং গোল্ড শপ দেখতে পাবেন। এই সোনার দোকানটি ১৩০ বছরের পুরোন এবং এখানে সোনার শিল্প কর্ম সম্পর্কে একটি ব্যক্তিগত যাদুঘর রয়েছে। সোনার দোকানের বিপরীতে রয়েছে ব্যাংকক ব্যাঙ্ক বিল্ডিং, যেটির বাইরের দিকটিতে স্পষ্ট ইউরোপীয় প্রভাব দেখা যায় যেটি ক্লাসিক আদি রত্নকোসিন-শৈলীর আরেকটি উদাহরণ। শুধু কিছু ছবি তুলে নিন এবং ভ্রমণ চালিয়ে যান। আপনি যখন রাচাওংসে রোডের সংযোগস্থল দিয়ে যাবেন, তখন দেখবেন বাজারটিতে ভারতীয় বণিকদের দ্বারা বিক্রি করা পোশাক এবং কাপড়ের আধিক্য।
আপনি যদি সত্যিই মন্দির-ভক্ত হন, তাহলে আপনি মহা চক রোডের বাঁদিকে যেতে পারেন, এবং তারপরে ওয়াট চক্রওয়াত-এর জন্য ডানদিকে একটি ছোট গলিতে যেতে পারেন (যদি তা না হন তবে এই বিভাগটি এড়িয়ে যান)। মন্দিরটি তেমন স্মরণীয় নয়, তবে কিছু দর্শনার্থী এর অসাধারণ পরিবেশের জন্য এখানে আসতে পছন্দ করে। পুকুরে একটি কুমির সাঁতার কাটছে, বানর এবং কুকুর চারপাশে ডাকাডাকি করছে এবং পাখিরা তাদের খাঁচা থেকে কিচিরমিচির করছে। স্থানীয়রা তাদের পাশ দিয়ে মাঝে মাঝে চলা ভ্রমণকারীদের বিষয়ে একটুও কৌতুহলী বলে মনে হয় না এবং তারা কেবল তাদের বোর্ড গেম খেলতে থাকে। আপনার অন্বেষণ শেষ হলে, সামফেং লেনে ফিরে যান অর্থাৎ আমরা আমাদের মূল ভ্রমণ পথে ফিরে এসেছি।
আপনি যদি দিনে চায়নাটাউন দেখতে চান, বা আপনি যদি খানিকটা ক্লান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি রাচাওংসে রোড ধরে দক্ষিণে নদীর দিকে হাঁটতে পারেন এবং চাও ফ্রায়া এক্সপ্রেস নৌকা ধরে ঘরে ফিরে যেতে পারেন। যদিও হাঁটা চালিয়ে যাওয়া ভাল, কারণ এখনও অনেক কিছু করা বাকি আছে। আপনি যখন সামফেং লেনের শেষ প্রান্তে পৌঁছোবেন, তখন জাতিগত চেহারার কিছুটা চীনা থেকে ভারতীয়তে পরিবর্তিত হয়েছে। চাকফেট রোডের বাম দিকে যান এবং আপনি দ্রুত রাস্তার অন্য পাশে ইণ্ডিয়া এম্পোরিয়াম খুঁজে পাবেন। এটি একটি আধুনিক শপিং সেন্টার যেখানে অনেক দোকানে কাপড় এবং জিনিসপত্র বিক্রি হয়। ওপর দিকে তাকালে, আপনি সোনার গম্বুজ সহ বিশাল গুরু তাওয়ান শিখ মন্দির দেখতে পাবেন, যেটি ভারতের বাইরে দ্বিতীয় বৃহত্তম শিখ মন্দির। এটি পরিদর্শন করা যেতে পারে তবে আপনাকে অবশ্যই আপনার জুতো খুলে রাখতে হবে এবং একটি কাপড় দিয়ে আপনার মাথা ঢেকে রাখতে হবে।
