Hub Nexus
АвторАвтора пока нетВзять себе

Есть что улучшить? Предложите правку.

Поддержка

ডাউনটাউন আটলান্টা আটলান্টা শহরের কেন্দ্রস্থল, আর বলা যায় গোটা জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যেরও কেন্দ্র।

পরিচিতি

ডাউনটাউনের আকাশরেখা

ডাউনটাউনের আকাশরেখা (ছবি: J. Miers - User: (WT-shared) Jtesla16 at wts wikivoyage, CC BY-SA 4.0)

জর্জিয়ার স্টেট ক্যাপিটল, সিটি হল আর বহু বড় কোম্পানির সদর দপ্তর ডাউনটাউনেই। মিডটাউন আর বাকহেড এখন অনেক জমে উঠলেও শহরের ব্যবসা-বাণিজ্যের বড় অংশ এখনো ডাউনটাউনেই হয়। এখানকার সব দর্শনীয় জায়গা একটা থেকে আরেকটায় হেঁটে ১০ মিনিটের মধ্যে। ফাইভ পয়েন্টস, পিচট্রি সেন্টার বা অমনি-ডোম-ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সেন্টার, এই তিন মার্টা স্টেশনের যেকোনোটা থেকেও হাঁটা পথ মোটামুটি ততটুকুই।

ফাইভ পয়েন্টসের ঠিক দক্ষিণে ডাউনটাউনের ভেতরেই সাউথ ডাউনটাউন এলাকা। গত দশকের শেষ দিক থেকে এখানকার পুরোনো ভবনগুলো না ভেঙে নতুন কাজে লাগিয়ে এলাকাটাকে নতুন করে গড়ে তোলা হচ্ছে। ব্রড স্ট্রিট আর মিচেল স্ট্রিট ধরে ১৬টা ব্লকজুড়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের আমলের বাণিজ্যিক ভবন। এলাকার প্রাণকেন্দ্র ফাউন্ডার্স গ্রিন, আধা একরের একটা খোলা চত্বর। এখানে স্থায়ীভাবে একটা বিশাল পর্দা বসানো আছে, আর তাতে বিনা পয়সায় নানা অনুষ্ঠান হয়, ২০২৬ সালজুড়ে সবাই মিলে বিশ্বকাপের খেলা দেখার আয়োজনও। কাছের মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোর আগে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মজুড়ে এখানে স্থানীয় মালিকানার নতুন নতুন রেস্তোরাঁ, বার আর দোকান খুলছে। পাড়াটা আটলান্টার "ওপেন কন্টেইনার" বিনোদন এলাকার ভেতরে। তাই আশপাশের দোকান থেকে কেনা পানীয় হাতে নিয়েই এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া যায়।

যেভাবে যাবেন

ডাউনটাউন আটলান্টা (ছবি: OSM and Wikivoyage user (WT-shared) NJR ZA, CC BY-SA 2.0)

হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আটলান্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডাউনটাউন আটলান্টা ৭ মাইল (১১ কিমি)। ইন্টারস্টেট ৭৫/৮৫ মহাসড়ক সোজা আটলান্টার বুক চিরে গেছে, আর সেখান থেকে ডাউনটাউনের রাস্তায় নামার অনেকগুলো এক্সিট আছে। শহরের মেট্রো রেল আর বাস ব্যবস্থা মার্টার ট্রেন আর বাসেও ডাউনটাউনে আসা যায়।

  • ফাইভ পয়েন্টস স্টেশন, ৩০ অ্যালাবামা স্ট্রিট এসডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৮৪৮-৫০০০। উত্তর-দক্ষিণ লাইন আর পূর্ব-পশ্চিম লাইন এখানে এসে মিলেছে।

ডাউনটাউন এলাকায় মার্টার আরও কয়েকটা স্টেশন আছে। উত্তর-দক্ষিণ লাইনে গার্নেট (S1), পিচট্রি সেন্টার (N1) আর সিভিক সেন্টার (N2)। পূর্ব-পশ্চিম লাইনে জর্জিয়া স্টেট (E1) আর ডোম/জিডব্লিউসিসি/ফিলিপস অ্যারিনা/সিএনএন সেন্টার স্টেশন (W1)।

দূরপাল্লার বাসে

  • গ্রেহাউন্ড বাস লাইনস: যুক্তরাষ্ট্রের নানা জায়গা থেকে বাস আসে। বাস থামে আর ছাড়ে ২৩২ ফরসাইথ স্ট্রিটের গ্রেহাউন্ড টার্মিনাল থেকে। জায়গাটা ডাউনটাউনের দক্ষিণ কিনারায়, তুলনামূলক কম সচ্ছল একটা পাড়ায়, ঠিক মার্টার গার্নেট স্টেশনের নিচে।
  • মেগাবাস: যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের নানা জায়গা থেকে বাস আসে। বাসস্টপটা ৪৩৫ ওয়েস্ট পিচট্রি স্ট্রিটে, মার্টার সিভিক সেন্টার স্টেশনের কাছে। বাস থামে রাস্তার পূর্ব পাশে, স্টেশনের উত্তর মাথায়।

শহরে ঘোরাফেরা

স্ট্রিটকারে

ডাউনটাউনে চলে ছোট্ট আটলান্টা স্ট্রিটকার, মানে ট্রাম। এটা একটা চক্কর দেওয়া পথে অলিম্পিক পার্কের সঙ্গে পিচট্রি সেন্টার আর অবার্ন এলাকাকে জুড়েছে। একমুখী ভাড়া ১ ডলার, সারা দিনের টিকিট ৩ ডলার।

দর্শনীয় স্থান

ডাউনটাউনের ছোট ছোট এলাকা

ডাউনটাউন আটলান্টা বেশ বড়, একে কয়েকটা ছোট এলাকায় ভাগ করে দেখা যায়:

