Есть что улучшить? Предложите правку.
হ্যারি পটার হলো জে. কে. রাউলিং রচিত একাধিক কল্পকাহিনি উপন্যাস, যেগুলোকে ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে আটটি চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত করা হয়েছিল।
জানুন
হ্যারি পটার-এর কাহিনি গড়ে উঠেছে বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের এক কল্পিত যুক্তরাজ্য-এ, যেখানে কিছু স্থান সাধারণ মানুষদের (যাদের জাদুকরী ক্ষমতা নেই—মাগল) জন্য অদৃশ্য বা অপ্রবেশযোগ্য। সিরিজে উল্লেখিত বেশিরভাগ শহর ও গ্রাম, এমনকি মাগল বসতিগুলোও রাউলিং তৈরি করেছিলেন। তবে এগুলো সাধারণত বাস্তব স্থান থেকে অনুপ্রাণিত, কিংবা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রতিরূপ।

হ্যারি পটার ওয়ার্ডমার্ক (ছবি: Self made., Public domain)
প্রথম বই ও চলচ্চিত্রের নাম যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত সংস্করণে ছিল হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন। এর সাথে যুক্ত ছিল ইউরোপীয় লোককথায় প্রচলিত রসায়নবিদ্যার (আলকেমি) কিংবদন্তি। বলা হতো, ফিলোসফারের স্টোন এক বিশেষ পদার্থ, যা সাধারণ ধাতুকে সোনায় রূপান্তর করতে পারে এবং অমরত্ব দানকারী এলিক্সির তৈরি করতে সক্ষম। নিকোলাস ফ্লামেলকে এই পাথরের আবিষ্কারক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, যা আসলে পরবর্তী যুগের কল্পিত গল্প, তার মৃত্যুর বহু পরে প্রচলিত হয়। তবে আমেরিকান সংস্করণে শিরোনাম পরিবর্তন করে রাখা হয় হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য সর্সারার্স স্টোন। আমেরিকান প্রকাশকের ধারণা ছিল, আলকেমি নিয়ে ইউরোপীয় কিংবদন্তি আমেরিকান পাঠকদের কাছে অপরিচিত, আর "philosopher (দার্শনিক)" শব্দটিকে শিশুরা বিরক্তিকর বা নীরস মনে করতে পারে। তাই এটিকে "sorcerer" শব্দ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়, যাতে এটি আরও জাদুকরী শোনায়। তবে এর ফলে আলকেমি সংক্রান্ত সাংস্কৃতিক উল্লেখ হারিয়ে যায়। এই প্রবন্ধে মূল ব্রিটিশ নাম ও শব্দ ব্যবহৃত হবে।
বইগুলোর অনুপ্রেরণায় বাস্তবের বহু স্থান ভ্রমণ করা সম্ভব। চলচ্চিত্রগুলো মূলত যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ড-এর বিভিন্ন স্থানে চিত্রায়িত হয়েছিল, যা ছিল জে. কে. রাউলিং-এর শর্ত।
২০১৬ সাল থেকে ফ্যান্টাস্টিক বিস্টস: সিক্রেটস অফ ডাম্বলডোর" (চমত্কার প্রাণী এবং তাদের কোথায় পাওয়া যাবে) নামে প্রিকুয়েল চলচ্চিত্র সিরিজ শুরু হয়, যেখানে রাউলিং প্রথমবারের মতো চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেন। সিরিজের প্রথম চলচ্চিত্র অস্কারে শ্রেষ্ঠ কস্টিউম ডিজাইন পুরস্কার জেতে—যা মূল আটটি চলচ্চিত্র কখনো অর্জন করতে পারেনি (যদিও তারা মোট ১২ বার মনোনীত হয়েছিল)। প্রথমে পাঁচটি চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও, তৃতীয় চলচ্চিত্র ফ্যান্টাস্টিক বিস্টস: সিক্রেটস অফ ডাম্বলডোর (২০২২) বক্স অফিসে ভরাডুবি করায় বাকি দুটি চলচ্চিত্র বাতিল করা হয়েছে।
কীভাবে যাবেন
যুক্তরাজ্য
বিস্তারিত জানতে দেখুন "কীভাবে যাবেন" অংশটি।
রাউলিং-এর জোরাজুরিতে মূল আটটি চলচ্চিত্র প্রায় পুরোপুরি যুক্তরাজ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
বিমানযোগে
- হিথ্রো বিমানবন্দর (এলএইচআর আইএটিএ)। যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর, যেখানে চারটি টার্মিনাল (২, ৩, ৪ ও ৫) দিয়ে বহু আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালিত হয়।
অনেক বাস, ট্রেন, কোচ ও গাড়ি ভাড়ার সুবিধা থাকায় এটি ব্রিটেনে ঘোরার জন্য সুবিধাজনক শুরু। বিশেষ করে লন্ডন এলাকার আকর্ষণীয় স্থান যেমন ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিও ট্যুর ও কিংস ক্রস স্টেশন পরিদর্শনের জন্য। এছাড়া, অক্সফোর্ড হিথ্রোর প্রায় ৫০ মাইল (৮০ কিমি) পশ্চিমে অবস্থিত।
- এডিনবরো বিমানবন্দর (ইডিআই আইএটিএ)। বাস ও ট্রাম দিয়ে শহরের কেন্দ্রের সাথে ভালোভাবে সংযুক্ত। এখানে জে. কে. রাউলিং-এর হ্যারি পটার লেখার সময়ের অনুপ্রেরণার অনেক স্থান ভ্রমণ করা যায়।
স্কটল্যান্ডের বেশিরভাগ স্থান উত্তরাঞ্চলে। গ্লাসগো হচ্ছে সবচেয়ে নিকটবর্তী বড় বিমানবন্দর যেখানে গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়।
- গ্লাসগো বিমানবন্দর (জিএলএ আইএটিএ)।
রেলযোগে
লন্ডন সেন্ট প্যানক্রাস আন্তর্জাতিক স্টেশন থেকে প্যারিস গার দ্য নর্দ (উত্তর স্টেশন) পর্যন্ত ইউরোস্টার চলে।
লন্ডন ভিক্টোরিয়া স্টেশন লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের ভিক্টোরিয়া VIC লাইনে অবস্থিত। এখান থেকে কিংস ক্রস সেন্ট প্যানক্রাসে যাওয়া যায় (উভয় রেলস্টেশনের জন্য)। স্টেশন থেকে প্রায় ১০০ গজ (৯০ মিটার) দূরে রয়েছে ভিক্টোরিয়া কোচ স্টেশন, যেখান থেকে ব্রিটেনের প্রায় সব শহরে কোচ চলে।
লন্ডন কিংস ক্রস স্টেশন থেকে লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের পিকাডিলি PIC লাইনে হিথ্রো বিমানবন্দরে যাওয়া যায়। এখান থেকে ডরহাম পর্যন্ত সরাসরি তিন ঘণ্টার ট্রেনও রয়েছে।
ওয়াটফোর্ড জাংশন লন্ডন ওভারগ্রাউন্ড লায়োনেস লাইন (পূর্বে ওয়াটফোর্ড ডিসি) দিয়ে উইলেসডেন জংশন ও লন্ডন ইউস্টন-এর সাথে যুক্ত।
অক্সফোর্ড থেকে লন্ডন মেরিলিবোন-এ সংযোগ রয়েছে।
- এডিনবরো ওয়েভারলি। লন্ডন কিংস ক্রস থেকে সংযোগ রয়েছে। রাউলিং হ্যারি পটার লেখার সময় এখানে যে স্থানগুলোতে থেকেছিলেন, সেগুলোর বেশিরভাগ হাঁটার দূরত্বে। এছাড়া, আলনিক দুর্গ ভ্রমণের জন্য আলনমাউথ পর্যন্ত ট্রেন নিয়ে, সেখান থেকে বাস নেওয়া যায়।
আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র
নীচের ক্লিফ্স অব মোহার তালিকাটি দেখুন।
২০২৩ সাল অনুযায়ী, আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের একমাত্র স্থান যেখানে হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের শুটিং হয়েছে, সেটি হলো পশ্চিম উপকূলে গ্যালওয়ে ও লিমেরিকের মাঝামাঝি ক্লিফ্স অব মোহার।
- ডাবলিন বিমানবন্দর (DUB আইএটিএ)। আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রধান বিমানবন্দর, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের রুটই আছে।
থিমভিত্তিক আকর্ষণ
| “ | রুবিয়াস হ্যাগ্রিড বলেন, হ্যারি একজন জাদুকর। | ” |
|---|---|---|
| —রুবিয়াস হ্যাগ্রিড |
এই সব থিমভিত্তিক স্থানে সুভেনির দোকান রয়েছে, যেখানে আপনি হ্যারি পটার স্মারকসামগ্রী কিনতে পারেন। এ ছাড়া বাস্তব দুনিয়ার বাটারবিয়ার কেবল এই চার জায়গাতেই পাওয়া যায়—বইয়ের মতো নয়, বাস্তবের বাটারবিয়ার অ্যালকোহলমুক্ত।
লন্ডন

ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিও ট্যুর-এর প্রবেশদ্বার (ছবি: Karen Roe from Bury St Edmunds, Suffolk, UK, CC BY 2.0)

দ্য গ্রেট হল (ছবি: Ank Kumar, CC BY-SA 4.0)
- ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিও ট্যুর লন্ডন – হ্যারি পটার নির্মাণের গল্প, ওয়াটফোর্ড, লন্ডনের কাছে, ইংল্যান্ড, ডাব্লিউডি২৫ ৭এলআর। লিভসডেন এক সময়কার একটি বিমান কারখানা যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্র স্টুডিওতে রূপান্তরিত হয়। ২০০০ সাল থেকে এখানেই সব হ্যারি পটার চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। মূল সেট ও প্রপসগুলোর অনেকগুলো সংরক্ষিত আছে এবং এখন প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে দেখা যায়। ওয়েবসাইট থেকে আগাম টিকিট বুকিং অত্যাবশ্যক। £৫৩.৫০ থেকে শুরু।
ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিও ট্যুর ওয়েবসাইট থেকে আগাম টিকিট বুক করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি খুব জনপ্রিয় একটি আকর্ষণ।
ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিও ট্যুরে সহজেই পৌঁছানো যায় ওয়াটফোর্ড জাংশন এবং লন্ডন ভিক্টোরিয়া CIR DIS VIC ট্রেন স্টেশন থেকে নিয়মিত শাটল কোচের মাধ্যমে। যাত্রাপথে টম ফেলটনের একটি পরিচয়মূলক ভিডিও দেখানো হয়, যিনি চলচ্চিত্রে ড্রাকো ম্যালফয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
আপনি নিজের মতো করে বিভিন্ন সেট, পোশাক ও প্রপস ঘুরে দেখতে পারেন। একটি পাসপোর্ট নিয়ে সব এমবসড স্ট্যাম্প এবং লুকানো গোল্ডেন স্নিচগুলো খুঁজে বের করার অভিজ্ঞতাও নিতে পারেন।
স্টুডিওর অভ্যন্তরের খাবারের দাম বেশি, তাই যাওয়ার আগে দুপুরের খাবার খেয়ে নেওয়াই ভালো। অবশ্যই একবার স্বাদ নিন অ্যালকোহলবিহীন মিষ্টি বাটারবিয়ারের, তারপর বাহ্যিক সেটগুলি ঘুরে দেখুন—যেমন ডার্সলি পরিবারের ৪ প্রিভেট ড্রাইভের বাড়ি এবং নাইট বাস।
টোকিও
- ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিও ট্যুর টোকিও – হ্যারি পটার নির্মাণের গল্প, ১-১-৭ কাসুগাচো, নেরিমা (সেইবু লাইন অথবা ওএডিও লাইন সাবওয়ের তোশিমায়েন স্টেশনে নামুন)। ইংরেজিভাষী দেশের বাইরের প্রথম হ্যারি পটার-নির্ভর প্রধান আকর্ষণ। এটি টোকিওর এক উপশহর এলাকায় অবস্থিত।
ইউনিভার্সাল স্টুডিওসে দ্য উইজার্ডিং ওয়ার্ল্ড অব হ্যারি পটার
ইউনিভার্সাল স্টুডিওস পার্কগুলোর থিমভিত্তিক এলাকা:
- ইউনিভার্সাল স্টুডিওস ফ্লোরিডা ও আইল্যান্ডস অব অ্যাডভেঞ্চার, ইউনিভার্সাল অরল্যান্ডো, অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডা।
- ইউনিভার্সাল স্টুডিওস হলিউড, ইউনিভার্সাল সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া।
- ইউনিভার্সাল স্টুডিওস জাপান, ইউনিভার্সাল স্টুডিওস জাপান, ওসাকা, জাপান।
দৃশ্যায়নের স্থান

