¿Ves algo que mejorar? Propón un cambio.
৮ দিনের উত্তর থাইল্যান্ড ভ্রমণপথ উত্তর থাইল্যান্ডে অবস্থিত।
বুঝুন
উত্তর থাইল্যান্ড প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর। এখানে পাহাড়ি অঞ্চল, সবুজ উপত্যকা এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রকৃতি রয়েছে। যত দূরে ভ্রমণ করবেন, অভিজ্ঞতাও হবে ততটাই খাঁটি। থাইল্যান্ডের জাতিগত সংখ্যালঘুরা, যাদের সাধারণভাবে 'হিল ট্রাইব' বলা হয়, এসব উঁচু পাহাড়ি এলাকায় বাস করে এবং তারা এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির অংশ। এই ভ্রমণপথে গেলে কারেন, হমং, আখা, লিসু, লাহু, পালং, মিয়েন এবং লাওয়া জনগোষ্ঠীর সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায়, যারা এই অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে।
প্রস্তুতি
যদি নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভ্রমণ করেন, তবে পাহাড়ি এলাকায় রাতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। তাই গরম কাপড় সঙ্গে রাখুন। দিনে গড় তাপমাত্রা থাকে প্রায় ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রুটের সব বড় ছোট শহরেই এটিএম পাওয়া যায়।
কীভাবে যাবেন
এই ভ্রমণপথ শুরু ও শেষ হয় চিয়াং মাই থেকে, যা উত্তর থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য জনপ্রিয় কেন্দ্র। এখানে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের জন্য বাস ও ট্রেনের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
কীভাবে চলাফেরা করবেন
এই ভ্রমণপথে চলাচলের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো গাড়ি চালানো। পুরো রুটে সড়কের অবস্থা সাধারণত ভালো, তবে কিছু অংশ পাহাড়ি এবং খাড়া উতরাই-চড়াই রয়েছে। কিছু জায়গা জনপরিবহনে সংযুক্ত নয়।
দিন ১) চিয়াং মাই - চিয়াং রাই - চিয়াং সেন
চিয়াং মাই থেকে চিয়াং রাই যান (প্রায় ৩ ঘণ্টার পথ)। এখানে প্রধান আকর্ষণ হলো হোয়াইট টেম্পল, ব্ল্যাক হাউস এবং অন্যান্য মন্দির। চিয়াং রাই থেকে ৭০ কিমি দূরে চিয়াং সেন, যা বিখ্যাত গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলের জন্য—এটি থাইল্যান্ড, লাওস ও মিয়ানমারের মিলনস্থল। পর্যটকদের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য, যেখানে প্রচুর অতিথিশালা ও হোটেল আছে।
দিন ২) চিয়াং সেন - মায়ে সালং - থাটন
চিয়াং সেন থেকে মায়ে সাই-এ যান (প্রায় ৪৫ মিনিটের পথ)। এটি থাইল্যান্ড-মিয়ানমারের ব্যস্ত সীমান্ত শহর। এরপর পাহাড়ের দিকে উঠে মায়ে সালং-এ পৌঁছান, যা একটি চীনা গ্রাম এবং চা বাগানের জন্য পরিচিত। সেখান থেকে নেমে থাটন-এ যান (প্রায় ৪৫ মিনিটের পথ) এবং রাতে অবস্থান করুন। থাটন এলাকায় অনেক অতিথিশালা আছে।
দিন ৩) থাটন - ফাং - দোই আংখাং
থাটনের প্রধান দর্শনীয় স্থান হলো থাটন মন্দির, যেখান থেকে উপত্যকার ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্য দেখা যায়। সেখান থেকে ফাং হয়ে দোই আংখাং-এ পৌঁছান, যা মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী একটি পাহাড়ি এলাকা। এখানে রাজপ্রকল্প ও কৃষি গবেষণাকেন্দ্র রয়েছে। পালং ও লাহু হিল ট্রাইব গ্রামগুলোও এখানে দেখা যায়। পাহাড়ের চূড়া থেকে মিয়ানমার দেখা যায়। রাতে এখানে অবস্থান করুন এবং নির্মল পাহাড়ি বাতাস উপভোগ করুন।
দোই আংখাং পাহাড় (ছবি: NorthThailander, CC BY-SA 4.0)
দিন ৪) দোই আংখাং - পাই
দোই আংখাং থেকে পাহাড় নেমে পাই-এ যান (প্রায় ৩ ঘণ্টার পথ)। পাই উপত্যকা উষ্ণ প্রস্রবণ এবং পাই ক্যানিয়নের জন্য বিখ্যাত। পাই শহর একটি হিপি শহর হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিদিন সন্ধ্যায় প্রধান রাস্তায় হাঁটার বাজার বসে। রাতে পাই-এ অবস্থান।
দিন ৫) পাই - সোপপং - মায়ে হং সন
