Hub Nexus
업데이트됨

작가아직 작성자가 없습니다맡기

개선할 점이 보이나요? 변경을 제안하세요.

후원

হিমবাহ জাতীয় উদ্যানের কাছে ১৯৪০-এর দশকের এম্পায়ার বিল্ডারের পোস্টকার্ড

হিমবাহ জাতীয় উদ্যানের কাছে ১৯৪০-এর দশকের এম্পায়ার বিল্ডারের পোস্টকার্ড (ছবি: Great Northern Railway, Public domain)

এম্পায়ার বিল্ডার হচ্ছে প্রতিদিন চলা একটি দূরপাল্লার অ্যামট্রাক ট্রেন, যা শিকাগো শহরের কেন্দ্র থেকে যাত্রী নিয়ে যায় সিয়াটল অথবা পোর্টল্যান্ড, ওরেগন পর্যন্ত। এই যাত্রা শেষ হতে প্রায় ৪৬ ঘণ্টা লাগে, তবে পথে দেরি হলে সময় আরও বাড়তে পারে। এখানে ব্যবহৃত রেলগাড়ির যন্ত্রপাতি অ্যামট্রাকের বেশিরভাগ দূরপাল্লার লাইনের মতোই। এতে থাকে দুইতলা বিশিষ্ট যাত্রীবাহী কামরা, ঘুমানোর জন্য বিশেষ কামরা, খাবার খাওয়ার কামরা, পর্যবেক্ষণ/হালকা খাবারের কামরা, আর কখনও কখনও লাগেজ বা দ্রুত মালবাহী কামরাও যুক্ত থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রে রেলপথে ভ্রমণের বিষয়ে আরও জানতে দেখতে পারো যুক্তরাষ্ট্রে রেল ভ্রমণ দেখতে পারো।

পথ

এম্পায়ার বিল্ডার তার পশ্চিমমুখী যাত্রা শুরু করে শিকাগোর ইউনিয়ন স্টেশন থেকে। যাত্রীরা দেখতে পান শিকাগো নদী আর শহরের কেন্দ্রস্থল, যখন ট্রেনটি ধীরে ধীরে স্টেশন ছেড়ে বের হয়। এরপর ট্রেনটি উত্তরের দিকে এগিয়ে যায়, শিকাগোর আশেপাশের শহরতলি পেরিয়ে মিলওয়াকি পৌঁছায়। সেখান থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ছুটে চলে উইসকনসিনের মনোরম গ্রামাঞ্চল অতিক্রম করে। পথে কয়েকবার মিসিসিপি নদী অতিক্রম করার পর প্রায় রাত ১০:৩০টার দিকে ট্রেনটি পৌঁছে যায় সেন্ট পল ইউনিয়ন ডিপোতে।

শিকাগোর ইউনিয়ন স্টেশনের মহা হল

শিকাগোর ইউনিয়ন স্টেশনের মহা হল (ছবি: Velvet, CC BY-SA 3.0)

যাত্রীরা যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন ট্রেনটা মিনেসোটা পার হয়ে ভোর হওয়ার আগেই অনেকটা পথ উত্তর ডাকোটার ভেতর দিয়ে যায়। এই পথের বেশিরভাগটাই আমেরিকার ২ নাম্বার মহাসড়কের পাশে পাশে চলে। পথে চোখে পড়বে উঁচু প্রান্তর, একসময় খুব সমৃদ্ধ ছিল এমন অনেক কৃষি শহর (এখন প্রায় হারিয়ে গেছে)। বন্যপ্রাণীর মধ্যে বিশেষ করে পাখি, হরিণ আর শেয়াল প্রায়ই দেখা যায়।

দুপুরের দিকে ‘‘এম্পায়ার বিল্ডার’’ মন্টানায় প্রবেশ করে। মন্টানায় ঢোকার পর ট্রেনের বাঁদিকে দেখা যায় বিশাল পতাকা আর নতুন করে তৈরি করা পুরনো পশম ব্যবসার দুর্গ—ফোর্ট ইউনিয়ন জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ। ট্রেনটা বেশ ঢিলেঢালা ভাবে প্রায় ১৩০ মাইল মিজুরি নদীর পাশ দিয়ে চলে (এই পথটাই আসলে লুইস আর ক্লার্ক অভিযানের পথের সঙ্গেও মিলে যায়) — উইলিস্টন (উত্তর ডাকোটা) থেকে উলফ পয়েন্ট (মন্টানা) পর্যন্ত। এই পথ ফোর্ট পেক নামের আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকার ভেতর দিয়ে যায়, পুরো পথে থাকা অনেকগুলো সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে এটাও একটি।

হিমবাহ জাতীয় উদ্যানে সূর্যাস্ত

হিমবাহ জাতীয় উদ্যানে সূর্যাস্ত (ছবি: B D, CC BY 2.0)