গ্লেনফিনান ভায়াডাক্টের উপর দিয়ে বাষ্পচালিত ট্রেন (ছবি: Bloodworx, CC BY-SA 4.0)
স্কটল্যান্ড
এডিনবার্গের স্থানগুলোর জন্য দেখুন এডিনবার্গ অনুপ্রেরণা।
এসব স্পটই উত্তর স্কটিশ হাইল্যান্ডস অঞ্চলে; কাছাকাছি বড় শহর গ্লাসগো। সেখানে উড়ে গিয়ে গ্লাসগো বিমানবন্দর থেকে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- গ্লেনফিনান ভায়াডাক্ট, ওয়েস্ট হাইল্যান্ডস। ওয়েস্ট হাইল্যান্ড লাইন-এর বড় একটি রেল ভায়াডাক্ট; একাধিক চলচ্চিত্রে এখান দিয়ে হগওয়ার্টস এক্সপ্রেস যায়। গ্রীষ্মে দ্য জ্যাকোবাইট নামে অনুরূপ স্টিম ট্রেনে ফর্ট উইলিয়াম থেকে ম্যালেইগ হয়ে গ্লেনফিনান পর্যন্ত ভ্রমণ করা যায়।
- গ্লেন নেভিস, ফর্ট উইলিয়াম-এর কাছে। দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্য, যার মধ্যে আছে বেন নেভিস—যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বত। এছাড়া কয়েকটি কুইডিচ দৃশ্যের পটভূমি হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।
- গ্লেনকো। বহু দৃশ্যের পটভূমি; হ্যাগ্রিডের কুটিরের সেটটি ক্লাকাইগ ইন-এর কাছের ঢালে তৈরি করা হয়েছিল।
- ব্ল্যাক রক গর্জ, ইভান্টন, ডিংওয়াল-এর কাছে। সংকীর্ণ, খাড়া দেয়ালবিশিষ্ট একটি গিরিখাত; গবলেট অব ফায়ার চলচ্চিত্রে দেখা যায়।
ইংল্যান্ড

কিংস ক্রস স্টেশন (ছবি: Bert Seghers, CC0)

সেন্ট প্যানক্রাস ইন্টারন্যাশনাল স্টেশন (ছবি: Wei-Te Wong, CC BY-SA 2.0)
লন্ডন
দুটি স্টেশনই উত্তর লন্ডনের ক্যামডেন বরোতে, লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড ও বাসে চমৎকার সংযোগ আছে। আন্ডারগ্রাউন্ডে যৌথভাবে স্টেশনটির নাম কিংস ক্রস সেন্ট প্যানক্রাস CIR H&C MET NOR PIC VIC ।
- ****সেন্ট প্যানক্রাস রেলওয়ে স্টেশন, ইউস্টন রোড, ক্যামডেন, লন্ডন, এন১ ৯এএল। চলচ্চিত্রে কিংস ক্রসের বাহিরের দৃশ্যগুলো পাশের সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশন ব্যবহার করে ধারণ করা হয়েছিল—এটি তুলনামূলকভাবে বেশি জাঁকজমকপূর্ণ, আর কিংস ক্রসের বাহিরভাগ অপেক্ষাকৃত সাদামাটা।
লন্ডন ইউস্টন NOR VIC -ও কাছেই, নর্দার্ন ও ভিক্টোরিয়া লাইনে। হাঁটার দূরত্বে ইউস্টন স্কোয়ার CIR H&C MET থেকে আরও সংযোগ মেলে।
লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের নর্দার্ন লাইন ধরে লন্ডন ওয়াটারলু BAK JUB NOR W&C -এ যান মিলেনিয়াম ব্রিজ দেখতে, এরপর দক্ষিণে গিল্ডফোর্ড ও উকিং-এর দিকে এগিয়ে সারবিটন দেখুন।

মিলেনিয়াম ব্রিজ (ছবি: Jordiferrer, CC BY-SA 4.0)
- মিলেনিয়াম ব্রিজ, সিটি অব লন্ডন/সাউথব্যাংক, লন্ডন, এসই১ ৯জেই (টিউব: ব্ল্যাকফ্রায়ার্স DIS বা সেন্ট পলস CEN , টেট মডার্নের পাশে)। টেমস নদীর উপর একটি পদচারী সেতু। হাফ-ব্লাড প্রিন্স-এর শুরুতে ডেথ ইটাররা আক্রমণ করে এটি ধ্বংস করে দেয়। বিনামূল্যে।
- সারবিটন স্টেশন, দক্ষিণ লন্ডন। আর্ট ডেকো শৈলীর এই দক্ষিণ লন্ডনের স্টেশনটি হাফ-ব্লাড প্রিন্স-এর শুরুর দৃশ্যে ব্যবহৃত, যেখানে হ্যারি ডাম্বলডোরের সঙ্গে দেখা করে। বিনামূল্যে।
অক্সফোর্ড
অক্সফোর্ড শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের কাছে সমান জনপ্রিয়। তাই জনপরিবহনে—বিশেষত লন্ডন থেকে—এখানে সহজে পৌঁছানো যায়। শহরের কেন্দ্র ছোট হওয়ায় অধিকাংশ আকর্ষণ (হ্যারি পটার-সম্পর্কিত হোক বা না হোক) হেঁটেই ঘোরা যায়। ব্রড স্ট্রিটে কয়েকটি হ্যারি পটার ওয়াকিং ট্যুর ও পণ্যের দোকানও আছে।

অক্সফোর্ডের ক্রাইস্ট চার্চের গ্র্যান্ড স্টেয়ারকেস (ছবি: Jonas Magnus Lystad, CC0)

