Viu algo para melhorar? Proponha uma alteração.
বানদুং হল পশ্চিম জাভা প্রদেশের রাজধানী শহর। এটি জাকার্তা এবং সুরাবায়ার পরে ইন্দোনেশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর। ঔপনিবেশিক আমলে প্যারিসের সাথে সাদৃশ্য এবং ইউরোপীয় পরিবেশের জন্য ওলন্দাজরা এর ডাকনাম দিয়েছিল প্যারিস ভ্যান জাভা (জাভার প্যারিস)। স্থানীয়ভাবে এটিকে কোটা কেম্বাং বলা হয়, যার আক্ষরিক অর্থ ফুলের শহর। এর কারণ হল, ঔপনিবেশিক যুগ থেকে শুরু করে ১৯৬০-এর দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত বানদুংয়ে প্রচুর ফুল দেখা যেত।
শহরটি একটি হ্রদের উপর অবস্থিত এবং এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৬৮ মিটার উঁচুতে। এর চারপাশে সবুজ এবং সুন্দর পারাহায়াঙ্গান পর্বতমালা থাকায় এখানকার জলবায়ু ইন্দোনেশিয়ার বেশিরভাগ প্রধান শহরের তুলনায় শীতল। আপনি যদি শহুরে জীবনযাত্রা উপভোগ করতে চান, তবে পড়াশোনার জন্য এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়, কেনাকাটার জন্য পোশাকের দোকান এবং বিভিন্ন ধরনের খাবারের স্বাদ নেওয়ার জন্য চমৎকার জায়গাগুলি খুঁজে নিতে পারেন। কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায়, বানদুং জাকার্তাবাসীদের জন্য সপ্তাহান্তে ছুটি কাটানোর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্থান হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ছুটির সময়, রাজধানী থেকে আসা গাড়িতে শহরটি পরিপূর্ণ থাকে।
জেলা
প্রশাসনিকভাবে, বানদুং শহর (কোটা বানদুং) ৩০টি জেলায় (কেচামাতান) বিভক্ত। তবে, এই ভ্রমণ নির্দেশিকাটির জন্য শহরটিকে নিম্নলিখিত পাঁচটি জেলায় ভাগ করা হয়েছে, যেগুলি ভ্রমণকারীদের জন্য বেশি সুবিধাজনক।

বানদুংয়ের জেলা সমূহ (ছবি: ErwinFCG, CC BY-SA 4.0)
বৃহত্তর বানদুং মেট্রোপলিটান এলাকা (বানদুং রায়া)-এ জনসংখ্যা ৮০ লক্ষের বেশি। এর বিস্তৃতি বানদুং শহরের সীমানা ছাড়িয়ে আরও অনেক দূর পর্যন্ত। পশ্চিমে অবস্থিত চিমাহি শহর হল বানদুংয়ের বৃহত্তম উপশহর। ভ্রমণকারীদের জন্য, উত্তরে লেম্বাং এবং দক্ষিণে চিউইডেের পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলি বৃহত্তর বানদুংয়ের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
জানুন
বানদুং (Bandung) ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের রাজধানী এবং দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পাহাড়ি শহর। প্রায় ৭০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই শহর শীতল আবহাওয়া, সবুজ পাহাড় ও চা-বাগানের জন্য পরিচিত। একসময় “প্যারিস অব জাভা” নামে খ্যাত বানদুং আজ একটি আধুনিক নগরী, যেখানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্যাশন হাব, ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং বৈচিত্র্যময় খাবারের সম্ভার।
ডাচ ঔপনিবেশিক আমলে বানদুং ছিল রিসোর্ট শহর, আর বর্তমানে এটি ইন্দোনেশিয়ার প্রযুক্তি ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। শহরটির চারপাশে আগ্নেয়গিরি, উষ্ণ প্রস্রবণ এবং চা-বাগান ছড়িয়ে আছে, যা ভ্রমণকারীদের কাছে আকর্ষণীয়।
ইতিহাস
কাপুন্ডুং নদীর তীরে এবং বানদুংয়ের বিশাল হ্রদের ধারে আদিম মানুষের অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে "জাভা ম্যান" রয়েছে, যার বয়স আনুমানিক দশ লক্ষ বছর বলে মনে করা হয়।
বানদুং শহরের প্রথম লিখিত উল্লেখ ১৪৮৮ সালে পাওয়া যায়। তখন এটি সুন্দা রাজ্যের একটি অংশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
সপ্তদশ থেকে অষ্টাদশ শতকে ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ কোম্পানি (ভিওসি) বানদুংয়ে ছোট ছোট বাগান তৈরি করে। ১৭৮৬ সালে বাটাভিয়া (আজকের জাকার্তা) পর্যন্ত একটি রাস্তা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়। ১৮০৯ সালে, নেদারল্যান্ডস এবং তার উপনিবেশগুলির শাসক লুই বোনাপার্ট, ডাচ ইন্ডিজের গভর্নর এইচ. ডব্লিউ. ড্যানডেলসকে একটি আদেশ দেন। আদেশটি ছিল, কাছাকাছি মালয় উপদ্বীপ দখলকারী ইংরেজদের হুমকির বিরুদ্ধে জাভার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করা। এর উত্তরে ড্যানডেলস গ্রেট পোস্ট রোড (ডি গ্রুট পোস্টওয়েগ) নির্মাণ করেন, যা জাভার পশ্চিম ও পূর্ব উপকূলের মধ্যে প্রায় ১০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সেই সময়ে উত্তর উপকূলের জলাভূমি ও জলা জায়গাগুলি দুর্গম থাকায় রাস্তাটি বর্তমান জালান এশিয়া-আফ্রিকা বরাবর বানদুংয়ের মধ্যে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
বানদুংয়ের কৌশলগত অবস্থান ড্যানডেলসেরএতটাই পছন্দ হয়েছিল যে, তিনি রাজধানী সেখানে স্থানান্তরিত করার আদেশ দেন। সেখানে সামরিক ব্যারাক তৈরি করা হয়েছিল। সেই অঞ্চলের প্রধান প্রশাসক, বুপাতি উইরানাতাকুসুমা দ্বিতীয়, তার দালেম (প্রাসাদ), মসজিদ আগুং (বড় মসজিদ) এবং পেন্ডোপো (সভা করার স্থান) নির্মাণ করেন। এই নির্মাণগুলি চিরায়ত জাভানিজ আলুন-আলুন (শহরের কেন্দ্রস্থল)-এ করা হয়েছিল। এটি একজোড়া পবিত্র কূপের (সুমুর বানদুং) কাছে অবস্থিত ছিল এবং এর সামনে ছিল লেম্বাংের কাছের রহস্যময় তাংকুবান পেরাহু পর্বত।
সিনকোনা (ম্যালেরিয়ার জন্য ওষুধ কুইনাইন তৈরিতে ব্যবহৃত), চা এবং কফি বাগানের ওপর ভিত্তি করে বানদুং সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে এটি হোটেল, ক্যাফে এবং দোকান সহ একটি অভিজাত ইউরোপীয় শৈলীর রিসোর্টে পরিণত হয়। বানদুংয়ের অনেক ঐতিহাসিক স্থান আজও বিদ্যমান, যার মধ্যে রয়েছে প্রেঙ্গার এবং স্যাভয় হোমান হোটেল এবং জালান ব্রাগা নামক কেনাকাটার রাস্তা। কনকর্ডিয়া সোসাইটি ভবনটি (এখনকার গেদুং মেরদেকা) একটি বড় বলরুম সহ তৈরি করা হয়েছিল। এটি ধনী ইউরোপীয়দের সপ্তাহান্তে সময় কাটানোর জন্য একটি ক্লাব হিসাবে ব্যবহৃত হত।
১৮৮০ সালে জাকার্তা থেকে বানদুং পর্যন্ত প্রথম প্রধান রেলপথ চালু হয়। এর ফলে ছোট শিল্পগুলির উন্নতি ঘটে এবং চীনা শ্রমিকদের আগমন হয়। বানদুংয়ের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়, টেকনিশে হোগেশুল (টিএইচ), ১৯২০ সালের ৩রা জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন স্বয়ং রাষ্ট্রপতি সুকর্ণ। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন ইনস্টিটিউট টেকনোলজি বানদুং (আইটিবি) নামে পরিচিত।
১৯৪২ সালে, জাপানি সৈন্যরা জাভার উপকূলীয় এলাকায় অবতরণ করার পর, ওলনন্দাজরা জাকার্তা থেকে বানদুংয়ে পিছু হটে আসে। কিন্তু সেখান থেকেও তাদের বিতাড়িত করা হয় এবং কিছু সময় পরেই তারা আত্মসমর্পণ করে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, প্রথমে ব্রিটিশ এবং পরে ডাচরা যুদ্ধের আগের ঔপনিবেশিক পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার চেষ্টায় ফিরে আসে। কিন্তু ১৯৪৬ সালে, ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়, টিআরআই (TRI) বাহিনীর পিছু হটার সময় তারা বানদুং শহরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর কারণ ছিল, ব্রিটিশ বাহিনীর দেওয়া একটিও আদেশ তারা মানতে রাজি ছিল না। ব্রিটিশরা তাদের বানদুং শহর ছেড়ে দক্ষিণে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল (এই ঘটনাটি বানদুং সি অফ ফায়ার/বানদুং লাউতান আপি নামে পরিচিত)। টিআরআই-এর কাছে এই কাজটি ছিল আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকার করার একটি প্রতীক। এই ঘটনার সময় ২ লক্ষেরও বেশি মানুষ শহর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
১৯৫৫ সালে বানদুংয়ে এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলন (কনফারেন্সি এশিয়া আফ্রিকা) অনুষ্ঠিত হয়, যা ১৯৬১ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠনের পথ প্রশস্ত করেছিল। ইন্দোনেশিয়ার সংসদ ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত বানদুংয়ে অবস্থিত ছিল, কিন্তু ১৯৬৬ সালে এটিকে আবার জাকার্তায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোজন
আজকের বানদুং একটি বিস্তৃত শহর, যেখানে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের বাস। ইন্দোনেশিয়ার অন্যান্য শহরগুলির মতো এটিও বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। এখানকার রাস্তাঘাট যানজটে পূর্ণ থাকে এবং অনেক পুরানো ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। একসময়ের মনোরম বাসস্থানগুলি এখন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তবে সৌভাগ্যবশত, ভবনগুলির সম্মুখভাগ এখনও আগের মতোই আছে।
এখানে কয়েকটি প্রধান সড়ক রয়েছে যা শহরটিকে মোটামুটিভাবে তিনটি ভাগে ভাগ করে - উত্তর, মধ্য এবং দক্ষিণ। পশুপতি ওভারপাসটি উত্তর এবং মধ্য অংশকে বিভক্ত করে। ডাগো বা এইচ জুয়ান্ডা এবং মারদেকা হল উত্তর থেকে দক্ষিণে যাওয়ার প্রধান সড়ক। জেনারেল সুদিরমান, এশিয়া আফ্রিকা, কোসাম্বি এবং জেনারেল আহমাদ ইয়ানি সড়কগুলি মধ্য এবং দক্ষিণ অংশকে বিভক্ত করে। আপনি যদি টোল সড়ক ব্যবহার করে প্রবেশ করেন, তাহলে আপনাকে প্রথমে শহরের বাইরের অংশ থেকে শুরু করে কেন্দ্রস্থলের দিকে যেতে হবে।