একটি খাঁটি অভিজ্ঞতার জন্য, ফাহুরাত মার্কেট খোঁজার চেষ্টা করুন। হ্যাঁ, চেষ্টা, কারণ এটি খুঁজে পাওয়া বেশ একটি শক্ত কাজ হতে পারে। এটি ফাহুরাত রোডের দক্ষিণে পেছনের রাস্তায় এবং সেখানে যেতে আপনাকে কিছু দোকানের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যদিও আপনি কখন এটি খুঁজে পেয়েছেন তা আপনি বুঝতে পারবেন, কারণ এটি সস্তা কাপড়ের বিক্রেতাদের দ্বারা ভরা সরু গলির গোলকধাঁধা। এটি বেশ সঙ্কুচিত একটি জায়গা, এবং আপনি কারও সাথে ধাক্কা খেতে পারেন, তবে এটি সম্পূর্ণ ভ্রমণ আনন্দের মধ্যে একটি ছোট অংশ মাত্র। কাপড়ের বাজারের চারপাশে অন্যান্য ছোট বাজারও রয়েছে। এখানে খোঁজ করাটা চায়নাটাউনের মতো ফলপ্রসূ হবে না, যদি না আপনি বলিউড সিনেমা বা পাঞ্জাবের মিষ্টির প্রতি আগ্রহী হন।
আপনার হাতে যদি কিছু সময় বাকি থাকে, তবে আপনি উত্তরদিকে হেঁটে ওল্ড সিয়াম প্লাজায় পৌঁছে যাবেন। এটি একটি ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শৈলীর শপিং সেন্টার যেখানে ব্র্যাণ্ডেড এবং সেকেণ্ড-হ্যান্ড পোশাক, গ্যাজেট, ইলেকট্রনিক্স, হস্তশিল্প এবং সোনার ফিউচার (যদি আগ্রহী হন) -এর মতো বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হয়। তৃতীয় তলায় গৃহস্থালী ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর জন্য একটি 'ক্লিনিক' রয়েছে যেখানে আপনি দেখতে পাবেন গ্রাহকরা একই দিনে মেরামতের জন্য তাদের অ-কার্যকর যন্ত্রপাতি নিয়ে অপেক্ষা করছে। বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলির খারাপ অংশ প্রতিস্থাপনের জন্য যন্ত্রাংশের দোকানও রয়েছে, যেমন ফ্যানের যন্ত্রাংশ, প্রতিরোধক (রেজিস্টেন্স), ব্লেণ্ডারের জন্য রাবার গ্যাসকেট ইত্যাদি। বাইরে যাওয়ার পথে, আপনি প্রথম তলা থেকে কিছু চমৎকার ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় মিষ্টি এবং ডেজার্ট কিনতে চাইতে পারেন। শপিং সেন্টারের চারপাশে এক ডজন বন্দুকের দোকান রয়েছে।
সন্ধ্যা
আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আপনি ইয়াওয়ারাতের নিয়ন লাইটগুলিকে জ্বলতে দেখতে পাবেন, পাশাপাশি কিছু সুস্বাদু থাই-চীনা খাবারে আপনার পেট ভরবে। এর জন্য ইণ্ডিয়া এম্পোরিয়াম থেকে উত্তর দিকে চাকফেট রোডে যান এবং তারপরে পূর্ব দিকে গিয়ে ইয়াওয়ারাত রোডে পড়ুন। আপনি এর আগে যা দেখেছেন তা কেবল একটি ঘুমন্ত দৈত্য। রাত্রের পরিবেশ সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয় কারণ বিশাল নিয়ন চিহ্নগুলি চালু হয় এবং রেস্টুরেন্টের প্লাস্টিকের আসনগুলি রাস্তায় পাতা হতে থাকে। আপনি সম্ভবত রাতের নিয়ন চিহ্নগুলির কিছু ছবি তুলতে চাইবেন (যদি আপনার একটি ভাল ক্যামেরা থাকে)। রাতের বেলা ইয়াওয়ারাত হল একটি প্রাণবন্ত জায়গা যেখানে রেস্তোরাঁ, মালবাহী গাড়ির চলাচল এবং বাজার কখনো বন্ধ হয় বলে মনেই হবে না।