অক্সফোর্ডের নিউ কলেজের ক্লোইস্টার (ছবি: Set in Stone Project, CC BY-SA 4.0)
- নিউ কলেজ, ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড, হোলিওয়েল স্ট্রিট, অক্সফোর্ড ওএক্স১ ৩বিএন, ☏ গ্রীষ্মে +৪৪ ১৮৬৫ ২৭৯২৫৩FORMATNOCC, শীতে +৪৪ ১৮৬৫ ২৭৯৫৫৫FORMATNOCC। ১১টা–৫টা। নামে “নিউ” হলেও এটি অক্সফোর্ডের প্রাচীন কলেজগুলোর একটি (প্রতিষ্ঠা ১৩৭৯)। কলেজের ক্লোইস্টার অংশে হগওয়ার্টসের ক্লোইস্টারের কয়েকটি দৃশ্য শুট করা হয়েছে। ৪ ব্রিটিশ পাউন্ড।
- বডলিয়ান লাইব্রেরি, ব্রড স্ট্রিট, অক্সফোর্ড ওএক্স১ ৩বিজি, ☏ +৪৪ ১৮৬৫ ২৭৭০৯৪। ডিভিনিটি স্কুল অংশটি চলচ্চিত্রে হগওয়ার্টসের হাসপাতাল উইং হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে হ্যারি ও তার বন্ধুরা আঘাতের পর সেরে ওঠে। ডিউক হামফ্রের লাইব্রেরিটিও দেখা যায়।
সড়কপথে: লন্ডন ও বার্মিংহাম থেকে এম৪০ মোটরওয়ে, আর চেল্টেনহাম (এবং কটস্ওয়োল্ডস) থেকে এ৪০। অক্সফোর্ড সিটি সেন্টারে একমুখী সড়ক আর কম পার্কিংয়ের কারণে গাড়ি চালানো কুখ্যাতভাবে ঝামেলাপূর্ণ ও ব্যয়বহুল—তাই ৫টি পার্ক অ্যান্ড রাইডের যেকোনো একটিতে গাড়ি রেখে বাসে ঢোকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
রেলে: শহরকেন্দ্রের অক্সফোর্ড রেলওয়ে স্টেশন-এ লন্ডন প্যাডিংটন থেকে পৌঁছানো যায়। অথবা Oxford Parkway-এ লন্ডন মেরিলিবোন থেকে এসে পাশের ওয়াটার ইটন পার্ক অ্যান্ড রাইড থেকে বাস নিন।
কোচে: লন্ডন ভিক্টোরিয়া থেকে অক্সফোর্ড টিউব সরাসরি Gloucester Green bus station-এ আসে। বিকল্পভাবে, দ্য এয়ারলাইন কোচ সরাসরি লন্ডন হিথ্রো ও লন্ডন গ্যাটউইক থেকে অক্সফোর্ডে যায়।
ওয়েস্ট কান্ট্রি
জে.কে. রাউলিং ওয়েস্ট কান্ট্রিতে বড় হয়েছেন এবং তার লেখায় এই অঞ্চলের প্রভাব প্রবল। হ্যারির মাগল আত্মীয় ডার্সলি পরিবারটির নাম এসেছে গ্লুচেস্টারশায়ার-এর ডার্সলি শহর থেকে। রুবিয়াস হ্যাগ্রিডের আলাদা রকমের ওয়েস্ট কান্ট্রি উচ্চারণটি এক মোটরসাইকেল আরোহীর কাছ থেকে অনুপ্রাণিত, যাকে রাউলিং এক পাব-এ দেখেছিলেন। আর ওয়াইডিন স্কুলে তার রসায়ন শিক্ষক জন নেটলশিপ ছিলেন প্রফেসর স্নেপ চরিত্রের প্রধান অনুপ্রেরণা।
গ্লুচেস্টার গ্লুচেস্টারশায়ারের কাউন্টি টাউন; ক্যাথেড্রালটি শহরকেন্দ্র থেকে হাঁটা দূরত্বে।
| “ | হারমায়োনি গ্রেঞ্জার রক্তলেখাটি জোরে পড়ে শোনান যে, চেম্বার অব সিক্রেটস খুলে দেওয়া হয়েছে—উত্তরাধিকারীর শত্রুদের সাবধান থাকতে বলা হচ্ছে। | ” |
|---|---|---|
| — হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস -এর দৃশ্যে হারমায়োনি গ্রেঞ্জার |

গ্লুচেস্টার ক্যাথেড্রালের ক্লোইস্টার (ছবি: Jeff Buck, CC BY-SA 2.0)
সড়কপথে: বার্মিংহাম থেকে এক্সিটার পর্যন্ত এম৫ মোটরওয়ে-র ধারে গ্লুচেস্টার; পথে থাকা সার্ভিস এলাকাগুলো বিশ্রামের জন্য ভালো। এ৪০ লন্ডন থেকে অক্সফোর্ড ও গ্লুচেস্টার হয়ে ওয়েলস-এর ফিশগার্ড পর্যন্ত গেছে।
রেলে: গ্লুচেস্টার স্টেশনে লন্ডন প্যাডিংটন বা ব্রিস্টল টেম্পল মিড্স থেকে সরাসরি ট্রেন আছে।
বাসে: গ্লুচেস্টার ট্রান্সপোর্ট হাবে লন্ডন ভিক্টোরিয়াসহ নানা জায়গা থেকে বাস ও কোচ আসে।
কপেট হিল সাউথ হেরেফোর্ডশায়ারের গুডরিচের কাছে; রস-অন-ওয়াই থেকে অল্প ৫ মা (৮.০ কিমি) পথ, আর গ্লুচেস্টার থেকে প্রায় ২২ মা (৩৫ কিমি)।
- কপেট হিল (কপেট হিল), গুডরিচ, হেরেফোর্ডশায়ার। ফরেস্ট অফ ডিন অঞ্চলের শুটিং লোকেশন; ডেথলি হ্যালোজ পার্ট ১-এ হ্যারি, রন ও হারমায়োনি যখন হরক্রাক্স খুঁজছিল, সেই অংশের দৃশ্য এখানে ধারণ করা হয়েছে।
সড়কপথে: গ্লুচেস্টার থেকে এ৪০, রস-অন-ওয়াই থেকে বি৪২৩৪।
রাত্রিযাপন: রস-অন-ওয়াই-তে কয়েকটি বি অ্যান্ড বি ও পাব আছে; আরও বেশি পেতে চাইলে গ্লুচেস্টার বা হেরেফোর্ডে থাকুন।
চিপেনহ্যাম-এও লন্ডন প্যাডিংটন বা ব্রিস্টল টেম্পল মিড্স থেকে ট্রেনে যাওয়া যায়। অথবা এম৪০ মোটরওয়ে থেকে ১৭ নম্বর জংশন নিন।

সোমারসেটে ল্যাকক অ্যাবি (ছবি: kitmasterbloke, CC BY 2.0)
- ল্যাকক অ্যাবি, চিপেনহ্যাম, উইল্টশায়ার এসএন১৫ ২এলজি (চিপেনহ্যাম থেকে ৩ মাইল দক্ষিণে)। উইল্টশায়ার কাউন্টিতে ন্যাশনাল ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত সাবেক অগাস্টিনীয় নানাবাস। এখানে হগওয়ার্টসের ক্লোইস্টারের বেশ কিছু দৃশ্য, আর ভেতরের কয়েকটি ঘরে শ্রেণিকক্ষের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। বিনামূল্যে।
সড়কপথে: চিপেনহ্যাম ও ল্যাকক—দুটোই এ৩৫০ ধারে; বোর্নমাউথ থেকে প্রায় ৬০ মা (৯৭ কিমি)।
কোচে: ন্যাশনাল এক্সপ্রেসের চিপেনহ্যাম রুট—নর্থ্যাম্পটন থেকে ব্রিস্টল (৩০২), বাথ থেকে লন্ডন (৪০৩) ও পেনজান্স থেকে লন্ডন (৪০৪)।
বাসে: এক্স৩৪ নামের বাসটি চিপেনহ্যাম থেকে ল্যাকক হয়ে ফ্রম-এ যায়।
নর্থ ইয়র্কশায়ার
গোঅথ্ল্যান্ড নর্থ ইয়র্ক মুরস ন্যাশনাল পার্কের ছোট গ্রাম; হুইটবি থেকে প্রায় ৯ মা (১৪ কিমি), পিকারিং থেকে প্রায় ১৪ মা (২৩ কিমি) দূরে।

