Viu algo para melhorar? Proponha uma alteração.
সিঙ্গাপুরের পূর্ব উপকূল মূলত আবাসিক এলাকা অর্থাৎ চারিদিকে শুধু মানুষের বসতি। এখানে দর্শনীয় স্থান খুব কমই। বেশিরভাগ দর্শনার্থী চাঙ্গি বিমানবন্দর থেকে আসার পথে এই অঞ্চলটি অতিক্রম করে চলে যায়। অন্যদিকে সিঙ্গাপুরবাসীদের জন্য এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এর সাদা বালির সমুদ্রতট। তাছাড়া এখানকার খাবার অনেক সিঙ্গাপুরবাসীকে আকৃষ্ট করে। এর কারণ হলো এই অঞ্চলে সিঙ্গাপুরের অনেক রন্ধনশৈলীর আইকন বসবাস করেন। সিঙ্গাপুরের মালয় সম্প্রদায়ের আসল আবাসস্থল হলো গেলাং সেরাই। পেরানাকান এবং ইউরেশিয়ান সংস্কৃতির চিহ্ন এখনও কাতং-এ গেলে দেখতে পাওয়া যায়। গেলাং -এর সস্তায় থাকার ব্যবস্থাগুলিতে আনন্দ উপভোগের সুযোগ যেমন থাকে তেমনি এরা রাতের খাবারও সরবরাহ করে। পুলাউ উবিন এখানকার গ্রামীণ ছোট্ট একটি দ্বীপ যেখানে প্রচুর প্রাকৃতিক উদ্ভিদ এবং বন্য প্রাণী রয়েছে।
প্রবেশ করুন

সিঙ্গাপুর/পূর্ব উপকূলের মানচিত্র (ছবি: Torty3, CC BY-SA 3.0)
পাসির রিসের সমুদ্র সৈকত (ছবি: Benutzer:Westerheversand, CC BY-SA 1.0)
পূর্ব-পশ্চিম এমআরটি লাইন পূর্ব উপকূলের কেন্দ্র থেকে পাসির রিস এবং চাঙ্গি বিমানবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে এরই সমান্তরাল পথ থমসন-পূর্ব উপকূল লাইন আবার কাতং এবং মেরিন প্যারেডের মধ্য দিয়ে আরও দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে এই পথটি ২০২৬ সালের আগে বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বলে মনে হয় না, কারণ এখনও কাজ চলছে। চাঙ্গি বিমানবন্দর থেকে অর্চার্ড রোড পর্যন্ত বাস ৩৬ করে আসা যায়।
উত্তর-পূর্ব এমআরটি লাইন দ্বীপের উত্তর-পূর্বে সেংকাং এবং পুংগোল পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে এই পথে আকর্ষণীয় স্থান খুব বেশি নেই। অনেক ভ্রমণপিপাসুরা সেংকাং এবং পুংগোল এলআরটি লাইন পছন্দ করেন। এর প্রধান কারণ হলো এটি একটি ছোট হালকা রেল নেটওয়ার্ক।
যদি আপনার হাতে একদিন সময় থাকে, তাহলে আপনি চাঙ্গি চ্যাপেল এবং পুলাউ উবিনে যাওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন। চাঙ্গি ভিলেজে দুপুরের খাবারের জন্য বিরতি নিতে পারেন। এখানে রাতের খাবারে জন্য সামুদ্রিক খাবারের রকমারি পদও থাকে।
দেখুন
গেলাং সেরাই হলো সিঙ্গাপুরের প্রাচীনতম মালয় বসতিগুলির মধ্যে একটি। এটি সিঙ্গাপুরের মালয় সম্প্রদায়ের আসল আবাসস্থল। এখানে বিশেষ করে রমজান মাসে হরি রায়া পুয়াসা অর্থাৎ ঈদুল ফিতর পালন করা হয়। সেই সময় সূর্যাস্তের পর সন্ধ্যাবেলায় লোকেরা পাসার মালাম অর্থাৎ রাতের বাজারে কেনাকাটা ও খাওয়া দাওয়া করতে আসেন। সেইসময় পুরো এই এলাকার চারিদিক উদযাপনের আলোয় আলোকিত হয়।
চাঙ্গি এলাকাটি এমনিতে শান্ত। অনেক পুনর্নির্মাণ হলেও শহরটি তুলনামূলকভাবে অনেক ঐতিহ্য এখনও ধরে রেখেছে। তাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মারক ও এর অনেক স্মৃতি এখনও বজায় রয়েছে। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি জরাজীর্ণ কিন্তু এখনও দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিটিশ সামরিক ভবনও রয়েছে। এখানকার শান্ত চাঙ্গি সমুদ্র সৈকতটি একসময় সুক চিং গণহত্যার স্থান ছিল, যেখানে দখলদার জাপানিরা জাপানি বিরোধী প্রবণতা থাকার সন্দেহে ৫০,০০০ থেকে ১০০,০০০ যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে স্থানীয় চীনা জনগোষ্ঠীকে "শুদ্ধ" করেছিল। বর্তমানে পরিত্যক্ত ওল্ড চাঙ্গি হাসপাতালটি একসময় প্রাক্তন ব্রিটিশ সামরিক হাসপাতাল ছিল। এটি সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভবনগুলির মধ্যে একটি হিসাবে মনে করা হয়। অন্যদিকে সেলারাং ব্যারাক এবং রবার্টস ব্যারাক যেখানে চাঙ্গি ম্যুরাল রয়েছে সেখানে সাধারণ জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
- চাঙ্গি চ্যাপেল এবং জাদুঘর, ১০০০ আপার চাঙ্গি রোড নর্থ (ট্যাম্পাইনস এমআরটি থেকে বাস নম্বর ২৯ অথবা তানাহ মেরাহ থেকে বাস নম্বর ২)। প্রতিদিন সকাল ৯:৩০-বিকাল ৪:৩০। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সিঙ্গাপুরের ইতিহাস এবং সিঙ্গাপুরে জাপানি যুদ্ধবন্দী শিবিরের প্রতি নিবেদিত একটি যুদ্ধ জাদুঘর। সিঙ্গাপুরের যুদ্ধে ইম্পেরিয়াল জাপানি সেনাবাহিনীর কাছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী পরাজিত হওয়ার পর, হাজার হাজার যুদ্ধবন্দী সাড়ে তিন বছর ধরে চাঙ্গি কারাগার শিবিরে বন্দী ছিলেন। সেখানে বন্দী থাকাকালীন, যুদ্ধবন্দীরা অসংখ্য চ্যাপেল তৈরি করেছিলেন, যার মধ্যে একটির নাম ছিল সেন্ট জর্জ চার্চ। বর্তমান স্থানটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে এবং ভিন্ন স্থানে অবস্থিত, তবে এখানে মূল চ্যাপেলের একটি প্রতিরূপ এবং কারাগারের অবস্থা সম্পর্কে একটি তথ্যপূর্ণ প্রদর্শনী রয়েছে। বিনামূল্যে।