দৃশ্যপট কয়েক ঘণ্টা ধরেই একই রকম ঢেউখেলানো উঁচু সমতল ভূমি থাকে। বিকেলের দিকে (বা ঋতুর ওপর নির্ভর করে সন্ধ্যার দিকেও হতে পারে) ট্রেন গিয়ে পৌঁছায় হিমবাহ জাতীয় উদ্যানে। গ্রীষ্মকালে পাহাড়ি দৃশ্যগুলো অসাধারণ সুন্দর দেখায়—কিন্তু শীতে আলো দ্রুত ম্লান হয়ে আসে, তখন শুধু এক ঝলক রকি পর্বতমালা চোখে পড়ে।

ট্রেনটা দ্বিতীয় রাত পার করে পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে, ক্যাসকেড পর্বতমালা আর স্কাইকোমিশ নদীর উপত্যকা নামতে নামতে গিয়ে পৌঁছায় পিউজেট সাউন্ডে। পানির ধারে প্রায় এক ঘণ্টা মতো চলার পর ‘‘এম্পায়ার বিল্ডার’’ সিয়াটেলে পৌঁছায় (সাধারণত সকাল প্রায় ১০:২০-এ)।

যাত্রীরা যদি পোর্টল্যান্ড, ওরেগন যাওয়ার টিকিট কেটে থাকেন, তাহলে দ্বিতীয় রাতের মাঝামাঝি সময়ে স্পোকেন, ওয়াশিংটন শহরে তাদের রেলকোচ আলাদা হয়ে যায়। ভোর হওয়ার সময়ের মধ্যেই আপনি পাহাড়ের বাইরে চলে আসবেন এবং কলম্বিয়া নদীর উত্তর দিক ধরে পোর্টল্যান্ডের দিকে এগোবেন। আসলে ভ্রমণের সবচেয়ে সুন্দর অংশগুলোর একটি হচ্ছে এই পথ। পথে চোখে পড়বে কাঠের ভেলা, বাতাসে ভেসে চলা সার্ফিং করা মানুষ, বাঁধ, আর মরুভূমি গাছগাছড়া। ভ্রমণের একেবারে শেষ অংশটা যায় মনোমুগ্ধকর কলম্বিয়া নদীর গিরিখাত দিয়ে।

এম্পায়ার বিল্ডার-এর যাত্রীরা যদি সিয়াটল বা পোর্টল্যান্ড থেকে পূর্বদিকে যান, তাহলে তারা হিমবাহ জাতীয় উদ্যানের অনেকটা অংশ দেখতে পান, কিন্তু সমতল প্রান্তরের দৃশ্য তুলনামূলক কম দেখা যায়। তাই যদি শুধু এক দিকেই ভ্রমণের সুযোগ থাকে, তাহলে পূর্বমুখী যাত্রাই বেশি উপভোগ্য।

পুরো পথের দৈর্ঘ্য ২২০০ মাইল।

অ্যামট্রাকের অন্য লাইনগুলোর মতোই, যদি কোথাও রেললাইনে মেরামতির কাজ চলে, তাহলে যাত্রীদেরকে হয়তো কিছুটা পথ বাসে যেতে হতে পারে। এধরনের ঘোষণা অনেক সময় যাত্রার দিন পর্যন্ত দেওয়া হয় না।

আমেরিকান শিল্পভ্রমণ নামের ভ্রমণপথ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পায়নের ধাপগুলো দেখা যায় এবং যা বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শিকাগো শহরে গিয়ে শেষ হয়, সেটা ‘‘এম্পায়ার বিল্ডার’’ ভ্রমণের জন্য দারুণ একটি ভূমিকা হতে পারে।

স্টেশনসমূহ

পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে:

  • শিকাগো, ইলিনয়
  • গ্লেনভিউ, ইলিনয়
  • মিলওয়াকি, উইসকনসিন
  • কলম্বাস, উইসকনসিন
  • পোর্টেজ, উইসকনসিন

উইসকনসিন ডেলস স্টেশন

উইসকনসিন ডেলস স্টেশন (ছবি: Steve Wilson, CC BY 2.0)