গোঅথ্ল্যান্ড স্টেশন (ছবি: Subarite, CC BY-SA 2.0)
- গোঅথ্ল্যান্ড স্টেশন, গোঅথ্ল্যান্ড, হুইটবি ওয়াইও২২ ৫এনএফ, ☏ +৪৪ ১৭৫১ ৪৭২৫০৮। সংরক্ষিত নর্থ ইয়র্কশায়ার মুরস রেলওয়ের একটি স্টেশন; চলচ্চিত্রে হগসমিড স্টেশন হিসেবে দেখা যায়।
সড়কপথে: হুইটবি বা পিকারিং থেকে এ১৬৯ ও কাউ ওয়াথ ব্যাংক ধরে আসুন।
বাসে: ৮৪০ কোস্টলাইনার বাস হুইটবি থেকে।
রেলে: নিউক্যাসল-আপন-টাইন ও মিড্ল্সব্রো থেকে নর্দার্ন রেলের ট্রেন হুইটবি যায়। গোঅথ্ল্যান্ডে সরাসরি যেতে গ্রীষ্মে নর্থ ইয়র্কশায়ার মুরস রেলওয়ে পিকারিং থেকে লেভিশাম, নিউটনডেল, গোঅথ্ল্যান্ড ও গ্রসমন্ট হয়ে স্টিম ট্রেন চালায়; বেশিরভাগ গ্রসমন্টে শেষ হয়, দিনে কয়েকটি হুইটবিতেও যায়।
খাওয়া/পানীয়: গোঅথ্ল্যান্ডে একটি পাব ও একটি টি-রুম আছে।
- গোঅথ্ল্যান্ড টি রুমস। ১০টা–৪:৩০টা। ছোট্ট টি-রুম।
- এডেন্সফিল্ড আর্মস, দ্য গ্রিন, গোঅথ্ল্যান্ড, হুইটবি, ওয়াইও২২ ৫এলওয়াই।
রাত্রিযাপন: গোঅথ্ল্যান্ডে রাত কাটানোর জন্য কয়েকটি ছোট হোটেল ও বি অ্যান্ড বি আছে।
- গ্লেনডেল হাউস বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট, দ্য কমন, গোঅথ্ল্যান্ড ওয়াইও২২ ৫এএন, ☏ +৪৪ ১৯৪৭ ৮৯৬২৮১। আগমন: বিকেল ৪টার পর, প্রস্থান: সকাল ১০টার আগে। গোঅথ্ল্যান্ডের মধ্যে সবচেয়ে সাশ্রয়ী বি অ্যান্ড বি। রাতপ্রতি ৯০ ব্রিটিশ পাউন্ড থেকে।
- দ্য গোঅথ্ল্যান্ড হোটেল, দ্য গ্রিন, গোঅথ্ল্যান্ড ওয়াইও২২ ৫এলওয়াই, ☏ +৪৪ ১৯৪৭ ৮৯৬২০৩। আগমন: দুপুর ২টা, প্রস্থান: ১১টা। বে-উইন্ডোসহ সুন্দর ভিক্টোরিয়ান ভবন।
মাল্হ্যাম খুবই গ্রামীণ ছোট্ট গ্রাম; স্কিপটন থেকে প্রায় ১১ মা (১৮ কিমি), লিডস থেকে প্রায় ৩৮ মা (৬১ কিমি)।

মাল্হ্যাম কোভের চুনাপাথরের পেভমেন্ট (ছবি: Lupin at English Wikipedia, CC BY-SA 3.0)
- মাল্হ্যাম কোভ, মাল্হ্যাম। প্রথম ডেথলি হ্যালোজ চলচ্চিত্রের কয়েকটি দৃশ্য এখানে চুনাপাথরের পেভমেন্টের উপর শুট করা হয়, যখন হ্যারি, রন ও হারমায়োনি হরক্রাক্সের খোঁজে ক্যাম্প করছিল। বিনামূল্যে।
সড়কপথে: স্কিপটন থেকে গ্রামীণ এ৬৫ ধরে আসুন।
বাসে: ২১০ নম্বর বাস স্কিপটন থেকে প্রায় ৩৫ মিনিটে পৌঁছায়।
রেলে: লিডস থেকে নর্দার্ন রেলের ট্রেন স্কিপটনে আসে; সেখান থেকে ২১০ বাস ধরুন।
হেঁটে: মাল্হ্যাম বিখ্যাত পেনাইন ওয়ে হাঁটা পথের ধারে।
উত্তর ইংল্যান্ড
অ্যানউইক (উচ্চারণ: অ্যানিক) একটি শহর যা বারউইক-আপন-টুইডের কাছাকাছি স্কটিশ সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ মা (৪৮ কিমি) মাইল এবং নিউক্যাসল আপন টাইনের প্রায় ৩৫ মা (৫৬ কিমি) মাইল দূরে অবস্থিত।
| “ | তোমার প্রথম উড়ন্ত পাঠে স্বাগতম। কী দাঁড়িয়ে আছো? সবাই বাম দিকে ঝাড়ু নিয়ে দাঁড়াও। চল, দেরি করো না। ডান হাতটা ঝাড়ুর ওপর রাখো এবং বলো, ওঠো! | ” |
|---|---|---|
| —ম্যাডাম হুচ, হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন -এ |
অ্যানউইক ক্যাসল (ছবি: John Firth, CC BY-SA 2.0)

