Hub Nexus
업데이트됨

작가아직 작성자가 없습니다맡기

개선할 점이 보이나요? 변경을 제안하세요.

후원

নাগরকোট হল নেপালের কাঠমান্ডু উপত্যকার একটি গ্রাম, যা কাঠমান্ডু উপত্যকার উত্তর প্রান্তে কাঠমান্ডুর উত্তর-পূর্বে ৩২ কিমি (২০ মা) দূরত্বে অবস্থিত। গ্রামটি তার হিমালয় দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত; সূর্যোদয়ের সময় হিমালয়ের চূড়াগুলি দেখা বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।

নৈসর্গিক দৃশ্য ও বহিস্থ হাইকিং ছাড়া শহরটির নিজের তেমন আকর্ষণীয় স্থান বা জিনিস নেই। তবে এই শান্ত ও নৈসর্গিক পরিবেশ ( যেখানে কোনও টাউট/দালাল নেই) নাগারকোটকে দীর্ঘমেয়াদী ভ্রমণকারীদের জন্য কয়েক রাত (বা তার বেশি) কাটানোর জন্যে একটি আদর্শ স্থান করে তোলে এবং তাদের পরবর্তী গন্তব্যের পরিকল্পনা করার জন্য একটি উত্তম জায়গা করে তোলে। প্রধান সড়কটি দিনের বেলায় ধূলিময় হতে পারে; কারণ এটি পাকা নয়। সাপ্তাহিক ছুটিতে এখানে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় দর্শনার্থী আসে। কারণ কাঠমান্ডু বাসিন্দারা সপ্তাহান্তের ছুটি কাটাতে এখানে আসে।

প্রবেশ

যানবাহন

আপনি যদি সড়কপথে নাগরকোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন; তাহলে আপনার কাছে বেশ কয়েকটি বিকল্প রয়েছে।

  • গ্রামে ব্যক্তিগতভাবে (প্রাইভেট) ভ্রমণের জন্য একটি ট্যাক্সি ভাড়া করতে খরচ হবে ২,০০০-৩,০০০ টাকা এবং স্বল্প সময়ের পর্যবেক্ষণ শেষে ফিরতি ভ্রমণের জন্য প্রায় দ্বিগুণ অর্থ খরচ করতে হয়। ট্রিপটি প্রায় ১.৫- ২ ঘন্টা লাগবে। যদি আপনার ভ্রমণের সময়ের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাহলে সকাল বেলার ভিড় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তাই সকাল ৯টার আগে বা ১১টার পরে রওনা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • পর্যটক মাইক্রোবাসগুলো হোটেল মাল্লা, লেইঞ্চার থেকে নাগরকোটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় এবং এই মাইক্রোবাসগুলোর ভাড়া ৩০০-৪০০ টাকা। এতে নাগরকোট পৌঁছাতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে
  • পাবলিক বাসগুলো ভক্তপুর হয়ে নাগরকোটে যায়। এর ভাড়া কম; ১০০ টাকার কম এবং সময়ও প্রায় দুই ঘণ্টা লাগে

ট্রেকিং (পায়ে হেঁটে)

  • আপনার হাতে যদি বেশি সময় থাকে, তবে ট্রেকিংও নগরকোট যাওয়ার একটি ভালো উপায় হতে পারে এবং নগরকোট কাঠমান্ডু ভ্যালি কালচারাল ট্রেকিং ট্রেইলের উপর অবস্থিত। এই ট্রেইলটি সুন্দারিজল থেকে শুরু হয়, যেখানে কাঠমান্ডু থেকে বাস অথবা ট্যাক্সিতে সহজেই যাওয়া যায়। সেখান থেকে ৫.৫ ঘণ্টা ট্রেকিং করে আপনি চিসাপানি পৌঁছাতে পারেন (উচ্চতা ২১৫০ মিটার)। এরপর চিসাপানি থেকে ৫ থেকে ৭.৫ ঘণ্টা ট্রেকিং করে নাগরকোটে পৌঁছানো যায় (উচ্চতা ২১৬৩ মিটার)। নাগরকোট থেকে ধুলিখেল যেতে প্রায় ৬ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। নাগরকোট থেকে রওনা হলে প্রথমে নাগরকোটের টাওয়ারে উঠতে হবে, যেখান থেকে মাউন্ট এভারেস্টসহ পর্বতমালা ও কাঠমান্ডু ভ্যালির সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। তারপর রডোডেনড্রন বনের মধ্য দিয়ে এবং ছোট গ্রামগুলো পেরিয়ে ধুলিখেলে পৌঁছানো যাবে। এরপর ধুলিখেল থেকে নামোবুদ্ধ হয়ে আবার কাঠমান্ডু ফিরে আসা সম্ভব। ফেরার পথে নামোবুদ্ধতে আকর্ষণীয় তিব্বতি মঠগুলিও দেখে আসা যায়।