কুন সেং রোডে সূদৃশ্য ছাদযুক্ত বাড়ির দৃশ্য (ছবি: Jpatokal ., CC BY-SA 4.0)
জাপানি যুদ্ধ স্মারক, জাপানি সমাধি উদ্যান, সিঙ্গাপুর (ছবি: Aldwinteo (Aldwin Teo) at en.wikipedia., CC BY-SA 3.0)
পূর্ব উপকূলের দ্বিতীয় ঐতিহাসিক আকর্ষণের ক্ষেত্র হলো কাতং এবং জু চিয়াত। এই অঞ্চল এখনও ঐতিহ্যবাহী দোকানঘরের চিহ্ন ধরে রেখেছে। এখানে পেরানাকান কারুশিল্পের ঐতিহ্যবাহী দোকান যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে খাবারের ঐতিহ্যবাহী দোকানের সমাহার। কাতং-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রদায় হলো ইউরেশিয়ান সম্প্রদায়। এই নাম থেকেই বোঝা যায় এরা মিশ্র ইউরোপীয় এবং এশীয় বংশোদ্ভূত। এখানকার জু চিয়াত রোড ভিয়েতনামী সম্প্রদায়ের প্রিয় আড্ডার একটি জায়গা। তাই এখানে বেশ কয়েকটি ভিয়েতনামী রেস্তোরাঁ রয়েছে। এই রেস্তোরাঁগুলিতে ভিড়ও বেশ ভাল হয়। জু চিয়াত রোডের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত মেরিন প্যারেড এমআরটি স্টেশন। তাই এই স্টেশন থেকে এই অঞ্চলে সহজই পৌঁছানো যায়।
- কুন সেং রোড। জু চিয়াত এবং স্টিল রোডের মাঝামাঝি কুন সেং রোড অবস্থিত। এখানে সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে সুন্দর পেরানাকান কারুশিল্প শৈলীর দোকানঘর রয়েছে। রাস্তার একপাশে নানা রঙের বৈচিত্রপূর্ণ ঘরবাড়িও দেখা যায়।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশিরভাগই হলো আবাসিক এলাকা এবং নতুনভাবে গড়ে ওঠা জনপদ। তবে এখনও পুরানো কয়েকটি খামার বাড়ি এখানে রয়েছে।
- কাম্পং লোরং বুয়াংকক। সিঙ্গাপুরের অতীতের স্মৃতি ফিরে পেতে হলে আপনাকে এখানে আসতেই হবে। এটি সিঙ্গাপুরের মূল ভূখণ্ডের একমাত্র টিকে থাকা গ্রাম এবং সিঙ্গাপুরের মাত্র দুটি জায়গার মধ্যে একটি। অন্যটি পুলাউ উবিনের উপকূলীয় দ্বীপে অবস্থিত। ভ্রমণপিপাসুরা এই গ্রামটি ঘুরে দেখতে পারেন, তবে এখানে কোনও দোকান বা রেস্তোরাঁ নেই। এখানকার বাসিন্দাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। তাদের অনুমতি ও সম্মতি ছাড়া তাদের বাড়িতে উঁকি দেবেন না।
- জাপানি কবরস্থান। এটি সিঙ্গাপুরের হুগাং-এ অবস্থিত একটি কবরস্থান এবং স্মারক পার্ক। ১৮৯১ সালের ২৬ জুন প্রতিষ্ঠিত এই কবরস্থানে অনেক জাপানি বসতি স্থাপনকারীদের কবর রয়েছে, যার মধ্যে সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী প্রথম জাপানি ব্যক্তি ওটোকিচির কবরও রয়েছে। কবরস্থানটিতে ঐতিহ্যবাহী জাপানি স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত একটি প্রার্থনা কক্ষও রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, যুদ্ধক্ষেত্রে অথবা অসুস্থতার কারণে মারা যাওয়া বেসামরিক নাগরিক এবং সৈন্যদের কবর দেওয়ার জন্য এই কবরস্থানটি ব্যবহার করা হতো। ২৯,৩৫৯ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম জাপানি কবরস্থান এবং এতে ৯১০টি সমাধিফলক রয়েছে।
করুন

কাতং এবং পূর্ব উপকূল পার্কের মানচিত্র (ছবি: Torty3, CC BY-SA 3.0)
পূর্ব সিঙ্গাপুরের সেরা আকর্ষণ হলো এর বিভিন্ন সমুদ্র সৈকত।
ইস্ট কোস্ট পার্ক
- ইস্ট কোস্ট পার্ক। এটি সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি সমুদ্র সৈকত এবং একটি পার্ক। ১৮৫ হেক্টর আয়তনের ইস্ট কোস্ট পার্কটি সিঙ্গাপুরের বৃহত্তম পার্ক। পার্কটিতে বারবিকিউ পিট, শ্যালেট, খাবার কেন্দ্র এবং বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। দর্শনার্থীরা বেদোক জেটিতে (এরিয়া এফ) মাছ ধরতে পারেন। পার্কের পরিধি বরাবর একটি সাইক্লিং এবং ইনলাইন স্কেটিং ট্র্যাক রয়েছে। এটি ১৫ কিলোমিটার (৯.৩ মাইল) এরও বেশি দীর্ঘ। ইস্ট কোস্ট পার্ক ‘এ’ থেকে ‘এইচ’ চিহ্নিত আটটি অঞ্চলে বিভক্ত। অন্যান্য আকর্ষণ হলো জাতীয় সেলিং সেন্টার, ইস্ট কোস্ট লেগুন ফুড সেন্টার, পূর্ব উপকূলের সীফুড সেন্টার, বেদোক জেটি নামে সিঙ্গাপুরের দীর্ঘতম মাছ ধরার জেটি প্রভৃতি। বেদোক জেটিটি মাছ ধরার উৎসাহীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ইস্ট কোস্ট পার্কে সাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়।
