Hub Nexus
업데이트됨

작가아직 작성자가 없습니다맡기

개선할 점이 보이나요? 변경을 제안하세요.

후원

মধ্য কুয়ালালামপুর জুড়ে এই ১২-কিলোমিটার (৭.৫ মা) পেয়ে হেঁটে ভ্রমণ শহরের কেন্দ্রস্থলের কিছু প্রধান দর্শনীয় স্থানকে দর্শনীয় স্থানকে অন্তর্ভুক্ত করে।

জানুন

এটি একটি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় পায়ে হেঁটে ভ্রমণ, যেখানে আপনি শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত এলাকাগুলি পাশাপাশি বৃষ্টি অরণ্যের অংশগুলি উপভোগ করতে পারবেন, যা সম্ভবত একান্তই আপনার জন্য থাকবে। এটি কোনোভাবেই শহরে আপনার একমাত্র পায়ে হেঁটে ভ্রমণ হওয়া উচিত নয়। তিতিওয়াংসা হ্রদ উদ্যান এবং এর সমস্ত দর্শনীয় স্থানসহ উদ্ভিদ উদ্যানও আপনার তালিকায় থাকা উচিত।

প্রস্তুতি

একমাত্র জিনিসপত্র যা আপনার প্রয়োজন হতে পারে তা হল আরামদায়ক জুতো, সানস্ক্রিন এবং সম্ভবত পোকামাকড় প্রতিরোধক। পথের ধারে অসংখ্য রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকান এবং ছোট বাজার রয়েছে। কিছু শীর্ষস্থানীয় স্থান হাইলাইট করা হয়েছে। এই হাইকটি করতে প্রায় ৩ ঘন্টার নির্ভেজাল হাঁটা লাগবে। যাদুঘর এবং দর্শনীয় স্থানগুলি বিশেষ করে কেএল টাওয়ারে বিরতি সহ, পুরো ভ্রমণের জন্য অন্তত ৫ ঘন্টা পরিকল্পনা করুন। দিনের সবচেয়ে গরম সময়গুলো এড়াতে সকালবেলায় বা বিকেলের দিকে এই হাঁটা শুরু করাই ভালো।

একটি বিকল্প হতে পারে বিকেল ১৬:০০-১৭:০০ টার দিকে মহারাজালেলা স্টেশন থেকে হাঁটা শুরু করা, যাতে সূর্যাস্তের একটু আগে (নভেম্বরে ১৯:০০ এবং জুলাইয়ে ১৯:৩০ এর মধ্যে) কেএল টাওয়ারের পর্যবেক্ষণ নীচে পৌঁছানো যায়। হাইকের দ্বিতীয় অংশের আকর্ষণগুলি (যেমন চাংকাট বুকিত বিন্তাং, প্যাভিলিয়ন, কেএলসিসি উদ্যান, পেট্রোনাস টাওয়ার এবং সালোমা লিংক সেতু) অন্ধকারে আরও বেশি চিত্তাকর্ষক। তবে এই সময়ে চৌ কিট বাজার বন্ধ হয়ে যাবে (এটি আপনাকে অন্তত অন্ধকারে কাম্পুং বারুর আশেপাশে একটি পার্শ্ব ভ্রমণ করতে বাধা দেবে না)।

প্রবেশ

দর্শনীয় স্থান পায়ে হেঁটে ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রবেশ করা যায়। যদি আপনি পুরো দূরত্ব হাঁটার পরিকল্পনা করছেন তবে চক্ররেলে মহারাজালেলা। (দক্ষিণ প্রান্ত) অথবা চৌ কিট। (উত্তর প্রান্ত) পর্যন্ত যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পায়ে হেঁটে ভ্রমণ

চায়নাটাউন

মহারাজালেলা চক্ররেল স্টেশন থেকে বেরিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে হাঁটুন। আপনি চায়নাটাউন এবং ঔপনিবেশিক জেলার কাছে পৌঁছাবেন।

চ্যান শে শু ইয়েন মন্দির। চ্যান পরিবারের জন্য শান্ত পৈতৃক হল।

কোয় চাই হং। ইনস্টাগ্রাম-যোগ্য মুরালগুলির সহ পিছনের গলি।

পেটালিং সড়ক। কম দামে নকল পণ্য বিক্রির বাজার।

ওয়ান টান মি খাবার স্টল। এটি ওয়ান টান মি নামে পরিচিত নুডলসের সাথে ওয়ন্টন পরিবেশন করে। পিছনের গলির বেশ অপ্রতিবেদনযোগ্য পরিবেশে হতাশ হবেন না। RM ৬.৫০।

কেন্দ্রীয় বাজার ও কাস্তুরি হাঁটাপথ। কেন্দ্রীয় বাজারে কুয়ালালামপুর ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন স্মারক এবং স্মারক বিক্রি হয়। কাস্তুরি হাঁটাপথ পেটালিং স্ট্রিটের সাথে সাদৃশ সামগ্রী নিয়ে আরও একটি বাজার।

সিন সি সি ইয় মন্দির। কুয়ালালামপুরের সবচেয়ে পুরনো চাইনিজ মন্দির।

মারদেকা স্কোয়ার ও পতাকা খুঁটি। মালয়েশিয়া ১৯৫৭ সালে এখানে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

সুলতান আবদুল সামাদ ভবন। প্রাক্তন উপনিবেশিক সচিবালয়ের অফিস, আজ এটি আদালতের জন্য ব্যবহৃত হয়।