বাহাসা ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় 'রোড' বা রাস্তাকে 'জালান' (Jalan) বলা হয় এবং সংক্ষেপে 'Jl.' লেখা হয়। এই নির্দেশিকায় আপনি রাস্তার নামের আগে অনেকবার 'Jl.' লেখা দেখতে পাবেন। যেসব খুব ছোট রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে পারে না, সেগুলিকে 'গাং' (Gang) বলা হয় এবং সংক্ষেপে 'Gg.' লেখা হয়।
পর্যটন তথ্য
- বানদুং পর্যটন কার্যালয় (দিনাস কেবুদায়ান এবং পারিভিসাটা কোটা বানদুং), জেএল. আহমদ ইয়ানি নং ২২৭, ☏ +৬২ ২২ ৭২৭ ১৭২৪। সোম-শুক্র, সকাল ৭:৩০-বিকাল ৩:৩০।
কথা বলুন
বানদুংয়ের স্থানীয় ভাষা হল সুন্দানিজ, যদিও এখানকার প্রায় সবাই ইন্দোনেশীয় ভাষায় কথা বলেন।
প্রবেশ
বানদুং পারাহায়াঙ্গানের কেন্দ্রে উচ্চভূমিতে অবস্থিত। জাকার্তা থেকে টোল সড়ক অথবা ট্রেনের মাধ্যমে এখানে পৌঁছানো যায়। অনেক বাস এবং মিনিভ্যান জাকার্তা ও বানদুংয়ের মধ্যে চলাচল করে। টোল রোডের একটি বিকল্প হল পুনচাক পর্বত গিরিপথের মধ্যে দিয়ে যাওয়া আঁকাবাঁকা রাস্তা। পুনচাক দিয়ে যাওয়ার এই রাস্তাটি বেশ মনোরম, কিন্তু সপ্তাহান্তে এবং সরকারি ছুটির দিনগুলিতে এখানে প্রচুর যানজট থাকে।
বিমানে
কার্তাজাতি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল (ছবি: Kementerian Perhubungan Republik Indonesia, Public domain)
২০২৩ সালে, বানদুং থেকে সমস্ত জেট বিমান কার্তাজাতি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (KJT আইএটিএ) স্থানান্তর করা হয়েছে। এই বিমানবন্দরটি যাত্রীদের জন্য বেশ অসুবিধাজনক, কারণ এটি বানদুং থেকে সড়কপথে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে মাজালংকা শহরে অবস্থিত। এই বিমানবন্দর থেকে ইন্দোনেশিয়ার প্রধান শহরগুলিতে এবং মালয়েশিয়ার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল করে। যানজট থাকলে, গাড়িতে করে বানদুং পৌঁছাতে সহজেই ২.৫ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। বানদুংয়ের কেবুন কাউং থেকে ডামরি (DAMRI) বাস ভোর ২:০০ টায় কার্তাজাতি বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় এবং কার্তাজাতি বিমানবন্দর থেকে বানদুংয়ের জন্য প্রথম বাস সকাল ৭:০০ টায় ছাড়ে। এরপর প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর বাস পাওয়া যায়। এর ভাড়া হল ৭৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
হুসেইন সাস্ত্রানেগারা বিমানবন্দর (ছবি: Goldsztajn, CC BY-SA 3.0)
বানদুংয়ের হুসেইন সাস্ত্রানেগারা বিমানবন্দর (BDO আইএটিএ), শহরের কেন্দ্র থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বর্তমানে এখানে শুধুমাত্র টার্বোপ্রপ বিমান পরিষেবা চালু আছে। এখান থেকে সুসি এয়ার জাকার্তা-হালিম এবং মেদানের জন্য বিমান পরিচালনা করে।
জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বানদুং পৌঁছাতে প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে এর সাথে যানজটের সময়টিও যোগ করতে হবে, যা প্রায়শই বেশ দীর্ঘ হয়। যদিও, উচ্চ গতি সম্পন্ন ট্রেন ব্যবহার করলে আরও দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব। বেশ কয়েকটি সংস্থা সরাসরি বানদুংয়ের জন্য শাটল বাস পরিষেবা দিয়ে থাকে, যার মধ্যে প্রিমাজাসা কোচ সার্ভিসটি বেশ সুবিধাজনক। বিস্তারিত তথ্যের জন্য 'বাসে' বিভাগটি দেখুন।
বাসে
বাস পরিষেবাগুলি বানদুংকে পার্শ্ববর্তী ছোট শহরগুলির সাথে যুক্ত করে। প্রধান বড় শহরগুলি থেকে বেশ কয়েকটি দীর্ঘ দূরত্বের বাসও পাওয়া যায়। সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায় হল এক্সপ্রেস বা নন-স্টপ ট্যাগযুক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস। বানদুংয়ের প্রধান বাস টার্মিনালগুলি হল লিউউই পানজাং , এটি দক্ষিণ বানদুংয়ে অবস্থিত এবং এখান থেকে পশ্চিমের বাসগুলি ছাড়ে (যেমন - বৃহত্তর জাকার্তা, বোগোর রায়া (নিচে দেখুন) এবং মেরাক বন্দর সহ বান্তেন); এবং চিচাহেউম, এটি পূর্ব বানদুংয়ে অবস্থিত এবং এখান থেকে পূর্ব দিকের বাসগুলি ছাড়ে (যেমন - চেরিবন, গারুত, পূর্ব পারাহায়াঙ্গান এবং জাভা ও পূর্ব জাভা ও বালি)। জাকার্তা এবং পূর্বের গন্তব্যস্থলগুলির মধ্যে চলাচলকারী অনেক বাস বানদুং হয়ে যায়, কিন্তু সেগুলি সাধারণত বানদুংয়ের টার্মিনালগুলিতে থামে না। তবে, এই বাসগুলির মধ্যে অনেকগুলি শহরের ঠিক পূর্বে অবস্থিত চিলেউন্যি টোল গেটে যাত্রীদের নামতে বা উঠতে দেয়। বোগোরের বারানাংসিয়াং টার্মিনাল থেকে দক্ষিণ বানদুংয়ের লিউউইপানজাং টার্মিনালের জন্য নিয়মিত এমজিআই (MGI) বাস চলাচল করে। এর ভাড়া ৯০,০০০ থেকে ১,১৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (রমজানের শেষের দিকে ভাড়া বেশি থাকে এবং ভাড়া বাসের মধ্যেই দিতে হয়)। এই যাত্রায় ৪-৫ ঘণ্টা সময় লাগে। বাসটি উত্তরের রাস্তা অর্থাৎ বেকাসি হয়ে যায় এবং এই পথে যানজটের উচ্চ ঝুঁকি থাকে। বাসগুলি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
লিউউইপানজাং টার্মিনাল থেকে বানদুংয়ের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছানোর জন্য, আপনি ৪ডি (4D) নম্বর বাস ব্যবহার করতে পারেন। এই বাসটি টার্মিনাল সেন্ট হিল অর্থাৎ রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত যায়। বাসটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং এর ভাড়া ৪,৯০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। ভাড়া নগদে দেওয়া যায় না; এর জন্য জাকার্তার মতো ব্যাংক ট্রান্সপোর্ট কার্ড অথবা কিউআরআইএস ব্যবহার করতে হয়। ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে লিউউইপানজাং - লেডেং রুটে একটি নতুন বাস পরিষেবা চালু হওয়ার কথা, কিন্তু মনে হচ্ছে এই রুটে খুব কম বাস চলে (সম্ভবত ঘণ্টায় একটিরও কম)।
শাটল বাসে
প্রতি কয়েক মিনিট অন্তর ৭-১০ জনের মিনিভ্যান ছেড়ে যাওয়ার কারণে জাকার্তা এবং বানদুংয়ের মধ্যে শাটল বাসের বাজারটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। এই পরিষেবাগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হল 'ডোর টু ডোর' পরিষেবা, যেখানে একটি গাড়ি বা ভ্যান ভাড়া করে আপনার দলকে সরাসরি পছন্দের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়; এর জন্য খরচ পড়ে প্রায় ৫০-৭৫ মার্কিন ডলার। অন্যটি হল 'পয়েন্ট টু পয়েন্ট' পরিষেবা, যেখানে বাস সংস্থার একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড (পুল) থেকে অন্য স্ট্যান্ড পর্যন্ত যায়; এর ভাড়া ১০ মার্কিন ডলারের কম। অনেক সংস্থাই এই দুই ধরনের পরিষেবা দিয়ে থাকে।
- ৪৮৪৮ ট্যাক্সি, জেএল প্রপাটান ৩৪, জাকার্তা, ☏ +৬২ ২১ ৩৮১ ৪৪৮৮, +৬২ ২১ ৩৮৬ ৪৮৪৮। এদের পরিষেবা চমৎকার, নির্ভরযোগ্য এবং নিরাপদ। ভাড়া: প্রায় ২৫ মার্কিন ডলার/গাড়ি (৪ জনের জন্য)। জাকার্তার একটি ছোট এলাকার মধ্যে শুধুমাত্র একটি গন্তব্যে পরিষেবা দেয়, তাই আপনাকে জিজ্ঞাসা করে নিতে হবে যে তারা জাকার্তার কোন কোন এলাকায় পরিষেবা দেয়।
- আর্নেস শাটল। সুপারিন্ডো পানচোরান স্ট্যাচুর উত্তর-পূর্ব মোড় থেকে প্রতি ঘণ্টায় বাস ছাড়ে। সময় সকাল ৪:০০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা পর্যন্ত। তবে, সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকেল ৩:০০ টা পর্যন্ত প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর বাস চলে।
জাকার্তা, ☏ +৬২ ৮২২ ১৬৬৯ ১১১৭, +৬২ ৮৭৮ ২২৬০ ১০০৯।
- বালুবুর শহর চত্বর বান্দুং (বাল্টোস), ☏ +৬২ ৮৫৮ ৬০০০ ৩৮৬৮, +৬২ ৮২১ ২১১২ ১২৯৩, +৬২ ৮৭৮ ২৪৩৯ ৮৫০১। যাত্রীরা বাল্টোস, আরএস হারমিনা, বিটিসি এবং পাস্তুর টোল গেটের রেস্ট এরিয়াতে 'ট্রানজিট' করতে পারেন। সেখান থেকে জাতিনাঙ্গরের জন্য আর্নেস শাটল নেওয়া যায়। জাতিনাঙ্গরে অনেক বড় বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সকাল ৫:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬:০০ টা পর্যন্ত প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর বাস চলে, এর জন্য অতিরিক্ত ২০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া লাগে। এরপর সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে রাত ১১:০০ টা পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর বাস চলে। তবে শনি, রবি এবং ছুটির দিনগুলিতে সারাদিনই প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর বাস চলে।
- জাতিনাঙ্গর, জেডি রায়া জাটিনাংগর ১৯০, দেশা সিকারুহ (ব্যাংক তাবুনগান নেগারার পাশে, যদি সুমেদাংএর দিক থেকে আসেন সায়াং মোড়ের আগে), ☏ +৬২ ২২ ৯৩৩ ৬৩৬ ৯৭, +৬২ ৮৫৮ ৬০০০ ৩৬৮৬, +৬২ ৮২১ ২১১২ ১২৩৯।
- ডেট্রান্স, ☏ +৬২ ২১ ৭০৬৩ ৬৮৬৮, +৬২ ২১ ৬৩৮৬ ৪০০৫, +৬২ ২২ ৭০৬৩ ৬৮৬৮ (বানদুং - সিহাম্পেলাস এবং পাস্তুর)। জাকার্তা (ব্লোরা, সারিনা, ফাতমাওয়াতি, কারেট, মল সেনায়ান সিটি, এফএক্স প্লাজা, মেরুয়া-ইন্টারকন, কেবোন জেরুক-বিনুস, গ্রোগোল, অ্যাট্রিয়াম প্লাজা, হোটেল আকাশিয়া, চেম্পাকা পুতিহ পুলোমাস, তেব্বেত/পানচোরান এবং জাতিওয়ারিঙ্গিন)। সমস্ত শাটল পরিষেবা প্রদানকারীদের মধ্যে এদের পাইলট সিটগুলি সেরা। প্রতি যাত্রীর জন্য ৯০,০০০ থেকে ১,১০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়ার মধ্যে, যা সিটের অবস্থানের উপর নির্ভর করে।।