  • ফাইভ পয়েন্টস ডাউনটাউন আটলান্টার কেন্দ্র, সবকিছুর দিক বোঝানো হয় এখান থেকেই। নামটা এসেছে পাঁচটা রাস্তা এক জায়গায় মেলার কারণে: ম্যারিয়েটা স্ট্রিট, এজউড অ্যাভিনিউ, ডিকেটার স্ট্রিট, আর পিচট্রি স্ট্রিটের দুই দিক। মার্টার উত্তর-দক্ষিণ আর পূর্ব-পশ্চিম রেললাইনও এখানেই, ফাইভ পয়েন্টস স্টেশনে এসে মিলেছে। ফাইভ পয়েন্টস স্টেশনের মুখেই ছিল আন্ডারগ্রাউন্ড আটলান্টা। ওয়ার্ল্ড অব কোকও আগে এখানে ছিল, পরে সেটা সেন্টেনিয়াল পার্কের দিকে সরে গেছে।
  • সেন্টেনিয়াল পার্ক এলাকায় আছে পার্কটা নিজে, স্টেট ফার্ম অ্যারিনা, মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, জর্জিয়া ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সেন্টার, জর্জিয়া অ্যাকোয়ারিয়াম, ওয়ার্ল্ড অব কোক আর আরও কয়েকটা আকর্ষণ। পর্যটক আর স্থানীয় মানুষ, দুই দলেরই এখানে সারাক্ষণ ভিড়।
  • সুইট অবার্ন ছিল ১৮৯০ সাল থেকে চল্লিশের দশক পর্যন্ত আটলান্টায় কৃষ্ণাঙ্গদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জমজমাট কেন্দ্র। সাদার্ন ক্রিশ্চিয়ান লিডারশিপ কনফারেন্সের জন্ম এখানে, আর ড. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রও জন্মেছিলেন এই পাড়াতেই।
  • হোটেল ডিস্ট্রিক্ট ডাউনটাউনের উত্তর অংশ। আটলান্টার বেশ কয়েকটা বিলাসবহুল হোটেল এই এলাকায়।
  • ক্যাসলবেরি হিল ডাউনটাউনের পশ্চিমে পাঁচমিশালি মেজাজের একটা এলাকা, শিল্পীদের আনাগোনায় যার চেহারা এখন বদলে যাচ্ছে। এখানে আছে আর্ট গ্যালারি, রেস্তোরাঁ আর বার।
  • সাউথ ডাউনটাউন ডাউনটাউন আটলান্টার ১৬ একরের একটা ঐতিহাসিক পাড়া। পঞ্চাশের দশকের পুরোনো ইটের ভবনগুলো এখনো দাঁড়িয়ে আছে, আর সেগুলো সংস্কার করে বানানো হয়েছে রেস্তোরাঁ আর দোকান। আটলান্টায় প্রথম এই পাড়াকেই "ওপেন কন্টেইনার" এলাকা ঘোষণা করা হয়। তাই এখানে হাতে পানীয় নিয়েই এক দোকান থেকে আরেক দোকানে হেঁটে যাওয়া যায়।

সেন্টেনিয়াল পার্ক, পেছনে আটলান্টা ওয়েস্টিন হোটেল (ছবি: Matthew Kimemia ( Mkimemia ), CC BY-SA 3.0)

