Hub Nexus
Mis à jour

AuteurPas encore d'auteurLa reprendre

Quelque chose à améliorer ? Proposez une modification.

Soutien

সাও পাওলো - ডাউনটাউন ও পাউলিস্তা অঞ্চল।

সাও পাওলো - ডাউনটাউন ও পাউলিস্তা অঞ্চল। (ছবি: Diego_3336, CC BY 2.0)

সাও পাওলো (পর্তুগিজ উচ্চারণে সাও পাওলো), যেটি সাম্পা নামেও পরিচিত, ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় শহর। এর পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ এবং মহানগর এলাকায় প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ। যা আমেরিকা মহাদেশ ও দক্ষিণ গোলার্ধের মধ্যে সবচেয়ে জনবহুল। এটি সাও পাওলো রাজ্যের রাজধানী, যা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। শহরটি এক কর্মচাঞ্চল্যে ভরা মৌচাকের মতো, যেখানে ভ্রমণে প্রাণবন্ত নৈশজীবন ও গভীর সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।

সাও পাওলো দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) অনুযায়ী ১০ম স্থানে রয়েছে। তবুও দারিদ্রের বিষয়টি স্পষ্ট, বিশেষ করে শহরতলিতে, সামাজিক বৈষম্যের কারণে এখনো ব্যাপকভাবে দারিদ্রতা বিদ্যমান। ঐতিহাসিকভাবে এই নগরী অভিবাসী ও ব্রাজিলের অন্যান্য প্রদেশের মানুষের কাছে ছিল আকর্ষণের কেন্দ্র। এখানে পর্তুগিজ ও আফ্রিকান ঐতিহ্য (যা সমগ্র ব্রাজিলের সাধারণ বৈশিষ্ট্য) মিলিত হয়ে গড়ে উঠেছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক পরিচয়, যেখানে ইতালী, আরব ও জাপানিদের প্রভাব বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

পর্যটনের ক্ষেত্রে সাও পাওলোকে অনেক সময় অবমূল্যায়ন করা হয়, কারণ রিও দে জেনেইরো ও সালভাদরের মতো সূর্য-সমুদ্র সৈকতের শহরগুলো অনেক বেশি জনপ্রিয়। অথচ এটি সত্যিকার অর্থেই একটি চমৎকার শহর ঘুরে দেখার জন্য। এখানে রয়েছে বিশাল ও প্রায় ভীতিজনক স্কাইলাইন, অপ্রত্যাশিত পাড়া ও স্থাপত্যশৈলী, প্রাণবন্ত সংস্কৃতি ও শিল্পের (বিশেষ করে স্ট্রিট আর্ট) পরিবেশ। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশ্বমানের রেস্তোরাঁ এবং নানা ধরনের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খাবারের সম্ভার। শহরটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ বলা যায় এর অসাধারণ রেস্তোরাঁর মান ও বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম।

শহরের ঠিক দক্ষিণে রয়েছে পার্কে এস্তাদুয়াল সেরা দো মার (অ্যাটলান্টিক ফরেস্ট সাউথ-ইস্ট রিজার্ভস-এর অংশ, যা একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান), এক পর্বতমালা যা ঘন বর্ষাবনে আচ্ছাদিত এবং সমুদ্রের দিকে মুখ করে রয়েছে। এখানে নানা ধরনের ইকোট্যুরিজমের সুযোগ পাওয়া যায়।

উপবিভাগসমূহ

সাও পাওলোর মানচিত্র

সাও পাওলোর মানচিত্র (ছবি: edsonaoki, CC BY-SA 3.0)

আভেনিদা পাউলিস্তা।

আভেনিদা পাউলিস্তা। (ছবি: Caiodovalle, Public domain)

জানুন

সাও পাওলো ব্রাজিলের সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থীর শহর, তবে বেশিরভাগই ব্যবসা ও অনুষ্ঠানভিত্তিক পর্যটন নিয়ে আসে। অনেকেই শহরটা ঘুরে দেখার তেমন চেষ্টা করে না। কিন্তু যারা করে, তারা আবিষ্কার করতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে জটিল ও চিত্তাকর্ষক শহরগুলির একটি। এমনকি কাছাকাছি এলাকাগুলোও আলাদা শহরের মতো মনে হতে পারে। এর কারণ হলো সাও পাওলোর চরম সামাজিক বৈষম্য, বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক প্রভাব এবং জটিল নগর পরিকল্পনা।

উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি রুয়া অগুস্তার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে হাঁটেন (যা পরে রুয়া কলোম্বিয়া এবং আভেনিদা ইউরোপা হয়ে যায়, শুরু হয় ডাউনটাউন থেকে), তবে আপনি পার হবেন:

  • বাইশা অগুস্তার শহরের সবচেয়ে জমজমাট নৈশজীবনের এলাকা
  • আভেনিদা পাউলিস্তাকে ঘিরে থাকা প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র
  • রুয়া অস্কার ফ্রেইরেকে ঘিরে থাকা কেনাকাটার বৈচিত্র্য
  • সবুজাভ, ধনী ও নিচু তলার ভবনসমৃদ্ধ জার্দিম আমেরিকা এলাকা
  • জার্দিম ইউরোপায় দামী গাড়ির শোরুমের সারি
  • আভ. ফারিয়া লিমার আধুনিক ব্যবসা জেলা এবং অতিধনীদের ইটাইম পাড়া

প্রথম দেখায় শহরটিকে ধূসর কংক্রিটের জঙ্গল মনে হলেও শিগগিরই বোঝা যায় এখানে অনেক সুন্দর জায়গার সমাহার রয়েছে। পাশাপাশি চমৎকার সব রেস্তোরাঁ, পানশালা এবং আড্ডার স্থান (সবসময়ই ব্যয়বহুল নয়) অপেক্ষা করছে ভ্রমণকারীদের জন্য।

ইতিহাস

পাটিও দো কলেজিও, যেখানে সাও পাওলো প্রতিষ্ঠিত হয়

পাটিও দো কলেজিও, যেখানে সাও পাওলো প্রতিষ্ঠিত হয় (ছবি: Halley Pacheco de Oliveira, CC BY-SA 3.0)

"সাও বেন্তো" মঠ

"সাও বেন্তো" মঠ (ছবি: Morio, CC BY-SA 3.0)