অ্যানউইক গার্ডেনের বিষ উদ্যান (ছবি: Amanda Slater, CC BY-SA 2.0)
- অ্যানউইক ক্যাসল, অ্যানউইক, নর্থাম্বারল্যান্ডে। হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন ও হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস-এ হগওয়ার্টস স্কুলের বাইরের দৃশ্যের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। এখানেই ম্যাডাম হুচের প্রথম উড়ন্ত পাঠ চলাকালে হ্যারি পটার ও ড্রাকো ম্যালফয়ের মধ্যে একটি স্মরণীয় মুখোমুখি হয়। প্রাপ্তবয়স্ক: £১৬.৫০, রেয়াত: £১৫.৭৫, শিশু (৫-১৬): £১০.৭৫, পরিবার: £৫৩ (এপ্রিল ২০২৪ এর মূল্য)।
- দ্য অ্যানউইক গার্ডেন। অ্যানউইক গার্ডেন সরাসরি হ্যারি পটারের সাথে সম্পর্কিত না হলেও, এর বিষ উদ্যান জাদুবিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত ধরা যেতে পারে এবং এটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী উদ্ভিদের সংগ্রহ হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া এটি শিশুদের জন্যও উপযোগী, কারণ তারা ফোয়ারা গুলিতে খেলতে পারে এবং তাদের জন্য সস্তায় ক্যাফে খাবারও রয়েছে।
গাড়িতে: নিউক্যাসল আপন টাইনের দিক থেকে এ১ রোড ধরে আসতে হবে।
রেলে: এডিনবরার ওয়েভারলি স্টেশন থেকে আল্নমাউথ পর্যন্ত বা নিউক্যাসল আপন টাইনের স্টেশন থেকে আল্নমাউথ পর্যন্ত ট্রেনে এসে পরে বাসে করে যেতে হবে।
বাসে: ২০২২ সালের জুলাই মাসের হিসাবে, আরাইভা বাস এক্স১৫ ম্যাক্স নিউক্যাসল আপন টাইনের হেইমার্কেট থেকে প্রতি ঘণ্টায় একবার চলে এবং গোসফোর্ড ও মরপেথ হয়ে ৯০ মিনিট সময় নেয়। কিছু বিকল্প বাস আরও উত্তরে এ১ ধরে বেল (লিন্ডিসফার্নের জন্য), স্ক্রেমারস্টন ও বারউইক-আপন-টুইড পর্যন্ত যায়।
রাত্রিযাপন: অ্যানউইকে বিলাসবহুল আবাসন রয়েছে:
- হোয়াইট সোয়ান হোটেল, বন্ডগেট উইদিন, অ্যানউইক NE66 1TD, ☏ +৪৪ ১৬৬৫ ৬০২১০৯। এই হোটেলটি ১৮শ শতাব্দীর কোচিং ইন-এ অবস্থিত (মানে ওপরের তলায় ওঠার জন্য লিফট নেই)। ঘরগুলো আধুনিক ও মধ্যবিত্ত ধাঁচের, তবে দামটা কিছুটা উঁচু। এর সবচেয়ে বিশেষ দিক হলো খাবার ঘরটি, যা আরএমএস অলিম্পিক থেকে সংগৃহীত আসবাব দিয়ে সজ্জিত। বিছানাসহ প্রাতঃরাশ (ডাবল): £১৭০।
ডারহাম একটি গির্জানগরী যার সঙ্গে অনেক সরাসরি সংযোগ রয়েছে। গির্জাটি নদী ওয়্যারের বাঁকে অবস্থিত এবং ট্রেন স্টেশন থেকে হাঁটাপথেই যাওয়া যায়।
ডারহাম ক্যাথেড্রালের ক্লয়েস্টার (ছবি: Paul Harrop, CC BY-SA 2.0)
- ডারহাম ক্যাথেড্রাল, ডারহাম, কাউন্টি ডারহাম। সোম-শনি সকাল ৭টা-সন্ধ্যা ৬টা, রবি ৫:৩০ পর্যন্ত, জুলাই-আগস্টে প্রতিদিন রাত ৮টা পর্যন্ত। ডারহাম ক্যাথেড্রাল প্রথম দুটি চলচ্চিত্রে কিছু বাইরের দৃশ্য, ক্লয়েস্টার ও ট্রান্সফিগারেশন ক্লাসের দৃশ্য ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রস্তাবিত অনুদান £৩।
রেলে: লন্ডন কিংস ক্রস থেকে সরাসরি ৩ ঘণ্টার ট্রেনে ডারহাম পৌঁছানো যায়। আপনি যদি মালহ্যাম ঘুরে থাকেন তবে লিডস থেকে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের সরাসরি ট্রেনও রয়েছে।
কোচে: কম খরচ করতে চাইলে লন্ডন ভিক্টোরিয়া থেকে ন্যাশনাল এক্সপ্রেস বাস আছে, যদিও এতে ৭ ঘণ্টা একটানা ভ্রমণ করতে হবে। এই সময়ে আপনি একটানা দু’টি হ্যারি পটার চলচ্চিত্র দেখে ফেলতে পারবেন।
ইস্ট মিডল্যান্ডস
হার্ডউইক হল (ছবি: Alan Heardman, CC BY-SA 2.0)
চেস্টারফিল্ড হলো ইস্ট মিডল্যান্ডসের একটি বড় শহর। হার্ডউইক হল একটি ন্যাশনাল ট্রাস্ট সম্পত্তি যা চেস্টারফিল্ড ও ম্যান্সফিল্ডের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং সেখানে পৌঁছাতে গাড়ি লাগে।
আপনি যদি ল্যাকক অ্যাবি এবং অন্যান্য ন্যাশনাল ট্রাস্ট সম্পত্তিও দেখতে চান, তবে এক মাসের জন্য ন্যাশনাল ট্রাস্ট সদস্যপদ নিলে তা তুলনামূলকভাবে সস্তা হতে পারে।
- 'হার্ডউইক হল******, ডো লি, চেস্টারফিল্ড, ডার্বিশায়ার S44 5QJ। **ডেথলি হ্যালোজ চলচ্চিত্রে মালফয় ম্যানরের বাইরের দৃশ্যের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়েছে, যদিও এটি ডিজিটালি পরিবর্তন করা হয়েছিল। প্রাপ্তবয়স্ক: £১৮.৭০, শিশু: £৯.৪০ (অক্টোবর ২০২৩)।
ওয়েলস
ফ্রেশওয়াটার ওয়েস্ট (ছবি: Nigel Davies, CC BY-SA 2.0)
ফ্রেশওয়াটার ওয়েস্ট গ্রামীণ এলাকা এবং সেখানে পৌঁছানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো গাড়িতে যাওয়া। দুটি গাড়ি পার্ক আছে, তবে সার্ফিং মৌসুমে তা বেশ ব্যস্ত থাকে।
- ফ্রেশওয়াটার ওয়েস্ট, পেমব্রোকশায়ার, ওয়েলস (পেমব্রোকের প্রায় ৮ মাইল পশ্চিমে)। এই সৈকত ডেথলি হ্যালোজ-এ কর্নওয়ালের সৈকতের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল, যেখানে ডব্বি হ্যারি ও তার বন্ধুদের মালফয় ম্যানর থেকে পালাতে নিয়ে যায়, যেখানে ডব্বি হ্যারির কোলে মারা যায় এবং পরবর্তীতে তাকে সেখানেই কবর দেওয়া হয়। ফ্রি।
আয়ারল্যান্ড