মাউন্টেন বাইকিং

  • আপনি ভক্তপুর থেকে নাগরকোটে মাউন্টেন বাইকে যেতে পারেন; রাস্তাটি খাড়া ও কঠিন। তবে আপনি চাইলে ফিরে আসার পথে (অর্থাৎ নাগরকোট থেকে ভক্তপুর পর্যন্ত, যা নেমে আসার পথ) মাউন্টেন বাইক ব্যবহার করতে পারেন।

ঘোরাঘুরি

নাগরকোটে সবকিছুই হাঁটার দূরত্বে অবস্থিত।

দর্শনীয়

নাগরকোট একটি প্রাকৃতিক রিসোর্ট গ্রাম, যা কাঠমান্ডু উপত্যকার উত্তর সীমানায় পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। এটি উপত্যকার কিনারায় একটি উঁচু পাহাড়ের উপরে অবস্থিত, যেখান থেকে হিমালয়ের অসাধারণ দৃশ্যও দেখা যায়। এখানে থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় পর্বতমালার দৃশ্য অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। নাগরকোট থেকে মানাসলু, গণেশ, লাংটাং, দর্জে লাখপা (৬,৯৭৫ মিটার), শিসা পাঙ্গমা (৮,০১২ মিটার), চোয়ু ও গৌরি শংকরসহ (৭,১৪৬ মিটার) হিমালয়ের প্রধান শৃঙ্গগুলি দেখা যায়। মেঘমুক্ত ও পরিষ্কার দিনে এখান থেকে মাউন্ট এভারেস্টের ( ৮,৮৪৮ মিটার) শীর্ষটিও দেখা সম্ভব।

সন্ধ্যায় নাগরকোটে পৌঁছে স্থানীয় কোনো হোটেলে রাত কাটালে আপনি পরের দিন সকালে সূর্যোদয়ের দৃশ্য ও আগের দিনের সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। তবে মনে রাখতে হবে–শরৎকালেও যখন আকাশ সাধারণত পরিষ্কার থাকে–তখনও মেঘের কারণে দৃশ্য আড়াল হতে পারে।

করণীয়

  • লুকআউট টাওয়ার (গ্রাম থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে)। ২,১৬৪ মিটার উচ্চতায় একটি শৈলশিরায় অবস্থিত, যেখানে ৩৬০ ডিগ্রি দুর্দান্ত দৃশ্য দেখা যায়।
  • প্যানোরামিক হাইকিং ট্রেইল (ট্রেইলটি মাটিতে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত নয়। তবে আপনার স্মার্টফোনের মাধ্যমে জিআইএস (GIS) ব্যবহার করার মাধ্যমে (অফলাইন মোডেও) নির্দেশনা অনুসরণ করে এটি চালানো সম্ভব। নির্দেশনা পেতে এখানে [১] ক্লিক করতে পারেন।)। নাগরকোট চারপাশে পাইন গাছে ভরা ঘন জঙ্গল দ্বারা বেষ্টিত। আপনি যদি নাগরকোটে এক রাতের বেশি সময় কাটান, তাহলে ৩-৪ ঘণ্টার (১২ কিমি) একটি হাইকিং লুপ রয়েছে, যা টেরেস করা পাহাড়ি ঢাল ও গ্রামীণ কৃষিক্ষেত পেরিয়ে নাগরকোটের চারপাশ দিয়ে রোহিণী ভাঞ্জ্যাং-এর মধ্য দিয়ে চলে। বিনামূল্যে।
  • পর্যটন-বিষয়ক কিছু বাণিজ্যিক গাইডবই পনির কারখানাাকে এখনো তালিকাভুক্ত করে। যদিও ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে এটি ধ্বংস হয়ে যায়।