চাঙ্গি

সিঙ্গাপুরের একটি পর্যটন আকর্ষণ পুলাউ উবিনের চেক জাওয়া (ছবি: Zairon, CC BY-SA 4.0)
- পুলাউ উবিন ((চাঙ্গি গ্রাম থেকে বুমবোট)। সিঙ্গাপুরের উত্তর-পূর্বে, পুলাউ তেকং-এর পশ্চিমে অবস্থিত একটি ছোট্ট দ্বীপ। দ্বীপটি উবিন-খতিব গুরুত্বপূর্ণ পাখি অঞ্চল এর অংশ, যা বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা চিহ্নিত করা অঞ্চল। মালয়দের কাছে দ্বীপটি পুলাউ বাতু উবিন বা "গ্রানাইট পাথর দ্বীপ" নামেও পরিচিত। এখানে অনেক পরিত্যক্ত গ্রানাইটের খনি রয়েছে। খনি খনন ছাড়াও, অতীতে দ্বীপের বাসিন্দাদের প্রধান পেশা ছিল কৃষিকাজ এবং মাছ ধরা। পুলাউ উবিন সিঙ্গাপুরের শেষ অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি। উবিন টাউন দ্বীপের একমাত্র জনবসতি। উবিন জেটির কাছে অবস্থিত, গ্রামের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মূলত দ্বীপে আসা দর্শনার্থীদের জন্য পরিষেবা প্রদান করে। গ্রামের কেন্দ্রস্থলে বিভিন্ন সাইকেলের দোকান, এবং রেস্তোরাঁ রয়েছে। দ্বীপটিতে বার্ষিক আনুমানিক ৩ লক্ষ দর্শনার্থী আসেন। দ্বীপের বিভিন্ন জনপ্রিয় আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে চেক জাওয়া, যেখানে ৫,০০০ বছর আগের একটি প্রবাল প্রাচীর ছিল বলে মনে করা হয়। চেক জাওয়া ৭টি আন্তঃনির্ভরশীল বাস্তুসংস্থান নিয়ে গঠিত। যার মধ্যে রয়েছে উপকূলীয় বন, ম্যানগ্রোভ বন, এর পাথুরে তীর, বালুকাময় তীর, বালির বার, সামুদ্রিক ঘাসের লেগুন এবং প্রবাল স্তূপ। প্রতিটি বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে প্রাকৃতিক প্রাণী, বিরল গাছপালা, স্থানীয় এবং পরিযায়ী প্রচুর পরিমাণে পাখি রয়েছে। এগুলি চেক জাওয়া দেখতে আসা ফটোগ্রাফার, প্রকৃতিপ্রেমী, ছাত্র এবং অন্যান্যদের আকর্ষণ করে।
চাঙ্গি পয়েন্ট ফেরি টার্মিনাল ও চাঙ্গি সৈকত (ছবি: Orderinchaos, CC BY-SA 4.0)
- চাঙ্গি সৈকত, চাঙ্গি গ্রামের কাছে। সিঙ্গাপুরের পূর্বাঞ্চলের চাঙ্গির উত্তর প্রান্তে এবং চাঙ্গি বিমানবন্দরের ঠিক পাশেই। আপনি বেদোক বা সিমেই এমআরটি থেকে বাস ৯, ট্যাম্পাইনস বাস ইন্টারচেঞ্জ থেকে বাস ১৯ অথবা হাউগাং বাস ইন্টারচেঞ্জ থেকে বাস ৮৯ নিতে পারবেন। তিনটি বাসই নিকোল ড্রাইভের পাশ দিয়ে যায়, যা একেবারে চাঙ্গি সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন। চাঙ্গি সমুদ্র সৈকতের সংলগ্ন রয়েছে চাঙ্গি সৈকত উদ্যান। ২৮ হেক্টর এলাকা জুড়ে সৈকত উদ্যানটি সিঙ্গাপুরের প্রাচীনতম উপকূলীয় উদ্যানগুলির মধ্যে একটি। উদ্যানটি প্রায় ৩.৩ কিমি বিস্তৃত ও বালুকাময়। এটি চাঙ্গি পয়েন্ট এবং চাঙ্গি ফেরি রোডের মধ্যে অবস্থিত। চাঙ্গি ফেরি টার্মিনাল থেকে সূর্যোদয় এবং চাঙ্গি পয়েন্ট থেকে সূর্যাস্ত দেখা যায়।
- চাঙ্গি বোর্ডওয়াক (চাঙ্গি পয়েন্ট কোস্টাল ওয়াক), চাঙ্গি গ্রামের কাছে। চাঙ্গি বোর্ডওয়াক হলো সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি পয়েন্টে অবস্থিত একটি ২.২ কিমি দীর্ঘ বোর্ডওয়াক। এটি চাঙ্গি বিচ ক্লাব থেকে চাঙ্গি সেলিং ক্লাব পর্যন্ত মনোরম চাঙ্গি উপকূল রেখাকে ঘিরে থাকা একটি বোর্ডওয়াক। চারটি প্রবেশপথ দিয়ে বোর্ডওয়াকটিতে আসা যায়। সেগুলি হলো চাঙ্গি গ্রাম, চাঙ্গি সেলিং ক্লাব, চাঙ্গি সৈকত এবং চাঙ্গি সৈকত উদ্যান। চাঙ্গি বোর্ডওয়াকটি ছয়টি স্বতন্ত্র অংশ নিয়ে গঠিত। ছয়টি স্বতন্ত্র অংশগুলি হলো পশ্চিম থেকে পূর্ব, সানসেট ওয়াক, কেলং ওয়াক, ক্লিফ ওয়াক, সেলিং পয়েন্ট ওয়াক, বিচ ওয়াক এবং ক্রিক ওয়াক।
খেলাধুলা
সিঙ্গাপুর স্পোর্টস হাব কমিউনিটি ওপেন হাউসে ২০১৪-১৫ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ান গেমস উপলক্ষে আতশবাজি (ছবি: Zexsen Xie, CC BY 2.0)
- সিঙ্গাপুর স্পোর্টস হাব (কালাং এমআরটি)। সিঙ্গাপুরের কালাং -এ অবস্থিত একটি ক্রীড়া ও বিনোদন জেলা। স্পোর্টস হাবটি একটি ৩৫-হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে তৈরি। এতে একটি ইনডোর স্পোর্টস হল, জল ক্রীড়া কেন্দ্র, পাবলিক স্পোর্টস সুবিধা এবং খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। স্পোর্টস হাবটি ৩০ জুন ২০১৪ তারিখে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এখানে বিভিন্ন কমিউনিটি সুবিধার মধ্যে রয়েছে বাস্কেটবল, নেটবল এবং ভলিবল কোর্ট, সেইসাথে দৌড় এবং সাইক্লিং পাথ।