১৫৫৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, প্রেরিত পৌলের ধর্মান্তর উৎসবের দিনে, স্থানীয় আদিবাসী প্রধান টিবিরিসা এবং যাজক পুরোহিত হোসে দে আঞ্চিয়েতা ও মানুয়েল দে নোব্রেগার নেতৃত্বে সাও পাওলো দে পিরাতিনিঙ্গা গ্রাম প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁদের সহযাত্রীদের নিয়ে পুরোহিতরা কোলেজিও দে সাও পাওলো দে পিরাতিনিঙ্গা নামে একটি মিশন স্থাপন করেন, যার উদ্দেশ্য ছিল তুপি-গুয়ারানি আদিবাসী ব্রাজিলীয়দের ক্যাথলিক ধর্মে দীক্ষিত করা। ১৬১৬ সালে শহরের প্রথম গির্জা নির্মিত হয়, যা আজকের পাটিও দো কলেজিও এলাকায় (মেট্রো: সে বা সাও বেন্তো স্টেশন) অবস্থিত।

১৭১১ সালে সাও পাওলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে শহরের মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯শ শতকে কফি রপ্তানির কারণে শহর দ্রুত সমৃদ্ধ হতে থাকে। উৎপাদিত কফি পাশের শহর সান্তোসের বন্দর দিয়ে বিদেশে পাঠানো হতো। ১৮৮১ সালের পর ইতালি, জাপানসহ ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ (যেমন সিরিয়া ও লেবানন) থেকে অভিবাসীরা সাও পাওলো রাজ্যে আসতে শুরু করে, ক্রমবর্ধমান কফি চাহিদা পূরণের জন্য।

এ সময় আফ্রিকান দাসপ্রথা প্রায় বিলুপ্তির পথে ছিল। একদিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ব্রাজিলে নিজেদের শিল্পপণ্য প্রবেশ করাতে চাইছিল, অন্যদিকে সরকারও উদ্বিগ্ন ছিল কৃষ্ণাঙ্গ জনসংখ্যা শ্বেতাঙ্গদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে বলে। তাই “জাতিকে সাদা করার” প্রচেষ্টায় ইতালি, জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, ইউক্রেন, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও স্পেন থেকে ইউরোপীয় অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হয়।

দাসপ্রথা বিলুপ্তির পর ইউরোপীয় শ্রমিকরা কফি খাতে আসতে থাকে। বৈষম্যমূলক নীতির কারণে আফ্রো-ব্রাজিলীয়রা প্রায়ই কাজ থেকে বঞ্চিত হয় এবং বৈষম্যের শিকার হয়। ২০শ শতকের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে কফির দামের পতন ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে কফি-নির্ভর অর্থনীতি ভেঙে পড়ে। তখন স্থানীয় উদ্যোক্তারা শিল্প খাতে বিনিয়োগ শুরু করেন, যা নতুন বিদেশি অভিবাসীদেরও শহরে আকৃষ্ট করে। তাঁদের মধ্যে ইতালীয়, পর্তুগিজ, জার্মান ও সিরিয়ান-লেবানিজ খ্রিস্টান বংশোদ্ভূত বহু পরিবার ছিল, যেমন মাতারাজ্জো, দিনিজ ও মালুফ পরিবার।

২০শ শতকের শেষদিকে অন্যান্য ব্রাজিলীয় শহরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সাও পাওলোকে শিল্পকেন্দ্রিক প্রোফাইল থেকে ধীরে ধীরে সরে আসতে হয়, কারণ এসব শহরে শিল্প স্থাপনে কর ছাড় দেওয়া হতো। ফলস্বরূপ সাও পাওলো সেবা শিল্পে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। আজকের দিনে এখানে অসংখ্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাংক, আইন সংস্থা, বহুজাতিক কোম্পানি, বিজ্ঞাপন সংস্থা ও ভোক্তা সেবার প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শহরে বহু আন্তর্জাতিক ও ব্রাজিলীয় প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর রয়েছে। ব্রাজিলিয়ান স্টক এক্সচেঞ্জ সূচক (ইবোভেসপা) আন্তর্জাতিকভাবে লাতিন আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

মানুষ

লিবারদাদে জেলা—যেখানে অভিবাসীদের প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্ট। (ছবি: Liberdade_sao_paulo.jpg : Caio do Valle Caiodovalle
derivative work: Lady Whis, Public domain)

সাও পাওলোর মানুষের বৈচিত্র্য সত্যিই অনন্য। উদাহরণস্বরূপ, জাপানের বাইরে সবচেয়ে বড় জাপানি জনসংখ্যা এখানে বাস করে। লিবারদাদে এলাকায় সহজেই জাপানি, চীনা ও কোরিয়ান-ব্রাজিলীয় ব্যবসা ও গির্জা চোখে পড়ে। প্রথমে এই অঞ্চল ছিল ইতালীয়দের আবাসভূমি, পরে জাপানিদের, আর বর্তমানে এখানে কোরিয়ান ও চীনা সম্প্রদায়ের আধিক্য দেখা যায়।

শহরের ইতালীয় প্রভাবও অত্যন্ত প্রবল। মহানগর এলাকায় প্রায় ৬০ লাখ মানুষের ইতালীয় বংশোদ্ভূত রয়েছে। একইভাবে আরব ও ইহুদি সম্প্রদায়ও শিল্প, রিয়েল এস্টেট এবং বিশেষত রাজনীতিসহ সমাজের নানা ক্ষেত্রে শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রেখেছে।

সাও পাওলোর নাগরিকরা পরিশ্রমী ও কর্মঠ হিসেবে পরিচিত, যদিও অনেকে তাঁদের অর্থলোভী বলে ঠাট্টা করে। একটি প্রচলিত কথা হলো, “সাও পাওলোর মানুষ কাজ করে, আর ব্রাজিলের বাকি অংশ বিশ্রাম নেয়।” ধারণাটি অতিরঞ্জিত হলেও, সত্যটা হলো, শুধু সাও পাওলো শহরই পুরো দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের প্রায় ১৫ শতাংশ অবদান রাখে (পুরো সাও পাওলো রাজ্য হিসেব করলে তা প্রায় ৪৫ শতাংশ)।

তবে কাজের ফাঁকে পাউলিস্তানোদের (সাও পাওলোর মানুষ) বিনোদনের দিকটিও সমান প্রাণবন্ত। শহরের নাইটলাইফ এতটাই বৈচিত্র্যময় যে ক্লাবে সময় কাটানো এখানে প্রায় অপরিহার্য অভিজ্ঞতা।