কেনাকাটা

দর্শনার্থীদের দৃষ্টিকোণ থেকে, নাগারকোটের প্রধান আকষর্ণ হল হিমালয়ের দৃশ্য। থাকার জন্য অসংখ্য জায়গা এবং খাওয়ার কিছু স্থান ছাড়া এখানে বিক্রির জন্য আর কিছু নেই।

এখানে দুটি এটিএম রয়েছে, যা অনুমিতভাবে শুধুমাত্র দিনের বেলা খোলা থাকে। সে দুটি হল প্রভু ব্যাঙ্ক এবং মাছপুচ্ছের ব্যাঙ্ক৷ এখানে বিদেশী কার্ড থেকেও টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা রয়েছে।

আহার ও পানীয়

নাগরকোটে অনেক হোটেল, লজ ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে; অনেক ভ্রমণকারী সেখানে খেতে পছন্দ করে। আহার এবং পানীয়ের জন্যে কয়েকটি বিশেষ স্থাপনা পাওয়া যায়।

  • বার্গ হাউস ক্যাফে, মহাসড়ক (শহরের প্রধান চৌরাস্তার কাছে)। আন্তর্জাতিক খাবার পাওয়া যায়। ১০০-৪০০ নেপালি রূপি।
  • ফুড রিপাবলিক। আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় খাবারসহ ওয়াইফাই সুবিধা। ১৮০ নেপালি রূপি থেকে শুরু।

রাত্রিযাপন

নাগরকোট এবং আশেপাশের পাহাড় ও উপত্যকায় প্রচুর হোটেল এবং গেস্টহাউস রয়েছে। যেহেতু নাগরকোটের আকর্ষণ প্রাকৃতিক পরিবেশে, তাই শহরের কেন্দ্রীয় অবস্থান আপনার পছন্দের হোটেলে ভূমিকা পালন করবে না।

  • হোটেল নাগরকোট ফুড হোম  (ছোট রিং রোডে, পর্যটন তথ্য কেন্দ্রের কাছে), ☏ +৯৭৭ ৯৮৪১৪৩০৯৪১। প্রায় ৮টি কক্ষসহ পরিবার-পরিচালিত আবাসন। শহরের কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত; কিন্তু প্রধান সড়কের যানবাহনের কোলাহল থেকে দূরে। ১,৬০০-২,৫০০ নেপালি রূপি।

এই পাতা কোথা থেকে এসেছে

এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “নাগরকোট” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।

এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।

언어বাংলাEnglishItaliano

이용 허락: CC BY-SA 4.0 · 출처 bn.wikivoyage.org

1

0

0

0

Spinner Logo

코멘트

Spinner Logo
버전: 1CC BY-SA 4.0
ফ্লাইট ব্যাগেজ
버전: 1CC BY-SA 4.0
বিজ্ঞান পর্যটন
버전: 1CC BY-SA 4.0
**বিছানা এবং প্রাতরাশ** হলো এমন একটি আবাসন ব্যবস্থা যা মূলত ভ্রমণকারীদের একটি ব্যক্তিগত বাসস্থানে বা বোর্ডিং হাউসে থাকার প্রাচীন, বিশ্বব্যাপী প্রথাকে আধুনিক করে তোলে। অতিথি পরিবারের স্থানীয় জ্ঞান প্রায়ই একটি ফলপ্রসূ থাকার নিশ্চয়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশাল সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত এখানে কয়