দেখার জায়গা

  • সেন্টেনিয়াল অলিম্পিক পার্ক, ☏ +১ ৪০৪ ২২২-৭২৭৫। ১৯৯৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের মূল কেন্দ্র ছিল এই পার্ক, আর এখন এটাই শহরের পর্যটনের কেন্দ্র। জর্জিয়া অ্যাকোয়ারিয়াম, নতুন ওয়ার্ল্ড অব কোক, স্টেট ফার্ম অ্যারিনা আর জর্জিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়, সবই পার্ক থেকে হাঁটা দূরত্বে। শীতকালে পার্কে বরফের ওপর স্কেটিং করার জায়গা বসে, আর গ্রীষ্মে হয় বিনা পয়সার কনসার্ট। সারা বছরই গানবাজনা আর নানা আয়োজন লেগে থাকে। অলিম্পিকের পাঁচ বলয়ের আকারে বানানো ফোয়ারায় পানি নিয়ে খেলতে বাচ্চারা খুব ভালোবাসে।
  • ফ্ল্যাটআয়রন বিল্ডিং, ৮৪ পিচট্রি স্ট্রিট (উডরাফ পার্কের পাশে)। তিনকোনা একচিলতে জমিতে ঠেসে বসানো ১১ তলার এই ভবনটাই আটলান্টার সবচেয়ে পুরোনো টিকে থাকা আকাশছোঁয়া দালান, আর এলাকার সুপরিচিত একটা নিশানা।
  • জর্জিয়া স্টেট ক্যাপিটল, ২১৪ স্টেট ক্যাপিটল, ☏ +১ ৪০৪ ৬৫৬-২৮৪৪। জর্জিয়া স্টেট ক্যাপিটল ভবনের গম্বুজ মোড়ানো হয়েছে লাম্পকিন কাউন্টির খনি থেকে তোলা সোনায়। ১৮৮৯ সালের এই ভবনটা সংস্কার করা হয়েছে। ভেতরে একটা জাদুঘর আছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ নানা নিদর্শন সংগ্রহ, সংরক্ষণ আর প্রদর্শন করা হয়। এর মধ্যে আছে জর্জিয়ার রাজ্য-পতাকাগুলোর অমূল্য একটা সংগ্রহ।
  • দ্য কিং সেন্টার ও মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র জাতীয় ঐতিহাসিক স্থান, ৪৪৯ অবার্ন অ্যাভিনিউ, এনই, ☏ +১ ৪০৪ ৫২৬-৮৯০০। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের স্মারক। অহিংস পথে সমাজ বদলের জন্য তাঁর কাজের কথা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই এলাকায় একটা জাদুঘর আছে, আর সংরক্ষণ করা হয়েছে গোটা পাড়াটাই, যার মধ্যে পড়ে ড. কিংয়ের জন্মভিটা আর এবেনেজার ব্যাপটিস্ট চার্চ। তাঁর নোবেল পুরস্কার আর সমাধিও এখানে।
  • মাদাম সি. জে. ওয়াকার মিউজিয়াম, ৫৪ হিলিয়ার্ড স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪-৫১৮-২৮৮৭।
  • আন্ডারগ্রাউন্ড আটলান্টা, ৫০ আপার আলাবামা অ্যাভিনিউ। পুরোটাই মাটির নিচে বানানো এই কেনাকাটা আর বিনোদনের এলাকা দিনের বেলা দোকানপাটে গমগম করে, আর রাতে জমে ক্লাব। তবে সোম থেকে বৃহস্পতিবার এটা বন্ধ হয়ে যায় রাত ৮টায়, আর শুক্র ও শনিবারও খোলা থাকে মাত্র রাত ৯টা পর্যন্ত।
  • আন্ডারগ্রাউন্ড আটলান্টার এক ব্লক উত্তরে কোকের নিয়ন সাইনটা দেখার মতো। এতে সময় আর তাপমাত্রাও দেখায়।
  • কলেজ ফুটবল হল অব ফেম, ২৫০ মারিয়েটা স্ট্রিট এনডব্লিউ (সেন্টেনিয়াল অলিম্পিক পার্ক আর অমনি হোটেলের পাশে। ডোম/জিডব্লিউসিসি/স্টেট ফার্ম অ্যারিনা/সিএনএন সেন্টার স্টেশন বা পিচট্রি সেন্টার স্টেশন থেকে হেঁটে ১০ মিনিট। সিভিক সেন্টার বা ফাইভ পয়েন্টস স্টেশন থেকে ৫২ নম্বর বাস। গাড়ি রাখার জায়গা বেকার স্ট্রিট আর ম্যারিয়েটা স্ট্রিটের মোড়ে), ☏ +১ ৪০৪-৮৮০-৪৮০০। রবি থেকে শুক্র: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা; শনি: সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। এখানে কলেজ ফুটবল মানে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের আমেরিকান ফুটবল। ৯৪,৫২৬ বর্গফুট (৮,৭৮১.৮ মি২) আয়তনের এই জাদুঘরের ৫০,০০০ বর্গফুট (৪,৬০০ মি২) জুড়ে প্রদর্শনী, আর ভেতরে আছে ৪৫ গজের একটা ফুটবল মাঠ। পুরোটাই কলেজ ফুটবলকে ঘিরে, নানা স্মারক আর হাতে-কলমে খেলার মতো প্রদর্শনী দিয়ে সাজানো। বড়দের ২১.৯৯ ডলার, ৩ থেকে ১২ বছরের ছোটদের ১৭.৯৯ ডলার, ৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য বিনা মূল্যে, প্রবীণ আর শিক্ষার্থীদের ১৮.৯৯ ডলার। পার্কিং প্রথম ২০ মিনিট বিনা পয়সায়, প্রথম ৩ ঘণ্টা ১৫ ডলার, তারপর প্রতি ঘণ্টায় ১ ডলার।
  • সেন্টার ফর সিভিল অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস, ১০০ আইভান অ্যালেন জুনিয়র বুলেভার্ড, ☏ +১ ৬৭৮-৯৯৯-৮৯৯০। সোম থেকে শনি: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা; রবি: দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা। এই জাদুঘরে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে, বিশেষ করে পঞ্চাশ আর ষাটের দশকের আন্দোলন। মার্টিন লুথার কিংয়ের ব্যক্তিগত কাগজপত্রের একটা সংগ্রহও এখানে আছে। লাঞ্চ কাউন্টার সিট-ইনের সিমুলেশনটা বাদ দেবেন না। সেকালে শুধু সাদাদের জন্য রাখা খাবারের কাউন্টারে বসে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণেরা যে প্রতিবাদ করতেন, এখানে বসে তার খানিকটা নিজে টের পাবেন। বড়দের ২০ ডলার।
  • জর্জিয়া ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সেন্টার