- বারায়া, ☏ +৬২ ২১ ৭২৪৪ ৯৯৯, +৬২ ২২ ৭৫৩ ১৪১৫। টিকিটের মূল্য প্রতি যাত্রীর জন্য ৮৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। এটি একটি ভাড়া মাধ্যম এবং এদের প্রচুর রুট রয়েছে।
- প্রিমাজাসা বাস, ☏ +৬২ ২২ ৬০৭ ৩৯৯২ (বানদুং), +৬২ ২১ ৮০০ ৯৫৪৫ (জাকার্তা)। এরা জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা বিমানবন্দর থেকে বাতুনুঙ্গাল পর্যন্ত সরাসরি শাটল পরিষেবা দেয়। বর্তমানে এই রুটে বানদুং সুপার মল বা অন্য কোথাও বাস থামে না। যাত্রাপথে প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় লাগে এবং ভাড়া ১,১৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। সময়সূচী: রাত ০:৩০ থেকে বিকেল ৪:০০ টা পর্যন্ত প্রতি আধ ঘণ্টা অন্তর এবং বাকি সময় প্রতি ঘণ্টায় বাস চলে। তাদের বাসের পিছনে একটি স্মোকিং রুম এবং টয়লেট থাকে। প্রিমাজাসার সোয়েকার্নো-হাত্তা বিমানবন্দর থেকে জালান চিসাংকুইএর মোড়ের কাছে জালান দিপোনেগোরো (গেদুং সাতে) পর্যন্ত শাটল মিনিবাসও রয়েছে, যার ভাড়া ১,৫৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। তাদের সাথে যোগাযোগ করার সময় আপনি বাস না মিনিবাস চান তা উল্লেখ করুন।
- সিলভার বার্ড ভ্যান (ট্যাক্সি ব্লু বার্ড গ্রুপ), জেএল. মাম্পাং প্রপাটান রায়া ৬০, দক্ষিণ জাকার্তা, ☏ +৬২ ২১ ৭৯৮ ১২৩৪। ডোর টু ডোর পরিষেবার জন্য ৭,৫০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, সাথে অতিরিক্ত ৫০,০০০ রুপিয়া এবং টোল খরচ।
- এক্স-ট্রান্স, জেএল. ব্লোরা ১ এবি, মধ্য জাকার্তা, ☏ +৬২ ২১ ৩১৫ ০৫৫৫। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট চার্টারের জন্য প্রায় ৫৫ মার্কিন ডলার/গাড়ি, সর্বোচ্চ ১০ জন। প্রতি যাত্রীর জন্য ১,০০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।।
- সিটিট্রান্স, ☏ +৬২ ৮০৪ ১১১ ১০০০। ৭ বা ১০ জনের (পয়েন্টের উপর নির্ভরশীল) শাটল, যেখানে আলাদা আলাদা সিট থাকে।
জাকার্তা। (ফাতমাওয়াতি, বিনতারো, সুদিরমান, কেলাপা গাদিং, পাসার পাগি, সেন্ট্রাল পার্ক)
- বানদুং। দিপাতি উকুর, চিহাম্পেলাস ওয়াক, পাস্তুর।
প্রতিযোগিতার কারণে, এখন সমস্ত শাটলের কেবল দুই রকমের ভাড়া রয়েছে। ৮-১১ জনের জন্য ৮০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (স্টার শাটল) থেকে ৮৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (বারায়া) এবং ৬-৭ জনের মিনিবাসের জন্য ৯০,০০০ থেকে ১,১০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
চালক সহ ভাড়া গাড়িতে
বোগোর এবং বানদুংয়ের মধ্যে ডোর-টু-ডোর ভ্রমণের জন্য গাড়ি পাওয়া যায়। এগুলি বেশিরভাগই মিনিবাসের পরিবর্তে সেডاন গাড়ি এবং প্রতি গাড়িতে সর্বাধিক ৩ জন যাত্রী যেতে পারে। ভাড়া প্রতি যাত্রীর জন্য ১,৫০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (টোল রোডের খরচ ছাড়া)। রাস্তাটিড় বেশিরভাগ অংশ পুনচাক বা চিপুলারাং টোল রোড দিয়ে যায়।
- এমপিএক্স ট্র্যাভেল বোগোর বানদুং, জালান রেনাউইজায়া নং ৯ কাভ. ২, ভিলা দুতা, বারানাংসিয়াং, বোগোর, পশ্চিম জাভা ১৬১৪৩, ☏ +৬২ ২৫১ ৮৩৮৫৩৫৮।
গাড়িতে
ট্র্যাফিকের অবস্থা অনুকূল থাকলে জাকার্তা থেকে গাড়িতে করে বানদুং পৌঁছাতে দুই ঘণ্টা সময় লাগে, কিন্তু যানজটের কারণে প্রায়শই এর চেয়ে বেশি সময় লেগে যায়। তবে, জাকার্তা-বানদুং টোল রোডের (সিকাম্পেক হয়ে) জন্য সড়কপথে ভ্রমণ সাধারণত ট্রেনের চেয়ে দ্রুত হয়। তবে বর্ষাকালে, ভূমিধসের কারণে রাস্তার কিছু অংশ বন্ধ থাকতে পারে এবং সম্ভাব্য প্রবল বাতাস বা ঘন কুয়াশা ও ভারী বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি বিভ্রান্তিকর হতে পারে। বেশিরভাগ গাড়িই পাস্তুর-এ টোল রোড থেকে বের হয়, যা বানদুংয়ের প্রথম প্রস্থান এবং এখান থেকে লেম্বাং যাওয়ার খুব ভালো সংযোগ রয়েছে। কিন্তু সপ্তাহান্তে এখানে প্রচণ্ড ভিড় থাকে, তাই এর পরিবর্তে শহরের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কম যানজটপূর্ণ টোল রোড প্রস্থানগুলি, যেমন - বারোস/চিমাহি, পাসির কোজা, কোপো, মোহ. তোহা, এবং বুয়াহ বাতু ব্যবহার করার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
একটি বিকল্প পথ হল পুনচাক এলাকার মধ্যে দিয়ে যাওয়া ধীরগতির, কিন্তু মনোরম রাস্তা। আপনি যদি এই পথে গাড়িতে ভ্রমণ করেন, তাহলে অবশ্যই পুনচাক পাস-এ থামবেন। এটি জাকার্তার ঠিক বাইরের উচ্চভূমির চূড়া, যেখান থেকে চা বাগানের দৃশ্য দেখা যায় এবং সতেজ বাতাস উপভোগ করা যায়। সেখানে প্রচুর ভালো রেস্তোরাঁ এবং হোটেল রয়েছে।
ট্রেনে

পাদালারাং স্টেশনে উচ্চ গতি সম্পন্ন ট্রেন (ছবি: NFarras, CC BY-SA 4.0)
ইন্দোনেশিয়ার প্রথম উচ্চ গতি সম্পন্ন রেলওয়ে (কেরেতা চেপাত), হুশ (Whoosh), জাকার্তা-হালিমকে বানদুংয়ের বাইরের অংশের সাথে মাত্র ৩০ মিনিটে সংযুক্ত করে। দুটি স্টেশন রয়েছে, এবং দুটিই শহরের কেন্দ্র থেকে বেশ দূরে অবস্থিত:
পাদালারাং রেলওয়ে স্টেশন (স্তাসিউন পাদালারাং), চিহালিউং স্ট্রিট (মধ্য বানদুং থেকে ১৯ কিমি উত্তর-পশ্চিমে)। বানদুংয়ের প্রধান এইচএসআর স্টেশন, যেখান থেকে যাত্রীবাহী ট্রেনের সংযোগ রয়েছে। এটি স্তাসিউন কেসিআইসি পাদালারাং (পাদালারাং এইচএসআর স্টেশন) নামেও পরিচিত।
- তেগালুয়ার রেলওয়ে স্টেশন (স্তাসিউন তেগালুয়ার) (মধ্য বানদুং থেকে ১৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে)।
সরকারি সংস্থা পিটি কেরেতা আপি ইন্দোনেশিয়া আর্গো পারাহায়াঙ্গান ট্রেনের মাধ্যমে জাকার্তা এবং বানদুংয়ের মধ্যে নিয়মিত পরিষেবা প্রদান করে। এছাড়াও দক্ষিণ রেল রুটের অন্যান্য শহরেও পরিষেবা রয়েছে। কিন্তু এই সাধারণ ট্রেনগুলিতে, সবচেয়ে দ্রুতগামী পরিষেবাতেও জাকার্তা থেকে পৌঁছাতে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। যাত্রাপথে আরামদায়ক ট্রেন, মনোরম পাহাড় এবং ধানক্ষেতের দৃশ্যের জন্য সময় খুব দ্রুত কেটে যায়। প্রতিটি ট্রেন যাত্রায় ৩টি পর্যন্ত ক্লাস থাকে: প্রায়োরিটি ক্লাস, ভাড়া ২,৯০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, সাথে সিটব্যাক এন্টারটেইনমেন্ট এবং ওয়াইফাই; এক্সিকিউটিভ ক্লাস, প্রতি টিকিটের ভাড়া ২,০০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, সাথে শীততাপ নিয়ন্ত্রন, হেলানো আসন এবং পা রাখার জায়গা; ইকোনমি প্রিমিয়াম ক্লাস, ভাড়া ১,৫০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে টিকিট সংগ্রহ করা আবশ্যক এবং ট্র্যাভেলওকা, পেগিপেগি ইত্যাদি ভ্রমণ বুকিং পরিষেবা এবং আলফামার্ট ও ইন্দোমারেটের মতো মিনিমার্কেটগুলির মাধ্যমে বুকিং করা যায়। ২৪ ঘণ্টার কম সময় থেকে শুরু করে ট্রেন ছাড়ার ১০ মিনিট আগে পর্যন্ত টিকিট শুধুমাত্র ছাড়ার স্টেশন থেকেই কেনা যায়। কিন্তু আপনার কাছে যদি কাই অ্যাক্সেস (KAI Access) অ্যাপ্লিকেশন থাকে, তাহলে ট্রেন ছাড়ার ১ মিনিট আগেও টিকিট কেনা সম্ভব।
আপনি যদি ট্রেনে ভ্রমণ করেন, তাহলে মধ্য বানদুংয়ের বানদুং রেলওয়ে স্টেশনে নামবেন। এটি শহরের একেবারে কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এখান থেকে শহরের আকর্ষণীয় স্থানগুলিতে যাওয়ার জন্য চমৎকার পরিবহন সংযোগ রয়েছে। স্টেশনটির দুটি দিক রয়েছে — পুরানো প্রবেশদ্বার (ট্র্যাকের দক্ষিণে) এবং নতুন প্রবেশদ্বার (উত্তরে)। উত্তর প্রবেশদ্বারের বাইরে ট্যাক্সি পাওয়া যায়। এখানে এএ (AA) এবং ব্লু বার্ড ট্যাক্সি রয়েছে। এএ ট্যাক্সির ভাড়া ব্লু বার্ডের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি, যদিও তাদের গাড়িগুলি সাধারণত ব্লু বার্ডের গাড়ির চেয়ে ভালো অবস্থায় থাকে। দক্ষিণ প্রবেশদ্বার থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে একটি ছোট টার্মিনালে এবং উত্তর প্রবেশদ্বারের সামনেও 'আংকোট' পাওয়া যায়।
- বানদুং রেলওয়ে স্টেশন (স্তাসিউন বানদুং), কেবোন কাউং স্ট্রিট। এটি 'হল স্টেশন' (স্তাসিউন হল) নামেও পরিচিত।
ঘুরে দেখুন
বানদুংয়ের মধ্যে যাতায়াত করা বেশ জটিল এবং হতাশাজনক হতে পারে, বিশেষ করে নতুনদের জন্য। এর কারণ হল, এখানে কোনো মাস র্যাপিড ট্রানজিট দ্রুত গণ পরিবহন ব্যবস্থা নেই। স্থানীয়রা যাতায়াতের জন্য ছোট মিনিবাস ব্যবহার করে, যেগুলিকে 'আংকোট' বলা হয়। 'আংকোট' শব্দটি এসেছে 'আংকুতান' (angkutan = পরিবহন) এবং 'কোটা' (kota = শহর) থেকে।
আংকোটে
এই যানটির উপরে শুধুমাত্র উৎস এবং গন্তব্যের নাম লেখা থাকে। কখনও কখনও, যদি একটি নির্দিষ্ট উৎস-গন্তব্য রুটে একাধিক আংকোট চলে, তাহলে তারা কোন রাস্তা দিয়ে যাবে তার বিবরণও দেওয়া থাকে।
যদিও অর্গান্ডা (বেসরকারি পরিবহনের স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা) দ্বারা আং জোটের জন্য একটি সরকারি ভাড়া নির্ধারিত আছে, তবে ভাড়া সাধারণত আপনি কতদূর ভ্রমণ করছেন তার উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়। কোনো জায়গায় যাওয়ার জন্য ভাড়া কত হবে, তা চালক বা কার্নেটকে (চালকের সহকারী) জিজ্ঞাসা করে নেওয়া ভালো। আংকোটকে থামিয়ে ওঠার জন্য, শুধু আপনার হাত তুলুন। আপনি যখন ভিতরে থাকবেন এবং নামতে চাইবেন, তখন কার্নেটকে থামাতে বলুন 'কিরি' ('kiri', উচ্চারণ 'কী-রী') বা সহজভাবে 'স্টপ' বলুন। আগে থামানোর জন্য একটি বেল পাওয়া যেত যা টেপা যেত, কিন্তু এখন আর তা দেখা যায় না। বেশিরভাগ আং জোটের ভাড়া সাধারণত ৩,০০০-৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া হয়। দেড় কিলোমিটারের কম খুব ছোট দূরত্বের জন্য ২,০০০ রুপিয়া যথেষ্ট। তবে, শহরতলির দিকে যাওয়ার জন্য ভাড়া কিছুটা বেশি হতে পারে।