মোহার পর্বতমালা (ছবি: Manuel Velazquez, CC BY 3.0)
মোহার পর্বতমালা আইরিশ সাগরের দিকে পশ্চিম উপকূলে গলওয়ে ও লিমেরিক-এর মাঝামাঝি, ডুলিনের প্রায় ৭ কিমি (৪.৩ মা) দক্ষিণে অবস্থিত একটি গ্রামীণ এলাকা।
- মোহার পর্বতমালা (আইরিশ: আইল্টে আন মোথাইর)। হাফ-ব্লাড প্রিন্স চলচ্চিত্রে হরক্রাক্স গুহার অবস্থান হিসেবে এই পর্বতমালাকে দেখানো হয়।
সড়কপথে: এন৬৭ সড়ক ধরে গাড়ি চালিয়ে বা গ্যালওয়ে থেকে প্রতিদিন ৬ বার চলাচল করা ৩৫০ নম্বর বাসে যাওয়া যায়।
বিমানপথে: গ্যালওয়ের নিজস্ব কোনো বিমানবন্দর নেই, তবে ডাবলিন থেকে ট্রেন ও বাস সহজলভ্য।
কোচে করে: কোচ ট্যুর অপশনও আছে যা আপনাকে সরাসরি মোহার পর্বতমালায় নিয়ে যায় ও ফিরিয়ে আনে।
খাওয়া-দাওয়া: ডুলিন-এ কয়েকটি আইরিশ পাব রয়েছে, যেখানে খাবার, পানীয় ও লাইভ মিউজিক পাওয়া যায়। কিছু স্থানে কেবল নগদ অর্থ গ্রহণ করা হয়, তাই কয়েকটি ইউরো হাতে রাখা ভালো।
এডিনবরার প্রেরণা
জে. কে. রাউলিং এডিনবরায় থাকাকালীন অনেকগুলো বই লিখেছিলেন এবং শহরের বেশ কিছু জায়গা, বিশেষত ঐতিহাসিক পুরনো শহরের আশেপাশে, হয়তো তাকে প্রেরণা জুগিয়েছিল।
এই সব প্রেরণাদায়ক স্থানগুলো এডিনবরা ওয়েভারলি রেলস্টেশন থেকে হাঁটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত।
- দ্য এলিফ্যান্ট হাউস, ২১ জর্জ চতুর্থ ব্রিজ, ☏ +৪৪ ১৩১ ৪৬৬-০৮৭৩। এই ক্যাফে দাবি করে যে এটি হ্যারি পটার-এর “জন্মস্থান”। রাউলিং এখানে অনেক প্রাথমিক বই লিখেছিলেন।
- ডানডান ডেলিশিয়াস, ৬এ নিকলসন স্ট্রিট, ইএইচ৮ ৯ডিএইচ, ☏ +৪৪ ১৩১ ৫৫৭-৮৯৫২। সোম–শুক্র: দুপুর–রাত ১০টা, শনি–রবি: দুপুর–রাত ১১টা। ম্যান্ডারিন চাইনিজ রেস্তোরাঁ। পূর্বে এটি নিকলসন’স ক্যাফে ও পরে স্পুন ক্যাফে বিস্ত্রো নামে পরিচিত ছিল। এখানেই রাউলিং প্রথম বইটি লিখেছিলেন।
- গ্রেফ্রিয়ার্স কার্কইয়ার্ড (জর্জ চতুর্থ ব্রিজের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ থেকে, জাতীয় জাদুঘরের কাছে), ☏ +৪৪ ১৩১ ২২৫-১৯০০। ঐতিহাসিক কবরস্থান ও চার্চ, এলিফ্যান্ট হাউস ক্যাফের কাছেই। এখানে রয়েছে থমাস রিডেল-এর সমাধি, যা হয়তো ভল্ডেমর্টের নামের প্রেরণা ছিল। কাছেই রয়েছে কবি উইলিয়াম ম্যাকগোনাগালের কবর, যাঁর নামে অধ্যাপক মিনার্ভা ম্যাকগোনাগালের নামকরণ। এছাড়াও এটি বিখ্যাত “গ্রেফ্রিয়ার্স ববি”-র গল্পের জন্য।
- ভিক্টোরিয়া স্ট্রিট (জর্জ চতুর্থ ব্রিজ এবং গ্রাসমার্কেটের মধ্যে)। একটি বাঁকানো পাথর বাঁধানো রাস্তা, যার দুই পাশে উঁচু ভবন এবং নানান রঙের দোকান, ক্যাফে ও পানশালা রয়েছে। এটি সম্ভবত ডায়াগন অ্যালির ভিত্তি।
- জে. কে. রাউলিং-এর হাতের ছাপ (সিটি চেম্বার্স প্রাঙ্গণ, রয়েল মাইল থেকে)। ২০০৮ সালে রাউলিংকে এডিনবরা অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। সম্মানসূচকভাবে তার হাতের ছাপ নিয়ে তা সিটি চেম্বার্সের সামনে পাথরে বসানো হয়েছে।
থিয়েটার