এছাড়া এর মধ্যে রয়েছে সিঙ্গাপুর স্পোর্টস মিউজিয়াম, স্পোর্টস হাব লাইব্রেরি, শিমানো সাইক্লিং ওয়ার্ল্ড (বাইক প্রস্তুতকারক শিমানো দ্বারা পরিচালিত একটি সাইক্লিং জাদুঘর), এবং কালাং ওয়েভ মল (জাতীয় স্টেডিয়ামের সাথে সংযুক্ত একটি শপিং সেন্টার যেখানে দোকান, রেস্তোরাঁ এবং এর ছাদে একটি শিশুদের জন্য ওয়াটার পার্ক রয়েছে)। বর্তমানে এটি স্টেডিয়াম, তানজং রু এবং কালাং এমআরটি স্টেশনের সাথে সংযুক্ত।
অন্যান্য
ডাউনটাউন ইস্ট বাস স্টপ (ছবি: LN9267, CC BY-SA 4.0)
- বন অভিযান, ৮২৫ বেদক রিসার্ভার রোড, ☏ +৬৫ ৮১০০ ৭৪২০। বন অভিযান কোর্সটি দুই ঘন্টায় সম্পন্ন হয়। কল্পনায় জঙ্গলের টারজানকে উপভোগ করানো এই কোর্সটির প্রধান লক্ষ্য। গাছ থেকে গাছে দোল খাওয়া, দড়ির সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠা এবং সবশেষে জলাধারের উপর দিয়ে নেমে যাওয়া। বাচ্চাদের জন্য কোর্সের সর্বনিম্ন বয়স ৫ বছর এবং সর্বনিম্ন উচ্চতা ১.১ মিটার। গ্র্যান্ড কোর্সের জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন উচ্চতা ১.৪ মিটার। ১৮ বছরের কম বয়সীদের অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্কদের সাথে থাকতে হবে। অগ্রিম বুকিং প্রয়োজন। $৩৪/২২ গ্র্যান্ড/কিডস কোর্স।
- পাসির রিস পার্কে ম্যানগ্রোভ বোর্ডওয়াক, ৬০ পাসির রিস ড্রাইভ ৩। এটি সিঙ্গাপুরের অবশিষ্ট কয়েকটি ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে একটি। আপনি এখানে মাডস্কিপার, ফিডলার কাঁকড়া এবং বিভিন্ন ধরণের প্রজাপতি দেখতে পাবেন।
- ডাউনটাউন ইস্ট, ১ পাসির রিস ক্লোজ, ☏ +৬৫ ৬৫৮৯ ১৬৮৮। এটি সিঙ্গাপুরের পাসির রিসের একটি বিনোদন হাব। এখানকার সবচেয়ে বিখ্যাত আকর্ষণ হলো ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েট ওয়াটার থিম পার্ক। অন্যান্য বিনোদনের মধ্যে রয়েছে হাই রোলার ইনডোর স্কেটিং রিঙ্ক, ক্যাথে সিনেপ্লেক্স, কয়েকটি ডার্টস ক্যাফে এবং কয়েকটি কারাওকে স্পট। এখানে কয়েকটি স্থানীয় শপিং মলও রয়েছে।
কেনাকাটা
২০২৩ সালে আই১২ কাতং শপিং মল (ছবি: Photograph by Mike Peel ( www.mikepeel.net )., CC BY-SA 4.0)

ট্যাম্পাইনস বুলেভার্ড পার্ক সংলগ্ন পাবলিক হাউজিং (ছবি: DreamyBeluga, CC BY-SA 4.0)

সেরাঙ্গুন টেরেসে সোপানযুক্ত বাড়ি, সেরাঙ্গুন, সিঙ্গাপুর (ছবি: ProjectManhattan, CC BY-SA 3.0)
- গেলাং সেরাই মার্কেট, ১ গেলাং সেরাই (এমআরটি পায়া লেবার থেকে ১০ মিনিট দূরে)। এটি সিঙ্গাপুরের একটি বিখ্যাত মার্কেট, যা ঐতিহ্যবাহী মালয় সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। এই অঞ্চলটি সিঙ্গাপুরের মালয় সম্প্রদায়ের প্রাণকেন্দ্র। এটি দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে মনোরম বাজারগুলির মধ্যে একটি। ভিড়ে ঠাসা মূল বাজারটি ২০০৬ সালে ভেঙে ফেলার পর আবার নতুন ভাবে তৈরি করা হয়। এখানে মালয় এবং ভারতীয় বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও পণ্য পাওয়া যায়। সিঙ্গাপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে এটি পরিচিত এবং রমজান মাসে এখানকার বাজারটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের লাইটিং ও স্টল দেখা যায়। এই এলাকার স্থানীয় খাবারের দোকানগুলো এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
প্রতিটি এমআরটি স্টপে একটি মল বা শপিং এরিয়া আছে।
- পার্কওয়ে প্যারেড, ৮০ মেরিন প্যারেড রোড, সিঙ্গাপুর ৪৪৯২৬৯, ☏ +৬৫ ৬৩৪৪ ১২৪২। প্রতিদিন সকাল ১০টা - রাত ১০টা। পার্কওয়ে প্যারেড হল সিঙ্গাপুরের মেরিন প্যারেডে অবস্থিত একটি শহরতলির শপিং সেন্টার। ১৯৮৪ সালের মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা এই শপিং সেন্টারে একটি ২২ তলা অফিস টাওয়ার এবং একটি বেসমেন্টসহ একটি সাত তলা শপিং মল রয়েছে। এটি মেরিন প্যারেড এলাকার প্রধান শপিং সেন্টার। এখানে ১,১৮৪টি পার্কিং এর জায়গা আছে (১৬টি পরিবার, ১২টি প্রতিবন্ধী এবং ৩টি সবুজ লট সহ)। এখানে দোকান এবং পরিষেবার সংখ্যা হলো ২৭০টি।
- আই১২ কাতং, ১১২ ই কোস্ট রোড, সিঙ্গাপুর ৪২৮৮০২ (কাতংয়ের কেন্দ্রস্থলে ইস্ট কোস্ট রোড এবং জু চিয়াত রোডের সংযোগস্থল), ☏ +৬৫ ৬৩০৬ ৩২৭২। প্রতিদিন সকাল ১০টা - রাত ১০টা। সিঙ্গাপুরের পূর্বে অবস্থিত একটি সাত তলা বিশিষ্ট শপিং মল। শপিং মল মেঝের মোট ক্ষেত্রফল ১৯,২০০ বর্গমিটার।