অবস্থান নির্দেশিকা

সাও পাওলো ঘোরার জন্য প্রাথমিক রেফারেন্স পয়েন্ট হওয়া উচিত আভেনিদা পাউলিস্তা। এখান থেকে বাস বা মেট্রো যে কোনো মাধ্যমে শহরের প্রায় সব জায়গায় পৌঁছানো সহজ। এটি বেলা ভিস্তা ও জার্দিম পাউলিস্তা এলাকার মাঝখানে অবস্থিত। আভেনিদা পাউলিস্তা থেকে সেন্ট্রো ও ইবিরাপুয়েরা পার্কে হেঁটেও যাওয়া যায়, তাই এটি হাঁটার ট্যুর শুরু করার জন্য আদর্শ জায়গা।

তবে সাও পাওলোর কেন্দ্র খুব বিস্তৃত, তাই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে অনেক সময় ট্যাক্সি বা গণপরিবহন ব্যবহার করতে হতে পারে। দিকনির্দেশ জানতে রাস্তার সাইনবোর্ড দেখলেই হবে, কারণ এগুলো রঙ দিয়ে চিহ্নিত থাকে:

  • সে/রেপুবলিকা ( ডাউনটাউন-এ): সাদা সড়ক নামফলক।

অন্য সব এলাকায় নীল রঙের সড়ক নামফলক থাকে, যার নিচে একটি রঙিন দাগ দিয়ে অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়:

  • প্রসারিত কেন্দ্র: ধূসর (প্রসারিত কেন্দ্র বলতে উত্তর দিকে তিয়েতে নদী, পশ্চিমে পিনেইরোস নদী, দক্ষিণে আভেনিদা দোস বান্দেইরান্তেস এবং পূর্বে আভেনিদা সালিম ফারাহ মালুফ দ্বারা সীমাবদ্ধ এলাকা বোঝানো হয়)
  • উত্তর-পশ্চিম: হালকা সবুজ
  • উত্তর: গাঢ় নীল
  • উত্তর-পূর্ব: হলুদ
  • পূর্ব: লাল
  • দক্ষিণ-পূর্ব: গাঢ় সবুজ
  • দক্ষিণ: হালকা নীল
  • দক্ষিণ-পশ্চিম: বেগুনি
  • পশ্চিম: কমলা

ডাউনটাউনের (বিশেষ করে প্রাসা দা সে) দিকে যেতে চাইলে ক্রমশ ছোট হতে থাকা রাস্তার নম্বর অনুসরণ করতে হবে। তবে এই নিয়ম সান্তো আমারো সাব-প্রিফেকচার বা দূর দক্ষিণ অঞ্চলে কার্যকর নয়; সেখানে কমতে থাকা রাস্তার নম্বর আপনাকে নিয়ে যাবে লার্গো ১৩ দে মাইও-তে।

আবহাওয়া

সাও পাওলো শহরের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ এবং খুবই পরিবর্তনশীল। মেলবোর্নের মতোই, যা অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত, এখানকার লোকেরা বলে থাকে যে সাও পাওলোতে দিনে চারটি ঋতুই অনুভব করা যায়। যদিও শহরটি কর্কটক্রান্তিরেখায় অবস্থিত, সাও পাওলো ৭৬০ মিটার (২৪৯৩ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত হওয়ায় এটি তুলনামূলকভাবে শীতল থাকে। সমুদ্র থেকে আসা বাতাস সারা বছরই বাতাসকে আর্দ্র রাখে।

গ্রীষ্মকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, যার ফলে শহরের কিছু অংশে বন্যা দেখা দেয় এবং নদীগুলো উপচে পড়ে। জানুয়ারি মাস সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের মাস, গড় বৃষ্টিপাত ২৩৭ মিমি (৯.৩ ইঞ্চি)। আগস্ট মাস সবচেয়ে শুষ্ক, গড় বৃষ্টিপাত ৪০ মিমি (১.৬ ইঞ্চি)।

শহরের উচ্চতার কারণে তাপমাত্রা সাধারণত খুব বেশি গরম হয় না। ফেব্রুয়ারি মাসে, যা সবচেয়ে উষ্ণ মাস, গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকে ২৮° সে. (৮২° ফা.) এবং গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকে ১৯° সে. (৬৬° ফা.)। শীতকালে জুলাই মাসে গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২° সে. (৫৩° ফা.) এবং গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২° সে. (৭১° ফা.)। তবে প্রচুর ভবন থাকার কারণে শহরের কিছু এলাকায় তুলনামূলক উষ্ণ মনে হতে পারে।

কীভাবে যাবেন

বিমানযোগে

সাও পাওলো (এসএও আইএটিএ) তে তিনটি প্রধান বিমানবন্দর রয়েছে: গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (জিআরইউ আইএটিএ) এবং বিরাকোপোস (ভিসিপি আইএটিএ), যেখানে আন্তর্জাতিক এবং কিছু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট আসে, এবং কঙ্গনহাস (সিজিএইচ আইএটিএ), যেখানে বেশিরভাগ মাঝারি ও স্বল্প দূরত্বের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালিত হয়।

যদি সাও পাওলোতে সরাসরি ফ্লাইটের ভাড়া বেশি হয়, তবে আপনি কাম্পিনাস, রিও, কুরিতিবা, রিবেইরাঁও প্রেতো বা বেলো হরিজন্তে বিমানবন্দরগুলোতে উড়ে যেতে পারেন। সেখান থেকে আন্তঃনগর বাসযোগে সাও পাওলোতে পৌঁছানো যায়।

গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট বাস সার্ভিস

গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট বাস সার্ভিস (ছবি: Bruno Dantas, Public domain)

আরও দেখুন: সাও পাওলো-গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

সাও পাওলোর সড়ক নম্বরগুলো গণনা শুরু হয় মার্কো জিরো থেকে, যা সি ক্যাথেড্রালের সামনে অবস্থিত।

সাও পাওলোর সড়ক নম্বরগুলো গণনা শুরু হয় মার্কো জিরো থেকে, যা সি ক্যাথেড্রালের সামনে অবস্থিত। (ছবি: Wilfredor, CC0)

সাও পাওলো-গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (জিআরইউ আইএটিএ) (শহরের কেন্দ্র থেকে ৪০ কিমি (২৫ মা) দূরে গুয়ারুলহোসে অবস্থিত), ☏ +৫৫ ১১ ২৪৪৫-২৯৪৫। বিদেশ থেকে সাও পাওলোতে নামলে সাধারণত আপনার অবতরণ হবে গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, যা কুম্বিকা নামেও পরিচিত। এই বিমানবন্দরে তিনটি টার্মিনাল রয়েছে এবং এগুলোতে ব্রাজিলিয়ান বিমানসংস্থা লাতাম, গোল এবং আন্তর্জাতিক বিমানসংস্থা ইউনাইটেড, ডেল্টা, আমেরিকান, এয়ার কানাডা, এয়ার ফ্রান্স, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, লুফথানসা, আভিয়াঙ্কা, ট্যাপ, আইবেরিয়া, আইটিএ এয়ারওয়েজ, কেএলএম, সুইসসহ আরও অনেক বিমান সংস্থা ফ্লাইট পরিচালনা করে।