যা করবেন

  • দ্য ওয়ার্ল্ড অব কোকা-কোলা, ১২১ বেকার স্ট্রিট (জর্জিয়া অ্যাকোয়ারিয়ামের পাশে), ☏ +১ ৪০৪ ৬৭৬-৫১৫১। সোম থেকে শনি: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা (গ্রীষ্মে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত); রবি: সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা। জাদুঘরের বেশির ভাগটাই কোকা-কোলার বিজ্ঞাপনের ইতিহাস নিয়ে। দুনিয়ার সবচেয়ে চেনা ব্র্যান্ডটা কতদূর ছড়িয়েছে, তা টের পাবেন ২০০৭ সালের মে মাসে খোলা নতুন, বড়সড় জায়গাটায়, যেখানে প্রায় সবকিছুই ছুঁয়ে-নেড়ে দেখা যায়। বাচ্চাদের জন্য ভালো। বড়দের ১৬ ডলার, প্রবীণদের ১৪ ডলার, ৩ থেকে ১২ বছরের ছোটদের ১২ ডলার, ৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য বিনা মূল্যে। টিকিটে সব প্রদর্শনী দেখা যায়, আর সঙ্গে পাবেন একটা স্মারক কোকের বোতল। অনলাইনে বুক করলে ১ ডলার বাঁচে, আর নতুন প্রদর্শনীতে ভিড় বেশি বলে ঢোকার একটা নির্দিষ্ট সময়ও পেয়ে যান।
  • জর্জিয়া অ্যাকোয়ারিয়াম, ২২৫ বেকার স্ট্রিট এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৫৮১-৪০০০। রবি থেকে বৃহস্পতি: সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা; শুক্র: সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা; শনি: সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা। দুনিয়ার সবচেয়ে বড় অ্যাকোয়ারিয়াম, ৮০ লাখ গ্যালন পানিতে এক লাখেরও বেশি প্রাণী। এখানে সাঁতার আর ডুব দেওয়ার একটা আয়োজন আছে, নাম "জার্নি উইথ জেন্টল জায়ান্টস"। বন্দি অবস্থায় রাখা তিমি হাঙরের সঙ্গে সাঁতার কাটার সুযোগ দুনিয়ায় আর কোথাও নেই। তিমি হাঙর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাছ। বড়দের ২৯.৫০ ডলার, ৩ থেকে ১২ বছরের ছোটদের ২২ ডলার, ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের ২৫.৫০ ডলার। "জার্নি উইথ জেন্টল জায়ান্টস" ২৩৩ ডলার।
  • স্টেট ফার্ম অ্যারিনা। ৪.৪ একর জায়গাজুড়ে স্টেট ফার্ম অ্যারিনা, আটলান্টার অত্যাধুনিক খেলা আর বিনোদনের কমপ্লেক্স। এটা এনবিএর বাস্কেটবল দল আটলান্টা হকসের ঘরের মাঠ। মেয়েদের লিগ ডব্লিউএনবিএর আটলান্টা ড্রিম দলও আগে এখানে খেলত, পরে তারা শহরতলির কলেজ পার্কে চলে যায়। কনসার্ট আর নানা বড় অনুষ্ঠানও এখানে হয়।
  • সান ডায়াল, ২১০ পিচট্রি স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৫৮৯-৭৫০৬। ওয়েস্টিন পিচট্রি প্লাজার মাথায় ঘুরন্ত রেস্তোরাঁর বারে বসে জর্জিয়া পিচ মার্টিনিতে চুমুক দিন, সূর্যাস্ত দেখুন, তারপর উপভোগ করুন জ্যাজ ব্যান্ডের বাজনা। তবে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের হিসাবে রেস্তোরাঁটা আর ঘুরছে না।
  • আটলান্টা ফ্যালকনস, ১৪১৪ অ্যান্ড্রু ইয়ং ইন্টারন্যাশনাল বুলেভার্ড এনডব্লিউ। আমেরিকান ফুটবল লিগ এনএফএলের দল আটলান্টা ফ্যালকনস খেলার দিনে ভক্তদের জন্য নানা মজার আয়োজন রাখে, আর পরিবার নিয়ে দেখার মতো কম দামের টিকিটের প্যাকেজও আছে। ১৯৯৮ আর ২০১৬ সালের এনএফসি চ্যাম্পিয়ন ফ্যালকনস প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে নতুন মৌসুমের জন্য মাঠে নামে। দলটা এখন খেলে এনএফএলের সবচেয়ে নতুন স্টেডিয়াম মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে। ২০১৭ সালের আগস্টে এটা চালু হয় পাশের পুরোনো জর্জিয়া ডোমের জায়গা নিতে, আর ডোমটা এখন ভেঙে ফেলা হয়েছে। প্রতি বছর এখানে হয় সাউথইস্টার্ন কনফারেন্সের ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ আর পিচ বোল, যেটা কলেজ ফুটবল প্লে-অফের ছয়টা বোল ম্যাচের একটা। ২০১৯ সালের সুপার বোল ৫৩ আর ২০১৮ সালের কলেজ ফুটবল প্লে-অফ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের মতো বড় আয়োজনও এখানে হয়েছে।
  • দ্য ট্যাবারনেকল (দ্য ট্যাবি), ১৫২ লাকি স্ট্রিট এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪-৬৫৯-৯০২২।
  • উডরাফ পার্ক, ৫১ পিচট্রি স্ট্রিট। এই পার্কে আছে আটলান্টার অন্যতম বড় প্রতীক, গাম্বা কুইরিনোর ভাস্কর্য ফিনিক্স রাইজিং ফ্রম দ্য অ্যাশেজ, মানে ছাই থেকে জেগে ওঠা ফিনিক্স পাখি। আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে আবার জেগে ওঠা ফিনিক্স আসলে আটলান্টারই গল্প। গৃহযুদ্ধের সময় শারম্যানের অভিযানে ইউনিয়ন বাহিনী শহরটাকে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছিল, আর সেই ধ্বংসস্তূপ থেকেই আবার উঠে দাঁড়ায় আটলান্টা।
  • ফাউন্ডার্স গ্রিন পার্ক, ১১০ ব্রড স্ট্রিট। ফাউন্ডার্স গ্রিন, ১২৫ ব্রড স্ট্রিট এসডব্লিউ। সাউথ ডাউনটাউনের একেবারে মাঝখানে সবার জন্য খোলা আধা একরের একটা চত্বর। ঢুকতে টাকা লাগে না। একটা বড় পর্দায় নানা অনুষ্ঠান দেখানো হয়, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের খেলাও এখানে সবাই মিলে দেখার আয়োজন হয়। পাশেই এল তেসোরো রেস্তোরাঁ, বাইরে বসার জায়গাও আছে। প্রতি শনিবার যোগব্যায়াম হয়। এটা আটলান্টার প্রথম ওপেন কন্টেইনার এলাকা, তাই আশপাশের রেস্তোরাঁ আর বার থেকে পানীয় কিনে গোটা চত্বরে ঘুরে ঘুরে খাওয়া যায়।

থিয়েটার

  • রিয়াল্টো সেন্টার ফর দ্য আর্টস, ৮০ ফোরসিথ স্ট্রিট, এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৪১৩-৯টিআইএক্সFORMAT। জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ৮৩৩ আসনের মিলনায়তন। এখানে জ্যাজ কনসার্ট, নাচের অনুষ্ঠান আর জর্জিয়া স্টেটের সংগীত বিভাগের পরিবেশনা হয়। আটলান্টা চলচ্চিত্র উৎসবও হয় এখানেই।
  • থিয়েট্রিক্যাল আউটফিট, ৮৪ লাকি স্ট্রিট, এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৫৭৭-৫২৫৭। থিয়েট্রিক্যাল আউটফিট ধ্রুপদি আর সমসাময়িক, দুই রকম নাটকই মঞ্চে আনে, তবে বিশেষ জোর দেয় আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের নিজস্ব সংস্কৃতি থেকে উঠে আসা নাটকে। ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল একে দেশের প্রথম "সবুজ", মানে পরিবেশবান্ধব থিয়েটারের স্বীকৃতি দিয়েছে।

উৎসব ও অনুষ্ঠান

  • সুইট অবার্ন স্প্রিংফেস্ট।
  • ফাউন্ডার্স গ্রিন, ১২৫ ব্রড স্ট্রিট এসডব্লিউ (সাউথ ডাউনটাউনে, মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম থেকে হেঁটে ছয় মিনিট)। আধা একরের খোলা চত্বর, সেখানে স্থায়ীভাবে বসানো আছে বিশাল একটা পর্দা। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের সময় এখানে খোলা আকাশের নিচে বিনা পয়সায় সবাই মিলে খেলা দেখার আয়োজন হয়। সারা বছর পাড়ার নানা অনুষ্ঠানও হয়। চত্বরটা আটলান্টার ওপেন কন্টেইনার বিনোদন এলাকার ভেতরে, তাই আশপাশের বার আর রেস্তোরাঁ থেকে পানীয় হাতে নিয়েই ঢোকা যায়। বিনা মূল্যে।