আংকোটের সরকারি রুটগুলি বানদুংয়ের 'সিটি গভর্নমেন্ট' ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত করা আছে। ফোনের ম্যাপ ব্যবহার করাই যথেষ্ট, কিন্তু প্রোজেক্ট কিরির ম্যাপে বানদুংয়ের কোনো জায়গায় পৌঁছানোর জন্য আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া আছে, যেমন - আপনার কোন আংকোটটি নেওয়া উচিত।
কিছু আংকোটের গন্তব্য এক হলেও তাদের রুট ভিন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ, আংকোট নং ০১ চিচাহেউম থেকে ট্রান্স স্টুডিও মল হয়ে কেবোন কেলাপা পর্যন্ত যায়, যেখানে আংকোট নং ০২ জালান আচেহ দিয়ে যায়।
ট্যাক্সিতে
কোন আংকোট রুটে যেতে হবে তা যদি আপনি না জানেন, তাহলে আপনার জন্য ট্যাক্সি নেওয়া অনেক ভালো বিকল্প। মিটারে চলা ট্যাক্সিগুলি বেশি টাকা নেওয়ার জন্য আপনাকে হয়তো ঘুরপথে নিয়ে যেতে পারে। ফোনে অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে, আপনার ট্যাক্সিতে ওঠার আগেই তারা মিটার চালু করে দিতে পারে। শহরের মধ্যে যাতায়াতের জন্য ভাড়া সাধারণত ২৫,০০০ থেকে ৭৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া হয়। বেশিরভাগ বড় রাস্তায়, মল এবং বড় হোটেলগুলির সামনে থেকে ট্যাক্সি পাওয়া যায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, ফোনে অর্ডার দেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়, যদিও ফোনে অর্ডার দিলে সাধারণত একটি ন্যূনতম ভাড়া দিতে হয়।
যাত্রার জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখুন, কারণ যানজট এখানে একটি সাধারণ ঘটনা, বিশেষ করে সপ্তাহান্তে। ব্যস্ত সময়ে এবং সপ্তাহান্তে ১০ কিলোমিটারের কম ছোট যাত্রাতেও এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
ব্লু বার্ড ছাড়া বানদুংয়ের প্রায় সব ট্যাক্সিতেই ন্যূনতম ২৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া ভাড়া দিতে হয়। ব্লু বার্ডের ক্ষেত্রে এমন কোনো ন্যূনতম ভাড়ার নিয়ম নেই। প্রথম কয়েক কিলোমিটারের প্রাথমিক ভাড়ার পর, পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের জন্য ভাড়া হল ৪,৫০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া এবং ওয়েটিং চার্জ বা অপেক্ষার জন্য ভাড়া প্রতি ঘণ্টায় ৪৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (ট্যাক্সি যখন যানজটে আটকে থাকে বা লাল বাতিতে থামে, তখনও এই চার্জ প্রযোজ্য হয়)।
বানদুংয়ের ট্যাক্সি সংস্থাগুলির তালিকা:
- এএ, ☏ +৬২ ২২ ৪২১ ৯৯৯৯। এদের গাড়িগুলি ত্রুটিহীন এবং চালকরা অধূমপায়ী, সম্ভবত ব্লু বার্ডের চেয়েও ভালো। এরা ব্লু বার্ডের মতোই উচ্চ ট্যারিফ ব্যবহার করে, যেখানে প্রথম কিলোমিটারের জন্য প্রাথমিক ভাড়া ৭,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। ন্যূনতম ভাড়া ২৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া এবং ফোনে অর্ডার দিলে ন্যূনতম ভাড়া ৩০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- বানদুং রায়া, ☏ +৬২ ২২ ২০১ ৪০১৮।
- ব্লু বার্ড, ☏ +৬২ ২২ ৭৫৬১২৩৪। এদের সুনাম রয়েছে এবং এরা নির্ভরযোগ্য; এটি ইন্দোনেশিয়ার প্রিমিয়াম ট্যাক্সি সংস্থা। কল সেন্টারের কর্মীরা ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। বেশিরভাগ হোটেলই আনন্দের সাথে আপনাকে তুলে নেওয়ার জন্য ট্যাক্সি ডেকে দেবে। ফোনে অর্ডার দিলে ন্যূনতম ভাড়া ৩৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। অ্যাপ্লিকেশন (ফোনে অর্ডার সহ) এবং জিপিএস ব্যবহার করা হয়; যাত্রীর ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা নিকটতম ট্যাক্সিটি ৫ মিনিটের মধ্যে তুলে নেবে।
- সেন্ট্রিস ট্যাক্সি, ☏ +৬২ ২২ ৭৫১২১০০।
- গেমাহ রিপাহ, ☏ +৬২ ২২ ৪২১ ৭০৭০। ব্লু বার্ডের পর এটি দ্বিতীয় পছন্দ। ন্যূনতম ভাড়া ২৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, কিন্তু ফোনে অর্ডার দেওয়ার জন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেই। তাদের ট্যাক্সি প্রায়শই ফোনে অনুরোধ করা সময়ের ৫ থেকে ১০ মিনিট আগেই চলে আসে এবং যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করার সময় মিটার (argometer) চালু করে দেয়।
- কোটা কেম্বাং, ☏ +৬২ ২২ ৭৩১ ২৩১২। এদের গাড়িগুলি পুরানো। এটি শেষ উপায় হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে, প্রধানত ফোনে অর্ডার দেওয়ার জন্য।
- পুত্রা, ☏ +৬২ ২২ ৫৪০ ৫০১০। এদের গাড়িগুলি পুরানো। এটি শেষ উপায় হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে, প্রধানত ফোনে অর্ডার দেওয়ার জন্য।
অনলাইন রাইড হেলিং অ্যাপের মাধ্যমে
গ্র্যাবকার এবং গোকারের(গোজেক থেকে) মতো অনলাইন ট্যাক্সি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং বুকিং করার ১০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে তারা আপনাকে নিত আসতেে পারে। এগুলি ২৪ ঘণ্টা পাওয়া যায়, প্রধানত ডাগো এলাকা এবং ট্রান্স স্টুডিও মল এলাকায়। এরা বানদুংয়ের বাইরের এলাকাগুলিতেও (৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত) যাওয়ার জন্য পরিষেবা প্রদান করে। অপেক্ষার জন্য চার্জ সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা তার কম হয়, যা চালকের সাথে আলোচনার উপর নির্ভর করে। বানদুংয়ের বাইরের এলাকায় এই পরিষেবার প্রয়োজন হয়, কারণ সেন্ট্রাল লেম্বাং এলাকা ছাড়া অন্য জায়গায় অনলাইন ট্যাক্সি পাওয়া বেশ কঠিন।
বানদুংয়ে ইনড্রাইভার উপলব্ধ পাওয়া যায়। আপনি গ্র্যাবকার এবং গোকারের ভাড়ার চেয়ে ২০ শতাংশ কম ভাড়া আশা করতে পারেন, কারণ গ্র্যাব এবং গোকারের মতো ইনড্রাইভার ২০% ফি নেয় না। (আপনি যদি ইনড্রাইভারের সাথে মোটরবাইকে যাতায়াত করেন, তবে আপনার রসিদে মূল্যটি 'মোটর' হিসাবে উল্লেখ করা থাকবে।)
বাসে
এখানে বেশ কয়েকটি বাস সংস্থা রয়েছে, কিন্তু বানদুংয়ের বেশিরভাগ রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় তারা পুরো শহর জুড়ে পরিষেবা দেয় না। শহরের বাসগুলিকে ডামরি বলা হয় এবং এগুলি সাধারণত শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দীর্ঘ রুটে চলাচল করে; উদাহরণস্বরূপ, উত্তর থেকে দক্ষিণে (ডাগো বা সেতিয়াবুদি থেকে লিউউই পানজাং সেন্ট্রাল টার্মিনাল) এবং পশ্চিম থেকে পূর্বে (চিবেউরেউম থেকে চিচাহেউম এবং তারপর চিবিরু পর্যন্ত)। উত্তর-দক্ষিণ রুট এবং পূর্ব-পশ্চিম রুটের সংযোগস্থল হল আলুন-আলুন সেন্ট্রাল পার্ক এবং আস্তানা আন্যার ও এশিয়া আফ্রিকা মোড়। বেশিরভাগ বাস শুধু বাস স্টপে নয়, যেকোনো জায়গা থেকেই থামানো যায়। শহরের সমস্ত রুটের জন্য টিকিটের দাম বাতানুকুল ছাড়া ২,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া এবং বাতানুকুল সহ ৩,৫০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
আরেকটি বিকল্প হল ট্রান্স মেট্রো বানদুং (এটি জাকার্তার ট্রান্সজাকার্তার সমতুল্য), এরা ছোট বাস ব্যবহার করে এবং এদের নিজস্ব নির্দিষ্ট বাস স্টপ বা শেল্টার রয়েছে। এর ৫টি রুট যাতায়াত করে
- চিবিরু - চিবেউরেউম
- চিচাহেউম - চিবেউরেউম
- চিচাহেউম - সারিজাদি
- আন্তাপানি - লিউউই পানজাং
- আন্তাপানি - স্তাসিউন হল
সাধারণ মানুষের জন্য টিকিটের দাম ৪,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া এবং ছাত্রদের জন্য ২,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। ব্রিজি (বিআরআই থেকে) এবং ট্যাপক্যাশের (বিএনআই থেকে) মতো ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করলে ১,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া ছাড় পাওয়া যায়।
ডামরির বাসগুলি বানদুংয়ের বাইরের এলাকাগুলিতেও পরিষেবা দেয়, যেমন আলুন-আলুন সেন্ট্রাল পার্ক বানদুং থেকে চিবুরুই (পাদালারাংয়ের কাছে), ডাগো থেকে লিউউই পানজাং সেন্ট্রাল টার্মিনাল এবং এলাং থেকে জাতিনাঙ্গর। সব বাসই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
গাড়িতে
বানদুং এবং এর আশেপাশে ঘোরার জন্য সম্ভবত সবচেয়ে সহজ এবং সুবিধাজনক উপায় হল গাড়ি ব্যবহার করা। তবে, প্রতিদিনের ভয়াবহ যানজটের কথাও মাথায় রাখা উচিত। আপনার যদি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকে, তবে আপনি একজন চালক সহ গাড়ি ভাড়া করতে পারেন, যা পশ্চিমা ভ্রমণকারীদের জন্য একটি সাধারণ বিষয়। এমনকি জাকার্তা থেকে গাড়ি ভাড়া করা হয়তো আরও ভাল বিকল্প হতে পারে। বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড সহ অসংখ্য সংস্থা থেকে গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়। গাড়ি ভাড়া করতে প্রতিদিন (১২ ঘণ্টার জন্য) প্রায় ৫,০০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া খরচ হয়। বানদুংয়ের বাইরে, যেমন তাংকুবান পেরাহু আগ্নেয়গিরি এলাকায় ভ্রমণের জন্য, ভাড়া হল ৬,০০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (১২ ঘণ্টার জন্য), তবে এই ভাড়ার মধ্যে গ্যাসোলিন, পার্কিং এবং টোলের খরচ অন্তর্ভুক্ত নয়।