বিমান সংস্থা ছাড়া অন্যান্য শাটল বাস গুয়ারুলহোস থেকে কঙ্গনহাস বিমানবন্দর (সিজিএইচ আইএটিএ), রিপাবলিকা স্কয়ার (ডাউনটাউন), পাউলিস্তা/জারদিনস এলাকা, বাররা ফুন্ডা বাস স্টেশন এবং তিয়েতে বাস স্টেশন পর্যন্ত চলে (যেখান থেকে দ্রুততম সময়ে মেট্রোতে যাওয়া যায়)। কঙ্গনহাস বাদে বাকি সব লাইন মেট্রোর সঙ্গে সংযুক্ত। একমুখী ভাড়া ৪২ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল।

লাইন ২৫৭ একটি নিয়মিত নগর বাস, যা প্রতি ১৫–২০ মিনিট অন্তর তাতুাপে মেট্রো স্টেশন (লাইন ৩, লাল) থেকে আসা যাওয়া করে। যাত্রা সময় গড়ে ৩৫ মিনিট, ভাড়া ৬.১৫ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল (ফেব্রুয়ারি ২০১৮) এবং তা বাসে উঠেই পরিশোধ করতে হয়। চালক খুচরো ফেরত দেন। যেকোনো টার্মিনালের আগমনী স্তর থেকে সাইনবোর্ড অনুসরণ করলে বাস সহজেই পাওয়া যায়। বাসটি প্রথমে টার্মিনাল ২ থেকে ছাড়ে, পরে টার্মিনাল ৩ এবং ১-এ যায়। ভিড়ের সময় টার্মিনাল ২ থেকেই ওঠা সুবিধাজনক। আরামদায়ক না হলেও প্রচণ্ড যানজটে এটি পাউলিস্তা বা অন্যত্র দ্রুত পৌঁছাতে সহায়ক, কারণ এটি সরাসরি নিকটতম মেট্রো স্টেশনে যায়। বাসে লাগেজ রাখার র ্যাক থাকে, তবে আসনে লাগেজ রাখলে উঠতে বাধা পেতে পারেন।

ব্রাজিলের প্রধান তিন বিমান সংস্থা- লাতাম, গোল ও আজুল- গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও কঙ্গনহাস অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের মধ্যে যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে শাটল পরিচালনা করে। সময়সূচি জানতে লাতাম এবং গোল–এর ওয়েবসাইটে দেখা যেতে পারে। বাজেট ভ্রমণকারীরা চাইলে এই শাটল ধরে কঙ্গনহাসে পৌঁছে সেখান থেকে ট্যাক্সি নিতে পারেন, যা সরাসরি গুয়ারুলহোস থেকে ট্যাক্সি নেওয়ার চেয়ে অনেক সস্তা। যাত্রা সময় প্রায় ১ থেকে দেড় ঘণ্টা, এবং কোনো বুকিংয়ের প্রয়োজন নেই।

গুয়ারুলহোসে ট্যাক্সি পরিষেবার একচেটিয়া অধিকার রয়েছে ট্যাক্সি সমবায় গুয়ারুকুপের (ফোন: +৫৫ ১১ ২৪৪০-৭০৭০)। ট্যাক্সি সহজলভ্য, আগমনী টার্মিনালের বাইরে লাইনে দাঁড়াতে হয়। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা বুথে গিয়ে আগে থেকেই ভাড়া পরিশোধ করতে পারেন, তবে স্থানীয় মুদ্রা সঙ্গে রাখা উত্তম, কারণ সব জায়গায় বিদেশি কার্ড গ্রহণ নাও করা হতে পারে। যাত্রীরা চাইলে তাবেলা দেখতে পারেন, যেখানে গন্তব্যভেদে ভাড়ার তালিকা থাকে। ব্যস্ত সময়ে শহরে পৌঁছাতে প্রায় দুই ঘণ্টা লাগলেও গভীর রাত বা ভোরে যাত্রা ৪৫ মিনিটেই সম্পন্ন হতে পারে।

এছাড়া, "এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস" ট্রেন সেবা ব্যবহার করে সরাসরি লুজ স্টেশনে পৌঁছানো যায়। তবে স্টেশনটি বিমানবন্দরের একদম পাশে নয়। সেখানে যেতে হলে আগে একটি বিনামূল্যের শাটল বাস ধরতে হয়।

কঙ্গোনহাস বিমানবন্দর

"কঙ্গোনহাস" বিমানবন্দর এলাকার আকাশ দৃশ্য (ছবি: Mariordo, CC BY-SA 3.0)

  • সাও পাওলো–কঙ্গোনহাস বিমানবন্দর (সিজিএইচ আইএটিএ) (শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৫ কিমি (৯.৩ মা) দূরে অত্যন্ত কেন্দ্রীয় এলাকায় অবস্থিত)। এই বিমানবন্দরটি মূলত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে। এর মধ্যে সাও পাওলো–রিও (সান্তোস দুমন্ট) রুট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা পন্তে আয়েরা নামে পরিচিত। ১৯৩০-এর দশকে নির্মিত এই বিমানবন্দরটির স্থাপত্য সরল হলেও আভিজাত্যে ভরপুর, যা দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

কঙ্গোনহাসে পৌঁছানোর সবচেয়ে সহজ (এবং সাশ্রয়ী) উপায় হলো অ্যাভেনিদা পাওলিস্তা থেকে “অ্যারোপোর্তো” নামের সাধারণ বাস লাইন ধরা। মাঝারি ট্রাফিকের সময় প্রায় ৪০–৬০ মিনিটে আপনি সরাসরি বিমানবন্দরের সামনে নেমে যাবেন, আর ভাড়া মাত্র ৪ রিয়াল (বিলহেতে উনিকো কার্ড গ্রহণযোগ্য)। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেট্রো ধরে সাও জুদাস স্টেশনে নেমে সেখান থেকে বাস ধরলে দ্রুত পৌঁছানো যায়—সময় লাগে প্রায় ১০ মিনিট। সাও জুদাস স্টেশনের বাইরে থেকেই ৬০৯জে/১০ নাম্বার বাস পাওয়া যায়, আর বিমানবন্দরে নেমে পাশেই ৬০৭জে বাস স্টপ সহজেই খুঁজে পাবেন।