  • উইসকনসিন ডেলস, উইসকনসিন
  • টোমাহ, উইসকনসিন
  • লা ক্রস, উইসকনসিন
  • উইনোনা, মিনেসোটা
  • রেড উইং, মিনেসোটা
  • সেন্ট পল, মিনেসোটা — এখান থেকে ডুলুথ-এ যাওয়ার বাস সংযোগ আছে
  • সেন্ট ক্লাউড, মিনেসোটা
  • স্টেপলস, মিনেসোটা
  • ডেট্রয়েট লেকস, মিনেসোটা
  • ফার্গো, উত্তর ডাকোটা
  • গ্র্যান্ড ফর্কস, উত্তর ডাকোটা
  • ডেভিলস লেক, উত্তর ডাকোটা
  • রাগবি, উত্তর ডাকোটা
  • মিনট, উত্তর ডাকোটা
  • স্ট্যানলি, উত্তর ডাকোটা
  • উইলিস্টন, উত্তর ডাকোটা
  • উলফ পয়েন্ট, মন্টানা
  • গ্লাসগো, মন্টানা
  • মালটা, মন্টানা
  • হ্যাভরে, মন্টানা
  • শেলবি, মন্টানা
  • কাট ব্যাংক, মন্টানা
  • ব্রাউনিং, মন্টানা - অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত খোলা থাকে
  • হিমবাহ জাতীয় উদ্যান (পূর্ব হিমবাহ), মন্টানা
  • এসেক্স, মন্টানা - এখানে কর্মচারী নেই
  • হিমবাহ জাতীয় উদ্যান (পশ্চিম হিমবাহ), মন্টানা

হোয়াইটফিশ মন্টানা ট্রেন স্টেশন (ছবি: Public domain)

  • হোয়াইটফিশ, মন্টানা
  • লিব্বি, মন্টানা
  • স্যান্ডপয়েন্ট, আইডাহো - এটি আইডাহো রাজ্যের একমাত্র চালু যাত্রীবাহী রেলস্টেশন
  • স্পোকেন, ওয়াশিংটন

পোর্টল্যান্ডের পথে

  • পাস্কো, ওয়াশিংটন
  • উইশরাম, ওয়াশিংটন - এখানে বলা হয় "যদিও উইশরাম আমেরিকার যাত্রীবাহী রেলের সবচেয়ে ছোট শহরগুলোর একটি, এটি কলাম্বিয়া নদীর ধারে ভ্রমণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ।"
  • বিঙ্গেন–হোয়াইট সালমন, ওয়াশিংটন
  • ভ্যাঙ্কুভার, ওয়াশিংটন - এখান থেকে "ক্যাসকেড" নামে আরেকটি যাত্রীবাহী ট্রেনে যাওয়া যায়।
  • পোর্টল্যান্ড, ওরেগন - এখান থেকে "ক্যাসকেড" ও "কোস্ট স্টারলাইট" নামের আরেকটি রেলগাড়িতে যাওয়া যায়। এছাড়া এখান থেকে ইউজিন ও অ্যাস্টোরিয়ার দিকে সরকারি অনুমোদিত বাস সেবা চলে।

সিয়াটলের পথে

সিয়াটলের ঐতিহাসিক কিং স্ট্রিট স্টেশন

সিয়াটলের ঐতিহাসিক কিং স্ট্রিট স্টেশন (ছবি: SounderBruce, CC BY-SA 4.0)

  • এফ্রাটা, ওয়াশিংটন
  • ওয়েনাচি, ওয়াশিংটন — ওমাক-এর জন্য বাস সংযোগ আছে
  • লেভেনওয়ার্থ, ওয়াশিংটন
  • এভারেট, ওয়াশিংটন - এখান থেকেও "ক্যাসকেড" নামের ট্রেন চলাচল করে
  • এডমন্ডস, ওয়াশিংটন - এখান থেকেও "ক্যাসকেড" ট্রেনে যাওয়া যায়
  • সিয়াটল, ওয়াশিংটন - এখান থেকে "ক্যাসকেড" ও "কোস্ট স্টারলাইট" রেলসেবা পাওয়া যায়। এছাড়াও এখান থেকে ভ্যাঙ্কুভারে বাস সেবা এবং পোর্ট এঞ্জেলেস পর্যন্ত বাস সেবা চলে।

{{#assessment:ভ্রমণপথ|ব্যবহারযোগ্য}}

এই পাতা কোথা থেকে এসেছে

এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “এম্পায়ার বিল্ডার” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।

এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।

언어বাংলাEnglish

이용 허락: CC BY-SA 4.0 · 출처 bn.wikivoyage.org

1

0

0

0

Spinner Logo

코멘트

Spinner Logo
버전: 1CC BY-SA 4.0
বিয়ার
버전: 1CC BY-SA 4.0
**বুখারেস্ট** (রোমানীয়: București) **রোমানিয়ার রাজধানী** এবং বৃহত্তম শহর। এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে দাম্বোভিতা নদীর তীরে অবস্থিত। শহরটি রোমানিয়ার রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিকভাবে এটি “প্রাচ্যের প্যারিস” নামে পরিচিত, যার পেছনে রয়েছে শহরের মার্জিত
버전: 1CC BY-SA 4.0
গ্রিক রন্ধনশৈলী