যদিও গাড়ি করে ভ্রমণ করা সাধারণত প্রয়োজন, বিশেষ করে শহরের বাইরের পাহাড়ি অঞ্চলে যাওয়ার জন্য, তবে সপ্তাহান্তের এবং ব্যস্ত সময়ের ভয়াবহ যানজট আপনার ভ্রমণসূচীকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত পিছিয়ে দিতে পারে। তাই, আগে থেকে পরিকল্পনা করুন, সকাল সকাল যাত্রা শুরু করুন এবং বিকল্প রাস্তার সন্ধান করুন। যেসব প্রধান সড়কে প্রায়শই ভিড় থাকে সেগুলি হল - লেম্বাংয়ের দিকে যাওয়ার রাস্তা (জালান সুকাজাদি), ডাগো, চিহাম্পেলাস এবং পাস্তুর টোল প্রস্থান থেকে পশুপতি ওভারপাস পর্যন্ত করিডোর, যা এই রাস্তাগুলিকে সংযুক্ত করে। সপ্তাহান্তে, বিশেষ করে দীর্ঘ ছুটির দিনগুলিতে, জাকার্তা থেকে প্রচুর গাড়ি ছুটি কাটাতে শহরের এই অংশে আসে, যার ফলে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা আরও খারাপ হয় এবং সময় অনেক বেশি লাগে। অনেক রাস্তা, বিশেষ করে ছোট রাস্তাগুলি, সাধারণত একমুখী হয়, কিন্তু অনেক সময় তার সঠিক চিহ্ন দেওয়া থাকে না।
একটি স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গাড়িতে একটি করে ময়লা ফেলার জায়গা থাকা বাধ্যতামূলক এবং এই আইনটি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। এই নিয়ম না মানলে ঘটনাস্থলেই ২,৫০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া জরিমানা দিতে হতে পারে, অথবা এটিএম বা ব্যাংকের মাধ্যমেও এই জরিমানা মেটানো যায়। অন্যান্য শহরের তুলনায় বানদুংয়ে পুলিশ সিটবেল্টের নিয়ম প্রয়োগের ক্ষেত্রে বেশি কঠোর। তাই, সামনের সিটে বসা প্রত্যেক ব্যক্তির অবশ্যই সিটবেল্ট পরা উচিত।
মোটরসাইকেলে
বানদুংয়ে মোটরসাইকেল ভাড়া করা তুলনামূলকভাবে নতুন। তাই, বালির তুলনায় এখানে ভাড়া বেশি। বানদুংয়ে মোটরসাইকেল চুরির হার তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় এই পরিষেবাগুলি এখনও সীমিত। এই কারণে, ভাড়া দেওয়ার সংস্থাগুলি সাধারণত অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য কয়েকটি বাড়তি তালাও দিয়ে থাকে। ভাড়ার তালিকা নিম্নরূপ: সপ্তাহের সাধারণ দিন বা সপ্তাহান্তে ১২ ঘণ্টার জন্য ৫০,০০০-৫৫,০০০ রুপিয়া; সপ্তাহের সাধারণ দিনে ২৪ ঘণ্টার জন্য ৭৫,০০০-৮৫,০০০ রুপিয়া; সপ্তাহান্তে ২৪ ঘণ্টার জন্য ৮০,০০০-৯০,০০০ রুপিয়া; অথবা এক সপ্তাহের জন্য ৪,৫০,০০০-৫,০০,০০০ রুপিয়া।
ভাড়া করার জন্য, দেশীয় পর্যটকদের নিম্নলিখিত পরিচয়পত্রগুলির মধ্যে অন্তত ৩টি দেখাতে হয়: ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইলেকট্রনিক পরিচয়পত্র, পারিবারিক কার্ড, ট্যাক্স আইডেন্টিটি, অথবা পাসপোর্ট। বিদেশী পর্যটকদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্ট থাকতে হবে।
ওজেকের মাধ্যমে
বানদুংয়ে দুই ধরনের মোটরসাইকেল ট্যাক্সি (বা ওজেক) রয়েছে। একটি হল সাধারণ ওজেক, যেখানে ওজেক চালকরা নির্দিষ্ট জায়গায় জড়ো হয়ে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করে এবং এক্ষেত্রে অনেক সময় ভাড়া নির্দিষ্ট থাকে না। এর বিপরীতে রয়েছে গ্র্যাব বা গোজেকের মতো অনলাইন ওজেক বা রাইড-হেলিং অ্যাপ, যেখানে ভাড়া আগে থেকেই উল্লেখ করা থাকে এবং তা সাধারণত প্রচলিত ওজেকের চেয়ে অনেক সস্তা হয়।
পায়ে হেঁটে
বানদুংয়ের ফুটপাথগুলি খুব সুন্দর, যেগুলি ২০১৮ সাল নাগাদ নতুন করে সংস্কার করা হয়েছে। দৃষ্টিহীনদের সুবিধার জন্য এখানে ট্যাকটাইল পেভিং বা বিশেষ ধরনের উঁচু টাইলস রয়েছে। ডাগো/জালান ইর. এইচ. জুয়ান্ডা এলাকা থেকে দক্ষিণ দিকে এবং জালান রিয়াউ/আর.ই. মারতাদিনাতা বরাবর এই ফুটপাথগুলি দেখা যায়। বানদুংয়ে বেশ কিছু প্রশস্ত ও খোলা জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হল সেন্ট্রাল বানদুংয়ের বড় মসজিদ (মসজিদ রায়া বানদুং), যেখানে কৃত্রিম ঘাস লাগানো আছে।
দেখুন
স্বতন্ত্র তালিকাগুলি বানদুং-এর জেলা নিবন্ধে পাওয়া যেতে পারে।
ঔপনিবেশিক স্থাপত্য
পূর্ব বানদুং এর কোলোগডাম ভবন, ১৯২০ সালে ইয়ারবুরস (বাণিজ্য মেলার ভবন) হিসাবে নির্মিত হয়েছিল। (ছবি: Albert kok, CC BY-SA 3.0)
বানডুুং ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজের অন্যতম প্রধান শহর হওয়ায়, এখানে ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে এবং বিশেষ করে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে অনেক ঔপনিবেশিক ভবন নির্মিত হয়েছিল। বেশিরভাগ ঔপনিবেশিক ভবন শহরের কেন্দ্রস্থলে এবং ডাগো এলাকায় দেখতে পাওয়া যায়, যেখানে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে শহরের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছিল।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজে ব্যবহৃত একটি প্রধান স্থাপত্য শৈলী ছিল ইন্ডিজ এম্পায়ার স্টাইল। বানদুংয়ে এই শৈলীর একটি প্রধান উদাহরণ হল মধ্য বানদুংয়ের গেদুং পাকুয়ান। এটি ১৮৬০-এর দশকে পারাহায়াঙ্গান রেসিডেন্সির প্রধান কর্মকর্তার নতুন বাসস্থান হিসাবে নির্মিত হয়েছিল, কারণ এর রাজধানী চিয়াঞ্জুর থেকে বানদুংয়ে স্থানান্তরিত হয়েছিল। তবে, বানদুংয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত ঔপনিবেশিক ভবনগুলি ক্লাসিক্যাল শৈলীর নয়, বরং আধুনিকতাবাদী স্থাপত্যের নিদর্শন। এই শহরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সংখ্যক আর্ট ডেকো শৈলীর ভবন রয়েছে। এই সময়ের (প্রধানত ১৯২০-১৯৪০) প্রধান স্থপতিদের মধ্যে ছিলেন সি.পি.ডব্লিউ. (ওল্ফ) শুমাকার, এ.এফ. (আলবার্ট) আলবার্স, এবং হেনরি ম্যাকলাইন পন্ট। তারা সকলেই আধুনিকতাবাদী ইউরোপীয় স্থাপত্যের (আর্ট ডেকো সহ) সাথে ইন্দোনেশীয় সংস্কৃতির শৈলীগত উপাদানগুলির সংমিশ্রণ ঘটানোর জন্য পরিচিত ছিলেন।

মধ্য বানদুংয়ের গেদুং মেরদেকা । (ছবি: BxHxTxCx (using album), CC BY-SA 2.0)
ওল্ফ শুমাকার ১৮৮২ সালে সেন্ট্রাল জাভাতে জন্মগ্রহণ করেন এবং নেদারল্যান্ডসে শিক্ষালাভ করেন। তিনি বানদুংয়ের আর্ট ডেকো স্থাপত্য শৈলীর জনক হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি গ্রীষ্মমন্ডলীয় পরিবেশের সাথে আধুনিক ইউরোপীয় স্থাপত্যকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য বিখ্যাত। প্রাচীন আলংকারিক উপাদান এবং আধুনিক স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের এই সংমিশ্রণ তাঁকে তাঁর সময়ের সেরা ইন্দোনেশীয় স্থপতিতে পরিণত করেছিল। পরে তিনি উত্তর বানদুংয়ের বানদুং ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে অধ্যাপক হয়েছিলেন। তার ছাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন সুকর্ণ, ইন্দোনেশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি। শুমাকার একজন অত্যন্ত সৃষ্টিশীল স্থপতি ছিলেন এবং বানদুংয়ের কয়েক ডজন ভবন তার নকশা করা। তার সবচেয়ে বিখ্যাত ভবনগুলির মধ্যে কয়েকটি হল গেদুং মেরদেকা, গ্র্যান্ড হোটেল প্রেঙ্গার, বানদুং ক্যাথিড্রাল, নিউ ম্যাজেস্টিক চলচ্চিত্র ভবন (সবই মধ্য বানদুং-এ), ভিলা আইসোলা, পাস্তুর ইনস্টিটিউট (উভয়ই উত্তর-পশ্চিম বানদুং-এ) এবং কোলোগডাম ভবন (পূর্ব বানদুং-এ)।
আলবার্ট আলবার্সের প্রধান খ্যাতি ছিল ডেনিস ব্যাংক ভবনটির জন্য। এর উপর ভিত্তি করেই তিনি বানদুংয়ের পুরোনো বিখ্যাত হোটেল, স্যাভয় হোমানের নতুন ভবনটির নকশা করার চুক্তি পেয়েছিলেন। এর কিছুদিন পরেই, তিনি শুমাকারের একটি কাজ, গেদুং মেরদেকার সংস্কারের নকশা করেন। এই তিনটি ভবনই মধ্য বানদুংয়ে অবস্থিত। হেনরি ম্যাকলাইন পন্ট দ্বারা ডিজাইন করা সবচেয়ে বিখ্যাত ভবনগুলি হল উত্তর বানদুংয়ের বানদুং ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (আইটিবি) প্রধান ভবনগুলি।
উত্তর বানদুংয়ের গেদুং সাতে । (ছবি: MG82 (Wikitravel's user), CC BY-SA 1.0)
এই তিনজন স্থপতির নকশা করা নয়, এমন সবচেয়ে সুপরিচিত ঔপনিবেশিক ভবনগুলি হল ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজের সরকারি ভবন, যেগুলির নকশা করেছিল সরকারি ভবন পরিষেবা (লান্ডসগেবাউয়েনডিনস্ট)। এর প্রধান উদাহরণ হল উত্তর বানদুংয়ের গেদুং সাতে ('Gedung Sate'), যা ১৯২০-এর দশকে ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজের গণপূর্ত বিভাগের জন্য নির্মিত হয়েছিল এবং এখন এটি পশ্চিম জাভার প্রাদেশিক সরকার দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
জাদুঘর
উত্তর বানদুংয়ের ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর। (ছবি: Prayudi Setiadharma, Public domain)
এই শহরে বিভিন্ন জাদুঘর রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থলে গেদুং মেরদেকাতে রয়েছে এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলনের জাদুঘর। এই ভবনটি ১৯৫৫ সালের বানদুং সম্মেলনের (জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম সভা) কেন্দ্রস্থল ছিল। এই জাদুঘরে সেই সম্মেলনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। এই সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি সুকর্ণ (ইন্দোনেশিয়া), গামাল আবদেল নাসের (মিশর), টিটো (যুগোস্লাভিয়া), এবং প্রধানমন্ত্রী হো চি মিন (ভিয়েতনাম)।