শহরের কেন্দ্র বা পাওলিস্তা এলাকা থেকে ট্যাক্সি ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই আগে সাও পাওলোর অনিশ্চিত ট্রাফিক পরিস্থিতি যাচাই করে নিন।

সিইটি ওয়েবসাইট (শুধু পর্তুগিজ ভাষায়) দেখুন।

ভিরাকোপোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

ভিরাকোপোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (সিপিকিউ বা ভিসিপি) কাম্পিনাসে অবস্থিত, যা সাও পাওলোর কেন্দ্র থেকে ১০০ কিমি (৬২ মা) দূরে। কখনো কখনো আবহাওয়ার কারণে কুমবিকাতে নামা সম্ভব না হলে এই বিমানবন্দরটি ব্যবহার করা হয়। ব্রাজিলীয়ান বিমানসংস্থা আজুল-এর হাব এখানে এবং তারা যাত্রীদের জন্য সাও পাওলো পর্যন্ত বিনামূল্যে বাস পরিবহন দেয়, যা আপনার অবস্থান অনুযায়ী সুবিধাজনক হতে পারে। টিএপি সপ্তাহে তিনবার লিসবন থেকে সাও পাওলোতে ফ্লাইট পরিচালনা করে।

এয়ার ট্যাক্সি রোটরফ্লাই হলো একটি এয়ার ট্যাক্সি কোম্পানি, যাদের অফিস কারাপিকুইবা হেলিপার্কে অবস্থিত। তারা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সাও পাওলোর বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী পরিবহন করে। দ্রুত যাতায়াতের জন্য এটি চমৎকার একটি বিকল্প হতে পারে। ঠিকানা: আর. ফর্তুনাতো গ্রিলেনজোনে, ৪১৭ - সালা ৮ - হেলিপার্ক, কারাপিকুইবা - এসপি, ০৬৩৩৩-২৩০ - টেলিফোন: ০৮০০ ৫৯১ ৯০৫৬

বাসে করে

"তিয়েতে" বাস টার্মিনাল

"তিয়েতে" বাস টার্মিনাল (ছবি: Wilfredor, CC0)

সাও পাওলোতে তিনটি প্রধান বাস টার্মিনাল রয়েছে, এবং সবগুলোই মেট্রো (আন্ডারগ্রাউন্ড রেল) নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত।

  • টার্মিনাল রোডোভিয়ারিও দো তিয়েতে, অ্যাভেনিদা ক্রুজেইরো দো সুল ১.৮০০, সান্তানা (তিয়েতে মেট্রো স্টেশন, নীল লাইন), ☏ +৫৫ ১১ ৩২৩৫-০৩২২ (০৬:০০-২৩:৩০ পর্যন্ত কল করা যাবে)। তিয়েতে বাস টার্মিনাল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাস টার্মিনাল হিসেবে পরিচিত। এটি একটি বিশাল ভবনের ভেতরে পরিচালিত হয়, যার কেন্দ্রে রয়েছে একটি তথ্য ডেস্ক। ব্রাজিলের নানা শহর থেকে বাস এসে এখানে থামে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটের বাসও আসে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গন্তব্য হলো প্যারাগুয়ের আসুনসিওন (২০ ঘণ্টা), আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেস (৩৬ ঘণ্টা), উরুগুয়ের মন্টেভিদেও (৩০ ঘণ্টা), চিলির সান্তিয়াগো (৫৬ ঘণ্টা) এবং পেরুর লিমা (১০৮ ঘণ্টা)। এখান থেকেই গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য শাটল সার্ভিসও চালু রয়েছে।
  • টার্মিনাল রোডোভিয়ারিও দা বার্রা ফুন্ডা, অ্যাভেনিদা আওরো সোয়ারেস দে মৌরা আন্দ্রাদে ৬৬৪, বার্রা ফুন্ডা জেলা, এক্সপ্যান্ডেড সেন্টার (বার্রা ফুন্ডা মেট্রো স্টেশন, লাল লাইন), ☏ +৫৫ ১১ ৩৩৯২-১৮৭৮। এটি সাও পাওলোর শহরকেন্দ্রের পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এখান থেকে সাও পাওলো রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরগুলোর পাশাপাশি মাতো গ্রোসো, ফোজ দো ইগুয়াসু (প্রায় ১৫ ঘণ্টা, ভাড়া ২৩০–২৬০ রিয়াল, সাধারণত ১৩:০০ ও ১৯:০০ টায় ছাড়ে) এবং পশ্চিম পারানার বিভিন্ন শহরের উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়। পাওলিস্তা অ্যাভিনিউ থেকে মেট্রো ব্যবহার করে প্রায় ৩০ মিনিটে এখানে পৌঁছানো যায়। চাইলে পাওলিস্তা অ্যাভিনিউ থেকে "বার্রা ফুন্ডা" (৮৭৫পি) বাসেও সরাসরি আসা সম্ভব। এখান থেকেও গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শাটল পরিষেবা চালু রয়েছে।
  • টার্মিনাল রোডোভিয়ারিও দে জাবাকুয়ারা, আর. দোস জেকুইটিবাস স/ন, জাবাকুয়ারা জেলা, দক্ষিণ দিক (জাবাকুয়ারা মেট্রো স্টেশন, নীল লাইন), ☏ +৫৫ ১১ ৩২৩৫-০৩২২। জাবাকুয়ারা টার্মিনাল সাও পাওলো রাজ্যের দক্ষিণ উপকূলীয় শহরগুলোতে যাতায়াতের প্রধান কেন্দ্র, যার মধ্যে রয়েছে গুয়ারুজা, সান্তোস এবং বার্তিওগা। শহরের কেন্দ্র থেকে মেট্রো ব্যবহার করে এখানে পৌঁছাতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় লাগে। টার্মিনালের ভেতরে অবস্থিত জাবাকুয়ারা মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের সুবিধার্থে লাগেজ স্টোরেজ (গার্দা ভলুমেস) সেবা পাওয়া যায়।

সস্তা বিকল্প (১৩০ রিয়াল) হিসেবে ফোজ দো ইগুয়াসু ও সাও পাওলোর মধ্যে বাসযাত্রার সুযোগ দেয় এমন কিছু পণ্য পরিবহনকারী কোম্পানি রয়েছে, যারা একই সঙ্গে যাত্রীও বহন করে। বিস্তারিত জানার জন্য ফোজ দো ইগুয়াসু নিবন্ধটি দেখুন। সাও পাওলো থেকে রওনা দেওয়ার আগে অবশ্যই ফোন করে জেনে নিন, তারা ঠিক কোন স্থান থেকে যাত্রা শুরু করে। এ ধরনের কয়েকটি কোম্পানি হলো:

  • এমডি ট্যুর, সাও পাওলো, রুয়া জোয়াও তেওদোরে ৬২৮, ☏ +৫৫ ১১৯৫৯০৬৮২০১, +৫৫ ১১৩৮০৭১১৫৭। সাও পাওলো থেকে/সাও পাওলোতে যাত্রা প্রতিদিন ১৭:০০ থেকে ১৮:০০ টার মধ্যে হয়। তবে টিকিট অবশ্যই বিকেল ১৫:০০ টার মধ্যে, অথবা আগের দিন কিনে নিতে হবে।। আর$১৩০।
  • ট্রান্স মুলেকে, সাও পাওলো, রুয়া কার্লোস দে সুজা নাজারে ৫২৬, ☏ +৫৫ ১১৩২২৭০৪৬১, +৫৫ ১১২২০৭১৯২১, +৫৫ ১১৯৮৫৮০৫০২১, +৫৫ ১১৯৯৭২৯৯৮১৮। সাও পাওলো থেকে/সাও পাওলোতে যাত্রা হয় প্রতিদিন ১৭:০০–১৮:০০ টার মধ্যে। তবে যাত্রার জন্য টিকিট অবশ্যই বিকেল ১৫:০০ টার মধ্যে, অথবা তার আগের দিন সংগ্রহ করতে হবে।। আর$১৩০।

রেলে করে

বিস্তৃত কমিউটার রেল নেটওয়ার্ক ছাড়া সাও পাওলোতে কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন প্রবেশ করে না। তবে সাও পাওলো–রিও দে জেনেইরোর অত্যন্ত ব্যস্ত আকাশপথের চাপ কমাতে একটি উচ্চগতির রেল সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা চলছে। এছাড়াও আশা করা হচ্ছে, ব্রাজিলের প্রথম আন্তঃনগর যাত্রীবাহী ট্রেন ২০৩১ সালের মধ্যে সাও পাওলোকে কাম্পিনাসের সঙ্গে যুক্ত করবে।

ঘুরে দেখুন

সাও পাওলোতে যাতায়াত কখনো আনন্দদায়ক আবার কখনো জটিল হতে পারে। সাধারণত শহরে চলাফেরার দ্রুততম ও তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক উপায় হলো সাইকেল ও গণপরিবহন ব্যবহার করা। অন্যদিকে গাড়িতে চলাচলের অভিজ্ঞতা অনেক সময় ভয়াবহ হতে পারে। পিক আওয়ার সাধারণত সকাল ০৬:০০–০৯:০০ এবং বিকেল ১৬:০০–১৯:০০ পর্যন্ত থাকে। তবে শহরের সড়কগুলো সবসময়ই সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতায় চলায় ছোটখাটো কোনো দুর্ঘটনাও বিশাল যানজট ও দেরির কারণ হতে পারে।

পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে সস্তা উপায় হলো যতটা সম্ভব মেট্রো/সাবওয়ে, ট্রেন এবং বাস/ট্রলি বাস ব্যবহার করা এবং ছোট দূরত্বের জন্য ট্যাক্সি নেওয়া। তবে এই পরিবহনগুলোও পিক আওয়ারে অস্বস্তিকরভাবে ভিড় হতে পারে, তাই খুব সীমিত হাতব্যাগ বহন করাই ভালো।

আপনি শহরের পরিবহন প্রশাসন বিভাগ এসপি ট্রান্স (SPTrans)-এর ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন। সেখানে পুরো শহরের সব ধরনের গণপরিবহনের রুট ও সময়সূচি খুঁজে পাওয়া যায়।

সাও পাওলোতে বিস্তৃত সাইকেল লেনের নেটওয়ার্ক এবং শক্তিশালী সাইকেল সংস্কৃতি রয়েছে, ফলে সাইকেল চালানো অনেক আনন্দদায়ক হতে পারে। হাঁটাও আনন্দদায়ক হতে পারে, তবে তা রুটের ওপর নির্ভর করে।

বিলহেতে উনিকো

বিলহেতে উনিকো হলো একটি পরিবহন স্মার্টকার্ড, যা বাস, মেট্রো এবং ট্রেনে ভাড়ার টাকা পরিশোধের জন্য ব্যবহার করা হয়। মূলত, একটি কার্ডে একবার টাকা কেটে নেওয়ার পর একজন যাত্রী সাও পাওলোর গণপরিবহন ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ চারবার ভ্রমণ করতে পারেন। আর ৩ ঘণ্টার মধ্যে এক যানবাহন থেকে অন্যটিতে উঠলে (ট্রান্সফার করলে) বাড়তি ভাড়া দিতে হয় না।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে, পুরো পরিবহন ব্যবস্থায় কেবলমাত্র ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইস্যুকৃত বিলহেতে উনিকো কার্ড গ্রহণ করা হচ্ছে। অনলাইনে কার্ড ইস্যু কেবলমাত্র Cadastro de Pessoa Física (সিপিএফ) ধারকদের জন্য উন্মুক্ত, যার মানে বিদেশি পর্যটকরা কেবল এসপিট্রান্স দোকান থেকে পাসপোর্ট দেখিয়ে বিলহেতে উনিকো কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। দোকানগুলোর তালিকা এখানে দেওয়া আছে। কোনো দোকান কার্ড ইস্যু করতে পারে কিনা তা জানতে “Ver serviços disponíveis neste posto” (এই পোস্টোতে উপলব্ধ সেবাসমূহ দেখুন) ক্লিক করে “Emissão da 1ª e 2ª via” (প্রথম ও দ্বিতীয় কপি ইস্যু) খুঁজতে হবে। তবে সাবধান থাকতে হবে, কারণ কার্ড সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া নাও যেতে পারে, তাই আগে থেকে পরিকল্পনা করে নেয়া জরুরি।

ভাড়া নেওয়ার নিয়মগুলো নিম্নরূপ:

  • বাসে: বাসে উঠলে আপনার কার্ড থেকে ৪.৪০ রিয়াল কেটে নেওয়া হবে এবং আপনি তিন ঘণ্টার মধ্যে আরও তিনটি বাসে উঠতে পারবেন বিনা খরচে।
  • মেট্রো বা সিপিটিএম ট্রেনে: মেট্রো বা ভূগর্ভস্থ ট্রেনে একবার যাতায়াত করতে ৫.২০ রিয়াল কেটে নেওয়া হবে।
  • প্রথমে মেট্রো/সিপিটিএম ট্রেন, পরে বাস: মেট্রো বা সিপিটিএম স্টেশনের গেট পার হওয়ার সময় ৫.২০ রিয়াল কাটা হবে। এরপর বাসে উঠলে অতিরিক্ত ৩.২০ রিয়াল কাটা হবে এবং সেই সময় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে আপনি আরও দুটি বাসে উঠতে পারবেন কোনো অতিরিক্ত টাকা ছাড়াই।
  • প্রথমে বাস, পরে মেট্রো/সিপিটিএম ট্রেন: বাসে উঠলে কার্ড থেকে ৪.৪০ রিয়াল কেটে নেওয়া হবে। এরপর মেট্রো বা সিপিটিএম সিস্টেমে প্রবেশ করলে আরও ৩.৮০ রিয়াল কাটা হবে। মেট্রো বা সিপিটিএম থেকে নামার পর দুই ঘণ্টার মধ্যে আপনি সর্বোচ্চ আরও দুটি বাসে উঠতে পারবেন, নির্ভর করবে আপনি ট্রেনে ওঠার আগে এক বা দুইটি বাস নিয়েছেন কি না।

সাধারণত এই ছাড় আন্তঃনগর বাসে (সাধারণত নীল রঙের এবং ইএমটিইউ সংস্থার পরিচালিত) প্রযোজ্য নয়, যদিও কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে।

মেট্রো ও ট্রেনে করে

ঐতিহাসিক কেন্দ্রের "লুজ" ট্রেন ও মেট্রো স্টেশন।

ঐতিহাসিক কেন্দ্রের "লুজ" ট্রেন ও মেট্রো স্টেশন। (ছবি: fotografia por User:Cralize , edição por User:Gaf.arq, Public domain)

রেল নেটওয়ার্ক, যা মেট্রো (ভূগর্ভস্থ ট্রেন) ও ভূ-উপরি ট্রেন নিয়ে গঠিত, তা সাও পাওলোতে ভ্রমণকালে পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পরিবহন ব্যবস্থা। মেট্রো আধুনিক, নিরাপদ, পরিষ্কার এবং কার্যকর; ভূ-উপরি ট্রেনের মান বিভিন্ন রকম হলেও পর্যটন এলাকায় সেগুলো মেট্রোর মতোই ভালো। রেল নেটওয়ার্কের সর্বশেষ মানচিত্র এই লিঙ্কে পাওয়া যাবে।

পর্যটকদের জন্য ১–৫ এবং ৯ নম্বর লাইন সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

মেট্রোর লাইনগুলো পরিচালনা করে ভিয়াকুয়াত্রো (লাইন ৪), ভিয়ামোবিলিদাদে (লাইন ৫), অথবা মেট্রো (অন্যান্য সব লাইন):

  • লাইন ১ (নীল): উত্তর-দক্ষিণমুখী, ঐতিহাসিক কেন্দ্র অতিক্রম করে। তিয়েতে ও জাবাকোয়ারা বাস টার্মিনালেও সেবা দেয়।
  • লাইন ২ (সবুজ): পশ্চিম-পূর্বমুখী, অ্যাভেনিদা পাউলিস্তা অতিক্রম করে। বর্তমানে এর সম্প্রসারণ কাজ চলছে।
  • লাইন ৩ (লাল): পশ্চিম-পূর্বমুখী (লাইন ২-এর উত্তরে) ঐতিহাসিক কেন্দ্র অতিক্রম করে। এই লাইনের পশ্চিম প্রান্তে বার্রা ফুন্দা বাস টার্মিনাল রয়েছে।
  • লাইন ৪ (হলুদ): ঐতিহাসিক কেন্দ্রকে পশ্চিম অংশের সঙ্গে যুক্ত করে (প্রধানত লাইন ২-এর দক্ষিণে), এবং অ্যাভেনিদা পাউলিস্তার পশ্চিম অংশ দিয়ে যায়।
  • লাইন ৫ (বেগুনি): দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল (যার মধ্যে কাপাও রেদোন্দো ও সান্তো আমারো অন্তর্ভুক্ত) থেকে লাইন ১, ২ ও ৯-এর সঙ্গে সংযোগ করে।
  • লাইন ১৫ (রূপালি): একটি দ্রুত চলাচলকারী মনোরেল, যা শহরের পূর্ব উপকণ্ঠে চলাচল করে।

মেট্রোর পাশাপাশি আরও কিছু শহরতলির ট্রেন রয়েছে, যেগুলো পরিচালনা করে ভিয়ামোবিলিদাদে (লাইন ৮ ও ৯) এবং সিপিটিএম (অন্যান্য সব লাইন):

  • লাইন ৭ (রুবি): উত্তর-পশ্চিম শহরতলির সেবা দেয় এবং শহরের কেন্দ্রে লুজ স্টেশনে শেষ হয়।
  • লাইন ৮ (ডায়মন্ড): পশ্চিম শহরতলির সেবা দেয় এবং শহরের কেন্দ্রে হুলিও প্রেস্তেস স্টেশনে শেষ হয়।
  • লাইন ৯ (এমারেল্ড): উত্তর-দক্ষিণমুখী, পশ্চিম অঞ্চল জুড়ে চলাচল করে। তবে এটি শহরের কেন্দ্রে প্রবেশ করে না।
  • লাইন ১০ (টারকোয়েজ): দক্ষিণ-পূর্ব শহরতলির সেবা দেয় এবং শহরের কেন্দ্রে ব্রাস স্টেশনে শেষ হয়।
  • লাইন ১১ (কোরাল): পূর্ব শহরতলির সেবা দেয় (লাইন ৩-এর সমান্তরাল)। এটি শহরের কেন্দ্রে লুজ স্টেশনে শেষ হয়।
  • লাইন ১২ (স্যাফায়ার): পূর্ব শহরতলির সেবা দেয় এবং শহরের কেন্দ্রে ব্রাস স্টেশনে শেষ হয়।
  • লাইন ১৩ (জেড): গুয়ারুলহোস বিমানবন্দরকে লাইন ১২-এর সঙ্গে যুক্ত করে, যেখান থেকে শহরের কেন্দ্রে যাওয়া যায়। এছাড়াও বিমানবন্দর থেকে লুজ স্টেশন পর্যন্ত সরাসরি এক্সপ্রেস সার্ভিস রয়েছে, যা প্রতি ঘণ্টার শুরুতে উভয় প্রান্ত থেকে ছেড়ে যায়।

ভূ-উপরি ট্রেন ব্যবহার করে সাও পাওলোর মহানগর এলাকার আরও কয়েকটি শহর এবং এর বাইরেও যাওয়া সম্ভব। ভাড়া একই হওয়ায়, কোথায় যাচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করে এসব ভ্রমণ অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে পারে।