কেনাকাটা

  • ফাইভ পয়েন্টস স্টেশনের বাইরে বেশ কয়েকজন হকার বসেন। তবে গয়নার মতো দামি জিনিস এখান থেকে না কেনাই ভালো, কারণ সেগুলো নামী ব্র্যান্ডের নকল হতে পারে।
  • আমেরিকাসমার্ট, ২৪০ পিচট্রি স্ট্রিট, এনডব্লিউ। আমেরিকাসমার্টে চারটা ভবন: আটলান্টা গিফট মার্ট, আটলান্টা মার্চেন্ডাইজ মার্ট, আটলান্টা অ্যাপারেল মার্ট আর ইনফোরাম। তবে এগুলো খোলা শুধু ব্যবসায়ীদের জন্য, সাধারণ ক্রেতারা ঢুকতে পারেন না। প্রতি বছর আমেরিকার প্রতিটা অঙ্গরাজ্য আর দুনিয়ার ৭০টার বেশি দেশ থেকে ৪ লাখের বেশি খুচরা বিক্রেতা এখানে আসেন। ঘর সাজানোর জিনিস, উপহার, মেঝের কার্পেট আর টাইলস, আর পোশাক নিয়ে বছরে ১৭টা মেলা বসে।

খাওয়াদাওয়া

  • নো মাস কান্তিনা, ১৮০ ওয়াকার স্ট্রিট। উৎসবের মেজাজে ভরা মেক্সিকান ধাঁচের রেস্তোরাঁ ও পানশালা, বাইরে বসার বড় চত্বর আছে।
  • দ্য মিউনিসিপ্যাল মার্কেট, ২০৯ এজউড অ্যাভিনিউ। সোম থেকে শনি: সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা; রবি: দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা।

কম খরচে

  • দুয়া ভিয়েতনামিজ, ৫৩ ব্রড স্ট্রিট, এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৫৮৯-৮৮৮৯। স্থানীয় লোকজন আর জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীদের প্রিয় জায়গা। এদের বান আর বিখ্যাত ফো, মানে ভিয়েতনামি নুডল স্যুপ নিয়ে সবাই প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
  • হার্ড রক ক্যাফে আটলান্টা, ২১৫ পিচট্রি স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৬৮৮-৭৬২৫। দুনিয়াজোড়া নামকরা চেইনের আটলান্টা শাখা। দেয়ালজুড়ে রক গানের ৩০০টার বেশি স্মারক, আর খাবারে বার্গার, রিবস আর মল্টেড মিল্কশেক।
  • রোজা'স পিৎজা, ৬২ ব্রড স্ট্রিট, এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৫২১-২৫৯৬। ছোট্ট, সাদামাটা পিৎজার দোকান, বাইরে থেকে দেখে বোঝাই যায় না। দুপুরের খাবারের জন্য লোকের খুব প্রিয়। পিৎজা, ক্যালজোনে আর লাজানিয়া পাওয়া যায়। সুন্দর ব্রড স্ট্রিটে যেন একটুকরো "খাঁটি" নিউ ইয়র্ক।
  • থাম্বস আপ ডাইনার, ৫৭৩ এজউড অ্যাভিনিউ, এসই, ☏ +১ ৪০৪ ২২৩-০৬৯০। সকালের নাশতার জন্য বিখ্যাত, প্রায়ই দরজার বাইরে পর্যন্ত লাইন পড়ে যায়। যাওয়ার আগে দোকানের নিয়মকানুনগুলো একবার দেখে নেবেন!
  • গ্লাইড পিৎজা, ১৯১ মিচেল স্ট্রিট এসডব্লিউ। টুকরো হিসেবে পিৎজা বিক্রির দোকান, টপিং বদলায় কিছুদিন পরপর। সবচেয়ে জনপ্রিয় টুকরোটা হট হানি বুরাটা, মানে ঝাল মধু আর নরম বুরাটা চিজ দেওয়া পিৎজা। ভিগানদের জন্যও পিৎজা আছে।

মাঝারি দামে

কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানদের দক্ষিণী রান্না, সোল ফুডের সেরা নমুনা: মুরগি ভাজা আর ওয়াফল

কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানদের দক্ষিণী রান্না, সোল ফুডের সেরা নমুনা: মুরগি ভাজা আর ওয়াফল (ছবি: J. Miers - User: (WT-shared) Jtesla16 at wts wikivoyage, CC BY-SA 4.0)