বানদুংয়ের অন্যান্য সুপরিচিত জাদুঘরগুলির মধ্যে উত্তর বানদুংয়ে রয়েছে ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর (২,৫০,০০০টি শিলা, একটি খনিজ সংগ্রহ এবং ৬০,০০০টি জীবাশ্ম সহ) এবং পোস্টাল জাদুঘর (ইন্দোনেশিয়া এবং ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজের ডাক ব্যবস্থার ইতিহাস)। তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত জাদুঘরগুলির মধ্যে রয়েছে উত্তর-পশ্চিম বানদুংয়ের মিউজিয়াম বার্লি (চিত্রকলা এবং পুরোনো খেলনা), সেন্ট্রাল বানদুংয়ের জাদুঘর মান্ডালা ওয়াংসিত সিলিওয়াঙ্গি (অস্ত্রশস্ত্র এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে বানদুংয়ের ইতিহাস), এবং দক্ষিণ বানদুংয়ের শ্রী বাদুগা জাদুঘর (পশ্চিম জাভা প্রদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক এবং ভূতাত্ত্বিক প্রদর্শনী)।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান
'আলুন-আলুনের' পিছনে অবস্থিত বড় মসজিদের মিনারগুলি। (ছবি: Prayudi Setiadharma, Public domain)
ঔপনিবেশিক ভবন এবং জাদুঘরগুলি ছাড়াও, বানদুং শহরের কেন্দ্রস্থলের প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলি হল আলুন-আলুন নামক কেন্দ্রীয় লন চত্বর এবং এর সংলগ্ন বড় মসজিদ। এই প্রাদেশিক মসজিদটি প্রাথমিকভাবে ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল, কিন্তু এটি বহুবার সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে, তাই এর বেশিরভাগ মূল উপাদান আর দেখা যায় না। সর্বশেষ বড় সংস্কারটি ২০০৩ সালে হয়েছিল, যখন এর দুটি প্রতীকী মিনারও (প্রতিটি ৮১ মিটার উঁচু) যোগ করা হয়। সপ্তাহান্তে, মিনারগুলির মধ্যে একটি দর্শকদের জন্য খোলা থাকে এবং এর চূড়া থেকে আপনি পুরো শহরের একটি চমৎকার দৃশ্য দেখতে পাবেন। এর কাছেই কিলোমিটার জিরো স্মৃতিস্তম্ভটি অবস্থিত, যা বানদুংয়ের প্রতিষ্ঠার স্থান নির্দেশ করে (এটি সেই জায়গায় অবস্থিত যেখানে গ্রেট পোস্ট রোড সিকাপুন্ডুং নদীকে অতিক্রম করেছে)।
শহরের উত্তরে ডাগো এলাকায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান হল জুয়ান্ডা বন উদ্যান, যা পাহাড়ের মধ্যে একটি সংরক্ষণ এলাকা এবং বোটানিক্যাল গার্ডেন। এই পার্কের মধ্যে দুটি মনুষ্যসৃষ্ট গুহাও রয়েছে, যেগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আশ্রয় এবং অস্ত্রশস্ত্র সংরক্ষণের মতো কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল।
করণীয়
স্বতন্ত্র তালিকাগুলি বানদুং-এর জেলা নিবন্ধে পাওয়া যেতে পারে।
শহরের ভিতরে বা শহরের বাইরে আপনি অনেক ধরনের কার্যকলাপ করতে পারেন। যেহেতু বানদুং উচ্চভূমিটি একটি পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত, তাই শহরের বাইরের কার্যকলাপগুলি মূলত পাহাড়ি রিসর্ট, দুঃসাহসিক কার্যকলাপ এবং বাইরের খেলাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। শহরের মধ্যে, আপনি এখানকার বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদ নিতে পারেন (আহার বিভাগটি দেখুন), সস্তার দোকান এবং ডিস্ট্রো থেকে কেনাকাটা করতে পারেন (কেনাকাটা বিভাগটি দেখুন) অথবা শুধু ঘুরে বেড়াতে পারেন।
প্রতি রবিবার সকাল ৬:০০ টা থেকে ১০:০০ টা পর্যন্ত জালান ডাগো বরাবর চিকাপায়াং থেকে উত্তরে সিম্পাং-সিলিওয়াঙ্গি পর্যন্ত গাড়িমুক্ত দিবস পালন করা হয়। যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি আসার চেষ্টা করুন, কারণ এটি একটি সংকীর্ণ রাস্তা হওয়ায় এখানে বেশ ভিড় হয়ে যায়।
প্রতি রবিবার আপনি গাসিবুতে একটি সানডে মার্কেট বা রবিবারের বাজার দেখতে পাবেন, যা গেদুং সাতে-র উত্তরে অবস্থিত। এখানে আপনি সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন ধরনের খাবার এবং হস্তশিল্পের জিনিস খুঁজে পাবেন।
- র্যাম ফাইটিং। বানদুংয়ের আশেপাশের গ্রামগুলিতে এক রবিবার অন্তর ভেড়ার লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। এটি স্থানীয়দের জন্য একটি বড় অনুষ্ঠান, যেখানে শত শত লোক পুরস্কারজয়ী পুরুষ ভেড়াগুলির মধ্যে ৫ মিনিটের লড়াই দেখতে আসে। এই টুর্নামেন্টগুলি গ্রামের বাইরের দিকে বিশেষভাবে নির্মিত রিং-এ অনুষ্ঠিত হয়। সবচেয়ে ভালো উপায় হল বানদুংয়ে একজন মোটরবাইক/গাইড ভাড়া করা, যিনি জানেন পরবর্তী টুর্নামেন্ট কখন এবং কোথায় হবে। ভেড়ার লড়াই কোনো রক্তাক্ত খেলা নয়, তবে পশুপ্রেমীরা এই লড়াইয়ের দৃশ্য দেখে বিরক্ত হতে পারেন। এই লড়াইগুলি বক্সিং ম্যাচের মতোই সংগঠিত এবং রেফারি দ্বারা পরিচালিত হয়।
বহিরঙ্গন কার্যকলাপ
- পুনক্রুট-লেমবাং হাঁটার পথ। এটি উত্তর বানদুংয়ের পুনক্রুট, জেএল. কিপুতিহ থেকে শুরু হয়। যারা নতুন বা যারা শক্তি সঞ্চয় করতে চান, তাদের জন্য প্রথমে লেডেং গিয়ে সেখান থেকে আংকোটে করে লেম্বাং যাওয়া ভালো। সেখানে মানুষকে জিজ্ঞাসা করে পুনক্রুটের দিকে নামতে হবে।
- তাংকুবান পেরাহু আগ্নেয়গিরিটি বানদুংয়ের প্রায় ২০ কিমি উত্তরে, লেমবাংয়ের কাছে অবস্থিত।
- কাওয়াহ পুতিহ (সাদা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ) হ্রদটি বানদুংয়ের প্রায় ৪০ কিমি দক্ষিণে, চিউইডের কাছে অবস্থিত।
- রাঞ্চা উপাস একটি সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে একটি ক্যাম্পিং মাঠ, যেখানে ক্যাম্পাররা খুব কাছ থেকে হরিণদের সাথে মিশতে এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
কেনাকাটা

জালান চিহাম্পেলাস বরাবর জিন্সের দোকানগুলি বিশাল মূর্তি দৃষ্টি মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে। (ছবি: Midori, CC BY 3.0)
পোশাক এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের জন্য কেনাকাটা করা অন্যতম প্রধান কারণ যার জন্য প্রতি সপ্তাহান্তে বৃহত্তর জাকার্তা থেকে বহু মানুষ বানদুংয়ে আসেন। অনেক জিনিসের দাম জাকার্তার চেয়ে কম। শহর জুড়ে শপিং মল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এগুলির মধ্যে বেশিরভাগ মলেই ইন্দোনেশীয় এবং আন্তর্জাতিক দোকান, ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁর সংমিশ্রণ দেখা যায় এবং বেশিরভাগ মলেই একটি পারিবারিক কারাওকে ভেন্যু (কেটিভি) এবং একটি সিনেমা হলও রয়েছে। বানদুংয়ের সবচেয়ে বড় এবং আধুনিক শপিং মলগুলি হল ট্রান্স স্টুডিও মল এবং প্যারিস ভ্যান জাভা। এগুলি যথাক্রমে (দক্ষিণ বানদুং) এবং (উত্তর-পশ্চিম বানদুং)ে অবস্থিত। কয়েকটি মল তাদের সস্তা পোশাকের জন্য পরিচিত, যার মধ্যে রয়েছে উত্তর-পশ্চিম বানদুংয়ের বিটিসি ফ্যাশন মল এবং শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পাসার বারু ট্রেড সেন্টার (যা মালয়েশীয় পর্যটকদের কাছে একটি প্রিয় জায়গা)।
ডেনিমের (জিন্স) দোকানগুলি উত্তর-পশ্চিম বানদুংয়ের জালান চিহাম্পেলাস বরাবর দেখা যায়। এগুলি ১৯৯০-এর দশকে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মানুষকে আকর্ষণ করার জন্য এদের সম্মুখভাগে অনন্য স্থাপত্য তৈরি করা হয়। কিছু দোকানে কারকখানার পোশাকও বিক্রি হয়, কিন্তু জেএল সেতিয়াবুধি, জেএল ডাগো এবং জেএল রিয়াউয়ের কারকখানার তুলনায় এদের মান কিছুটা নিম্নমানের। জেএল চিহাম্পেলাসের উত্তর অংশের উপর ৪৫০ মি (১,৪৮০ ফু) স্কাইওয়াক থেকে আশেপাশের এলাকার ভালো দৃশ্য দেখা যায়। এতে একটি লিফট এবং ছোট ছোট বুথ রয়েছে যেখানে খাবার ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র বিক্রি হয়।
শহরের অন্য দিকে, চিবাডুয়ুত (দক্ষিণ বানদুং)-এ, চামড়ার জুতো এবং অন্যান্য চামড়াজাত পণ্য তৈরি করা হয় এবং অসংখ্য দোকানে বিক্রি হয়। যারা লম্বা বুট পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি একটি স্বর্গ। এখানে তুলনামূলকভাবে সস্তা দামে অর্ডার দিয়ে বুট তৈরি করা যায়। এগুলি তৈরি হতে তিন থেকে সাত দিন সময় লাগে।
স্থানীয় হস্তশিল্প এবং স্মারক
আংকলুং একটি সুন্দানিজ বাদ্যযন্ত্র। এগুলি শপিং মলের হস্তশিল্পের দোকানে, স্মারকের দোকানে এবং পূর্ব বানদুং বিশেষায়িত সাউং আংকলুং উজো কেন্দ্রে বিক্রি হয়। ওয়ায়াং গোলেক হল সুন্দানিজ পুতুল। জাভানিজ ওয়ায়াং পুতুলের মতো নয়, সুন্দানিজ ওয়ায়াং গোলেক কাঠ দিয়ে তৈরি হয়। শহর জুড়ে এগুলি বিক্রির বিভিন্ন দোকান রয়েছে, যার মধ্যে প্রধান হল মধ্য বানদুং এর চুপুমানিক কেন্দ্র।
ফ্যাক্টরি আউটলেট দোকান
ইন্দোনেশিয়ায় বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলির অনেক ফ্যাশন সামগ্রী তৈরি হয়। এমনকি সামান্য ত্রুটি, যেমন একটি বোতাম অনুপস্থিত বা ভুলভাবে লাগানো হলেও সেই পণ্যটি বাতিল হয়ে যায়। আবার অনেক সময় উৎপাদনের অতিরিক্ত অংশও বাতিল করতে হয়। এই অপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো সিসা এক্সপোর্ট (রপ্তানি-অবশিষ্ট) ট্যাগ দিয়ে বিক্রি করা হয়, কারণ সেগুলো মূলত রপ্তানির জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এর মধ্যে কিছু গ্রেড এ (শ্রেষ্ঠ মানের, অতিরিক্ত উৎপাদিত পণ্য) বা গ্রেড বি (রপ্তানির যোগ্য, সামান্য ত্রুটিযুক্ত) মানের হয়। ট্যাগে মেড ইন কোরিয়া বা মেড ইন সিঙ্গাপুর লেখা দেখে অবাক হবেন না! আপনি নিউ ইয়র্ক শহরে যে ব্যাগটি ৬৫ ডলারে বিক্রি হতে দেখবেন, সেটি এখানে মাত্র ৪৫,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (৫ ডলার)-য় বিক্রি হবে, গন্তব্য বা মূল আধুনিক বাজারের তালিকাভুক্ত মূল্যের এক ক্ষুদ্র অংশে! দর কষাকষি করে কেনাকাটা উপভোগ করুন তবে নিজে সাবধানে পরিদর্শন করে নিন। নিম্নমানের বা ক্ষতিগ্রস্থ জিনিস এবং নকল ব্র্যান্ডেড পণ্যগুলি পরীক্ষা করে দেখুন। দোকানগুলিতে প্রায়শই আধুনিক সমসাময়িক শৈলী এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের বিস্তৃত সম্ভার থাকে।