- ট্যাম্পাইনস। ট্যাম্পাইনস হল সিঙ্গাপুরের পূর্ব অঞ্চলের আঞ্চলিক কেন্দ্র। এটি একটি "মিনি শহর" যেখানে অফিস, বাড়ি এবং বিনোদনমূলক সুবিধা রয়েছে। ট্যাম্পাইনসে তিনটি হোটেল আছে — দুসিত থানি লাগুনা সিঙ্গাপুর, পার্ক অ্যাভিনিউ চাঙ্গি এবং ক্যাপ্রি বাই ফ্রেজার। ব্যবসায়ী ভ্রমণকারীদের জন্য তৈরি, এগুলি সবই চাঙ্গি বিজনেস পার্ক এবং এর আশেপাশে অবস্থিত। ট্যাম্পাইনস রিজিওনাল সেন্টারে খুচরা কেনাকাটা চারটি প্রধান শপিং মলে করা হয়। এই শপিং মলগুলি হলো ট্যাম্পাইনস মল, সেঞ্চুরি স্কয়ার, ট্যাম্পাইনস ১ এবং আওয়ার ট্যাম্পাইনস হাব।
- সেরাঙ্গুন। সিঙ্গাপুরের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত একটি পরিকল্পিত এলাকা এবং আবাসিক এলাকা। সেরাঙ্গুনে একটি বিশাল শপিং মল, নেক্সও রয়েছে , যেখানে প্রতিটি তলায় সাধারণ দোকান এবং খাবারের দোকান রয়েছে।
খাদ্য
সিঙ্গাপুরের পূর্ব উপকূলে সেখানকার অনেক বিখ্যাত খাবার পাওয়া, যার মধ্যে রয়েছে চিলি ক্রাব, কাতং লাকসা এবং রোটি পারাটা। পায়া লেবার এবং কালাং এমআরটি স্টেশনের মধ্যবর্তী গেলাং রোডের অঞ্চলটি বেশ প্রাণবন্ত অঞ্চল। গেলাং এলাকাকে প্রায়শই সিঙ্গাপুরের "নতুন চায়নাটাউন" নামেও ডাকা হয়। এই এলাকাটি চীনা অভিবাসীদের, বিশেষ করে শ্রমিক এবং উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। সেই অনুযায়ী এখানে প্রচুর সংখ্যক সাম্প্রতিক অভিবাসী এবং মূল ভূখণ্ড চীন থেকে আসা প্রবাসীদের আবাসস্থল। এখানে বেশ কয়েকটি সুপারমার্কেট মূল ভূখণ্ডের চীনা পণ্য বিক্রি করে যা দ্বীপের অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া কঠিন। আপনি বেশ কিছু ফলের দোকানও খোলা দেখতে পাবেন যেখানে ডুরিয়ান, ম্যাঙ্গোস্টিন, রাম্বুটান এবং অন্যান্য দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় ফল বিক্রি করতে দেখা যায়। যদি আপনি ফল খেতে ভালবাসেন তাহলে এখান থেকে কিছু ফল কিনে এবং রাস্তার পাশের টেবিলে বসেই এর স্বাদ নিতে পারেন।
সিঙ্গাপুরের মালয় সম্প্রদায়ের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে, গেলাং সেরাই বাজার এলাকাটি মালয় খাবার খেয়ে দেখার জন্য অবশ্যই সেরা জায়গা।
জু চিয়াত রোড হলো সিঙ্গাপুরের ভিয়েতনামী সম্প্রদায়ের জন্য একটি প্রিয় আড্ডার জায়গা। এখানে অসংখ্য রেস্তোরাঁ রয়েছে যেখানে সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং খাঁটি ভিয়েতনামী খাবার পরিবেশন করা হয়। সিঙ্গাপুরের একমাত্র ভিয়েতনামী মুদির দোকানও এখানে অবস্থিত। আপনি যদি ঘরে রান্না করার চেষ্টা করতে চান তাহলে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা উপকরণ এই মুদির দোকান থেকে কিনতে পারেন। অন্যদিকে সিটি প্লাজা (পায়া লেবার এমআরটি স্টেশনের কাছে) হলো ইন্দোনেশীয় সম্প্রদায়ের জন্য প্রিয় আড্ডার জায়গা। এখানেও দ্বীপের সবচেয়ে সস্তা এবং খাঁটি ইন্দোনেশীয় খাবারের নানা জায়গা রয়েছে।
বাজেট

মশলাদার চিংড়ি পেস্ট ও কুচি করা লাকসা পাতাসহ কাতং লাকসা (ছবি: User:Jpatokal, CC BY-SA 4.0)

নাসি লেমাক সাম্বাল ইকান বিলিস (মশলাদার শুঁটকি), শসা, চিকেন কারি, শুকনো চিংড়ির মিশ্রণ এবং ডিম (ছবি: Jpatokal, CC BY-SA 4.0)
আয়াম বুয়া কেলুয়াক (ছবি: Chensiyuan at English Wikipedia, CC BY-SA 3.0)
কাতং হলো লাকসার জন্য বিখ্যাত। লাকসা হলো মশলাদার ন্যুডলসযুক্ত ঘন স্যুপ। কাতং-এ তৈরি এই ন্যুডলসযুক্ত ঘন স্যুপ একদম অন্য ধরনের ও অন্য স্বাদের। এতে নারকেলও দেওয়া হয়। এটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় খাবারগুলির মধ্যে একটি।
- ৩২৮ কাতং লাকসা, ৫১ ইস্ট কোস্ট রোড (#৪৯ থেকে রাস্তার ওপারে)। সকাল ৮:৩০-রাত ৯টা। ৩২৮ কাতং লাকসা ২৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরে একটি প্রিয় রন্ধনশৈলীর প্রধান খাবার স্থল হয়ে উঠেছে। ২০০১ সালে এটি ইয়ান ক্যান কুকের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি লাভ করে। ৩২৮ কাতং লাকসা বিশ্বজুড়ে সেলিব্রিটি এবং খাদ্যপ্রেমীদের হৃদয় জয় করে চলেছে।
- মেরিন প্যারেড লাকসা, ৫০ ইস্ট কোস্ট রোড রক্সি স্কয়ার #০১-৬৪, সিঙ্গাপুর ৪২৮৭৬৯ সিঙ্গাপুর। এখানেও ঐতিহ্যবাহী কাতং লাকসা পাওয়া যায়। যদিও কেউ কেউ মনে করেন এর মান কমে গেছে।