  • আলমা কোসিনা, ১৯১ পিচট্রি স্ট্রিট, এনই (রিটজ-কার্লটনের পাশে), ☏ +১ ৪০৪ ৯৬৮-৯৬৬২। ডাউনটাউনে সম্প্রতি খোলা ফ্যাশনদুরস্ত রেস্তোরাঁগুলোর একটা, একেবারে পিচট্রি স্ট্রিটের ওপর। লাতিন আমেরিকার উঁচু দরের খাবারের এই নতুন রেস্তোরাঁ ন্যায্য দামের পানীয় আর খাবারের জন্য বেশ ভক্ত জুটিয়ে ফেলেছে।
  • আটলান্টা গ্রিল, ১৮১ পিচট্রি স্ট্রিট, এনই (রিটজ-কার্লটনের ভেতরে), ☏ +১ ৪০৪ ৬৫৯-০৪০০। শিল্পিত, উষ্ণ সাজসজ্জা, মেনুতে স্টেক আর সামুদ্রিক খাবার। মৌসুমে পিচট্রি স্ট্রিটের দিকে মুখ করা বারান্দায় বসে খাওয়া যায়। আরেকটু একান্তে বসতে চাইলে এদের "চিটার'স বুথ" বেছে নিন। নামের মানে "প্রতারকের খুপরি", আর পর্দা টেনে দিলে সত্যিই কেউ দেখতে পাবে না।
  • হার্ড রক ক্যাফে আটলান্টা, ২১৫ পিচট্রি স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৬৮৮-৭৬২৫। দুনিয়াজোড়া নামকরা চেইনের আটলান্টা শাখা। দেয়ালজুড়ে রক গানের ৩০০টার বেশি স্মারক, আর খাবারে বার্গার, রিবস আর মল্টেড মিল্কশেক।
  • স্যুইট ফুড লাউঞ্জ, ৩৭৫ লাকি স্ট্রিট, এনডব্লিউ (জর্জিয়া অ্যাকোয়ারিয়ামের উল্টো দিকে), ☏ +১ ৪০৪ ৫৭৭-২৫০০। সকাল ১১টা থেকে রাত ২টা।
  • ম্যাক্স লাগার'স আমেরিকান গ্রিল অ্যান্ড ব্রুয়ারি, ৩২০ পিচট্রি স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৫২৫-৪৪০০। বিশ শতকের গোড়ার দিকের ১০ হাজার বর্গফুটের একটা কারখানা ভবন। ভেতরে ঢুকলে প্রথমেই চোখে পড়ে তামা আর পিতলের বিয়ার বানানোর যন্ত্রপাতি। বাইরের চত্বর, ডেক আর বড় বড় জানালা থেকে দেখা যায় হার্ডি আইভি পার্ক।
  • প্যাসিফিক রিম বিস্ত্রো, ৩০৩ পিচট্রি সেন্টার অ্যাভিনিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৮৯৩-০০১৮। নানা এশীয় দেশের খাবার, সুশি বার, আর ছাউনি দেওয়া মনোরম বাইরের বসার জায়গা। ডাউনটাউনে বড় হোটেলগুলোর কাছেই।
  • রে'স ইন দ্য সিটি, ২৪০ পিচট্রি স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৫২৪-৯২২৪। জর্জিয়ার স্যান্ডি স্প্রিংসে রে'স অন দ্য রিভার রেস্তোরাঁয় সামুদ্রিক খাবারের ভক্তরা বহু বছর ধরে খেয়ে আসছেন। সেই একই স্বাদ এখন পাবেন ডাউনটাউন আটলান্টার একেবারে মাঝখানে, পিচট্রি স্ট্রিটে নতুন করে সাজানো শাখায়।
  • থ্রাইভ, ১০১ মারিয়েটা স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৩৮৯-১০০০। সেন্টেনিয়াল টাওয়ারে দামি অথচ ঘরোয়া মেজাজের রেস্তোরাঁ। প্রচলিত মার্কিন খাবার, তাতে এশীয় রান্নার ছোঁয়া।
  • এল তেসোরো, ১৭১ মিচেল স্ট্রিট এসডব্লিউ। এল তেসোরো আটলান্টার একটা টাকোর দোকান। এখানে পাবেন টাকো, মার্গারিটা আর মেক্সিকান ধাঁচের নানা খাবার, সঙ্গে পুরোদস্তুর বার। দোকানটার শুরু এজউড পাড়ায়, আর সাউথ ডাউনটাউনের শাখাটাই এখন পর্যন্ত তাদের "সবচেয়ে বড়"।
  • টাইড টেট কিচেন, ২২৯ মিচেল স্ট্রিট, এসডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৯০৭ ৪৪৫২। টাইড টেট কিচেন আটলান্টার একটা থাই রেস্তোরাঁ। থাই ঘরানার রান্নাঘর থেকে আসে স্প্রিং রোল, ডাম্পলিং আর কড়াইয়ে ভাজা নানা পদ। খাবারে যাঁদের অ্যালার্জি আছে, তাঁদের ব্যাপারে এরা খুব যত্নশীল।

বিলাসী

  • মর্টনস অব শিকাগো, আটলান্টা, ৩০৩ পিচট্রি সেন্টার অ্যাভিনিউ (সানট্রাস্ট প্লাজা ভবনে), ☏ +১ ৪০৪ ৫৭৭-৪৩৬৬। শিকাগোর বিখ্যাত স্টেকহাউস। স্টেক, লবস্টার আর বাছুরের মাংস এদের বিশেষত্ব।
  • মিউল ট্রেন, ৮৭ ব্রড স্ট্রিট এসডব্লিউ। দ্য প্লেট সেল নামের অস্থায়ী পপ-আপ রেস্তোরাঁর প্রতিষ্ঠাতাদের দক্ষিণী রেস্তোরাঁ। স্থানীয় উপকরণে তৈরি মেনু মৌসুম অনুযায়ী বদলায়। বিশেষ পদের মধ্যে আছে ভাজা কোয়েল, আর আস্ত রোস্ট করা শূকর আর হাঁস। আসন ৪০টা, পুরোদস্তুর বারও আছে।
  • নিকোলাই'স রুফ, ২৫৫ কোর্টল্যান্ড স্ট্রিট, এনই (আটলান্টা হিলটনের ভেতরে), ☏ +১ ৪০৪ ২২১-৬৩৬২। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) চার ডায়মন্ড পাওয়া জমকালো এই রেস্তোরাঁয় ফরাসি খাবার পাওয়া যায়। নির্ধারিত দামের জনপ্রিয় সেট মেনু আছে, আর আলাদা আলাদা পদ বেছে নেওয়ার ছোট একটা মেনুও। ৩০ থেকে ৫০ ডলার।
  • ট্রেডার ভিক'স, ২৫৫ কোর্টল্যান্ড স্ট্রিট, এনই (আটলান্টা হিলটনের ভেতরে), ☏ +১ ৪০৪ ২২১-৬৩৩৯। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপের সাজে সাজানো এই রেস্তোরাঁয় পাবেন পলিনেশিয়ার খাবার আর মাই তাই ককটেল।
  • নিউ সাউথ কিচেন, ১০০ সিএনএন সেন্টার (অমনি হোটেলের ভেতরে), ☏ +১ ৪০৪ ৬৫৯-০০০০। শুধু সকালের নাশতা আর রাতের খাবার। স্থানীয় বিশেষ পদ চেখে দেখুন, যেমন ভাজা কাঁচা টমেটো, অথবা নানা দেশের রান্নার ছোঁয়ায় তৈরি কোনো পদ। খেতে খেতে চোখের সামনে থাকবে সেন্টেনিয়াল অলিম্পিক পার্ক।
  • দ্য সান ডায়াল, ২১০ পিচট্রি স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৫৮৯-৭৫০৬। পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে উঁচু হোটেল ওয়েস্টিন পিচট্রি আটলান্টার মাথায়, ৭২৩ ফুট উঁচুতে এই রেস্তোরাঁ। এর নামডাক মূলত চোখ জুড়ানো দৃশ্যের জন্য। রেস্তোরাঁর মেঝে ধীরে ধীরে পুরো ৩৬০ ডিগ্রি ঘোরে। পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে, রবিবারের ব্রাঞ্চের জন্য বিশেষ জনপ্রিয়। ঘুরন্ত বারে বসে জর্জিয়া পিচ মার্টিনিতে চুমুক দিন, সূর্যাস্ত দেখুন, তারপর উপভোগ করুন জ্যাজ ব্যান্ডের বাজনা। দুপুরে মূল পদ ১৩ থেকে ২০ ডলার, রাতে ৩০ থেকে ৬০ ডলার। রাতের খাবারে বসতে হলে বিজনেস ক্যাজুয়াল, মানে ছিমছাম ভদ্র পোশাক পরে যেতে হবে।