বেশিরভাগ ফ্যাক্টরি আউটলেট স্টোর উত্তর বানদুং (বিশেষ করে জেএল রিয়াউ এবং জেএল ডাগো) এবং উত্তর-পশ্চিম বানদুং (জেএল চিহাম্পেলাস এবং জেএল সেতিয়াবুধি)-এ কেন্দ্রীভূত। বানদুংয়ের সবচেয়ে পরিচিত ফ্যাক্টরি আউটলেট স্টোর, রুমাহ মোড, উত্তর-পশ্চিমের জেএল সেতিয়াবুধিতে পাওয়া যায়।
স্বাধীন ডিজাইনার
ডিস্ট্রোর ('ডিস্ট্রিবিউশন আউটলেট') বিস্তার শুরু হয়েছিল ১৯৯০-এর দশকে। মূলত, ইন্ডি ব্যান্ড এবং রেকর্ড লেবেলগুলি তাদের নিজস্ব দোকানে তাদের মার্চেন্ডাইজ (সিডি এবং পোশাক, স্টিকার ইত্যাদি) বিক্রি করা শুরু করে। বানদুংয়ে ৩০০ টিরও বেশি ডিস্ট্রো রয়েছে যা স্থানীয় ডিজাইনারদের তৈরি স্টাইলিশ পণ্য বিক্রি করে এবং এই ধারা মূল ইন্ডি সঙ্গীত জগতের বাইরেও বহুদূর বিস্তৃত হয়েছে। ফ্যাক্টরি আউটলেট দোকানগুলির থেকে ডিস্ট্রোকে যা আলাদা করে তা হল, ডিস্ট্রো স্বতন্ত্র ডিজাইনার এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের পণ্য বিক্রি করে, যেখানে ফ্যাক্টরি আউটলেটের পণ্যগুলি একটি পোশাক কারখানা থেকে আসে। অনেক ডিজাইনার যারা ডিস্ট্রো দিয়ে শুরু করেছিলেন তারা পরে সারা দেশে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড চালু করেছেন, ফলে দামের স্তরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিস্ট্রো শহর জুড়ে পাওয়া যায়, তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাতগুলি উত্তর বানদুং এর জালান ত্রুনোজোয়ো এবং এর আশেপাশে কেন্দ্রীভূত।
মদের দোকান
- ডাগো ৩৪, জেএল ডাগো নং ৩৪। ডাগোর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।
- ওয়ারুং ইন্টারন্যাসিওনাল, জেএল ডাগো, ডাগো ৩৪-এর কাছে।
- টরাস, আলুন-আলুনের কাছে অবস্থিত, এটি খুঁজে পাওয়া সহজ।
আহার
স্বতন্ত্র তালিকাগুলি বানদুং-এর জেলা নিবন্ধে পাওয়া যেতে পারে।
| এই পৃষ্ঠার জন্য নিম্নলিখিত মূল্য পরিসীমা ব্যবহার করে, কোমল পানীয় সহ একজনের জন্য একটি সাধারণ খাবার: | |
|---|---|
| বাজেট | ৫০,০০০ রুপিয়া পর্যন্ত |
| মধ্যম | ৫০,০০০-১,৫০,০০০ রুপিয়া |
| ব্যয়বহুল | ১,৫০,০০০ রুপিয়ার বেশি |

মধ্য বানদুংয়ের একটি রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবারে ''লালাপান''। (ছবি: Shinta amalia, CC BY-SA 4.0)
যারা নতুন স্বাদের অভিজ্ঞতা পেতে ভালোবাসেন, সেই খাদ্যরসিকদের জন্য বানদুং একটি স্বর্গরাজ্য। এখানে খাওয়ার জন্য প্রচুর বৈচিত্র্যময় জায়গা রয়েছে, যার মধ্যে হাজার হাজার ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালা এবং ওয়ারুং (খাবারের দোকান) থেকে শুরু করে নামীদামী রেস্তোরাঁ পর্যন্ত সবই আছে। দামের মধ্যেও অনেক তফাৎ দেখা যায়, তবে তা সাধারণত জাকার্তা-র চেয়ে কম। একটি ওয়ারুং বা সাধারণ রেস্তোরাঁয় ভালো করে খেতে গেলে সম্ভবত ৩০,০০০ রুপিয়ার কম খরচ হবে, কিন্তু বড় রেস্তোরাঁ এবং বিলাসবহুল হোটেলগুলিতে আপনি সহজেই এর ১০ গুণ বেশি খরচ করতে পারেন।
সারা শহর জুড়েই সস্তায় খাওয়ার জায়গা, বিশেষ করে রাস্তার ধারে খাবার প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বেশিরভাগ দামী রেস্তোরাঁগুলি শহরের কেন্দ্রস্থলে এবং শহরের উত্তর দিকে, প্রধানত ডাগো এলাকায় দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও, শপিং মলগুলিতে সস্তা ফাস্টফুড থেকে শুরু করে দামী আন্তর্জাতিক মানের খাবার পর্যন্ত বিশাল সম্ভার রয়েছে। এক্ষেত্রে উত্তর-পশ্চিম বানদুং এর প্যারিস ভ্যান জাভা মল এবং দক্ষিণ বানদুং এর ট্রান্স স্টুডিও মল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
যদিও এখানে নিরামিষ রেস্তোরাঁ খুব বেশি দেখা যায় না, তবে অনেক ইন্দোনেশীয় (এবং সুন্দানিজ) খাবারই নিরামিষ হয়। তাই, লোতেক (মশলাদার সবজির সালাদ) এবং তাহু (টোফু) ও টেম্পে দিয়ে তৈরি পদের মতো নিরামিষ খাবার খুঁজে পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ। তবে, মনে রাখবেন যে অনেক খাবারের সাথেই সাম্বাল (লঙ্কার সস) পরিবেশন করা হয়, যাতে তেরাসি (চিংড়ির পেস্ট) থাকতে পারে, অথবা ক্রুপুক উডাং (চিংড়ির ক্র্যাকার) দেওয়া হতে পারে।
আপনার ভোজনবিলাস শুধু রেস্তোরাঁ আর ক্যাফেতেই শেষ হয় না। এই শহরে প্রচুর বেকারি রয়েছে যেখানে ওলন্দাজ ঔপনিবেশিক আমলের ঐতিহ্যবাহী মনভোলানো পেস্ট্রি আপনাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য হাতছানি দেবে। এদের মধ্যে কয়েকটি এতটাই জনপ্রিয় যে, দোকান খোলার আগেই আপনাকে লাইনে দাঁড়াতে হতে পারে!
রাস্তার খাবার

মধ্য বানদুংয়ের একটি খাবারের দোকানে সিওমাই পরিবেশন করা হয়েছে। (ছবি: Gunawan Kartapranata, CC BY-SA 4.0)
বানদুংয়ের সর্বত্রই রাস্তার ধারে খাবার পাওয়া যায়। ঝুড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ফেরিওয়ালারা পাড়ায় পাড়ায় আগে থেকে তৈরি করা খাবার বিক্রি করে। কাকি লিমা (ভ্রাম্যমাণ রান্নাঘর) খাবারের দোকানগুলিও ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতে পারে, অথবা প্রতিদিন রাস্তার একই কোণায় দাঁড়াতে পারে। একই কথা ওয়ারুং এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যেগুলি একটু কম ভ্রাম্যমাণ এবং প্রায়শই সেগুলিতে একটি ছাউনি এবং কয়েকটি টেবিল ও প্লাস্টিকের টুল থাকে। কিছু ওয়ারুং, যেগুলি প্রতিদিন একই জায়গায় তৈরি হয়, সেগুলি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে প্রতিদিন শত শত মানুষ খাবার খেতে আসেন (উদাহরণস্বরূপ, উত্তর বানদুং এর বেবেক আলি বোরোমিউস খাবারের দোকান)। সাধারণত, কোনো দোকানের খদ্দেরের সংখ্যাই সেই জায়গার পরিচ্ছন্নতার একটি ভালো সূচক; ব্যস্ত ওয়ারুং গুলি সম্ভবত নিরাপদ।
জনপ্রিয় রাস্তার খাবারগুলির মধ্যে রয়েছে সাতে (কাঠি কাবাব), নাসি গোরেং এবং মি গোরেং (ভাজা ভাত এবং ভাজা নুডলস), এবং আয়াম গোরেং (মুরগি মাংস ভাজা, যা লঙ্কার সস এবং ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়)। বিশেষ করে সকালের খাবারের জন্য জনপ্রিয় বিকল্পগুলি হল বুবুর আয়াম (মুরগি পরিজ), কুপাত তাহু (চালের মণ্ড, টোফু এবং বিন স্প্রাউটসের সাথে বাদামের সস) এবং লোতেক (বাদামের সস দিয়ে সবজির সালাদ)।
দিপোনেগোরো মোড় থেকে জালান চিতারুম পর্যন্ত জালান চিসাংকুই বরাবর অনেক অস্থায়ী খাবারের দোকান পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গেদুং সাতে-র পিছনেও রাস্তার খাবারের দোকান বসে।
স্থানীয় খাবার
এখানকার স্থানীয় খাবার হল সুন্দানিজ খাবার, যা বৃহত্তর পারাহায়াঙ্গান অঞ্চলের নির্দেশিকায় বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে। এখানকার একটি স্থানীয় উপাদেয় পদের উদাহরণ হল বাকসো তাহু (সিওমাই নামেও পরিচিত), এটি হল ভাপানো মাংস, সাথে কখনও কখনও টোফুও থাকে। এটি বাদামের পেস্ট, মিষ্টি সয়া সস এবং একটি লেবু দিয়ে পরিবেশন করা হয়। এটি যেকোনো সময় স্ন্যাক্স হিসেবে খাওয়ার জন্য উপযুক্ত। প্রায় সব রাস্তাতেই আপনি কাউকে না কাউকে চাকা লাগানো ঠেলাগাড়িতে (গেরোবাক) এই খাবার বিক্রি করতে দেখবেন। বাটাগোর অনেকটা বাকসো তাহু/সিওমাই এর মতোই, কিন্তু এটি ভাপানোর বদলে ভাজা হয়। বাসরেং হল ভাজা মাংসের বল দিয়ে তৈরি একটি মশলাদার জলখাবার, যার সাথে ঝাল এবং নোনতা মশলা যোগ করা হয়। সোতো বানদুং হল গরুর মাংস, সয়াবিন এবং কিছু সবজি দিয়ে তৈরি একটি স্যুপ। লোতেক হল বিভিন্ন সেদ্ধ সবজির একটি মিশ্রণ, যা বাদামের সস এবং কিছুটা লঙ্কা দিয়ে পরিবেশন করা হয়, অনেকটা গাডো গাডোর মতো। এটি যত ঝাল হয়, তত ভালো। লাকসা বানদুং একটি বিখ্যাত পুরোনো ঐতিহ্যবাহী পদ। এটি হল মুরগীর মাংসের ঝোল, এটি নারকেলের দুধ এবং হলুদ দিয়ে তৈরি হয়। এর ভিতরে থাকে টুকরো করা পিঠে (কলাপাতার মধ্যে রান্না করা), বিন মুগ ডাল, সিমাই, মুরগির কিমা এবং সব শেষে তুলসী পাতা ও ওনকম বানদুং (ঐতিহ্যবাহী সয়াবিনের কেক)।
সারা শহর জুড়ে ইন্দোনেশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলের খাবারও পাওয়া যায়। এর মধ্যে পশ্চিম সুমাত্রা-র পাদাং রেস্তোরাঁ বিশেষভাবে চোখে পড়ে, তেমনই জাকার্তা এবং মধ্য জাভা-র স্থানীয় খাবারও পাওয়া যায়। চীনা ইন্দোনেশীয় সংখ্যালঘুরা প্রচুর সংখ্যক চীনা রেস্তোরাঁ চালায় এবং জাপানি খাবারও (প্রধানত সুশি এবং রামেন) বেশ প্রচলিত। পশ্চিমা শৈলীর রেস্তোরাঁ (যেমন স্টেক হাউস এবং প্যানকেকের দোকান) সাধারণ হলেও, তাদের মান ভিন্ন ভিন্ন হয়। ভালো মানের পশ্চিমা রেস্তোরাঁগুলি প্রধান শপিং মলগুলিতে এবং ডাগো এলাকায় পাওয়া যায়।
পানীয়
স্বতন্ত্র তালিকাগুলি বানদুং-এর জেলা নিবন্ধে পাওয়া যেতে পারে।
নৈশ জীবন

শহরের কেন্দ্রস্থলে জালান ব্রাগা বরাবর কয়েকটি বার রয়েছে। (ছবি: Paris Zainal, CC BY-SA 3.0)