ভাড়া ও চলাচলের সময়

ঐতিহাসিক কেন্দ্রের "হুলিও প্রেস্তেস" রেলস্টেশন ও "সালা সাও পাওলো" কনসার্ট হল। (ছবি: Dornicke, Public domain)

যদি আপনার কাছে বিলহেতে উনিকো স্মার্টকার্ড না থাকে (উপরের অংশ দেখুন), তবে ট্রেনে একধরনের ফ্ল্যাট-প্রাইস টিকিট ব্যবস্থা রয়েছে – একবার ভ্রমণের টিকিট মাত্র ৪.৪০ রিয়াল, যা দিয়ে আপনি যতদূর খুশি যেতে পারবেন। মানচিত্রে সাদা লাইন বিনামূল্যের ট্রেন সংযোগ দেখায়; কালো লাইন অর্থপ্রদানের সংযোগ দেখায়; ধূসর লাইন কেবল অফ-পিক সময়ে বিনামূল্যের সংযোগ বোঝায়।

একক টিকিট কাউন্টার বা স্বয়ংক্রিয় মেশিন থেকে কেনা যায়, যা প্রতিটি স্টেশনে রয়েছে। একাধিক টিকিট কিনলে কোনো ছাড় পাওয়া যায় না, তবে সময় বাঁচানো যায়, কারণ প্রতিবার মেশিন বা লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা এড়ানো যায়। একক টিকিট দুই রূপে পাওয়া যায়: কাগজের টিকিট ও কিউআর কোড। কাগজের টিকিট কেবল স্টেশনের কাউন্টার থেকে পাওয়া যায়, আর কিউআর কোড পাওয়া যায় স্টেশনের ভেতরে থাকা টপ লেখা মেশিন থেকে অথবা একই নামের অ্যাপ থেকে। তবে অ্যাপ কেবল Cadastro de Pessoa Física (সিপিএফ) ধারকদের জন্য উন্মুক্ত, তাই বিদেশি পর্যটকরা অ্যাপ থেকে টিকিট কিনতে পারবেন না। যদি বাসের সঙ্গে ট্রেনও ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকে, তবে বিলহেতে উনিকো কার্ড ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো।

প্রতিটি স্টেশনে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড দিয়ে কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট চালু করার পরিকল্পনা আছে। তবে মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত কেবল কিছু স্টেশনের কয়েকটি গেটে এই সুবিধা চালু হয়েছে। এগুলোতে গ্লোবাল কন্ট্যাক্টলেস চিহ্ন এবং স্বীকৃত নেটওয়ার্কগুলোর তালিকা দেখা যায়।

সাধারণত ট্রেনের চলাচলের সময় হলো রবিবার থেকে শুক্রবার সকাল ৪:৪০–রাত ১২:০০ পর্যন্ত (শনিবার রাত ১:০০ পর্যন্ত)। কিছু স্টেশনে রাত ১২:৪০ পর্যন্ত চলাচল হয়। মেট্রো পরিচালিত নেটওয়ার্কে রাত ১২টার (শনিবার ১টা) আগে উঠলেই কেবল সংযোগ নিশ্চিত থাকে। হালনাগাদ তথ্যের জন্য পরিচালন সংস্থার ওয়েবসাইট দেখুন।

যাত্রী চাপের সময়

পাউলিস্তানোরা (সাও পাওলোর বাসিন্দারা) দৈনিক গণপরিবহন ব্যবহারকে বেশ কষ্টকর মনে করেন; অনেকে কাজে বা স্কুলে পৌঁছাতে ২ ঘণ্টারও বেশি সময় নেন! এর ফলে ভিড়ের সময়ে ট্রেন বা মেট্রোতে ভদ্রতা প্রায়শই উপেক্ষিত হয়, আর ঠেলাঠেলি স্বাভাবিক ব্যাপার। ট্রেনে ওঠার সময় দরজা খোলার পর যতটা সম্ভব ভেতরে যান। আর যদি পরের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে চান, তাহলে অবিলম্বে ওঠার জায়গা থেকে সরে দাঁড়ান। না হলে জোর করে আপনাকে ট্রেনে ঠেলে তোলা হতে পারে।

ট্রেনের ভেতরে প্রায়ই দেখা যায়, অনেকে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে যদিও তারা নামার পরিকল্পনা করে না। যদি এমন হয়, আর আপনি নামতে চান, তবে ভদ্রভাবে জিজ্ঞেস করুন Vai descer aqui? (আপনি কি এখানে নামবেন?)। এতে লোকজন সরে দাঁড়াবে।

সাধারণত পাউলিস্তানোরা আগে নামতে দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন না। যদি নামার সময় দরজার বাইরে অনেক লোক দাঁড়ানো থাকে, তবে জোরে হেঁটে বের হন, নাহলে তারা আপনাকে পিছনে ঠেলে দিতে পারে।

মেট্রোর এস্কেলেটরে সবসময় ডান দিকে দাঁড়ান, যাতে তাড়াহুড়ো করা লোকজন বাম দিক দিয়ে যেতে পারে। ব্যস্ত সময়ে বাম পাশে দাঁড়িয়ে থাকলে আপনাকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এছাড়া, যদি আপনি আসেন্তো রিজারভাদো (সংরক্ষিত আসন)-এ বসেন, তবে প্রবীণ, গর্ভবতী নারী, শিশু-কোলধারী অভিভাবক এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আসন ছেড়ে দিন।

এই পাতা কোথা থেকে এসেছে

এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “সাও পাওলো” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।

এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।

LanguesবাংলাEnglish中文РусскийEspañolDeutschPortuguêsItaliano

Licence : CC BY-SA 4.0 · Adapté de bn.wikivoyage.org

1

0

0

0

Spinner Logo

commentaires

Spinner Logo
Version: 1CC BY-SA 4.0
যদিও বন্ধু বা সংঘবদ্ধ দলের সাথে ভ্রমণ করা বেশ প্রচলিত, তবে ইচ্ছা থেকে বা প্রয়োজনে অনেকে **একাকী ভ্রমণ** করে থাকে। একাকী ভ্রমণ করার অভিজ্ঞতা অনন্য এবং কিছু সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এটি ভ্রমণের একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ উপায় হতে পারে। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভ্রমণকারীরা অনেক সময় একাই ভ্রমণ করে, এছাড়াও বছরান্ত
Version: 1CC BY-SA 4.0
টেকসই ভ্রমণ