পাই থেকে মায়ে হং সন পর্যন্ত প্রায় ২ ঘণ্টার পথ, যা আঁকাবাঁকা পাহাড়ি সড়ক দিয়ে যেতে হয়। পথে কফি শপ ও ভিউপয়েন্ট আছে, যেখানে থেমে পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ করা যায়। মায়ে হং সন পৌঁছালে শহরের মাঝের জং খাম হ্রদের ধারে প্রতিদিন রাতে বাজার বসে। রাতে মায়ে হং সন শহরে অবস্থান।
দিন ৬) মায়ে হং সন - মায়ে আ - বান রুয়াম থাই
মায়ে হং সন শহরে সংস্কৃতি উপভোগ করতে আরও একটি দিন কাটান অথবা দিনভ্রমণে মায়ে আ (বান রাক থাই)-এ যান। এটি মিয়ানমার সীমান্তের কাছে একটি চীনা গ্রাম, চা বাগানের জন্য পরিচিত। একসময় কুওমিনটাং দলের লোকেরা এখানে বসতি স্থাপন করেছিল। কাছেই 'বান রুয়াম থাই' হ্রদ রয়েছে, যাকে থাইল্যান্ডের সুইজারল্যান্ড বলা হয়, কারণ এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ইউরোপীয় দৃশ্যের মতো।
দিন ৭) মায়ে হং সন - খুন ইউয়াম - মায়ে লা নয়
মায়ে হং সন থেকে দক্ষিণ দিকে প্রায় ৩–৪ ঘণ্টার মনোরম পথ। গ্রামীণ উত্তর থাইল্যান্ডের আসল স্বাদ পাওয়া যায়। পথে খুন ইউয়াম নামে একটি ছোট শহর পড়ে, যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাদুঘর রয়েছে। মায়ে লা নয়-এ কেবল কয়েকটি অতিথিশালা আছে। চাইলে কাছের মায়ে সারিয়াং-এও থাকতে পারেন, যেখানে কিছু অতিথিশালা রয়েছে।
দিন ৮) মায়ে সারিয়াং - চিয়াং মাই
মায়ে সারিয়াং থেকে চিয়াং মাই ফিরে আসুন (প্রায় ৪ ঘণ্টার পথ), হাইওয়ে ১০৮ ধরে। এই পথে জনপ্রিয় একটি ডিটুর হলো দোই ইনথানন পাহাড়ে যাওয়া, যা থাইল্যান্ডের সর্বোচ্চ চূড়া এবং জাতীয় উদ্যান।
নিরাপত্তা
অভিজ্ঞ স্থানীয় চালকের সঙ্গে যাত্রা করুন, কারণ পাহাড়ি সড়ক ও স্থানীয় গাড়ি চালানোর ধরন অপরিচিত চালকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
কি করবেন
- হিল ট্রাইব সম্পর্কে জানুন
উত্তর থাইল্যান্ডের সংস্কৃতির একটি সমৃদ্ধ অংশ হলো হিল ট্রাইব গ্রামগুলো। প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও রীতি-নীতি রয়েছে। তাদের আকর্ষণীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে জানুন, চাইলে হোমস্টেতে রাত কাটাতে পারেন। সম্মানজনকভাবে ভ্রমণের জন্য স্থানীয় গাইড নেওয়া ভালো, যিনি ভাষান্তর করবেন এবং নিশ্চিত করবেন যে আপনি কারও ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করছেন না।
- দোই গং মু মন্দির
এটি একটি শান মন্দির, মায়ে হং সন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত। এখান থেকে শহরের অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়। সূর্যাস্তের সময় ভ্রমণের জন্য আদর্শ।
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
চিয়াং রাই-এর প্রধান আকর্ষণ, যেখানে থাইল্যান্ড, লাওস ও মিয়ানমার মিলিত হয়েছে। এখান থেকে মেকং নদীতে লং-টেল নৌকায় ভ্রমণ করে লাওসের বাজারেও যাওয়া যায়।
- পাই ক্যানিয়ন
পাই শহর থেকে ৮ কিমি দূরে অবস্থিত। পাকা সিঁড়ি বা কাঁচা পথ দিয়ে পৌঁছানো যায়। এখান থেকে পাই উপত্যকা ও এর সুন্দর পাথুরে ক্লিফের দৃশ্য দেখা যায়।
- দোই আংখাং রয়্যাল এগ্রিকালচারাল স্টেশন
থাইল্যান্ডের রাজপ্রকল্পের আওতায় প্রতিষ্ঠিত এই কৃষি গবেষণা কেন্দ্রটি হিল ট্রাইব কৃষকদের সহায়তা করে এবং কফি, স্ট্রবেরির মতো অ-স্থানীয় ফসল চাষ শেখায়। এটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত এবং এখানে ফুল ও বনসাই বাগানসহ নানা রকম উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রদর্শনী রয়েছে। আংখাং স্টেশন
{{#assessment:ভ্রমণপথ|ব্যবহারযোগ্য}}

(ছবি: CC BY-SA 3.0)
এই পাতা কোথা থেকে এসেছে
এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “উত্তর থাইল্যান্ড লুপ ট্যুর” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।
এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।
Licencia: CC BY-SA 4.0 · Adaptado de bn.wikivoyage.org
1
0
0
0

Comentarios