বেশিরভাগ রেস্তোরাঁ এবং ক্যাফেতে সাধারণত অ্যালকোহল বা মদ পরিবেশন করা হয় না। তবে, এমন অনেক উচ্চমানের বার এবং রেস্তোরাঁ আছে যেখানে মদ পাওয়া যায়, তেমনই বিভিন্ন নাইটক্লাবও রয়েছে। অনেক বারে আমদানিকৃত বিয়ার এবং অন্যান্য কড়া মদও পাওয়া যায়, কিন্তু সেগুলির দাম অনেক বেশি। বিদেশী এবং পর্যটকদের মধ্যে নৈশ জীবনের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় এলাকা হল উত্তর বানদুং এর ডাগো এলাকা। তবে শহরের কেন্দ্রস্থলেও বিভিন্ন বার এবং লাউঞ্জ ক্লাব রয়েছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় নৈশ জীবন স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে মধ্য বানদুংয়ের অ্যামনেসিয়া ও সাউথব্যাঙ্ক ক্লাব, উত্তর বানদুংয়ের গোল্ডেন মাঙ্কি এবং উত্তর-পশ্চিম বানদুং এর সোবার'স বার। কারাওকে (কেটিভি) অনুষ্ঠান এখানে সর্বত্রই চোখে পড়ে। তবে মনে রাখবেন, কিছু কারাওকে বার আসলে পতিতালয়। এগুলি প্রধানত কেন্দ্রীয় আলুন-আলুন স্কোয়ারের কাছাকাছি কয়েকটি রাস্তা ও গলিতে এবং লেমবাং এর দিকে জালান সেতিয়াবুধি বরাবর অবস্থিত। সাধারণ ]]- অনুষ্ঠান গুলিকে 'পারিবারিক কারাওকে' ব্র্যান্ডিং দেখে চেনা যায়। সবচেয়ে পরিচিত চেইনগুলির মধ্যে রয়েছে এনএভি, ইনুল ভিজতা, এবং হ্যাপি পাপি।
ক্যাফে এবং কফি হাউস
জাকার্তা এবং সুরাবায়া-র মতো অন্যান্য বড় শহরের মতোই, এখানেও কফি হাউসগুলি আড্ডা দেওয়ার জন্য একটি জনপ্রিয় জায়গা। কাজের পরে বা সপ্তাহান্তে এগুলিতে সবসময় ভিড় থাকে। বানদুংয়ের বেশিরভাগ কফি শপ আরও বেশি গ্রাহক আকর্ষণ করার জন্য তাদের নিজেদের সাজসজ্জা বা অন্দরসজ্জাও উন্নত করছে।
রাত্রিযাপন
স্বতন্ত্র তালিকাগুলি বানদুং-এর জেলা নিবন্ধে পাওয়া যেতে পারে।
| এই নির্দেশিকাটি একটি আদর্শ ডাবল রুমের জন্য নিম্নলিখিত মূল্য সীমাগুলি ব্যবহার করে: | |
|---|---|
| বাজেট | ৪,০০,০০০ রুপিয়ার কম |
| মধ্য-পরিসীমা | ৪,০০,০০০-৮,০০,০০০ রুপিয়া |
| ব্যয়বহুল | ৮,০০,০০০ রুপিয়ার বেশি |
বানদুংয়ে রাত্রিযাপন করার জন্য প্রচুর জায়গা রয়েছে। এটি অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। এছাড়াও, ইন্দোনেশীয়, সিঙ্গাপুরী এবং মালয়েশীয়দের জন্যও এটি একটি জনপ্রিয় শহর ভ্রমণের জায়গা। সবচেয়ে বড় কথা, বৃহত্তর জাকার্তা-র মানুষ সপ্তাহান্তে ছুটি কাটাতে মূলত এখানেই আসেন। এই কারণে, সপ্তাহান্তে, বিশেষ করে লম্বা ছুটির দিনগুলিতে, হোটেলগুলি প্রায় ভর্তি থাকে এবং ভাড়াও অনেক বেড়ে যায়। মোটামুটিভাবে বলতে গেলে, বেশিরভাগ থাকার জায়গাই শহরের মধ্য এবং উত্তর অংশে অবস্থিত। সমস্ত প্রধান দেশীয় (ফেভহোটেল, সান্তিকা, অ্যাস্টন) এবং অনেক আন্তর্জাতিক (আইবিস, নোভোটেল, হলিডে ইন, হিলটন, শেরাটন) হোটেল চেইনের এক বা একাধিক হোটেল এই শহরে রয়েছে।
মধ্য বানদুং-এ শহরের পুরোনো বিখ্যাত হোটেলগুলি রয়েছে, যেমন স্যাভয় হোমান এবং গ্র্যান্ড প্রেঙ্গার। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন দাম ও মানের প্রচুর ব্যবসায়িক হোটেলও পাওয়া যায়। উত্তর-পশ্চিম বানদুং এর পাস্তুর টোল গেটের আশেপাশেও প্রচুর ব্যবসায়িক হোটেল রয়েছে। উত্তরের পাহাড়ি ঢাল সহ ডাগো এলাকায় পর্যটকদের জন্য অনেক হোটেল রয়েছে, যার মধ্যে শেরাটনের মতো কিছু বিলাসবহুল হোটেলও আছে। উত্তর-পশ্চিম বানদুংয়ের চিউমবেলেউইত এবং সেতিয়াবুধি এলাকাতেও হোটেলের সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশাল এবং বিলাসবহুল পদ্মা হোটেল, যেখান থেকে পাহাড়ের চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়। আরও উত্তরে, পাহাড়ি শহর লেমবাং-এও থাকার অনেক বিকল্প রয়েছে, যার মধ্যে ব্যাক্তিমালিকানাদধীন ভিলাও আছে।
পূর্ব বানদুং এবং দক্ষিণ বানদুং এর বিস্তৃত আবাসিক এলাকাগুলিতে থাকার জায়গা কম, যদিও সেখানে কিছু সস্তার হোটেল রয়েছে। তবে এর একটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম হল দক্ষিণ বানদুংয়ের ট্রান্স স্টুডিও চত্বর। এখানে বিশাল অভ্যন্তরীণ থিম পার্ক এবং দামী শপিং মল ছাড়াও এশিয়ার বৃহত্তম আইবিস হোটেল রয়েছে। এছাড়াও একটি অত্যন্ত বিলাসবহুল হোটেল আছে, যা নিজেদেরকে 'দেশের প্রথম ৬-তারা হোটেল' বলে দাবি করে।
নিরাপদ থাকুন
পুলিশের জন্য জরুরি ফোন নম্বর হল ১১০। আর অগ্নি নির্বাপণ দপ্তরের নম্বর হল (০২২)১১৩। শহরে অনেকগুলো থানা আছে। সবচেয়ে বড় দুটি হলো পূর্ব বানদুং এর প্রাদেশিক পুলিশ সদর দফতর (পোল্ডা) এবং মধ্য বানদুং এর শহর পুলিশ সদর দফতর (পোলরেস্তাবেস)। এছাড়াও, সারা শহর জুড়ে ২৮টি স্থানীয় থানা (পোলসেক) ছড়িয়ে আছে।\
সুস্থ থাকুন
বানদুংয়ের ট্যাপের জল পান করার যোগ্য নয়। তবে, স্নান করা বা দাঁত মাজার জন্য এই জল সাধারণত নিরাপদ। বোতলের জল (সবচেয়ে প্রচলিত ব্র্যান্ডের নামে সাধারণত অ্যাকুয়া' নামে পরিচিত) বেশ সস্তা। বোতল কেনার সময় দেখে নেবেন এর সিলটি অক্ষত আছে কিনা।
বানদুংয়ে প্রচুর হাসপাতাল এবং ডাক্তারখানা রয়েছে। যদিও এখানকার স্বাস্থ্যপরিসেবার মান বেশিরভাগ পর্যটকদের নিজেদের দেশের তুলনায় কিছুটা খারাপ হতে পারে, তবে বানদুংয়ের কয়েকটি প্রধান হাসপাতালের মান দেশের মধ্যে অন্যতম সেরা। ২৪-ঘণ্টার জরুরি বিভাগ সহ হাসপাতাল শহর জুড়ে পাওয়া যায় (প্রধান হাসপাতালগুলির তালিকার জন্য জেলার নিবন্দধগুলি দেখুন)। যাইহোক, সতর্কতা হিসাবে জরুরি চিকিৎসা স্থানান্তরের জন্য বীমা করিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। যদি চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের প্রয়োজন হয়, তবে রোগীদের সাধারণত সিঙ্গাপুর-এ নিয়ে যাওয়া হয়।
অ্যাম্বুলেন্সের জন্য জরুরি ফোন নম্বর হল (০২২)১১৮। তবে, এই ফোন নম্বর এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা, দুটোরই মানের কোনো নিশ্চয়তা নেই। অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করার চেয়ে, সাধারণত একটি ট্যাক্সি ডেকে দ্রুত নিকটতম হাসপাতালে পৌঁছানো ভালো।
যোগাযোগ
বানদুংয়ের টেলিফোন কোড হল ০২২।
মানিয়ে নিন
দূতাবাস
Austria
(ছবি: Bundesministerium für Landesverteidigung, Public domain)
অস্ট্রিয়ার অনারারি কনস্যুলেট, জেএল. পাদাসালুয়ু উতারা II, নং ৩, ☏ +৬২ ২২ ২০১ ১৬৩২, ফ্যাক্স: +৬২ ২২ ২০১ ৪৪০৭।
- Netherlands
(ছবি: Zscout370, Public domain)
রয়্যাল নেদারল্যান্ডস অনারারি কনস্যুলেট, জেএল. দায়াং সুম্বি নং ৩, ☏ +৬২ ২২ ২৫০ ৬১৯৫, ফ্যাক্স: +৬২ ২২ ২৫০৬১৯৭।
- France
(ছবি: Original: Unknown Vector: SKopp, Public domain)
ফ্রান্স কনস্যুলার এজেন্সি, জেএল. পুরনাওয়ারমান নং ৩২, ☏ +৬২ ২২ ৪২১২৪১৭, ফ্যাক্স: +৬২ ২২ ৪২০৭৮৭৭।
- Hungary
(ছবি: SKopp, Public domain)
হাঙ্গেরি অনারারি কনস্যুলেট, জেএল. পাদাসালুয়ু উতারা II নং ৩, ☏ +৬২ ২২ ২০১০৩৫৪, ফ্যাক্স: +৬২ ২২ ২০১৪৪০৭।
- Poland
(ছবি: See below., Public domain)
পোল্যান্ড অনারারি কনস্যুলেট, জেএল. বুকিত পাকার উতারা নং ৭৫, ☏ +৬২ ২২ ২৫০৩৭৬৫।
পরবর্তী ভ্রমণ
কাছাকাছি

চিউইডে-র কাছে কাওয়াহ পুতিহ আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের হ্রদ। (ছবি: Crisco 1492, CC BY-SA 4.0)
বানদুংয়ের আশেপাশে বিভিন্ন শহর, ছোট শহর এবং পাহাড়ি এলাকা রয়েছে, যেগুলি একদিনের ভ্রমণের জন্য খুবই উপযুক্ত।
- চিমাহি — বানদুংয়ের বৃহত্তম উপশহর, যা এখানকার অনেক সামরিক প্রতিষ্ঠানের জন্য 'সৈনিকদের শহর' নামে পরিচিত। এখানে একটি বড় ওলন্দাজ যুদ্ধ সমাধিক্ষেত্রও রয়েছে।
- লেমবাং — বানদুংয়ের ঠিক উত্তরে অবস্থিত একটি পাহাড়ি শহর, যা তাংকুবান পেরাহু আগ্নেয়গিরির পাদদেশে অবস্থিত। এখানে ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র মানমন্দিরটিও রয়েছে।
- চিয়াতের — তাংকুবান পেরাহু আগ্নেয়গিরির অন্য দিকে অবস্থিত একটি ছোট শহর, যা তার আগ্নেয়গিরির উষ্ণ প্রস্রবণের রিসর্টগুলির জন্য পরিচিত।
- চিউইডে — বানদুংয়ের দক্ষিণে অবস্থিত চা এবং স্ট্রবেরি বাগানের এলাকা। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হল কাওয়াহ পুতিহ আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের হ্রদ। সোরোজা (সোরেয়াং পাসিরকোজা) টোল সড়ক দিয়ে কাওয়াহ পুতিহ পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে।
- গারুত — বানদুং থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় দেড় ঘণ্টার পথ। এটি একটি রিসর্ট শহর যা বেশ কয়েকটি আগ্নেয়গিরি দ্বারা পরিবেষ্টিত।
পরবর্তী গন্তব্য
- বোগোর রায়া — বানদুংয়ের পশ্চিমে অবস্থিত একটি পাহাড়ি এলাকা। এখানে অন্যান্য আকর্ষণের মধ্যে মাউন্ট গেদে পাঙ্গরাঙ্গো জাতীয় উদ্যান এবং বোগোর শহর রয়েছে।
- পূর্ব পারাহায়াঙ্গান — প্রদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ, বানদুং থেকে প্রায় ৪-৬ ঘণ্টার পথ। এর মধ্যে ভারত মহাসাগরের উপকূলে পাঙ্গানদারান সৈকতও রয়েছে।
- পশ্চিম জাভার উত্তর উপকূল — প্রদেশের উত্তরের সমভূমি। এর মধ্যে জাভা সাগর উপকূলে বন্দর শহর চেরিবন রয়েছে, যা বানদুং থেকে প্রায় ২-৩ ঘণ্টার পথ।
{{#assessment:শহর|নির্দেশিকা}}
এই পাতা কোথা থেকে এসেছে
এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “বানদুং” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।
এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।
Licença: CC BY-SA 4.0 · Adaptado de bn.wikivoyage.org
1
0
0
0

Comentários