এখন আপনাকে বেছে নিতে হবে আপনি কোথায় খেতে চান। ফাদুং দাও রোড-এ শহরের সেরা পছন্দের চাইনিজ রেস্তোরাঁ রয়েছে, যার মধ্যে অনেকেই হাঙ্গরের পাখনার স্যুপ, পাখির বাসার স্যুপ বা তাজা সামুদ্রিক খাবারের (যেগুলি তখনও প্রবেশপথের কাছে জলাশয়ে সাঁতার কাটছে) মতো ব্যয়বহুল খাদ্যপদে বিশেষজ্ঞ। টিঅ্যাণ্ডকে সীফুডকে ব্যাঙ্ককের সেরা বারবিকিউ করা সামুদ্রিক খাবারের রেস্তোরাঁ বলা হয় এবং সাধারণ মানুষ বসার অপেক্ষায় প্রবেশদ্বারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। এটি পশ্চিমী মান অনুসারে খুব সস্তা ও মৌলিক, তবে এটির একটি দুর্দান্ত স্থানীয় পরিবেশ রয়েছে এবং সুস্বাদু বারবিকিউ করা চিংড়িগুলি এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আপনি উপরের তলায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আসনগুলির একটি নিতে পারেন কারণ আপনি সম্ভবত আজকের দীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্ত। আপনি যদি হাঙ্গরের পাখনার স্যুপ বা পাখির বাসার স্যুপ খুঁজছেন, তাহলে আপনি এর পরিবর্তে চায়না টাউন স্কালা দেখতে চাইতে পারেন, যা আরও ব্যয়বহুল।
আপনার আয়ব্যয়ের হিসেব যদি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হয়, তাহলে আপনার পছন্দের একটি বিকল্প হতে পারে খাদ্যবাহী গাড়িতে খোঁজ করা, খাদ্যবাহী গাড়ি চালানো ব্যাংককের বাসিন্দাদের একটি জনপ্রিয় কার্যকলাপ। খাবারের গাড়ি এবং রাস্তার রেস্তোরাঁগুলি বিভিন্ন ধরণের ও স্বাদের খাবার পেশ করে, সাধারণ খাবারে প্রতি থালায় প্রায় ৫০ ভাট খরচ হয়। তাদের মধ্যে অনেকেই ইয়াওয়ারাত রোড, প্লেং নাম রোড এবং ফাদুং দাও রোডের আশেপাশের রাস্তায় সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। আপনি যদি দলবদ্ধভাবে এসে থাকেন তবে কিছুটা সুবিধা হবে কারণ বেশিরভাগ খাবারই একা খেয়ে শেষ করা যাবেনা। কুয়া জাব নাই এক-এ আপনি ভুল করতে পারবেন না, অঞ্চলটি কুয়া জাব পাওয়ার জন্য বিখ্যাত জায়গাগুলির মধ্যে একটি। খাদ্যটি হলো একটি রোলের মতো রাইস নুডল যার সাথে থাকে শুয়োরের মাংসের পেটের অংশের খাস্তা ভাজা, রক্ত এবং অন্ত্র। এটি পরিষ্কার স্যুপের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। এক জায়গায় খাওয়া শেষ হলে, শুধু উঠে পরের জায়গায় যান। খাদ্যবাহী গাড়িগুলি বেশিরভাগই দক্ষিন চীনা খাদ্যের বিশেষজ্ঞ, যাদের মধ্যে রয়েছে ডিম সাম, চাওঝো-স্টাইলের ভাপানো চীনা মুলেট এবং বিভিন্ন নুডল ও ভাতের খাবার।
চীনা খাবারের একটি সুস্পষ্ট বিকল্প হল ব্যাংককের ফাহুরাতের কিছু ভারতীয় রান্না। ইণ্ডিয়া এম্পোরিয়াম থেকে রাস্তা পেরিয়ে ছোট গলিতে হাঁটলে রয়্যাল ইণ্ডিয়া রেস্তোরাঁ সাইন দেওয়া দোকানটি পেয়ে যাবেন। এই রেস্তোরাঁতে আপনি মানসম্পন্ন ভারতীয় খাবার পেয়ে যাবেন, কারণ এখানকার রান্না করা পদ অনেক পুরস্কার জিতেছে। এখানে খাবারের জন্য প্রায় ২৫০ ভাট খরচ হতে পারে। দুঃখের বিষয় হলো যে অন্যান্য ভ্রমণকারীরাও এই জায়গাটি সম্পর্কে জানেন বলে মনে হয়।