জীবনের নদী হাঁটাপথ। গোম্বক এবং কেলাং নদীর মিলনস্থলে জামেক মসজিদের বিপরীত দিকে সুন্দর হাঁটা পথ (এই কারণে "কুয়ালালামপুর" নামটি, যার অর্থ "কাদামাটির নদী মোহন" )।

মসজিদ জামেক। শহরের অন্যতম সবচেয়ে পুরনো এবং সুন্দর মসজিদ।

কাম্পুং বারু এবং চৌ কিট

কাম্পুং বারুর গ্রামীণ আকর্ষণ এবং এর ঠিক পাশেই থাকা উচ্চ ভবনের মধ্যে বিস্ময়কর বৈপরীত্য।

সালোমা সংযোগ সেতু। অসাধারণ নক্থশার পথচারী সেতু। রাতে সুন্দরভাবে আলোকিত।

চৌ কিট ওয়েট বাজার। কুয়ালালামপুরের সবচেয়ে বড় ওয়েট বাজার।

সোনালী ত্রিভুজ

জঙ্গল, নৈশজীবন এবং কেনাকাটা এই শহরের এই অংশে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

মুজিয়াম টেলিকম। যযদি আপনি মালয়েশিয়ায় টেলিযোগাযোগের ইতিহাসে আগ্রহী হন, তবে এটি একটি দর্শনযোগ্য স্থান হতে পারে।

সেন্ট জন'স ক্যাথেড্রাল। একএকটি ঐতিহাসিক ক্যাথলিক গির্জা এবং আর্চবিশপের আসন। কুয়ালালামপুর টাওয়ারের পটভূমিতে এটি একটি চমৎকার ছবি তোলার স্থান।

কেএল ফরেস্ট ইকো-পার্ক ক্যানপি ওয়াক। জঙ্গলের ওপরে সুন্দর একটি ছাউনির মধ্যে হাঁটার পথ। ২০২০ সাল থেকে এখানে প্রবেশের জন্য মূল্য দিতে হয়। অনেক দর্শনার্থীর মতে, ৪০ রিঙ্গিত (বিদেশিদের জন্য) মূল্য সঠিক নয়। তবে স্থানীয়দের জন্য ১০ রিঙ্গিত। ৪০ রিঙ্গিত (বিদেশীদের জন্য), ১০ রিঙ্গিত (স্থানীয়দের জন্য)।

কুয়ালালামপুর টাওয়ার (মেনারা কেএল)। দেখার ডেক থেকে শহরের অসাধারণ ৩৬০° দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

চাংকাট বুকিট বিন্তাং। কুয়ালালামপুরের নৈশজীবনর প্রাণকেন্দ্র।

জালান আলোর খাবার দোকান। রেস্তোরাঁ এবং দোকানগুলির একটি বিশাল সংগ্রহ, প্রায় সব ধরণের মালয়েশিয়ান খাবার বিক্রি হয়।

রাস্তার শিল্পকলা। রঙিন পেছনের গলি।

হালাব, জালান বেরেমি ৭, ☏ +৬০৩ ২১১০ ১৪৫৮। সোম-শুক্র ১০:০০-০৪:০০। খুব সুস্বাদু মধ্যপ্রাচ্যের খাবার। মেষশাবকের পদগুলো বিশেষভাবে ভালো।

বুকিট বিন্তাং জংশন। শহরের প্রাণকেন্দ্র।

প্যাভিলিয়ন কুয়ালালামপুর। কেন্দ্রে স্থানীয় ও পর্যটকদের প্রধান কেনাকাটার গন্তব্য।

কেএলসিসি-বুকিট বিন্তাং পেডেস্ট্রিয়ান ওয়াকওয়ে। পদব্রজে গমনকারীদের জন্য বাতানুকূলতা সেতু; যা বুকিট বিন্তাংকে কেএলসিসির সাথে সংযুক্ত করে।

অ্যাকোয়ারিয়া কেএলসিসি। ৫,০০০ এরও বেশি জলজ ও স্থলজ প্রাণীর বিশাল মৎস্যাধার।

কেএলসিসি উদ্যান। আকাশচুম্বী অট্টালিকা দিয়ে ঘেরা শহুরে উদ্যান।

পেট্রোনাস জোড়া টাওয়ার। দেশের সবচেয়ে প্রতীকী নিদর্শন।

নিরাপদ থাকুন

কুয়ালালামপুর তুলনামূলকভাবে একটি নিরাপদ শহর। তবুও সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। পকেটমার এবং স্কুটার দিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটতে পারে। চৌ কিট, যা এই পদযাত্রার উত্তর প্রান্তের বিন্দু, কুয়ালালামপুরের মান অনুযায়ী কিছুটা "রুক্ষ" হিসাবে বিবেচিত হয়। তাই যদি ঝুঁকি এড়াতে চান, সূর্যাস্তের পরে সেখানে না যাওয়াই ভালো।

{{#assessment:ভ্রমণপথ|ব্যবহারযোগ্য}}

Categorisation-hierarchy-top2down

(ছবি: CC BY-SA 3.0)

এই পাতা কোথা থেকে এসেছে

এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “কুয়ালালামপুরের দর্শনীয় স্থানে পায়ে হেঁটে ভ্রমণ” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।

এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।

언어বাংলাEnglish

이용 허락: CC BY-SA 4.0 · 출처 bn.wikivoyage.org

1

0

0

0

Spinner Logo

코멘트

Spinner Logo