পানীয়

  • টপ ড্রাফট, ১০০ সিএনএন সেন্টার (অমনি হিলটনের ভেতরে), ☏ +১ ৪০৪ ৬৫৯-০০০০। কোনো সম্মেলনে এসেছেন, খেলা দেখতে এসেছেন, বা শুধু ডাউনটাউন ঘুরে দেখছেন, যা-ই হোক না কেন, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা বা ঘুমানোর আগে শেষ এক পাত্রের জন্য ল্যাটিচিউডস দারুণ জায়গা। কাজের দিনগুলোতে কফি আর পেস্ট্রিও পাওয়া যায়।
  • মিহান'স পাবলিক হাউস ডাউনটাউন, ২০০ পিচট্রি স্ট্রিট (ওয়েস্টিনের পাশে), ☏ +১ ৪০৪ ২১৪-৯৮২১। পাড়ার বারের মতো আন্তরিক একটা আইরিশ বার। ডাউনটাউনে ফুটবল খেলা দেখার সেরা জায়গা।
  • ডের বিয়ারগার্টেন, ৩০০ মারিয়েটা স্ট্রিট এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪-৫২১-২৭২৮।
  • সিস্টার লুইজা'স চার্চ অব দ্য লিভিং রুম অ্যান্ড পিং পং এম্পোরিয়াম, ৪৬৬ এজউড অ্যাভিনিউ এসই, ☏ +১ ৪০৪ ৫২২-৮২৭৫।
  • স্ট্যাটস, ৩০০ মারিয়েটা স্ট্রিট। প্রযুক্তিতে ঠাসা স্পোর্টস বার, খেলা দেখার জন্য ৭০টা এইচডি টিভি। ছাদের ওপরের ডেকেও একটা বার আছে, সেখানে নিজের বিয়ার নিজেই ট্যাপ থেকে ঢেলে নিতে পারবেন।
  • সুগার হিল। হিপহপ আর আরঅ্যান্ডবি ঘরানার সরাসরি গানবাজনা।
  • ব্রুহাউস, ৮৯ ব্রড স্ট্রিট এসডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৫২৫ ৭৭৯৯। ব্রুহাউস ক্যাফে আটলান্টার বহু পুরোনো ফুটবল বার। স্থানীয় ফুটবলভক্তদের আড্ডার জায়গা হিসেবে পরিচিত, নিয়মিত সরাসরি খেলা দেখানো হয়।

থাকার জায়গা

ওয়েস্টিন পিচট্রি

ওয়েস্টিন পিচট্রি (ছবি: AAK, Public domain)

কম খরচে

  • ক্ল্যারিয়ন ইন অ্যান্ড স্যুইটস আটলান্টা ডাউনটাউন, ১৮৬ নর্থসাইড ড্রাইভ এসডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৩৮২-৫২২৭। আগমন: বিকেল ৩টা, প্রস্থান: সকাল ১১টা। ঐতিহাসিক শিল্পকলা এলাকার ভেতরে ডাউনটাউনের একটা হোটেল, ঘর ১৬৮টা। সাধারণ ঘর, ভেতর দিয়ে জোড়া লাগানো পাশাপাশি ঘর, আর বড়সড় কুইন ও কিং স্যুইট আছে। আর্ট গ্যালারি, রেস্তোরাঁ, জর্জিয়া ডোম, ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সেন্টার আর অন্যান্য আকর্ষণ হাঁটা দূরত্বে। তবে বিদেশি পর্যটক হলে মনে রাখবেন, রাতে এলাকাটা নিরাপদ নাও হতে পারে, আর রাতে এখানকার মার্টা স্টেশন ব্যবহার না করাই ভালো। ওয়াইফাই বিনা পয়সায়।

মাঝারি দামে

  • হ্যাম্পটন ইন আটলান্টা নর্থলেক, ৩৪০০ নর্থলেক পার্কওয়ে, ☏ +১ ৭৭০ ৪৯৩-১৯৬৬। আগমন: বিকেল ৩টা, প্রস্থান: দুপুর ১২টা। শহর ঘিরে থাকা আই-২৮৫ বাইপাস সড়কের ধারে। বাকহেড, ডাউনটাউন আর ডিকেটারে সহজে যাওয়া যায়, তাই কাজে আসা আর বেড়াতে আসা, দুই রকম অতিথির জন্যই সুবিধার। পুরোদস্তুর জিম আর খোলা আকাশের নিচে সুইমিং পুল আছে।
  • এমব্যাসি স্যুইটস আটলান্টা, সেন্টেনিয়াল অলিম্পিক পার্ক, ২৬৭ ম্যারিয়েটা স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ২২৩-২৩০০। সেন্টেনিয়াল অলিম্পিক পার্কের উল্টো দিকে, সব ঘরই স্যুইট, আশপাশের আকর্ষণগুলো হাঁটা দূরত্বে। সব অতিথির জন্য বিনা পয়সায় নাশতা, আর সন্ধ্যায় ম্যানেজারের পক্ষ থেকে আপ্যায়ন। হোটেলের ভেতরেই রুথ'স ক্রিস রেস্তোরাঁ, দুপুর আর রাতের খাবারের জন্য।
  • কোর্টল্যান্ড গ্র্যান্ড হোটেল, ১৬৫ কোর্টল্যান্ড স্ট্রিট এনই, ☏ +১ ৪০৪-৬৫৯-৬৫০০।