আপনার খাওয়া শেষ হলে, রীতি অনুযায়ী কটন বার-এ লাইভ জ্যাজ সেশনের সাথে রাতটি শেষ করুন। লাইভ ব্যাণ্ডটি ২১:০০-তে পরিবেশন করা শুরু করে এবং জায়গাটিতে একটি অনন্য শান্ত পরিবেশ এনে দেয়। সদ্য তৈরি একটি ০০৭ মার্টিনি বা ব্লু হাওয়াই দিয়ে নিজের যত্ন নিন এবং এই রাতের মতো ভ্রমণ শেষ করুন। যদি আপনার মধ্যে এখনও শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাহলে একটি ট্যাক্সির মিটার ডাউন করান এবং পাক খলং তালাত-এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে পড়ুন। এটি একটি ছোট যাত্রা, যার খরচ ৫০ ভাটের বেশি নয়। এটি একটি পাইকারি ফুলের বাজার যেটি দিনের মধ্যে ২৪ ঘন্টাই খোলা থাকে, তবে গভীর রাতে এখানে আসাই সেরা সময়। যে কোন মাপের, আকারের ও রংয়ের ফুল কেনা যেতে পারে, এবং প্রতিটি বাজেটের জন্যই এখানে কিছু পাওয়া যাবে। ০৩:০০ নাগাদ যখন আশেপাশের প্রদেশ থেকে নৌকা এবং লরি করে এখানে নতুন ফুলের গোছা আসে, তখনই এই অঞ্চলটি সবচেয়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
নিরাপদ থাকুন
যেহেতু ইয়াওয়ারাত এবং ফাহুরাত উল্লেখযোগ্যভাবে ঐতিহ্যবাহী পর্যটন মানচিত্রের বাইরে, শহরের অন্য জায়গার তুলনায় এখানে চলাফেরা করা কম চিন্তাজনক। এই এলাকায় রত্ন কেলেঙ্কারি, ২০ বাট টুক-টুক রাইড এবং "লাকি বুদ্ধ দিবস" — এই সাধারণ ব্যাঙ্কক বিরক্তিগুলির মুখোমুখি হবার সম্ভাবনা কম। যদিও এখানে সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য, তাই টুক-টুক এড়িয়ে চলুন এবং ট্যাক্সি নেওয়ার সময় মিটারের উপর জোর দিন। ইয়াওয়ারাত সোনা এবং মণির দোকানে ভরা, কিন্তু এখানেও বাড়িতে এই পণ্যগুলি কেনা সম্ভবত বুদ্ধিমানের কাজ। এবং আবার, ব্যাংককের চরম তাপমাত্রার সতর্কবাণীকে অবমূল্যায়ন করবেন না, তাই আবহাওয়া অনুযায়ী পোশাক পরুন এবং সর্বদা তরল কিছু পান করতে থাকুন। আরেকটি নিরাপত্তা সমস্যা হল ভারী যানবাহন সহ রাস্তা: তাই রাস্তা অতিক্রম করার সময় খুব সতর্কতা অবলম্বন করুন, এবং যেখানে উপলব্ধ সেখানে ফুটব্রিজ ব্যবহার করুন — তারা ঝুঁকির কারণেই সেখানে আছে।
টেমপ্লেট:Staritinerary
এই পাতা কোথা থেকে এসেছে
এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “ইয়াওয়ারাত ও ফাহুরাত ভ্রমণ” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।
এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।
Licence: CC BY-SA 4.0 · Adapted from bn.wikivoyage.org
1
0
0
0

Comments