লন্ডনে যুক্তরাজ্যের প্যালেস থিয়েটারে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য কার্সড চাইল্ড (ছবি: LeLaisserPasserA38, CC BY-SA 4.0)
হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য কার্সড চাইল্ড একটি দুই-অংশের নাটক যা লন্ডনের প্যালেস থিয়েটার এবং নিউ ইয়র্কের লিরিক থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়। এছাড়াও হ্যামবুর্গে এবং টোকিওতেও প্রদর্শনী হয়।
নাটকটি সরাসরি হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ-এর পরবর্তী অংশ। প্রাপ্তবয়স্ক ও বাবা হওয়ার পর হ্যারি পটারকে তার অতীতের উত্তরাধিকার ও অভিভাবকত্বের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।
নাটকটি ২ ভাগে বিভক্ত, যা একটানা বা আলাদা দিনে দেখা যেতে পারে। প্রতিটি অংশে ২০ মিনিটের বিরতি থাকে।
প্রথম অংশঃ ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
দ্বিতীয় অংশঃ ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট
এখানে এক্সক্লুসিভ পণ্য বিক্রি হয়। এছাড়া নাটকের স্ক্রিপ্ট যেকোনো বড় বইয়ের দোকান থেকে অথবা ই-বুক আকারে কেনা যায়।
- প্যালেস থিয়েটার, শ্যাফটসবেরি অ্যাভিনিউ, লন্ডন, ডবলিউ১ (টিউব: লেস্টার স্কয়ার PIC NOR অথবা টটেনহ্যাম কোর্ট রোড CEN NOR ELI )। লন্ডনের বিখ্যাত লেস্টার স্কয়ারের কেন্দ্রে অবস্থিত। পাশেই রয়েছে ওডিয়ন সিনেমা হল, যেখানে হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ার হয়েছিল। কিংস ক্রস সেন্ট প্যানক্রাস থেকে প্রায় ২৫ মিনিটে সহজেই পৌঁছানো যায়। প্রতি ব্যক্তির জন্য প্রতি প্রদর্শনীতে £৫০–১৬০ থেকে।
- লিরিক থিয়েটার, ২১৪ পশ্চিম ৪৩তম স্ট্রিট, নিউ ইয়র্ক, এনওয়াই ১০০৩৬, যুক্তরাষ্ট্র (সাবওয়ে: টাইমস স্কয়ার–৪২ স্ট্রিট 1 2 3 7 N Q R W ), ☏ +১ ৮৫৫-৫৫১-৯৭৭৭।
- মেয়ার! থিয়েটার, ব্যাঙ্কস্ট্রাসে ২৮, ২০০৯৭ হ্যামবুর্গ, জার্মানি, ☏ +৪৯ ১৮০ ৬ ৯৩৪৯৩৪।
- আকাসাকা অ্যাক্ট থিয়েটার, ৫ চোমে−৩−২, আকাসাকা, মিনাতো সিটি, টোকিও, জাপান, ☏ +৮১ ৩-৩৫৮৯-২২৭৭।
- উত্তর আমেরিকা সফর। একটি উত্তর আমেরিকা সফরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হবে। যারা নিউ ইয়র্ক সিটির কাছাকাছি থাকেন না তাদের জন্য এটি সুবিধাজনক হতে পারে। তবে তারিখ ও ভেন্যুর তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
কেনাকাটা
ওয়ার্নার ব্রোস. স্টুডিও ট্যুর ও ইউনিভার্সাল স্টুডিও-র আকর্ষণগুলোতে উপহার দোকান আছে। লন্ডনে নিচের দুটি দোকানও আছে:
- দ্য হ্যারি পটার শপ অ্যাট প্ল্যাটফর্ম ৯ ¾, কিংস ক্রস স্টেশন, লন্ডন (টিউব: কিংস ক্রস সেন্ট প্যানক্রাস CIR H&C MET NOR PIC VIC )। নিজের জন্য একটি জাদুদণ্ড, হাউসের পোশাক ও একটি নরম পেঁচা কিনে নিতে পারেন, তারপর একটা ট্রলি হাতে নিয়ে, ট্রাঙ্কসহ একটি ইটের দেওয়াল ভেদ করে হগওয়ার্টস এক্সপ্রেস ধরার ছবি তুলুন। মাগলদের মুদ্রা গ্রহণযোগ্য, যদিও রূপান্তর হার একটু ব্যয়বহুল মনে হতে পারে।
- হ্যারি পটার নিউ ইয়র্ক, ৯৩৫ ব্রডওয়ে, নিউ ইয়র্ক, এনওয়াই ১০০১০, যুক্তরাষ্ট্র। সোম–শনিবার: সকাল ৯টা–রাত ৯টা, রবিবার: সকাল ৯টা–সন্ধ্যা ৭টা। হ্যারি পটার সিরিজের প্রপস দ্বারা সজ্জিত অফিসিয়াল ওয়ার্নার ব্রোস. মার্চেন্ডাইজ স্টোর।
জানুন
পার্সেলটং, যেটি বিভিন্ন চরিত্র সাপেদের সঙ্গে কথা বলার সময় ব্যবহার করে, সেটা অবাক করার মতো হলেও শুধুমাত্র অর্থহীন কিছু নয়—এটি একটি প্রকৃত ভাষা, যেটি চলচ্চিত্রের জন্য তৈরি করেছিলেন ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজের ভাষাবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফ্রান্সিস নোলান। যদিও চলচ্চিত্রে পার্সেলটং ভাষায় সংলাপের পরিমাণ সীমিত, তবুও এর একটি নিজস্ব শব্দভাণ্ডার রয়েছে। অনেক হ্যারি পটার ভক্ত গোষ্ঠী এই ভাষা শেখা ও অধ্যয়নের জন্য যথেষ্ট সময় ও উৎসর্গ করেছেন, এবং অনলাইনে পার্সেলটং ভাষায় অনুবাদ করার জন্য কয়েকটি অনুবাদকও পাওয়া যায়। যেহেতু সাপেরা লিখতে জানে না, তাই পার্সেলটং ভাষার কোনো লিখিত রূপ নেই—এটাও স্বাভাবিক।
আরও দেখুন
জে. কে. রাউলিং পটারমোর ওয়েবসাইটটি পরিচালনা করেন, যা হ্যারি পটার জগতের জন্য উৎসর্গীকৃত। সেখানে অনুরাগীদের জন্য অনেক মজার কার্যকলাপ আছে।

(ছবি: CC BY-SA 3.0)
{{#assessment:প্রসঙ্গ|ব্যবহারযোগ্য}}
এই পাতা কোথা থেকে এসেছে
এই পাতাটি উইকিভ্রমণ থেকে আনা হয়েছে। “হ্যারি পটার পর্যটন” — উইকিভ্রমণ থেকে, এর অবদানকারীদের লেখা, CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সে। এখানে যা বদলানো হয়েছে: পাতা হিসেবে সাজানো; সম্পাদনা-লিংক, মানচিত্র ও তালিকার মেটাডেটা বাদ; প্রতিটি ছবি নিজস্ব লাইসেন্সে, ক্যাপশনে উল্লেখসহ।
এটি এখনও কেউ লেখেননি: এটি নতুন ঠিকানায় রাখা মূল উপাদান, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি সূচিভুক্ত না করতে বলা হয়েছে এবং এ থেকে কেউ আয় করেন না। পাতাটি খালি: দায়িত্ব নিন, তাহলে এটি নতুন করে লেখা ও এ থেকে আয় করা আপনার।
Лицензия: CC BY-SA 4.0 · По материалам bn.wikivoyage.org
1
0
0
0

Комментарии