বিলাসী

  • টুয়েলভ সেন্টেনিয়াল পার্ক হোটেল, ৪০০ ডব্লিউ পিচট্রি স্ট্রিট, ☏ +১ ৪০৪ ৪১৮-১২১২। সব ঘরই স্যুইট। ২৫০ জন পর্যন্ত অতিথির সম্মেলন বা বিয়ের জন্য হলঘর আছে। ১৭৫ থেকে ৩৫০ ডলার।
  • গ্লেন হোটেল, অটোগ্রাফ কালেকশন, ১১০ ম্যারিয়েটা স্ট্রিট এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪-৫২১-২২৫০, নিঃশুল্ক ফোন নম্বর: +১-৮৬৬-৪০৪-৫৩৬৬। ডাউনটাউনের নতুন বুটিক হোটেল। স্টেট ফার্ম অ্যারিনা, জর্জিয়া ডোম আর জর্জিয়া বার কাছেই, আর হাঁটা দূরত্বে জর্জিয়া ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সেন্টার, সেন্টেনিয়াল অলিম্পিক পার্ক, জর্জিয়া অ্যাকোয়ারিয়াম আর ওয়ার্ল্ড অব কোক।
  • হিলটন আটলান্টা, ২৫৫ কোর্টল্যান্ড স্ট্রিট এনই, ☏ +১ ৪০৪ ৬৫৯-২০০০, ফ্যাক্স: +১ ৪০৪ ২২১-৬৩৬৮। আগমন: বিকেল ৩টা, প্রস্থান: সকাল ১১টা। আধুনিক, কেতাদুরস্ত সাজসজ্জা, প্রথম শ্রেণির সুযোগ-সুবিধা, আর ওপর দিয়ে যাওয়া ঢাকা সেতু দিয়ে সরাসরি মার্টা স্টেশনে যাওয়া যায়। বিলাসবহুল এই হোটেলের মাথায় নিকোলাই'স রুফ রেস্তোরাঁ থেকে শহরের যে দৃশ্য দেখা যায়, আটলান্টায় তার চেয়ে ভালো দৃশ্য আর কোথাও নেই। পার্কিং ২১ ডলার।
  • হায়াত রিজেন্সি আটলান্টা, ২৬৫ পিচট্রি স্ট্রিট এনই, ☏ +১ ৪০৪ ৫৭৭-১২৩৪, ফ্যাক্স: +১ ৪০৪ ৫৮৮-৪১৩৭। শহরের দিকে মুখ করা ঘর, যেকোনো উপলক্ষের জন্য অনেকগুলো সভাকক্ষ আর বলরুম, মাঝখানের উঁচু খোলা হলঘরে খাওয়াদাওয়া আর বিনোদন, আর একেবারে মাথায় কাচের গম্বুজের নিচে ঘুরন্ত বার ও রেস্তোরাঁ।
  • দ্য এলিস হোটেল, ১৭৬ পিচট্রি স্ট্রিট এনডব্লিউ, ☏ +১ ৪০৪ ৫২৩-৫১৫৫। দ্য এলিস হোটেলে শুধু নারীদের জন্য আলাদা একটা তলা আছে। ঘর ১২৭টা, তার মধ্যে ১২টা জুনিয়র স্যুইট আর একটা এক্সিকিউটিভ স্যুইট। সব ঘর সাজানো জর্জিয়ার মাটির রং থেকে নেওয়া রঙে। নকশা বুটিক হোটেলের মতো ঝকঝকে, তবে আরামদায়ক আর কাজের।
  • ম্যারিয়ট মার্কুইস, ২৬৫ পিচট্রি সেন্টার অ্যাভিনিউ এনই। ৪৭ তলার হোটেল, ঘর ১৬০০টার বেশি। ভেতরে ১৪৩ মিটার উঁচু একটা খোলা হলঘর, দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়।

নিরাপত্তা

আশপাশের অনেক এলাকার তুলনায় ডাউনটাউন আটলান্টা মোটামুটি নিরাপদ। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ডাউনটাউনে অপরাধ ২০২৫ সালের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। তবু কিছু সাবধানতা মানতে হবে, যেমন রাতে একা চলাফেরা না করা, আর সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে সতর্ক থাকা। পর্যটকেরা বেশি অস্বস্তিতে পড়েন ভিক্ষুকদের নিয়ে, যদিও এরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্ষতিকর নয়। বড় দল সঙ্গে না থাকলে রাতে এই এলাকায় কোথাও হেঁটে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন না। নাছোড় ভিক্ষুক আর ধান্দাবাজেরা প্রায়ই পর্যটকদের কাছে এসে ধরে, কখনো পিছুও নেয়। অতিথিদের অভিযোগ বেড়ে যাওয়ায় ডাউনটাউনের তিনটা হোটেল এ নিয়ে আটলান্টা সিটির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও জানিয়েছে।

এরপর কোথায়

{{#assessment:জেলা|ব্যবহারযোগ্য}}

এই পাতা কোথা থেকে এসেছে

এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “আটলান্টা/ডাউনটাউন” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।

এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।

ЯзыкиবাংলাEnglishItaliano

Лицензия: CC BY-SA 4.0 · По материалам bn.wikivoyage.org

1

0

0

0

Spinner Logo

Комментарии

Spinner Logo
Версия: 1CC BY-SA 4.0
একটি **দলগত ভ্রমণ আয়োজন করা** হতে পারে আপনার কিছু লক্ষ্য অর্জনের সর্বোত্তম উপায়। ## কোথায় যাবেন কখনও কখনও গন্তব্য স্পষ্ট থাকে, যেমন আপনার দল কেবল পুরোনো এলাকা বা একটি নির্দিষ্ট ইভেন্টে আগ্রহী। অন্য ক্ষেত্রে, একটি সাধারণ থিম থাকে যা আপনাকে শুরু করতে সাহায্য করে এবং তখন আপনাকে "চলুন কোথাও একটা সমুদ
Версия: 1CC BY-SA 4.0
পর্যটন ট্রেন
Версия: 1CC BY-SA 4.0
বিমানবন্দরে
Версия: 1CC BY-SA 4.0
গুহা
Версия: 1CC BY-SA 4.0
মানাসলু ট্রেক