- ওল্ড এয়ারপোর্ট রোড ফুড সেন্টার। সম্ভবত এখানে সিঙ্গাপুরের স্ট্রিট ফুড এর সেরা সংগ্রহ রয়েছে। সার্কেল লাইন ব্যবহার করে এখানে পৌঁছানো অনেক সহজ। এটি ডাকোটা এমআরটি স্টেশন থেকে অল্প হাঁটার দূরত্বে অবস্থিত। এখানকার নুডলস থেকে সাতে ও সামুদ্রিক খাবার ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। সিঙ্গাপুরবাসীরা নানান জায়গা থেকে রাতের খাবারের জন্য এখানে আসেন। তাই দুর্ভাগ্যবশত এইসব এলাকা ভিড় খুব বেশি হয়। ভিড়ের সময় গাড়ি পার্ক করা বা টেবিল পাওয়ার সমস্যা হতে পরে। তাই কেবল লাইন অনুসরণ করুন।
- চুয়ান কি সাতে, পুরাতন বিমানবন্দর রোড খাদ্য কেন্দ্র #০১-৮৫। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা, সোম ও বৃহঃ বন্ধ, রবিবার খোলার সময় দুপুর ১টা। এখানে সদ্য ভাজা সাতে বাদামের সসের সাথে পরিবেশন করা। শুয়োরের মাংসের সাতে এখানকার একটি জনপ্রিয় পদ।
- হুইটলি রোড বিগ প্রন নুডল, ৫১ ওল্ড এয়ারপোর্ট রোড, #০১-৯৮, ফুড সেন্টার, সিঙ্গাপুর ৩৯০০৫১। মঙ্গল-শুক্র সকাল ৯টা-রাত ৮টা, শনি-রবি সকাল ৯টা-রাত ৯টা। এখানকার জনপ্রিয় পদটি হলো বড় চিংড়ি দেওয়া নুডলস। যদিও চিংড়ির সংখ্যা, অর্ডার করা বাটির আকারের উপর নির্ভর করে। এই সুস্বাদু স্যুপটি চিংড়ির মাথা থেকে তৈরি করা হয়।
- ইস্ট কোস্ট লেগুন ফুড ভিলেজ। সুন্দর সমুদ্রতীরবর্তী পরিবেশের জন্য ইস্ট কোস্ট পার্কের এটি একটি জনপ্রিয় খাবারের গন্তব্যস্থল। সম্ভবত সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে সুন্দর হকার সেন্টার এটি। যেখানে সবুজের সমারহের মধ্যে মাঝে মাঝে সমুদ্রের বাতাস বইতে দেখা যায়। নিকটবর্তী ইস্ট কোস্ট সীফুড সেন্টারের দামি রেস্তোরাঁগুলির তুলনায় এখানকার সামুদ্রিক খাবার অনেক ভালো।
- লেং হেং বি.বি.কিউ. অ্যান্ড ক্লেপট ডিলাক্স, ২৪৫ ইস্ট কোস্ট লেগুন, ফুড ভিলেজ, সিঙ্গাপুর ৪৬৮৯৬০। সপ্তাহের প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। এখানকার চিলি ক্রাব এবং বারবিকিউ স্টিংগ্রে বেশ সুস্বাদু।
- মুসা ইকান বাকার, ১২২০ ইসিপি, #৫১ ইস্ট কোস্ট লেগুন ফুড ভিলেজ, সিঙ্গাপুর ৪৬৮৯৬০। বুধ থেকে শনি বিকেল ৩টা থেকে রাত্রি ১০টা, সোম ও মঙ্গল বন্ধ। এখানকার বারবিকিউ স্টিংগ্রে স্বাদে অতুলনীয়। মুসার ঘন এবং মোটা চিনাবাদাম সাতে সসটি অবশ্যই আলাদা স্বাদ দেবে।
- জালান কায়ু দ্য পারাটা ক্যাফে, 18 তাই সেঙ স্ট্রিট, #০১-২৯, সিঙ্গাপুর ৫৩৯৭৭৫, ☏ +৬৫ ৯৬৭৩৩৩৬৪। সকাল ০৮:০০ - রাত ০৯:০০। জালান কায়ু হল সেনকাং এর একটি রাস্তা। জালান কায়ু দ্য পারাটা ক্যাফে এখানকার একটি প্রসিদ্ধ দোকান। নানা ধরনের সুস্বাদু পরটার জন্য এই দোকানটি বিখ্যাত।
- চাঙ্গি ভিলেজ হকার সেন্টার, ২ চাঙ্গি ভিলেজ রোড, সিঙ্গাপুর ৫০০০০২। চাঙ্গি ভিলেজ হকারের কেন্দ্রে অনেক ধরনের খাবার পাওয়া যায়। এখানকার নাসি লেমাক পদটি প্রকৃতপক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে বিখ্যাত। এটি নারকেল ভাত, মুচমুচে ভাজা মুরগির মাংস, ভাজা ডিম এবং ভাজা ইকান বিলিসের একটি সুস্বাদু মিশ্রণ। এই খাবারগুলি একসাথে এতটাই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে যে আপনি দীর্ঘ সময়ের জন্য এর স্বাদ ভুলতে পারবেন না।
- ইন্টারন্যাশনাল মুসলিম ফুড স্টল নাসি লেমাক, ২ চাঙ্গি ভিলেজ রোড, #০১-০৩ চাঙ্গি ভিলেজ হকার সেন্টার, সিঙ্গাপুর ৫০০০০২, ☏ +৬৫ ৮৪০০ ৬৮৮২। মঙ্গল - শনি: সকাল ৭:০০ - বিকাল ২:০০, বিকাল ৬:০০ - রাত ১২:০০। এই সাধারণ স্টলে সিঙ্গাপুরের সেরা নাসি লেমাক পাওয়া যায় অর্থাৎ মালয় স্টাইলের সুগন্ধি নারকেল ভাত, ভাজা মুরগির একটি বিশাল টুকরো, ইকান বিলিস, শসার টুকরো, একটি ভাজা ডিম এবং এক টুকরো সাম্বাল মরিচ দিয়ে ভরা একটি প্লেট পাবেন। সত্যি বলতে, অন্য কোথাও যা পাবেন তার থেকে খুব বেশি আলাদা নয়, তবে দ্রুত বিক্রি হওয়ার অর্থ হলো এটি তাজা এবং সুস্বাদু।
- কিম চু, ১০৯/১১১ ইস্ট কোস্ট রোড, ☏ +৬৫ ৬৭৪১ ২১২৫। সিঙ্গাপুরবাসীরা এই দোকানটিকে তার পেরানাকান-শৈলীর ভাতের ডাম্পলিং (নয়োন্যা চ্যাং) এর জন্য বেশি চেনে। এই পেরানাকান রেস্তোরাঁটি দর্শনার্থীদের জন্য একটি দ্বিতীয় তলাও খুলেছে যেখানে মৃৎশিল্প, পুঁতির কাজ, কেবায়া এবং আরও অনেক সামগ্রীসহ এরা উপহারের দোকানও পরিচালনা করে। যদিও আপনি যা দেখেন তার বেশিরভাগই চীন থেকে আসে (যেমনটি পুরানো দিনেও ছিল)। এদের কিছু জিনিসপত্র এখনও সিঙ্গাপুরে তৈরি হয়। এরা নিয়মিত রান্না এবং শিল্পকলা ক্লাস পরিচালনা করে।
গেলাং-এর মানচিত্র (ছবি: Torty3, CC BY-SA 3.0)

সিঙ্গাপুর চাঙ্গি বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার (ছবি: George Tan from Singapore, CC BY 2.0)
সিঙ্গাপুরের গেলাং রোডে অবস্থিত হাজী মোহাম্মদ সালেহ মসজিদ (ছবি: Dekoelie, CC BY-SA 4.0)
মধ্য-বাজেটের
গেলাং-এর আশপাশ তার রন্ধনশৈলীর জন্যও পরিচিত। এখানকার দোকানগুলি সাধারণত খোলা পাওয়া যায়, এদের খাবার দুর্দান্ত এবং দামও যুক্তিসঙ্গত। ইস্ট কোস্ট রোডের মধ্য-পরিসরের খাবারের দোকানগুলির মধ্যে কাতং এবং সিগলাপ হলো দুটি প্রধান এলাকা।
- হি পিং রেস্তোরাঁ, ১৪৮ সিমস অ্যাভিনিউ (লোরং ১৯ এর বাইরে), ☏ +৬৫ ৬৭৪৮ ৯৪৯৫। এখানে কাঠকয়লার আগুনে রান্না করা মুরগির মংস ও ভাত চমৎকার মাটির পাত্রে পরিবেশন করা হয়। অর্ডার অনুযায়ী খাবার নতুন করে তৈরি করা হয়, এর ফলে ব্যস্ত সপ্তাহান্তে দীর্ঘ লাইন থাকতে পারে।
- ড্রাগনসিটি ক্লেপট ফ্রগ পোরিজ, ১৮০ জু চিয়াট রোড, সিঙ্গাপুর ৪২৭৪৫১। প্রতিদিন বিকেল ৪.৩০ থেকে রাত্রি ২টো। মশলাদার ফ্রগ লেগ পোরিজের জন্য বিখ্যাত। এখানকার চিংড়ি ভাজা ফ্রেঞ্চ বিনস পদটিও সুস্বাদু এবং মুচমুচে।
সামুদ্রিক খাবার
সিঙ্গাপুরের পূর্ব উপকূলের তাজা সামুদ্রিক খাবার ভ্রমণপিপাসুদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। তবে অনেকসময় এটি বেশ ব্যয়বহুল। তাই অর্ডার করার আগে দামগুলি পরীক্ষা করে নিন! দুটি প্রধান জায়গার একটি হলো ইস্ট কোস্ট পার্কওয়ের ইস্ট কোস্ট সীফুড সেন্টার এবং অন্যটি শহরের কাছাকাছি কালাং ওয়েসিস। কিছু সুপরিচিত রেস্তোরাঁ হলো:
- জাম্বো সীফুড, ১২০৬ এবং ১২০৮ ইস্ট কোস্ট পার্কওয়ে, ☏ +৬৫ ৬৪৪২ ৩৪৩৫। মশলাদার টমেটো-ভিত্তিক সস দিয়ে তৈরি চিলি ক্র্যাব ও পিপার ক্র্যাবের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। রিভারসাইড পয়েন্ট (ক্লার্ক কোয়ের বিপরীতে), সেরাঙ্গুন গার্ডেন, চাঙ্গি এবং রিভারওয়াকে অন্যান্য দোকানও রয়েছে, তবে এটিই আসল।
- লং বিচ ইউডিএমসি, ২০২ ইসিপি, #০১-০৪ ইস্ট কোস্ট সীফুড সেন্টার, সিঙ্গাপুর ৪৪৯৮৮১, ☏ +৬৫ ৬৪৪৮ ৩৬৩৬। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত্রি ১১টা। এটি সিঙ্গাপুরের একটি জনপ্রিয় সামুদ্রিক খাবার রেস্তোরাঁ, যা ইস্ট কোস্ট সীফুড সেন্টারে অবস্থিত এবং এটি ক্লাসিক ব্ল্যাক পেপার ক্র্যাব ও অন্যান্য লাইভ সি-ফুডের জন্য বিখ্যাত। রেস্তোরাঁটি সমুদ্রের ধারে যেখানে সমুদ্রের সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। এখানে এলে একটি আরামদায়ক পরিবেশ অনুভব করা ষায়। এটি সামুদ্রিক খাবার ও চাইনিজ খাবারের জন্য সুপরিচিত।
- দ্য ম্যাঙ্গো ট্রি, ৯১ ইস্ট কোস্ট রোড, #০১-০০, সিঙ্গাপুর ৪২৮৭৯১ (কাতং), ☏ +৬৫ ৬৪৪০ ১২৮৫। সুসজ্জিত এই রেস্তোরাঁয় কেরালার ধাঁচের ভারতীয় সামুদ্রিক খাবার পাওয়া যায়, যা চীনা খাবারের স্বাদের থেকে একেবারেই আলাদা। প্রচুর নিরামিষ খাবারও এরা তৈরি করে।
- সিন হুয়াত সী ফুড, ৬৫৯-৬৬১ গেলাং রোড (লোরং ৩৫ এর বাইরে), ☏ +৬৫ ৬৭৪৪ ৯৭৫৫। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে রাত্রি ১টা। দোকানটি দেখতে খুবই সাদামাটা কিন্তু রাইস নুডুলসের সাথে কাঁকড়ার বি হুন এক অন্য মাত্রা এনে দেয়। অর্ডার অনুযায়ী রান্না করা হয়, তাই আপনাকে এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হতে পারে। অ্যান্থনি বোর্ডেইনের টিভি শোতে দোকানটি দেখানোর পর থেকে চাহিদা বেড়েছে, তাই দামও বেড়েছে।
পানীয়
সিঙ্গাপুরের পূর্ব উপকূলে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করার জন্য মাত্র কয়েকটি জায়গা আছে। ইস্ট কোস্ট রোডে ৩০টিরও বেশি চমৎকার বার এবং রেস্তোরাঁ রয়েছে। এইসব বার এবং রেস্তোরাঁগুলি কাতং এবং সিগলাপ-এর চারপাশে অবস্থিত। জু চিয়াত রোডেও অনেক বার রয়েছে।
গেলাং একটি "মদ নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল", যার অর্থ হলো সপ্তাহান্তে এবং সরকারি ছুটির দিনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্থানের বাইরে জনসাধারণের জন্য মদ্যপান নিষিদ্ধ।
- জর্জেস ম্যাডবার অ্যান্ড গ্রিল, ৬৮৭ ইস্ট কোস্ট রোড, ফ্রাঙ্কেল এভিনিউ, সিঙ্গাপুর ৪৫৯০৫৫, ☏ +৬৫ ৬৪৪১ ৯১২২। সোম থেকে শুক্র বিকেল ৩টা থেকে রাত্রি ১টা, শনি বিকেল ৩টা -রাত্রি ২টো, রবি ৩টা -রাত্রি ১২টা। শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ। বিয়ার এবং স্পিরিট সুস্বাদু।
- নেক্সট ডোর স্প্যানিশ ক্যাফে, ৬৯৯ ইস্ট কোস্ট রোড, সিঙ্গাপুর ৪৫৯০৬১ (বেদোক বাস ইন্টারচেঞ্জ থেকে বাস ৪০ সরাসরি ক্যাফের বিপরীতে থামবে।), ইমেইল: @nextdoorspanishcafe.com। সোম-বৃহ বিকাল ৫টা-রাত ১১টা, শুক্র-শনি দুপুর ১২টা-রাত ১১.৩০, রবি দুপুর ১২টা-রাত ১১টা। এটি একটি ইউরোপীয় ধাঁচের ক্যাফে। তাই এখানে পিৎজা, স্যান্ডউইচ এবং সালাদ পাওয়া যায়। এছাড়া এখানে বিভিন্ন ধরণের অ্যালকোহলযুক্ত নরম পানীয় এবং পানীয় কোমল পাওয়া যায়। বই, ম্যাগাজিন এবং বোর্ড গেমেরও সম্ভার রয়েছে। দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবার ও আরাম করার জন্য উপযুক্ত জায়গা আছে।
রাত্রিযাপন
ক্যাম্পিং করার অনুমতি রয়েছে এমনি কয়েকটি এলাকা হলো চাঙ্গি বিচ পার্ক, ইস্ট কোস্ট পার্ক, পাসির রিস পার্ক এবং পুলাউ উবিনের নির্দিষ্ট এলাকায়। সবগুলোতেই ঝরনা এবং টয়লেট রয়েছে। পাঁচ দিন পর্যন্ত থাকার জন্য এগুলি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। তবে আপনার পক্ষে সিঙ্গাপুরের পরিচয়পত্রধারী কাউকে পারমিট পাওয়ার জন্য ১৪ দিন আগে আবেদন করতে হবে।
- বেটেল বক্স হোস্টেল সিঙ্গাপুর, ২০০ জু চিয়াট রোড, কাটং জেলা (পায়া লেবার এমআরটি), ☏ +৬৫ ৬২৪৭ ৭৩৪০। আগমন: দুপুর ১টা, প্রস্থান: সকাল ১১টা। বিনামূল্যে বিছানার চাদর, সিকিউরিটি লকার ব্যবহার, ৩০ মিনিট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাক্সেস, সীমাহীন ওয়াই-ফাই ও ফিটনেস সেন্টার ব্যবহার করা যাবে। সমস্ত কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং গরম এবং ঠান্ডা ঝরনার ব্যবস্থা রয়েছে। সকালের নাস্তা সহ $২০।
- আরবান হোস্টেল (ব্যাকপ্যাকারস), ৬৭এ লর ২৭ গেলাং (আলজুনিয়েড এমআরটি স্টেশন থেকে ১ মিনিটের হাঁটা পথ), ☏ +৬৫ ৮১৮৬ ৮৩৩৬। ব্যাকপ্যাকারদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে ২ শয্যা বিশিষ্ট ব্যক্তিগত কক্ষ, ৪ শয্যা বিশিষ্ট মহিলা ডরমেটরি, ৬ শয্যা বিশিষ্ট মিশ্র ডরমেটরি এবং ৮ শয্যা বিশিষ্ট কক্ষ রয়েছে যা আপনাকে অনেক পছন্দের সুযোগ দেয়। ২৪ ঘন্টা চেক ইন, বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই, বিনামূল্যে কফি এবং চায়ের ব্যবস্থা, বড় এলসিডি টিভির ব্যবস্থা রয়েছে।
যোগাযোগ
ইস্ট কোস্ট রোডে বেশ কিছু সস্তা ইন্টারনেট ক্যাফে আছে। যোগাযোগের প্রয়োজন হলে ৬৩ ইস্ট কোস্ট রোডে রেড হট ইন্টারনেট ক্যাফে অথবা ৬৭ ইস্ট কোস্ট রোডে সাইবারওয়ার্ল্ড কমিউনিকেশনস চেষ্টা করুন, উভয়েরই রেটে প্রতি ঘন্টায় ১ ডলার।
পরিষেবা
লন্ড্রি
- মিসেস লন্ড্রি, ৬১ কাকি বুকিত এভ ১,#০২-৩৫বি শুন লি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, সিঙ্গাপুর ৪১৭৯৪৩ (বেদক শপিং কমপ্লেক্স), ☏ +৬৫৯২২৮৮৪৪৪। সকাল ৯টা থেকে। ৪ কেজি লন্ড্রির জন্য ৬ ডলার, সপ্তাহের দিন বা সপ্তাহান্তের সংগ্রহের উপর নির্ভর করে ২ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ৩০ ডলারের বেশি মূল্যের হলে ডেলিভারি বিনামূল্যে করা হয়।
- সিস্টেম্যাটিক লন্ড্রোম্যাট, ৮০ মেরিন প্যারেড রোড, #০৪-কে১/কে২, পার্কওয়ে প্যারেড, সিঙ্গাপুর ৪৪৯২৬৯ (পার্কওয়ে প্যারেড, ইউনোস এমআরটি থেকে ১৫ মিনিট দূরে), ☏ +৬৫ ৬৪৪০ ১৫৫৪, ইমেইল: https://systematiclaundry.com.sg/। স্ব-পরিষেবা লন্ড্রোম্যাট। ৬ কেজি পরিমাণ কাপড় ওয়াশিং মেশিনে ৩০ মিনিট সময় ধরে কাচার জন্য মূল্য দিতে হবে ৬ ডলার। তারপর প্রতি ৮ মিনিট সময় ধরে ড্রায়ারে শুকোনোর জন্য আরও ১ ডলার।
নিরাপদে থাকুন
পর্যটকদের বিরুদ্ধে সহিংস অপরাধ বিরল। চুরি এবং পকেটমারির মতো ছোটখাটো অপরাধ বিমানবন্দরে, পর্যটন এলাকায় এবং গণপরিবহনে ঘটতে পারে। আপনার জিনিসপত্র সুরক্ষিত রাখুন। আপনার থাকার জায়গাটি পোকামাকড় প্রতিরোধী কিনা তা নিশ্চিত করুন। পোকামাকড় প্রতিরোধক ব্যবহার করুন। ভ্রমণের আগে জাপানি এনসেফালাইটিসের বিরুদ্ধে টিকা নিন। ডিসেম্বর থেকে মার্চ এবং জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষাকালে প্রবল বাতাস এবং ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। কঠোর আইন অ্যালকোহল, ই-সিগারেট এবং ভ্যাপোরাইজার (ভ্যাপ) নিয়ন্ত্রণ করে। নিজের ব্যবহারের জন্য ভ্যাপ রাখা বা আমদানি করা বেআইনি। রাত ১০.৩০ থেকে সকাল ৭টার মধ্যে মদ নিয়ন্ত্রণ অঞ্চলে বা জনসমক্ষে মদ্যপান করাও বেআইনি। সরকারী সতর্কতাগুলিকে গুরুত্ব সহকারে নিন।
পরবর্তীতে যান
- সিঙ্গাপুর নদীপথ
- উত্তর ও পশ্চিম সিঙ্গাপুর
এই পাতা কোথা থেকে এসেছে
এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “সিঙ্গাপুর/পূর্ব উপকূল” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।
এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।
Licença: CC BY-SA 4.0 · Adaptado de bn.wikivoyage.org
1
0
0
0

Comentários






